নীল আকাশ

আকাশ জোরা পৃথিবী আমায় উদাসী করেছে মন
নীল আকাশের মধো আছে অনেক আপন জন
চন্দ্র সূয্য গ্রহ তারা আকাশের বুকে থাকে
তাদের আলোয় আলোকিত হয় নীল আকাশের নীচে
বৃক্ষ যেমন ছোট থেকে বড় হতে চাই
ভূমির উপর মানুষ তেমন উন্নতি হতে চাই
থাকতে হবে জগৎ জুরে নীল আকাশের নীচে
সংকল্প মোর সত্য হল জীবন বাজি রেখে
খোদার লেখা এমন জগৎনাইকো কোথায় ও পর
নীল আকাশের মেঘাচ্ছন্ন বয়ছে ভূবন ভর
কোখনো কালো কোখনো ঘন কোখনো নীলা ভূবন
অন্ধকারাচ্ছ ভূবন আলোকিত নীলা ভূমি
আপাত দৃষ্টিতে তাদের দেখিতে দ্বীমুখ
ভেদাভেদ নাইকো তাদের পরহিত সহানু ভুত।
করতার পাতায় এমন ছিল নীল আকাশের ভর:
ধন্য হল জীবন মরণ নীল আকাশের পথ।
…………………………………………..

করোনা ভাইরাস

ওহে এ করোনা
পথটি তোমার যে দিকে যায়,
সেই দিকেই কি ছলনা।
মনটা তোমার কয় দিকে যাই,
একটু খানি বলনা।
লাক্ষ কোটি লোকের ভীরে,
দেশ-বিদেশে চলচ্ছ ফিরে,
কিসের এত বেদনা।

ওহে এ করোনা
চীন দেশেরি পথিক তুমি
করোনা তোমার বজ্র বানী
আসিলে কেমন করে।
জগৎ জুরে ছড়িয়ে পড়ছো,
মৃত্যু মুখের ত্বরে।
দেবে নাকো কোন ঠাই,
তুমি এ ধরার মাঝে।
পৃথিবীটা চাই যেন,
তোমারি মুক্তি পেতে।

ওহে এ করোনা
করোনা তুমি এতই অনল
ভয় পাইগো তোমার ত্বরে।
যে জন তোমায় করেছে সৃষ্টি,
তাকে মোরা ভয় করো?
করোনা তুমি করনা ক্ষতি,
শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির উম্মত।
যাকে না সৃষ্টি করিলে প্রভূ
হতো না কোন কিছু।
মাখলুকের কেন করোনার ত্বরে
জীবন দিতে হবে
খোদা তুমি রহমত করো,
সারা বিশ্বের দ্বরে।
করোনা যেন ধুয়ে মুছে যায়,
এই জগৎ ই ছেড়ে।
খোদা তোমার অসেক বানী,
করোনাকে করো বিদায়,
শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির উম্মত যেন,
শান্তি-মুক্তি পাই।
…………………………………………..

বৈজ্ঞানিক

অভিযাএিক সপ্ন নিয়ে নেমেছি আজ মোরা,
দুজয় যারা জয় করেছে, সফল হয়েছে তারা।

রক্ত ক্ষরা জীবন দিয়ে স্বক্ষিত হয় যারা,
তাদের আশায় আলোকিত হয় দুজয়কে জয় করা।

সল্লাসেতে ভরে ওঠে তাদের মায়া জালে,
পতাকা দিয়ে সাজানো এই জগৎ জোরাকে।

মুক্তধারার বারি বয়ছে যাদের ভর,
অজ্ঞাত তরে বানিয়াছে আজীবনের তর।

সূয’ গ্রহন ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য জানিত গ্রিক ও রোম
বৃত্তের ব্যাস বৃত্তকে করিল সমদ্বিখন্ডক।

বৈজ্ঞানিদের মধো মহাবীর আয’ভট্ট।
গণিত শাস্তের অবদান রাখিল ভূবনে।
মেধাবী এ তরুনদের আশার আলোতে।

