গ্রাম বাংলার পণ

সবুজ শ্যামল মাঠের উপর
গায়যে কৃষাণ গান,
রাখাল বাজায় মনের সুখে
গ্রাম বাংলার টান।

খালে বিলে নদী ডোবায়
মাছের কত খেলা,
মেঠো পথের ভাটির ফুলে
মৌমাছিদের মেলা।

কাস্তে হাতে জোয়াল কাঁধে
হাল নিয়েযায় চাষি,
ধান কাটা আর ধান মাড়াইয়ে
মৌসুমি সব হাসি।

কামার কুমার জেলে তাঁতি
আমার গাঁয়ের বঁধু,
বিয়ে বাড়ি গিদের আসর
কাঁঠাল গাছের মধু।

গাছে গাছে পাখির ডাকে
ভাঙ্গে খোকার ঘুম,
গামছা পেতে মাছ ধরতে
নাইতে গিয়ে ধুম।

ঝিঁঝি পোকার আলো ছড়ায়
গাঁয়ের চারি পথ,
গাঁয়ের বঁধু গোমটা মাথায়
নাকে পড়ে নথ।

আমের বাগান কাঁঠাল বাগান
মধু মাসের ফল,
বেল, তরমুজ, চালতা,
আতা
তেঁতুল মুখের জল।

শৌল, টাকি, টেংরা, গতা
আর আছেযে বোয়াল,
গায়ের মানুষ দুধে ভাতে
গাই গরুতে গোয়াল।

আজও সরল গায়ের মানুষ
আজও সরল মন,
গায়ের মানুষ ভালো মানুষ
গাঁয়ের মানুষ ধন।

গ্রাম বাংলার শুদ্ধ বাতাস
শুদ্ধ মানুষ জন,
সবার তরে শুদ্ধতা আজ
গ্রাম বাংলার পণ।
……………………………………………

গাঁয়ের মানুষ

সবুজ শ্যামল মাঠের উপর
গায়যে কৃষাণ গান,
রাখাল বাজায় মনের সুখে
গ্রাম বাংলার টান।

খালে বিলে নদী ডোবায়
মাছের কত খেলা,
মেঠো পথের ভাটির ফুলে
মৌমাছিদের মেলা।

কাস্তে হাতে জোয়াল কাঁধে
হাল নিয়েযায় চাষি,
ধান কাটা আর ধান মাড়াইয়ে
মৌসুমি সব হাসি।

কামার কুমার জেলে তাঁতি
আমার গাঁয়ের বঁধু,
বিয়ে বাড়ি গিদের আসর
কাঁঠাল গাছের মধু।

গাছে গাছে পাখির ডাকে
ভাঙ্গে খোকার ঘুম,
গামছা পেতে মাছ ধরতে
নাইতে গিয়ে ধুম।

ঝিঁঝি পোকার আলো ছড়ায়
গাঁয়ের চারি পথ,
গাঁয়ের বঁধু গোমটা মাথায়
নাকে পড়ে নথ।

আমের বাগান কাঁঠাল বাগান
মধু মাসের ফল,
বেল, তরমুজ, চালতা,
আতা
তেঁতুল মুখের জল।

শৌল, টাকি, টেংরা, গতা
আর আছেযে বোয়াল,
গায়ের মানুষ দুধে ভাতে
গাই গরুতে গোয়াল।

আজও সরল গায়ের মানুষ
আজও সরল মন,
গায়ের মানুষ ভালো মানুষ
গাঁয়ের মানুষ ধন।

গ্রাম বাংলার শুদ্ধ বাতাস
শুদ্ধ মানুষ জন,
সবার তরে শুদ্ধতা আজ
গ্রাম বাংলার পণ।
……………………………………………

আজ করোনায় ভন্ড নেতা

খুব অভাবে ফোনটা দিলো
গাঁয়ের মানুষ জন,
কেউ ধরে না কেউ বলে না
পৌর পিতার ধন।

চার পাশটায় খুব প্রচারে
ভালো মানুষ সাজেন,
ফোনটা রেখে মাসতি করেন
রিং টোনটাই বাজেন।

ভুয়া নেতা ফালতু নেতা
এদের চেনা ভার,
এঁরাই সকল দায়িত্ব পায়
গলায় ভিশন ধার।

সমাজটাতো বাপের কেনা
সাজেন সমাজ পতি,
সমস্যাটা গোড়ায় গলদ
আবাল মতি গতি।

লেবাস পড়েন উড়িয়ে বুলি
মিষ্টি মধুর সুরে,
গাঁয়ের মানুষ ঘুমিয়ে থাকেন
নেতায় থাকেন দুরে।

পৌর পিতার হাজারটা লোক
সব কাজেতেই ফিট,
যাদের পাওয়ার কথা ছিলো
তাদের বেলায় গিট।

হাজার হাজার বিত্ত মাঝের
কেউ রাখেনা খোঁজ,
ফোন ধরেনা, কল পড়েনা
খাচ্ছে মেয়র ভোজ।

যে দেশেতে এদের মতো
মিথ্যে নেতার বাস,
যাদের ভোটে মেয়র হলো
ভাবেন তাদের দাস।

সকল মানুষ সেবা পেলে
তবেই নেতার মান,
সবাই যখন সেবা পাবে
তখন জয়োগান।

চারপাশে আজ ভন্ড নেতা
নেতার ছড়া ছড়ি,
তাইবলে আজ মিডিল ম্যানের
ভিশন গড়া গড়ি।

আজ করোনায় ভন্ড নেতা
মিথ্যে বলে গেলেন,
মিথ্যে আশার প্রচার করেই
কোন মজাটা পেলেন।
……………………………………………

জল কাব্য

টলমল জল পদ্ম পাতায়
দীঘির বুকে ঢেউ
জীবন সবার সরু-সুতায়
বুঝেনা তো কেউ।

টলমল জল কচুর পাতায়
দীঘির জলে ছন্দ,
টইটুম্বুর জীবন যাপন
সবাই খোঁজে মন্দ।

টলমল জল পুকুর জুড়ে
ছলাত ছল জলে,
জীবন যাপন তরু লতায়
জলের মতোই চলে।

জল কটাদিন বাচঁবে বলো
ভালবাসার জলে,
ধারাবাহিক এই দুনিয়ায়
গল্পটা ঠিক বলে।

জীবন যাপন সবাই বোঝে
জলের রিতি কাব্য,
জল টলমল জীবন জুড়েই
এই করোনায় ভাব্য।।
……………………………………………

মানব সেবা

প্রভুর সেবা করেন সবাই
মানব সেবা দিয়ে,
কোন ধর্মের ধনী-গরীব
এসব ভুলে গিয়ে।

তাঁর জন্যই করেন সেবা
সবার সেবা আজ
ধনী-গরিব বিভেদ ভুলে
সেবা দেয়াই কাজ।

কেযে প্রভু, কেযে আঁকা
আপনি আমার মতোই,
সেরা সেবা আপনি দেবেন
আসুক বাঁধা যতোই।

মানব সেবাই আসল সেবা
মাথায় যত কড়া,
রয়না কিছুই এ দুনিয়ায়
যেইনা হবেন মরা ।

তাইতো সবাই লুটিয়ে পড়ুন
মানব সেবার জন্য,
আপনি তবে বেচেঁই রবেন
আপনা জীবন ধন্য।

সবাই ভয়ে ঘরের ভেতর
কোভিড উনিশ ভয়ে,
মানব সেবায় সবকিছু আজ
বাঁচলে জীবন জয়ে।
……………………………………………

উনি শুধু তিনিই হবেন

উনি শুধু তিনিই হবেন
বসবেনা কেউ পাশে,
থাকবে শুধু চামচিকা আর
ধান্দা বারো মাসে।

উনি শুধু তিনিই হবেন
চিনবে তারে সবাই,
সবাই মিলে দুনম্বরে
থাকবে শুধু ক’ভাই।

উনি শুধু তিনিই হবেন
বছর বছর নামি
লোকের কাছে তিনিই হবেন
সবচেয়ে বড় দামি।

উনি শুধু তিনিই হবেন
ধরবে সবার দোষ,
থাকবে শুধু নিজের পাশে
মানছে যারা পোষ।

উনি শুধু তিনিই হবেন
স্বার্থ নিজের আগে,
ভাবের বেলায় ভাবনা নিজের
সবার আগে ভাগে।

উনি শুধু তিনিই হবেন
বেড়ায় ঘুরে লেবাসে,
রাত-দিন তার একটা হিসেব
তার ভালোটা কেবাসে।

উনি শুধু তিনিই হবেন
অন্ধ নিজের জন্য,
টাইট ফিটিং রূপ চেহারায়
রূপটা আসল বন্য।

উনি শুধু তিনিই হবেন
এই করোনা কালে,
আম জনতা দেখছে সবই
মারবে জুতো গালে।
……………………………………………

করাল গ্রাসে দেশ

দুর্নীতির ঐ করাল গ্রাসে
আটকে গেছে দেশ,
সব দপ্তরে সমান তালে
চলছে খেলা বেশ।

সবাই দেখে, সবাই শুনে
হয়না কিছু করা,
পুরো দেশের মানুষ এখন
জিম্মি এবং ধরা।

কোথায় নেই দুর্নীতিটা
অফিস কিংবা পাড়া,
দেশের মানুষ টাকা নিয়ে
হাজার হাজার খাড়া।

অযোগ্যতাই যোগ্যতাটা
যদি থাকে টাকা,
লেখা পড়া যতোই করো
পথ ঘাটটা বাঁকা।

দুর্নীতি টা ছড়িয়ে গায়ে
হচ্ছে পচন সমাজে,
দেশের মানুষ করবে যেকি
করবেটা কে ক্ষমা যে।
রমজান এলেই

রমজান এলে দাম চড়িয়ে
বেশ মজাটা লোটে,
আগে থেকেই দাম কমাতে
মুখটা সবার ছোটে।

চারিদিকে একই আওয়াজ
রোজা এলেই কষ্ট,
দামটা দ্বিগুন শুনতে পেলে
জীবনটা হয় নষ্ট।

সবাই বলে দাম কমিয়ে
থাকবে বাজার কুল,
সরকার আর জনগণের
এটাই বোঝার ভুল।

আমার হিসেব আমার কাছে
তোমারটা ভাই তোমায়,
আসল খবর কার কাছে যে
আসল বিষয় কোমায়।

কোন দামটা নিয়ন্ত্রণে
কোন দামটা ঠিক,
চারপাশটায় ফুলকি কথার
লাভটা আসল দিক।

আমার দেশের এটাই হিসেব
রমজান বাজেট কি,
আম জনতার মুখের উপর
চোর্রা খাবেন ঘি।।
……………………………………………

আদা কাব্য

আদা কেনে গাধা যারা
তিনশ টাকা কেজি,
ফণা তোলা সাপের ছোবল
গুটি কয়েক বেজি।

আদা রসুন পেয়াজ মরিচ
দামটা রোজায় হয়,
আতকে ওঠেন দেশের মানুষ
সেই থেকে তো ভয়।

আদার ঝাঁঝে আজকে দেশে
খাওয়ার উপর ধুম,
আদার কত রকম আছে
সেটা ভেবেই ঘুম।

আদা চায়ের কদর বেশি
মাংসে লাগে আদা,
করোনাকাল এটাই দোহাই
আমরা রাম হাদা।

মুখে সবার ভিষণ বুলি
কথার কথা সব,
সবসময় আর যথারীতি
বলতে পাড়াই জব।।
……………………………………………

টোকাই কাব্য

টোকাই বলে ঘৃনা করো
টোকাই হতে চাইনি
দুখের সাথে লড়াই করেও
সুখের দেখা পাইনি।

টোকাই বলে ঘৃণা করো
টোকাই নাম আমার,
মা বাপ নেই, কোথায় থাকি
রিং বস্তীর খামার ।

টোকাই বলে ঘৃণা করো
কেমনে হলাম টোকাই,
ঝুপড়ি ঘড়ে, চুপটি করে
মাদক খেয়ে কোকাই।

টোকাই বলে ঘৃণা করো
কার্টূন থেকেই জম্ম,
রণবীর আজ কোথায় গেলো
হলাম টোকাই রম্য ।

টোকাই বলে হাক ছাড়লে
বুকটা কেঁপে ওঠে,
যেই হরতাল ডাক পড়ছে
টোকাইরা সব ছোটে।

ভাঙ্গি গাড়ি জ্বালাই আগুন
আমরা টোকাই পটু,
লিডাররা সব করেই দিবেন
নশ কথাটা কটু।।
……………………………………………

করোনার দুই বীর সৈনিক

নাসরিন নাজ, জিএম স্পর্শ
মানবতার সৈনিক,
সকাল থেকে রাত অবধি
কাজ করে যান দৈনিক।

নাসরিন নাজ রংপুর হতে
স্পর্শদি দেবআটা,
মানবতার জন্য তারাই
উজ্জীবিত সেবাটা।

করেন প্রচার পাড়ায় পাড়ায়
খুব সচেতন বার্তায়,
দুরত্ব আজ মানব সেবায়
নিয়মকানুন মাত্রায়।

কর্মহীনের পাশেই তারা
খাবার বিলী করেন,
দায় বোধ কি সবার আছে
তাদের মতো লড়েন।

নিবেদিত যোদ্ধা তারাই
আসল সেবক তারা,
মানবতার স্বেচ্ছাসেবক
বিপদ জেনেই খাড়া।

কে বিপদে, চিকিৎসা কার
রক্ত কাদের লাগে,
জানলে বিপদ নিজের দায়ে
পাবেন তাদের আগে।

সেলুট জানাই মানব সেবক
যোদ্ধা স্মরণ কালের,
আমরা সবাই রাখবো মনে
করোনা বিশ সালের।
……………………………………………

করোনায় চোর

চোররা সবাই এক কাতারে
ফন্দি ফিকির আটে,
দেশ বিদেশের টাকা লুটে
পৌছে যাবেন ঘাটে।

খাবার চোরা, গরু চোরা
চাউল চোরাও আছে,
বুঝতে হবে চোরের হিসেব
বিদ্যা, চুরির কাছে।

সালটু চোরা, মালটু চোরা
লালটু চোরা ভাই,
সব চোরা তো একই গাঁয়ের
বান্ধা জেলা গাই।

চোরের থাকে মস্ত গুরু
লুটতে টাকার পাহাড়,
আগে ছিলো এক চেহারা
এখন কতো বাহার ।

যাদের চুরি করেন চোরা
সবাই যেমন চুপ
চোর চোট্টা সবাই মিলে
খাচ্ছে বসে স্যুপ।

ব্যবসা চোরের রমরমা ভাই
ব্যবসা চোরের খেলা,
এই চোরাদের গান গাইতে
কেটেই যাবে বেলা।

সবাই যখন পক্ষ চোরের
কেউ থাকেনা দেখার,
সেবার নামে করছে চুরি
খুব প্রয়োজন লেখার।

সব চোরেরা আছেন ভালো
ব্যাস্ত চুরি করতে,
বাড়ি গাড়ি কিনছে জমি
কেউ পাবেনা ধরতে।

করোনা কি পায়না ওদের
যায়না ওদের পিছু,
দেশের মানুষ লকডাউনে
ভাবতে হবে কিছু ।।