মানুষের হাহাকারে

মানুষের হাহাকারে ঝরে যায় রেণুময় আশার কোরক
ফুটতে পারে না ফুল। কুঁড়িরা বিস্ময়াবিষ্ট হয়ে
অবগুন্ঠিত হয়েই রইলো বেরুবার সাহস পেলো না
আজ অবধি। ভোরের শিশির ঝরে না ভয়ে ত্রাসে,
ধমকের রৌদ্রে
শুকিয়ে কেন যেন জল কাঠ হয়ে যায় তা বুঝার ইয়াত্তা থাকে না।
ত্রাহিত রৌদ্রের জল দ্বারা প্রকৃতির লতা গুল্মের কোন উপকারতো
হয়েই না, তার ত্রাহিত জল দিয়েও তৃষ্ণা মেটানো
যায় না যায়নি যাবেও না।নিঝুম নীরবতায় দিগন্ত থেকে দিগন্ত আবছা আঁধারের ন্যা য় পড়ে
থাকে।এখানে দিনের সূর্য বহুদিন থেকে উঁকি মেরে
কোথাই হারিয়ে গেছে কেউ তার খোঁজ পায়নি।
মৃদু মৃদু আলো আর আঁধারেই তাই দিবসের সময়
কাটে রাত্রির প্রহারে।প্রতিটি ক্ষণেই মানূষের হাত
হতে নেমে আসে মাদকের বোতল কিম্বা ড্রাগসহ
আরো কতো কি কতো রঙিন শকট, রঙে রঙিন
কতো চেনা অচেনা মানুষ।ওরা অনেকেই আমাদের
বরীষ্ঠদের লালিত সজন,স্নেহের ছোট ভাই ও
ভালোবাসার বন্ধনে বন্ধিত যুগের সেরা তারুণ্যদ
যাদের গলায় সময়ের ফুলের তোড়া ঝুলে হাতে
তালির খৈ ফুটে। জীবনের স্বপ্ন কখনো পূরণ হয়
আবার কখনো চিরতরে হারিয়ে যায় একটু বাঁক
নিলে।সবলতার শক্ত চাঁচে কেউ কেউ ঠিকই সজীব
ও সতেজ হয়ে ওঠে আপন বলয় বিনির্মাণে।চোখ
রাঙিয়ে শ্রদ্ধার পাত্রকেও ডিঙিয়ে ওঠে যায় উপরে
যেখানে বাঁধার প্রহরী হয়ে থাকে খামুশ রক্ত শৃন্যু
একজন অসহায় রোগী।এইভাবেই সিঁড়ির পর সিঁড়ি ধাপের পর ধাপ সে ডিঙিয়ে যায়
যেতেই থাকে।তার বাহুতে থাকে অত্যারধুনিক অস্র যা দিয়ে
সে নিমিষেই জখম করে দিতে পারে তার প্রতিদ্বন্দ্বী
কিন্তু সে তা এখন করে না, সময়ের জন্যন সময়
গুণে।নেতাও তার সকাশে ভোরের জীবন্ত ফুল এনে তাকে শুকোয়,তার গায়ে ছিটিয়ে দেয় যেন
নব বিবাহিত পুত্রের ঘরে ভালোবাসায় কাটানো
বাসর রাত। মানুষের মনের জমিনে এখন আর কোন ফসল জন্মিতে চায় না শুধু হিংস্রল ত্রাসের
কারণে।আহত মন কতবার কতো জায়গায় স্ট্রোক
করে বেহুঁশে হুঁশ হারায় মমতার নিষ্ঠুর কষাঘাতে।
স্নেহের বন্ধন ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে স্বার্থের আঘাতে।
চারিদিকের সব চেনা মুখগুলো কেন যেন পর হয়ে
গেছে খাঁটি ও শুদ্ধ বাক্যো বাণে।সঠিকতার ধার ধারে না এখন আর কেউ কোনজন কেননা
যে পৃথিফীতে এক দিনের বদৌলতে দুই বছর থাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
বন্ধ সেখানে বই পড়বেওবা কেন শিখবেইবা কেন?
তাই সঠিকতার উপরেই চলছে গালমন্দ ইচ্ছায়
আনিচ্ছায়।এরা সবাই স্বল্প শিক্ষিত ভালোবাসার
মানুষ আমার তোমার তাহাদের।কথায় কথায়
ওরা এও বলবে তোমার আমার জানা নাই কিন্তু
তার ও তাদের যে সবই ভুল তা কিন্তু তারা ভূল
দিয়েই শুরু করে। নিশ্চয়তার বুকে বিশ্বাসী ছোরা
চালানো হচ্ছে নিয়ত প্রতিনিয়ত।ভালোবাসাকে
করে তুলেছে নি;স্ব।তারুণ্যে র জয় ধ্বণি অকর্মতার
গ্রাসে নিহত প্রায়। ইন্টারনেটের উন্নতিতে সারা পৃথিবী এগিয়ে গেছে
জ্ঞান গর্বে কিন্তু আমার আমাদের তার ব্যাতিক্রম হয়েছে।আমাদেরকে
শুধু শুয়িয়ে শুয়িয়ে আমাদের জীবনকে করেছে কর্মবিমুখ,আমাদের আধিকার থেকে আমাদেরকে
করেছে বঞ্চিত তাই স্বাধিকার আর মৌলিক অধিকারের মধ্যেক
এখনকার তারুণ কোনটা কি ও কি জন্য তার মৌলিকতাই খুঁজে পায় না।
ওদের চোখ এখন সত্যািনুসন্ধানী না হয়ে গোবরের কাছে মাথার মগজ ঠাঁই হয়ে আছে।মন্দের সয়লাবে সত্য রা হয়ে
গেছে নাকি জামাত ইসলাম।ওদের নারঙী বনের ঘ্রাণে চাকরি হারায় সময়ের
শ্রেষ্ঠ কবি কিন্তু মুজাহীদ হার মানে না হার মাননি,শির নত না করি
চলে গেছে তাঁরই অমরাবতীর পোমপাস স্থানে
যদিও বন্ধু বেনজিরের নিদ্রিত পাশে চিরনিদ্রিত রয়েছেন কবি।জানি ইয়াজুজ মিয়াজুজ হয়ত
চলেই এসেছে,তাই বলে সব স্রোতে জীবনের সকল
নৌকো কিন্তু সব দিকে চালানো যাবে না।বিশালের
আশায় গিলে ফেলতে পারে নৌকোসহ আমাকে
তোমাকে হয়ত তাদেরকে নয় কিন্তু মনে রেখো
স্বাধীনতার সৃর্য নবাব থেকে শুধু মীরজাফরের
কারণেই হরণ হয়নি তাতে ছিলো ঐ পারিষদের সমস্ত হিন্দু যারা ব্রিটিশদের হাতে হাত মিলিয়েছে।
……………………………………………

তুমি আমার সব

আমার কথায় আমি তোমাকে ডাকি
রাত্রি দিন গায় গান যেমন বনের পাখি
আমার আরজি তো শুধু তোমার কাছে
মোক্কেল যেমন উকিলের কাজে আসে
দু;খ বিষাদ তোমারি কাছে রাখি
সুখ দু:খ আনন্দে তোমাকেই ডাকি।।

নিশিথের ঐ চোখ নিমিশেই গলে যায়
চোখ ভরে ঝরে জল পাপের বোঝায়
ডাহুক পাখিও ডাকে সরারাত ধরি
পুত্র হারা জননীর রোনাজারি
বাতাসের শোন শানে জাগে আঁখি
তোমারি নাম ডাকে সবাই দেয় না ফাঁকি।

মনের বেদনা যতো প্রকাশ করি
চাওয়া আর পাওয়াতে আশা তো করি
নিরাশ হইনা আমি কলো না তুমি
তোমার দয়ায় যে বেঁচে আছি আমি
যা কিছু থাকে ভয় ডর নয় অভিমান
কোনদিন তাই তো করোনি অপমান
তোমায় নিয়ে আমি তোমাকে আঁকি।
প্রাণের শোণিত ধারায় তোমায় ডাকি
……………………………………………

তুমি আমার সব

আমার কথায় আমি তোমাকে ডাকি
রাত্রি দিন গায় গান যেমন বনের পাখি
আমার আরজি তো শুধু তোমার কাছে
মোক্কেল যেমন উকিলের কাজে আসে
দু;খ বিষাদ তোমারি কাছে রাখি
সুখ দু:খ আনন্দে তোমাকেই ডাকি।।

নিশিথের ঐ চোখ নিমিশেই গলে যায়
চোখ ভরে ঝরে জল পাপের বোঝায়
ডাহুক পাখিও ডাকে সরারাত ধরি
পুত্র হারা জননীর রোনাজারি
বাতাসের শোন শানে জাগে আঁখি
তোমারি নাম ডাকে সবাই দেয় না ফাঁকি।

মনের বেদনা যতো প্রকাশ করি
চাওয়া আর পাওয়াতে আশা তো করি
নিরাশ হইনা আমি কলো না তুমি
তোমার দয়ায় যে বেঁচে আছি আমি
যা কিছু থাকে ভয় ডর নয় অভিমান
কোনদিন তাই তো করোনি অপমান
তোমায় নিয়ে আমি তোমাকে আঁকি।
প্রাণের শোণিত ধারায় তোমায় ডাকি
……………………………………………

সকলই তোমার দান

পাহাড়কে বলে যদি ঝর্ণা থামানো যেতো,
পৃথিবীতে মানুষ অহংকার বেশি দেখাতো।
তবুও মানুষ আল্লাহর নিয়মের বাইরে চলে,
ক্ষমতার অপব্য বহার করে থাকে কৌশলে।
মিথ্যেরর বেসাতি দিয়ে আবার সৎ মানুষকে,
এ্য্টর্নিজেনারেল শক্ত করে বিচারকের হাতকে।
প্রতিবাদী সুরকে বন্ধ করে দেয় প্রতিনিয়ত,
আশা’র বকুল ঝরে যায় পথে তাই যে নিয়ত।
নদী ও সাগরের যতো শান্ত অশান্ত ঢেউ,
গুণতে পারার সাহস করেনি তো আজো কেউ।
পাখিদের নীড়ে ফিরা ও আসা থামে না যেমন
আমাদের পথ চলা আমৃত্যু্ থাকে যে তেমন,
প্রকৃতির আলো বাতাস দিয়ে আমাদের রাত্রিদিন।
বাঁচিয়ে রেখেছেন তিনি আমাদেরকে চিরদিন,
শোকরিয়া তাই তোমারি প্রতি রাব্বুল আলামিন।
ফুলে ফলে ভরে দিয়েছো এই সোনালী জমিন।
……………………………………………

পরাধীনতা

পরাধীনতার শিকল ভেঙে
এনেছি স্বাধীনতা,
মুক্ত আকাশে উড়তে গিয়ে থাকবে না
আর কোন বাধকতা—-
এনেছি স্বাধীনতা
এনেছি স্বাধীনতা।।

আমার কথা বলতে গিয়ে
হবো না আমি লাঞ্চিত,
সবাইর কথা বলবেই সবাই
হবে না কেউ বঞ্চিত।
কেন স্বাধিকারের কথা যায় না বলা
এ কোন পরাধীনতা—–“
এনেছি স্বাধীনতা।।

অবগুন্ঠিত ফুলের কোরক
ফুটতে যখন চলে,
মৌমাছিদের ঐ আনা গোনায়
মানুষের চোখ খোলে।।

উদার জমিনে চলছে সবাই
কেন যে আমরা বন্দি,
ঈমানদারের পথ আগলিয়ে ধরা
মুনাফিকের নয় ফন্দি?
ঝড়ের গতিতে হারিয়ে যেতে পারে না
আমাদের মানবতা—“
এনেছি স্বাধীনতা
এনেছি স্বাধীনতা
……………………………………………

তারুণ্যে র জয় ধ্বণি

তরুণের পদ ধ্বণি শুনিনা এখন,
বেসাতির পথে চলা করেনা বারণ।
ফেইসবুকে ঢুকে থাকে সারাদিন,
খেলাধূলা ছবি দেখে হয়ে যায় ঋণ।
ভুল লেখে ওরা সারা দিন রাতে,
অথচ অভিধান রয়েছে হাতের সাথে।
দেখবার সময় তাদের হয় না মোটেও,
খাওয়া দাওয়ায় সময় নেয় কম তবুও।

হারিয়ে গেছে মনের শক্তি তাদের,
মন মরে গেছে আসলে যাদের।

ওরা এখন ন্যা য় চিনেনা বই পড়েনা বলে,
অন্যােয় কি দিয়ে তেরী হয় জানেনা সকলে।
প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেই আসবে পাস,
করোনা এনে দিয়েছে তাদের সর্বনাশ।

এক্সামিনারের হাতে ফেল যদিও করে,
হেড এক্সামিনার উপরের নির্দেশে ঠিকই ধরে।
পাস তাদের নিশ্চিত হয়ে যায় বয়ে যায়,
যা কিছু দরকার তাদের থেকে করে নেয় আদায়।

শুধু জ্ঞানের অভাবেই হচ্ছে সর্বনাশ,
শুধু পড়ালেখা নেই বলেই পড়ছে লাশ।

চোখের সামনে মাস্তান বোনের ইজ্জত লুটে,
হুংকার ধ্বণি শুনে কেউ আসে না ছুটে।

তারুণ্যনকে জাগতে হবে জাগাতে হবে,
ম্রিয়মান জনতাকে জাগাতেই হবে।
তারুণ্যে র হুংকার যদি শুরু হয়,
বাহাদুরি চলে যাবে অসত্যেের হবে ক্ষয়।

তারুণ্যিই ভেঙে আবার বিনির্মাণ করে,
নতুনের আহ্বানে তাঁরা হৃদয় ভরে।
বাঁধার পাহাড় ভেঙে দিতে পারে তাঁরা,
ঐক্যেরর আহ্বানে তাই পড়ে যায় সাড়া।
তাঁরাই শুকনো জমিনে জলের প্লাবন এনে দেয়।
অনাবাদী জমিন তাই দিয়ে ফসল ফলায়।
তাঁরাই বুভূক্ষু মায়ের মুখে অন্ন তোলে দিতে পারে,
তাঁরাই অসহায় মানুষের সহায় হতে পারে।
নির্যাতিতের পাশে দাঁড়ায় শুধু তাঁরাই,
বিপন্ন মানবতার পাশে থাকে শুধু তাঁরাই।
……………………………………………

বাতাস মেঘের খেলা

আকাশ জুড়ে মেঘের খেলা
সূর্য দেখি না যাচ্ছে বেলা।
গুড়ুম গুড়ুম ডাক শুনা যায়,
মাঝে মাঝে বিদ্যুঘৎ চমকায়।

ভয়ে কাঁপে মানুষ পাখি,
তবু মানুষ দেয় যে ফাঁকি।
হঠাৎ যখন আসে বৃষ্টি,
বাড়ির পথে দেয় যে দৃষ্টি।

প্রবল বাতাস ছুটে যখন,
ভয়ে কাঁপে মনটা তখন।
কেমন জানি আছে বাড়ি,
ছুটতে হবে তাড়াতাড়ি।

বৃষ্টি বাতাস থামলে পরে,
যায় ছুটে যায় সবাই ঘরে।
হুমড়ি পড়ে বসে সেথায়,
শোয়ার স্থানটি আছে যেথায়।

কাদা মাটি লেগে পায়ে,
ওঠে মানুষ নৌকো না’য়ে।
বৈঠা চালায় ধীরে মাঝি,
কাজে থাকে বিয়ের কাজী।
……………………………………………

নওরোজের আর্তনাদ

বাঁশের বেড়া কঞ্চি বাঁকা
নতুন লাগে কবর,
চিৎকার করে কাঁদছে নওরোজ
নিচ্ছে বাবার খবর।

শহীদ বাবার ছোট্ট ছেলের
বিশাল আর্তনাদে
চারিদিকের মানুষগুলো
বুক ফাটিয়ে কাঁদে
বাবার জন্যয় কাঁদছে নওরোজ
হয় না তাহার সবর।

গাছগাছালির পাখি সবাইওলো
নীড়ে মাতম করে,
ফুলের রেণু ফুটছে না আজ
অশ্রু সবাইর ঝরে
আকাশ বাতাস হচ্ছে ভারি
বসত বাড়ি ও ঘর।
……………………………………………

বেলা অবেলায়

কষ্টের প্রহারে ক্ষত বিক্ষত হয় বুক,
বৈরী বাতাসে কেড়ে নেয় ভালোবাসার সুখ।
যাহার টানে মুখর থাকে এই হৃদ ভূমি!
অথচ সেই ঠোঁট কিন্তু যায় না হৃদয় চুমি।

অপেক্ষার প্রহর কাটে নীরবে আমার,
আসি আসি বলে আসা হয় না তোমার।
ভোরের অপেক্ষায় থাকে গানের পাখি,
এখনও সুবিহ্ সাদেকের রয়েছে অনেক বাকি।

অনিন্দ্য ভালোবাসার জন্যর অপেক্ষায় থাকি,
দিনের শেষে জলে ভরে যায় দু’টি আঁখি।
রাগ বিরাগ যদিও থাকে দিন প্রতিদিন,
এই মন থাকে যেন তোমার সাথে নিশিদিন।

নিষ্ঠুরতা কখনও আসে না এই মনে,
মমতার ফল্গুধারা বহে সদাই এই প্রাণে।
কি যে এক আকর্ষণে থাকি সারাক্ষণ,
বুঝাতে পারি না তা বুঝে না এই মন।

হয়তো বা দেখা হবে না আর কোন দিন,
স্মৃতির নস্টালজিয়া জি’য়ে থাকবে চিরদিন।
ভালোবাসতে বাসতে হয়ে গেছি খুন,
হৃদ দেয়ালের শৈল্পিক চিত্রে লেগে গেছে ঘুন।

হয়তো বা তারা ভরা রাতের জোছনা মেলায়,
মেতে ওঠা হবে না দু’জনের হাসির খেলায়।
যতই দূরে থাকো তুমি দূর নীলিমায়,
হৃদয় প্রকোষ্ঠে থাকবে তুমি বেলা অবেলায়।
……………………………………………

চলছে ট্রেন অবিরাম

জীবন নামের রেল গাড়িটা
ছুটে চলছে অবিরাম,
সব স্টেশনে থামে না সে
যদি না হয় সবিরাম—
চলছে ট্রেন অবিরাম।।

দিবস নিশি চলে যে সে
যেভাবে পায় নির্দেশ,
নিজে নিজে থামে না সে
হয় না কোন বিদ্বেষ।
পরিস্থিতির কারণে যে
যাত্রী টানলে শিকল,
হঠাৎ করে থেমে যায় সে
হয় না তবু বিকল।
আবার গাড়ি চলতে থাকে
যাত্রী নিয়ে অবিরাম——
ছুটে চলছে অবিরাম।।

কতো যাত্রী ওঠে নামে
ব্যেস্ত থাকে সবাই,
নিজের খবর নিয়ে আবার
ফোনটা করে সদাই।
টিকিটবিহীন যাত্রীরা সব
গাড়ির ভিতর পালায়।
ধরা খাইলে জেল জরিবানা
টিকে না তা মালায়।
লাইনের ভুল করলে ড্রাইভার
মৃত্যুি হয় অবিরাম—-
ছুটে চলছে অবিরাম।।