মানব সত্তার গুণের ফলে,
হেমেসাতে ভরে ওঠে আবিষ্কারের দিক।
ভাবিষ কিমা মোদের তরে হবে বৈজ্ঞানিক।

ভিষকবৃন্দ জীবন পন্থা পেয়েছে যাদের তর,
অভিনন্দন জানাই তাদের আত্মা সমাধী করে।

প্রকৃতিতে রয়েছে মোদের ‘দু’ রকম জীবন,
উদ্ভিদ ও প্রাণী অ্যারিস্টটলের তাত্ত্বিক, সাজাই হ্নদয় বন্ধন।

শতাব্দীর সত্তরের দশক হতে বেড়েছে জীবন জ্ঞান,
বতমান কাল জানাই তাহার জীব বিজ্ঞানের জনক।

উইলিয়াম হাভে শারীর বিদ্যার জনক জানাই অভিমতে,
রক্ত সঞ্চালন রেচন প্রক্রিয়া ডিম্বানু সূএপাত ঘটে।

জগৎ জুরে মোদের মানুষ হয়েছে অবিনাশী,
দু জয়কে জয় করেছে, আজীবনের ধনী।
প্রবাহীত বইছে যাদের সংকল্পর পন্থা,
অজানাকে জানিয়াছে বজ্য বষী
…………………………………………..

স্বাধীনতা তুমি কার

স্বাধীনতা তুমি কার
করনা আত্ন পর।
বাংলার মানুষ সকলি তোমায়,
গেয়ে যায় মধুর গান।

স্বাধীনতা তুমি কার
রেসকোর্সের ময়দান,জন সূএের আহবান,
বঙ্গবন্ধুর ছল গান,স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বজ্র কন্ঠে উতলা,নেইত পরাজয় শ্রমিকরা।
দেখবে তুমি স্বাধীনতা,রূদ্ব রুপে তীব্র জয়।

স্বাধীনতা তুমি কার
বীর শ্রেষ্ঠের রক্তে জযে, জীবন দিল জ্বনে জ্বনে।
থাকবে মোদের জগৎ জুড়ে।
লাক্ষ লাক্ষ লোকের ভীরে।
স্বাধীন প্রিয় বাংলাদেশে,লাল সালু কপাল বেঁধে।

স্বাধীনতা তুমি কার
বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ রতন,
চির বিদায় হল ভুবন প্রানের সবুজে।
উন্নত্ত অধীন ব্যাকুল বিদ্রোহী, বাংলার জন নেতা।
আঁখি খানি মেলে সাহাদত হস্তে অমর কবিতা খানি বলে-
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগাম,
এবারের সংগাম, স্বাধীনতার সংগাম।

স্বাধীনতা তুমি কার
অস্ত দস্তে যুদ্ধ করে,
সোনার ত্বরে জীবন দিয়ে
আনল স্বাধীনতা।

স্বাধীনতা তুমি কার
দেশের ত্বরে কত মা-বোন হয়েছে লজ্জিত। পরাধীনতা নয়ত তুমি মৃত্যু মুখে বলি,
স্বাধীনতা তুমি দুঃখে – কষ্টে মনের প্রতি ধ্বনি।

স্বাধীনতা তুমি কার
দেশের শত্রু যার,করবে কি ক্ষমা তার?
তোমার দলে যার, ক্ষতি নয়ক জয়।
একাত্তরের রাজাকার অঙ্গিকার গড়তে চায়।

স্বাধীনতা তুমি কার
শেখ মুজিবুরের সংগাম,মুক্তির সংগাম।
বিদ্রোহীদের সংগাম,নজরুলের সংগাম।
এবারের সংগাম,জন নেতার সংগাম।
শ্রেষ্ঠ বিকালের জয় ধ্বনী,স্বাধীন প্রিয় মাতৃভূমি।
…………………………………………..

মৃত্যু পরী

বাংলার মানুষ, সোনার মানুষ, হারিয়েছে চিরতরে।
রানা প্লাজারের ভবন তসবির মতো চৌচির হয়েছে পড়ে।
ক্ষুধাতুর শ্রমিক অন্যর জন্য হয়েছে বিনিন্দ।
জগতের মাঝে এমন ফুকারি হয়েছে সাভারে।

স্বজন হারা হয়েছে যারা ঝরেছে নয়ন ধার।
কল্পলতা থাকবে জুরে জগৎ বাসির হ্নদয়ে।
মোদের মানুষ,সোনার মানুষ,পেয়েছে যাতনা।
অকাল তরে হারিয়েছে চির নিন্দ্য।

যাতনা মোর যাতনা,রানা প্লাজারের সংঘষ` হয়েছে লাঞ্চনা।
মনোরথ ছিল যাদের তরে,বন্দী হলো জীবন ভুলে,
রক্তক্ষরা হয়েছে মোদের সোনার তরে জীবন দিয়ে
হাজার লোকের ভিরে ভিরে, পেয়েছে যাদের স্বজন দ্বরে।

চৌচিরের মধো দিয়ে, ফুকারি পড়েছে জনে জনে।
করতার পাতায় ছিল যাদের জীবন বাজির ভর,
সল্প কিছু করিয়াছে দয়া তাহারি বিধান।
ভবন তলে পড়েছে চাপা অলক্ষ্য খঞ্চনা।

হস্ত-মাথা-দেহ যাহার হয়েছে চির।
সৃবজন হারা হয়েছে তারা দু ` নয়নের ধারে।
মৃত্যু পরির দেহ খানা লইছে যাহার বাড়ি,
পরনে যাহার ছিল পিরান, মহাকাল দিয়েছে পারি।

দুঃখি মোদের সোনার মানুষ পাইনি যাহার ধন,
অনন্তকাল লইবে চেয়ে দুঃখি মায়ের জল।
পাইগো যদি তাহার পিরান, লইবো বুকে টেনে
ক্ষিতির দেহ মাতন করো আজীবনের তরে
…………………………………………..

বিদ্রোহী নেতা

পরাধীনতা নয়কো তরুন ‘ উদ্ধে দু হস্ত বাড়াস।
রুদ্র রুপে তীব্র দহন আঙ্গা তুলে দা্ড়াস।
মুক্তিবাহীর শ্রেষ্ঠ যে ধন রাখিনী ভূবনে
আহবানের স্মৃতি বয়ছে মোদের রক্তের ক্ষিতিতে।
সোনার দেশকে জয় করতে করিয়াছে সংঘাত।
সাচাঁ কথা বলতে হবে ওরে তরুণ পুঞ্চ
অন্যায়ের সংগাম করতে হবে দেশের শত্রু যার
একাত্তরের রাজাকার তারা অঙ্গীকার গড়ে তোলে।
পরিহার কর সোনার তরুণ শত্রু হনন করে।
ইংরেজ শাসন করিয়াছে দমন বিদ্রোহী যে জন
রুদ্ধ করিয়াছে কাজী নজরুল ইসলাম দেশের মায়া দ্বার
ওহে এ তরুণ সরন রাখো তাহার অবদানে।
হিম্মত মোদের সোনার তরুণ চাইগো মোরা ঘরে
শঙ্কিত হবে দেশের তরে শান্তি আসিবে ফিরে।
অসার দ্বরে চরণ তরুন ঠেকাওনা মাথা।
রবি ঠাকুরের গীতাঞ্জলিতে হওনা আত্নহারা।
মোদের তরুণ সোনার তরুণ মোরা ভাই ভাই
অনবরত থাকিলে মোরা নেইত পরাজয়
পরিত্যক্ত হবে মোদের তরুণ যাত্রী দল।
…………………………………………..

চির বিদায়

হে বিদয় তুমি নিরব কেন ‘শূন্য নদীর তীরে
সেথায় আমার জন্ম ভূমি ‘প্রবাহ যায় থেমে
লোভের টানে জগত মানুষ ‘ নাওয়ায়ে চোখের জলে
জগতে নয় বাড়ি মন ‘ বাড়ি কবর দেশে।
সোনার মতন একটা মেয়ে ‘ সবার মুখের তাজ
বৃদ্ধ- যুবক মুখটা দেখে ‘ হয়যে বেহুস বান।
অভাগিনী মধো থেকে মুশকি হেসে বলে।
সারা মাঠ পানে চাহি ছুরলে ‘ বধু হবে তার শনে।
চোখের জলে গহীন সাগরে অভাগিনী হল পার।
দুনিয়ার লোভে ডুরায়া মরিল ‘ মরণ বিষের তাজ
…………………………………………..

রমজান

ওহে এ রমজান.
মোদের তরে করিয়াছো আহবান।
পুঙ্গবেরি কাছে পেয়েছি তোমার ধ্বনি.
স্বজন দ্বরে অবনী শ্রেষ্ট রমজান তুমি

ওহে এ রমজান
তিমির রাএি করিয়া জাগরনে আহার।
ত্রাণ দিও মোদের তরে রমজান

ওহে এ রমজান
মুয়াজ্জিনের তকবির উঠেছে বেজে.
সন্ধ্যা প্রদীপ তরে।
স্বজন তরে বসিয়াছি মোরা রমজানের আহবান ধরে।

ওহে এ রমজান
সারাটি ভর রাখিয়াছি অনাহার
তোমারি সুখের তরে
অন্যায়কে করিয় এাণ পুঙ্গবেরি গুনে।

ওহে এ রমজান
খোদার বানী রাখিতে পারি
হ্নদয় মালা গেথে।
ঈশার নামাজ পড়িয়া মোরা
তারাবিতে য়াই মেতে।
ধনি গরিব নাইকো হেতায় রমজানেরি কাছে
দুই হাত তুলে উত্তালন করো খোদার দরবারে

ওহে এ রমজান
তিমির রাএি নয়ন ধার আখেরি নবী
শ্রোষ্টার অবদান ধরে রমজান যাই চলি।
কবুল করিও মোদের তরে তকদির রমজান
আখিরাতে পাইবে মোরা শাস্তি থেকে এাণ।
…………………………………………..

দিন মজুরির ছাওনী

আমার যে ভাই কোথায় বাড়ী
দুঃখ কাটে দিন মজুরি
এরির মাঝে আছি বেঁচে
বসুন্ধরার বুকের মাঝে

আমার যে ভাই ছাওনী বাড়ী থাকব কোথায় জীবন বাজি
পরের পোতায় আছি বেঁচে
চরণ চিহ্ন হীন পথের মাঝে

মোরা একদিন যাব চলে
বসুন্ধরার মায়া ছেড়ে
এরির মাঝে থাকব মোরা
দিন মজুরির ছাওনী ঘরে
…………………………………………..

শ্রেষ্ট মানুষ

অভিনন্দন জানিয়েছে যাহার শ্রোষ্টার অবদান।
জগৎ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে. তাহার হাবিলাষ।

যাহার ছিফত জগতের মাঝে.হয়েছে বিমোহিত।
নিরঞ্জন জানিয়েছে তাহার সর্ব শ্রষ্ট।

নয়ন ধার নেমেছে তাহার উম্মতি করে
পরহিত রজনি করেছে তিনি শ্রেষ্টার কাছে আখেরি।

যাকে না সৃষ্টি করিলে খোদা হতো না কোন কিছু।
দুষ্ঠ কাফের লোকেরা তাহার করেছে লাঞ্চনা।

জগদীশের ওহী এসিয়ে পড়ল তাহারি কাছে
শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি করিল ক্ষমা উম্মতি করে।

সাহাবীরা তাহার সাঁচার বানী করিল দেদার
শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি চন্দিকা হয়ে করিল ভরসা ভণা।

চতুথ` খলিফার মধো দোসর ছিল উমর
শ্রেষ্টার বানী মানিল না পিতা করিল কতল।

ফিতনা-ফাসাদ করিলে ত্যাগ ভূবনের মাঝে।
শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি করিবে সাফাত আখিরাতের ময়দানে।

হামদ্ যাহার মুখে ছিল পাঁতি পাঁতি সুরে।
সপ্ত মহী ছিল যাহার নক` মুক্ত করে।

শ্রেষ্ঠ করতার জগতের মাঝে হলেন শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি