বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
শতকোটি দুরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আপনার প্রতি হে নবিয়ে রহমত!
শান্তির অথৈ সরোবরে অবগাহন হোক আপনার হে প্রিয়তম ! প্রভুর সীমাহীন রেযা ও অশেষ রহমতের বারিধারা ঝরে পড়ুক আপনার পাক রওজায়!
প্রভু মহানের শাশ্বতিক অনুরাগ ও ভালোবাসার পুষ্পরাজ ছড়িয়ে পড়ুক আপনার ওপর হে আমার হৃদয়রাজের বাদশাহ!

১.
হে রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
আপনি সৌরভমাখা গৌরবান্বিত এক মরুফুল৷ সৃষ্টিকুলের আপনি অতুলন প্রেমের আধার৷ যে আরবে আগুনগরম মরুসাগর ও কুফুর-শিরকের লাল অগ্নিশিখা ছাড়া মোহময় শীতলতার কোনোও আভাস ছিলো না৷ যেখানে ক্ষণে ক্ষণে কারণে-অকারণে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠতো৷ যেখানে মানুষরূপি হায়েনাদের হিংস্র থাবা গ্রাস করতো দুর্বলকে৷ যে কালে ইনসাফপূর্ণ বিচারব্যবস্থার ছিঁটেফোঁটাও ছিলো না বিরাজমান৷ যেখানে কেবলই রক্তপাত, খুন-ধর্ষণ ও সম্পদ লুণ্ঠনের মহোৎসব ছিলো৷ যেখানে তাগূতশক্তি ও শয়তানিয়্যাতের জয়জয়কার ছিলো৷ সেখানে আপনি এলেন৷ রাশি রাশি সুখ, কাঁড়ি কাঁড়ি পুলক আর প্রলম্বিত সরস বৈভব নিয়ে৷ সুদীর্ঘ কালের অনাচারে পিষ্ট-দলিত এবং পৌত্তলিক অর্ঘ্য-অর্চনার চরম পাপাচারে নিবিষ্ট আরবজাতিকে আপনি তুলে আনলেন সতত আলোকদীপিত বিশ্বাসের তীরে৷ শেখালেন তাদের জীবনের উৎকর্ষতা কিসে৷ বোঝালেন জীবনকালের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী৷ জানালেন তাদের এক আল্লাহ ছাড়া আর কারো ইবাদত শুদ্ধ নয় এবং এ-ও বললেন, এ জীবনের পরে আছে আরো এক শেষ না হওয়া অক্ষয় অবিনশ্বর জীবনকাল ৷ যেখানে একদিকে যেমন নেই আরবের মতো তৃণলতাহীন রুক্ষ, উত্তপ্ত বালিসাগর৷ কিংবা নেই রক্তচোষা হায়েনাদের আক্রমণের ভয়৷ নেই কোনো দুঃখ-বিষাদ এবং মানবিক জটিলতার কোনোও অশুভ লক্ষণ৷ তেমনি অপরদিকে আছে ভয়াবহ অগ্নিগর্ভ৷ ওজনদার মুগুরের এলোপাতাড়ি আঘাত৷ বিষধর সাপ-বিচ্ছু ও কলজে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র হায়েনাদের অবাধ রাজত্ব, হাবিয়া দোজখ৷

হে প্রিয় রাসূল! পৃথিবীর এমন এক অসুরসভ্যতার মাঝে আপনার শুভাগমন ঘটলো, যারা রক্তমাংসে গড়া মানুষ ছিলো বটে, কিন্তু মানুষের সাথে অবজ্ঞা ও হৃদ্যতাহীন আচরণ করা ছিলো তাদের জাতিগত নিয়মবিধি৷ তারা ছিলো ভীষণ রকমে ঝগড়াটে, হিংসুটে ও ভব্যতাহীন অনুদার দু্শ্চরিত্রের অধিকারী৷ অপ্রকৃতিস্থ, খ্যাপাটে স্বভাব, মন্দ আচরণ ও দুর্বৃত্তায়নেও এরা ছিলো বেজায় পটু৷ আপনার আগমন এদের জন্য ছিলো পূর্ণ আশীর্বাদস্বরূপ৷ কিন্তু কেউ কেউ আপনাকে আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করলেও অনেকেই গণ্য করলো তা অপবাদ হিসেবে৷ তারা অস্বীকৃতি জানালো এবং কুফুরকে প্রাধান্য দিয়ে আপনার বিরোধিতায় নেমে পড়লো৷ আপনার অস্তিত্ব বিলীন করতে ষড়যন্ত্রের নীলনকশাঁও এরা পাকাপোক্ত করলো৷ কিন্তু মহান আল্লাহ আপনার সহায় হলেন৷ কুদরতের শক্তিমান হস্ত আপনার সহযোগিতায় প্রসার হলো৷ যে হেদায়াতের প্রোজ্জ্বল মশাল হাতে আপনাকে পাঠানো হয়েছে, তা প্রচারে অদৃশ্যলোক থেকে তিনি ভরপুর সাহায্য করলেন৷ একটা কাফেলা তৈরি হলো৷ ঈমানের রৌশনাইয়ে আলোকিত ছিলো যাঁদের হৃদয়ঘর৷ পরকালমুখী উচ্চাকাঙ্খী উচ্চাভিলাষী এক জানবায সাহাবা কাফেলা৷ ইথার তরঙ্গে তাঁদেরই নামে বয়ে বেড়ায় ‘রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু’৷

২.
সুমন্দ বাতাসের দোলায় আমার কর্ণগহবরে অনুরণিত হয়— যখন থাকি আমি আনমনা, নির্লিপ্ত ও চুপচাপ—হে প্রিয় নবীজি! আপনার বিজয়দীপ্ত কণ্ঠের বিদায়ী ঐতিহাসিক বর্ণমালা৷ যেখানে আপনি শাশ্বত সত্যের ঐশী ধারার জগৎশ্রেষ্ঠ আহবানে জেগে তুলেছেন লক্ষাধিক সাহাবা কেরামের হৃদয়ভুবন৷ উম্মাহর অগ্রবর্তী দলের সোনার মানুষগুলো কেঁপে কেঁপে ওঠে পৃথিবীর সব সুখস্মৃতি ভুলে এবং সংসারজীবনের মায়া, প্রেম ও লালিত্য-মধুরতা পদতলে পিষ্ট করে ছুটে চলেছে দুর্জয়-দুর্নিবার৷ আরবীয় তেজী ঘোড়ার গতিমান দৌড় ও অসমতল এবড়োখেবড়ো পথ, পাহাড়-গিরি-খাদ টপকে যাবার শক্তির চেয়েও উর্ধ্বগতির ঈমানিশক্তি ছিলো তাঁদের অস্তিত্বজুড়ে৷ পৃথিবীর দিকে দিকে ইসলামের অজেয় যাত্রা অব্যাহত রেখে তাঁরা ছড়িয়ে দিয়েছে ঈমান ও বিশ্বাসের সারাৎসার, এবং ইহলৌকিক ও পরলৌকিক অতুল উন্নত জীবনবিভা৷ কুফুরি মতবাদে আচ্ছন্ন পথহারা মানবজাতির হৃদয়ভিটা জয় করে সেখানে রোপণ করেছে তাঁরা বিশ্বাসের অমর অক্ষয় চারাগাছ ৷ যে গাছের শীতল ছায়া সহস্রাব্দব্যাপি বিস্তৃত এবং যে গাছের ফলমূল পচনস্পর্শরহিত৷

হে প্রিয়তম হাবিব! আজ বড়ো আকাল পড়েছে যে—’উসওয়ায়ে হাসানাহ’ (উত্তম আদর্শ)-র অনুসারীদের বড়ো অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে৷ আরবের মূর্তিপূজকদের মতো এখন মনপূজারীর সংখ্যাই বেশি৷ দীন-ধর্মের পরোয়া না করে মানুষ আজ বেদীনের পদলেহনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে৷ ফলে দুর্যোগের ঘনঘটা ও বিপদ-বালার অমানিশা প্রতিনিয়ত হামাগুড়ি দিচ্ছে আমাদের দিকে৷ সেই যে হাদিসের ভাষ্যে আপনি বলেছিলেন, শেষ যামানায় ঈমানের ওপর টিকে থাকা তেমনই কঠিন হবে, যেমন জ্বলজ্বলে অঙ্গার হাতের মুঠোয় রাখা কঠিন৷ এখন বোধ করি সেই যামানাই শুরু হয়ে গেছে৷ একালের সমাজব্যবস্থা ভীষণ অসুখে ভোগা হাড়জিরজিরে এক রুগ্নদেহ৷ একেবারে সান্নিপাতিক অসুখ তাকে আপাদমস্তক গ্রাস করে নিয়েছে৷ এখনকার শাসক হয়ে যান শোষক, মালিক কেমন যেনো হয়ে পড়েন ‘খালিক’৷ ন্যায়-নীতির কোনো বালাই নেই৷ ইনসাফ-ই’ছারে (সুবিচার ও অগ্রাধিকার প্রদান)-র কোনো মানসিকতাই নেই৷ সবখানে জুলুম-অত্যাচারের দিনলিপি৷ সব জায়গায় মানবতার দুর্গত হাহাকার৷

হে সায়্যিদুল মুরসালিন! পৃথিবী ও পৃথিবীর মানুষ বদলে যাবার খবর তো আপনি আগেই দিয়ে গেছেন বড়ো চমৎকারভাবে৷ বড়ো পষ্ট ও সালংকার বর্ণনায়৷ তবুও আমার বলতে ইচ্ছে করছে৷ খুবই করুণকাতর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এখন বিশ্ব৷ একদিকে মানুষের রক্তনদী বয়ে চলেছে অবিরাম৷ রক্তপাত,খুনোখুনি ও নির্বিচার মানবহত্যার পৈশাচিক উৎসব চলছে একদিকে৷ অন্যদিকে ক্ষুধাকাতর কঙ্কালসার হয়ে জীবন্মৃত অবস্থায় এক টুকরো রুটির জন্য হা-হুতাশ করছে বনি আদমের বৃহৎ একটা অংশ৷ আফ্রিকার মানুষগুলো আজ জীবননির্ভরতা হারিয়ে ফেলেছে৷ ক্ষুধা-অনাহার, অসুখ-বিসুখ তাদের নিত্যসঙ্গী৷ ভিক্ষা চাওয়ার জন্যও স্বচ্ছল-সমর্থ মানুষ খুঁজে পায় না তারা৷

অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ লুণ্ঠনের জন্য খ্যাতি রয়েছে একালের শাসকশ্রেণির৷ গরিব ও দুর্বলের প্রতি অবিচারও যেনোতেনো বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে আজ৷ আঁতিপাঁত খোঁজ করেও মানবতা ও উদারনৈতিকতার লেশমাত্র পাওয়া যাচ্ছে না৷ অমর্ষণ, অসহিষ্ণুতা ও ক্ষমাশূন্যতাই যেনো মানুষের প্রকৃত রুচি ও স্বভাব৷ হিংসা, দ্বেষ ও কলহপ্রিয়তা মানুষকে অষ্টপ্রহর আচ্ছন্ন করে রাখে৷ দয়া-অনুগ্রহ, প্রীতি-ভালোবাসা ও পরার্থবন্ধন হারিয়ে গেছে সুদূর অজানায়৷

হে খাতামুন নাবিয়্যীন! কী বলবো এখনকার বিভীষিকাময় পরিস্থিতির কথা৷ পৃথিবীর বুক থেকে ইসলামের নামনিশানা চিরতরে মুছে ফেলবার জন্য সমস্ত কুফুরি শক্তি আজ একজোট হয়েছে৷ প্রিয় বাইতুল মাকদিস— যা ইসলামের প্রথম কেবলা এবং মেরাজের রজনীতে যেখানে আপনার আগমন ঘটেছে খোদ রব্বে কারীমের সুপরিকল্পনায়, সেখানে পূর্বেকার সকল নবী ও রাসূলের সাথে প্রীতিময় সাক্ষাতও হয়েছে আপনার— তা-ও আজ ইহুদি হয়েনাদের দ্বারা অসম্মানিত হচ্ছে৷ যুগ যুগ ধরে সেখানে অনবরত রক্ত ঝরছে, সারি সারি লাশ পড়ছে৷ বাইতুল মাকদিস ফিরে পাওয়ার জন্য মুসলিম ভাইয়েরা দুর্মর আন্দোলনও চালিয়ে যাচ্ছে৷ এই দেখুন, প্রিয় শাম— সিরিয়া, যেখানে আপনিও বহুবার গিয়েছেন ব্যবসার সওদা করতে৷ অঢেল সম্পদ, ইলম ও জ্ঞানের আবাসভূমি,নবী-রাসূলদের স্মৃতিবিজড়িত প্রাচীন ঐতিহ্যের তীর্থস্থান সেই সিরিয়াও আজ বিরান-বসতিশূন্য৷ জায়নবাদের লোলুপদৃষ্টি কেঁড়ে নিয়েছে তার জৌলুস-সম্ভার৷ কাফিরের আঁতাত ধ্বংস করে দিয়েছে তার সরব অবকাঠামো৷ রক্ত ঝরিয়েছে লক্ষ লক্ষ বনি আদমের ৷ উদ্ভাস্তুশিবিরে পাঠিয়েছে হাজার হাজার পরিবারকে৷

প্রায় হাজার বছরের মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল ‘রোসাঙ রাজ’— আজকের ‘রাখাইন রাজ্য’৷ একসময় মুসলমান রাজারাই দাপটের সাথে তা শাসন করেছে বলে সাফ প্রমাণও আছে৷ তবুও মুসলিমরা নাকি এ অঞ্চলে ভিনদেশি-পরবাসী— এ জাতীয় ঠুনকো অভিযোগ উঠিয়ে সেখানেও আমার মুসলিম ভাইবোনদের জবাই করা হয়েছে৷ ইতিহাসের নির্মম, নিষ্ঠুর উদাহরণ রচনা করেছে এইসব ‘অহিংসপরায়ণ’ বৌদ্ধরা৷ তাদের জীবনকে করেছে বিপন্ন৷ ভিটেমাটি ছাড়া করে ঠেলে দিয়েছে আমাদের ছোট্ট এই বাংলাদেশের সীমানায়৷ দুর্বল বাংলাদেশই বা কী করবে? যে নিজেই দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত, সে আবার অন্যের দায় বহন করবে— এই হিম্মত কতটুকুই বা করতে পারে সে? তারপরও বাংলাদেশ তার সাধ্যমতো এই আশ্রয়হীনদের থাকবার ব্যবস্থা করেছে৷ যদিও তারা এখানে অনুভব করে খণ্ডতা, নিঃসঙ্গতা ও পলায়ণপরতা৷

ভূ-স্বর্গ কাশ্মীরী মুসলমানদের বঞ্চনার ইতিহাস তো সুদীর্ঘ৷ যুগের পর যুগ তারা অত্যাচার ও উৎপীড়ণের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত হয়ে আজ তারা একেবারে ছন্নছাড়া৷ হতাশজীবনের লাগাম টানতে টানতে আজ তারা ক্লান্তশ্রান্ত৷ কতো রক্ত আর কতো প্রাণোৎসর্গের নিদর্শন এঁকেবেঁকে বয়ে গেছে হিমালয়ের জলের স্রোতে৷ ‘তবু স্বাধীনতা কভু’ দেয় না ওদের ধরা৷ হিন্দুত্ববাদী ভারতের দখলদারনীতির সর্বগ্রাসী বুলডোজারের সামনে ওরা আজ রিক্ত-অসহায়৷ আরো কতোকাল জানি দাসত্বের জোয়াল কাঁধে বয়ে বেড়াতে হবে ওদের৷
এভাবেই আপনার উম্মতের বৃহৎ একটা অংশকে স্থাণু ও স্থবির করে রাখা হয়েছে৷ এমনতরো পরিস্থিতি যখন দেখি,নির্বিকার হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না৷ মনে মনে শুধু বলি ‘ওয়া ইলাইহি ইউরজাউল আমরু কুল্লুহু’ ‘ওয়া ইলাইহি তুহশারুন’৷

৩.
হে আমার হৃদয়রাজের বাদশাহ! আমি চাই আমার হৃদয়ের আয়নাঘরে কেবল আপনিই বসত করুন৷ আপনার জীবনের দ্যোতনায় জ্বলে উঠুক আমার পঙ্কিল পোড় খাওয়া জীবনের বাতি৷ এই শতচ্ছিন্ন এলোমেলো জীবনের বাঁকে বাঁকে পাখা মেলুক নানা রঙের সরোজ-পদ্ম-কমল৷ আর ঝরে পড়ুক রহমতের অবারিত শিশিরকণা ৷

হে সায়্যিদুল কাওনাইন! আপনার জীবনকালেরও চৌদ্দশ বছর পর এই পৃথিবীতে আমার জন্ম৷ আপনাকে দেখিনি, আপনার সুদর্শন চেহারার অপার্থিব জ্যোতির্ময়তা এ অধমের গায়ে মাখতে পারিনি৷ তাই বলে কি স্বপ্নেও আপনার সাক্ষাত লাভে ধন্য হতে পারবো না? হে প্রেমের আধার! স্বপ্নযোগে আমি আপনার সাক্ষাত পেয়ে ধন্য ধন্য হতে চাই৷ কী ভাগ্যবানই না তাঁরা, যাঁরা স্বপ্নের দীপ্তিচোখে তৃপ্তি ভরে দেখেছে আপনাকে৷ অনিমিখ চেয়ে থেকেছে আপনার দিদারের পূর্ণমধু চাখতে৷ হে ইমামুল আম্বিয়া! কী বলবো আর! ভাষা তো নেই৷ ঈমানের কমজোরি আর পাপতাপের মজবুতি মাঝে মাঝেই আশাহত করে৷ নিরাশার কুয়াশা ছড়িয়ে পড়ে চোখজুড়ে৷ তাই শাফায়াতের ফরমান জারি হলে ভুলে যাবেন না অধম গুনাহগার এই উম্মতকে৷

আসসালাতু ওয়াসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ!

আসসালাতু ওয়াসসালামু আলাইকা ইয়া হাবীবাল্লাহ!

ইতি.
আপনার নীচতর এক উম্মত
মাহমুদ আল হাসান
ঢাকা, বাংলাদেশ

(এই চিঠি প্রিয়তম হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি)