ভাবনায় কামনায়

দুটি আঁখি হঠাৎ কোনক্ষন
মন চেতনে শরীয়তে তোমায় দেখলাম
আগমনের বার্তাটায় দুটি ভাসা ভাসা চোখ
সহসায় সুন্দর হাসি
পরক্ষনে কোনক্ষনে এইমনে তোমায় ভাবি
মনে হল সদ্যফুটা ফুল তুমি
কোন ফুল তুমি কি নাম দিব;
সাময়িক চিন্তিত আমি
সংকট সংশোধন করে ধরে নিলাম
তুমি ফুটন্ত গোলাপ।
আর চলনে বলনে সুন্দরবনের চিত্রল হরিনী
ছলক জ্বলক কতোক্ষনে মনের মাঝে বৃদ্ধি পাও তুমি
অদ্ভুত আস্তর আবরনে আবার
প্রেমমন তোমার কার্বন হতে চায়।

তোমাতে মিশে তোমাতে হাতে তোমাতে নৃত্যে তোমার যুগলে একাকারের ঢেউ হবো
তোমার ঐ হাসির মুগ্ধতায়
আমার মনের জমিন উর্বর হয়
তোমার চলায় আমি খেয়াল রাখি পথ দেখি।

কখনো কখনো কোন পথে বন্ধু
একসময় ক্লান্তিতে আয়েসের সজ্জা সাজাবো
মনোমুগ্ধহরী ওগো না বলা প্রেমবাশরী ওগো চিত্রল মায়াবিনী
পরশের উষ্ণতায় আমাকে শীতলতা দান করো কোন একমুহুর্তে
তোমার ভাবনায় প্রেমকামনায় সঙ্গী করো।
……………………………………………

কবি না কবিরাজ

আমার রুহটা মুগ্ধতায় মগজে দূলে
স্বপ্নিল হয়ে মলিন মনে তপ্ততায় গলে।
জাগতিক চেনা অচেনায় ধাওয়া কে বা তুমি;
হরেক রকম মনপ্রশ্নে তুমি যখন কে হও
তখন হও প্রশ্নপত্র।
আমি পরীক্ষামূলকভাবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী।
চুড়ান্ত পর্যন্ত অপরাধমুলক অপেক্ষা।
রেখে দেখে রেখেছ আমায়
বুঝাপড়ার কোন কবিরাজের আশির্বাদে?

স্বাভাবিক তুমি; মন অস্বচ্ছ হয় তোমার
দেহ মন ক্লান্তক্ষনে পরিশেষে একটা বাহু থেকে যায় আরেকটা বাহুর অপেক্ষায়।
তু – তুমি তোমাকে তোমার মনের প্রশংসনীয় একটা কিছু হবে।
পাঠশালা আর কবির হাতে না কারো কক্ষে;
জাগ্রত মনে অচেতনের ঘুড়ি উড়ে ।
নিত্যবেলায় নিতান্তই নীতি বেঁচে কবি থেকে কবিরাজ হবো ।
……………………………………………

অসহ্যের মাঝে সহ্যের চেষ্টা

ধারাবাহিক দুঃখ্যগুলো ক্রমিক বর্ণনা করে নিজ থেকে।
নতুন নতুন সুখরুপের পাঠশালায় আবেদন করতে চায়।
সুখআলো মুখ ফিরিয়ে অন্যত্র কদম ফেলায়।
সুখের প্রাপ্তির পরিমান বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ।
কাছে আসার মনোবল ভাঙা, সমস্ত শক্তিমন প্যারালাইসড।

রীতিমতোন নিজ আত্মা পৌছে যায় ঘুমন্ত কারবারে।
চলনে বলনে উপসংহার টানেনা।
পর্যায়ক্রমে দুঃখ্যগুলো নিবন্ধিত হতে চায়।
পর্বের পাতায় পর্ব খোলে।
আর আমি বাস্তবতায় বাস্তবকে আগুনের চরকি মারতে চাই।
আমি শ্রবণ করি ত্রুটি ছাড়া, অসহ্যের মাঝে সহ্যের চেষ্টায়।
……………………………………………

শেষের মনকাব্যে

মনক্ষেত্রটা তোমার অংকের প্রমানিতমনে ব্যস্ত
ক্ষুদ্র শোধ অনেক বড় করে নাও
দিন রাতের সুখ দুঃখের চর্বিতে তুমি শেষ বেলায় মনপাকস্থলিতে অন্তর ক্ষুধা হও।
ভালোভুলা তলামন তোমার অন্তস্থলে
সীমা ছেড়ে অসীম দিগন্তের পর চলমান ঋতু জয়ী।
শ্রবনে ধৈর্য্যের খাতিরে আমি কারিগর, সওদাগর
শেষের মনকাব্যে জনপ্রিয় অন্তরবক্তা তুমি।

ন্যাড়া বনভুমিতে সবুজের আশায় রুপনে ব্যস্তজন।
ফসলের ভাগে ভাগই সৌভাগ্যবতী।
দোজখচোখে ব্যবসার ব্যাবসা প্রেম পান্ডুলিপি অস্থির বেহেস্তের স্লোগানে।
অতঃপর, পরপর, দোষারোপ, চন্ডিমনের স্লোগে।
বর্তমান জগতের মাঝে নিতান্তই সাধারন সাঁঝে আমি।
অনেক অক্ষর বেচাকেনার শব্দে, শুধু বেঁচে থাকো ভালো থেকো।
……………………………………………

ছাড়পত্র

ছাড়পত্র ছাড়াই চারটি পায়ের ছোঁয়ার স্বাদ নিলে।
জড়িয়ে ধরার অনুভূতি নিলে। ঠোঁটের স্পর্শের উষ্ণতার আনন্দে অভিভূত হলে।
আমার যৌবনের ভূমিতে চাষাবাদ করলে।
চোখ বন্ধ করে অন্ধকার আর তোমাকে আলিঙ্গনের পথ দেখালে।
হঠাৎ নগ্নতায় মনোযোগী হয়ে না থাকার পরামর্শও আবার দিলে।

সুখের বাজারে অবৈধ ভালোবাসার আদান প্রদানে মেধাবি তুমি।
আমি কিন্তু বেলা অবেলা সত্যের শ্লোগান দিবো।
তোমার চাওয়াকে এবং উষ্ণতাকে সমাজে উঠাবো।
স্বার্থের কারনে কিংবা শুদ্ধিতে নয়, মানবতার অধিকারেও নয়।
বিছানায় সঙ্গী হিসাবে নয়,
আমার ভালোবাসার অভিমিশ্রতায়।

আজ তোমার কথা কেনো অস্বচ্ছল, প্রকাশ্যে দুর্বল কেন তুমি?
রাতের আধারে আর দিনের আলোতে,
সমতল ভূমিতে শরীরে চাষাবাদের পূন্য অধিকারে,
হয় তুমি তোমার সত্য বলো।
না হয় আমি তোমার পরিচিতি উঠাবো চেনা অচেনায়।
চারপায়ের জোড়ায় মিথ্যা থাকেনা।
মিথ্যা রেখোনা অভিশাপ নিওনা।
……………………………………………

হারামির তরে ভৎসনা

আজ-ই চীর নতুন গত হয়ে
আজ-ই হলো পুরাতন।
কাব্য তুমি শ্মশানে কিংবা জীবিত জীবাণু ।
আমি জেগে চলি পথিক হয়ে মাঝে পুথি হাতে।
তাইতো সঠিক হয় না দরদাম।

তোমরাই সেনা সাঁজো তোমরাই অস্ত্রমন্ত্র হতে চাও।
শাহেন শাহের পেয়ালায় সরাবে ট্রিগার আমার তোমার আঙ্গুলে অভ্যস্থ স্থির।
গুলি গোলাও মাথা ভাঙা কপাল আবার শিরদার উঁচুর তরঙ্গ।
ছিঁ তোমাদের রঙ্গসঙ্গ আর ভঙ্গিমার উপরে,
তুমি? নাকি তোমার জুতুর আবিস্কারে পালিশের ভরসা.!

ওরে ও ফানুস আর কতো রঙ্গলীলা সাম অসীম।
তেজস্বী বুকে হুঙ্কার ছাড়দে মনুষ্যত্বের বোধে হাতে বিবেকের ট্রিগার চাপ ফাটা ফাঁকা ফাঁস আওয়াজ।
করিমনা আমার জীবন্ত শব্দের উচ্ছ্বাস।
আমি সব বুঝি আমার বর্গা ক্ষেঁতে আমারে চড়াও বাহুর তলে।

নিয়ে যারে অসভ্য নিয়ে যা।
কাকের কাঁ কাঁ ছেরে যা।
হারামির তরে ভৎসনা – সীমারের বাহানা।
লালের মাঝে রক্ত দেখলি। গোলাপের পাপড়ি তলোয়ারে কাটলি।
হাতের মমতায় মন জায়গায় কলিজা নিলিনা চিনলিনা।
বুঝের বুকে, মজেরে তুই সিদ্ধান্তে আশেক হলিনা।
……………………………………………

বাবা

বাবা তুমি আসমানের কোন তাঁরা
আমায় ডেকে বলোনা
বাবা তুমি মনে করো দূর আসমান থেকে
মাটিতে কতোইনা আদর করেছিলে
বাবা ও বাবা তুমি আসমানের কোন তাঁরা
আমায় ডেকে বলোনা

আমি হারিয়ে যাই শৈশবে কৈশরে
আবার দুটি হাত বাড়িয়ে দাও বুকেতে শক্ত করে বুঝে নাও
তোমার বুকেতে মাথা রাখার বুক দাও
বাবা ও বাবা
তুমি আসমানের কোন তাঁরা

বীরের বেশে রূহানী বেশে আসো বাবা
জানাও বাবা কেমন আছ
বাবা ও বাবা
তুমি আসমানের কোন তাঁরা

আমার বড় জানতে দেখতে ইচ্ছে করে
তুমি কোথায় কেমন আছো
আমি দূর দিগন্তে আর আকাশে চেয়ে থাকি
স্মৃতিতে অনুভবে তোমায় খুঁজি
বাবা ও বাবা তুমি আসমানের কোন তাঁরা

একটি বার বাবা বলে শীষ দিয়ে যাও
পারিনা তোমায় হারানোর প্রকাশ সহিতে আর
বাবা ও বাবা তুমি আসমানের কোন তাঁরা
……………………………………………

মন বৈরাগী

ঘর ছেরে বহু দরজায় আমি নিশানা উড়াই
দরজায় কারাবন্দী মনগুলি আলাদা ডংয়ের প্রকাশ
পরিবর্তন কখনো ক্ষণে কখনো চমকে
আমার মন জগতে স্বপ্নীল স্বপ্ন দেখি
হঠাৎ হঠাৎ মন আবরনে গভীর আবেগের ভাবান্তর
সময় মন বৈরাগী হয়ে মন প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনীয়
সুযোগ সময় নিয়ে অপেক্ষার কথামালার প্রশ্ন ছুরে
উত্তরের সংলাপে তর্ক যুক্তিতে প্রেম টিকে থাকে
সামান্য সুবিবেচনা অতঃপর সুখ দুঃখের সংলাপ
মন বৈঠকে মনের বৈরাগী হয়ে মনের একতারা হয় প্রেয়সী
সুখের নাট্যশালা হামাগুরী দিতে দিতে
পরিপক্কতায় পুর্নতায় সুখের সরলা নদীতে ভাসে
ভাসতে ভাসতে ভালোবাসার মন মিছিলে একাকার দুটি পাখি।
……………………………………………

একযুগের প্রেমআংটি

প্রেমে আমি বরাবরই প্রেমিক পুরুষ তোমার কাছে
শৈশবে সেই যে দেখেছিলাম প্রযুক্তি তখন ডাকবিভাগে।
প্রেম ভাবনায় যোগফলের সুত্রের আশায় ঠিকানার আদান প্রদান
হঠাৎ করে একটি কাগজের চিঠি।
অক্ষরগুলীতে মনে হয়েছিলো বালিকা আমার প্রেমে পড়েছে।
আমার উত্তরে ডাকহাতে আবার।

প্রনয়ের ঈঙ্গিতে সহযোগী পত্রের ডাক প্রেরণ।
ইচ্ছে অনিচ্ছে মন আদান প্রদান হলো।
দিনমন কপাট খোলা ভাবনার ভুবনে
অনেকদিন অনেক অপেক্ষায় আহ্বানে দুজনের দেখা
সেকি বেহেস্তের নিদর্শনা।
আমি জানিনা; মন ব্যকুল সময় দ্রুত বয়ে যাওয়া
হাতের প্রথমা স্পষ্ট স্পর্ষে শীহরিত হওয়া
ইচ্ছা শক্তিগুলী প্রেমমনে হাবুডুবু কোলাহল মুক্ত মনআলীঙ্গন।

প্রেমবংশের নতুন দাপুটে প্রেম পুরুষ আমি।
ইচ্ছেগুলী বীরের মর্যাদায় সখির সনে উপসাগরীয় উপস্থাপন।
এমনে সাগরের আর নদীর ভালোবাসার যুগকামনা
সময় বয়েগেলো মাস বছর যুগ।

এইতো সেদিন দর্শন মনে হয়
সময়ের সময় বয়ে যায় প্রেম আমরন সংলাপ হিসেব ছাড়া
অনেক মন ডেস্কে একযুগ প্রেমকে কবুলে রুপ দেয়া।
কতো কিছু রাজত্ব করে বদন রুপ মনরুপ অঙ্গিকারে ঘড় বাঁধে।
সংসার পরপরে নীজনীজে গোচগাচ।
বারো বছর প্রেম” একযুগের প্রেমআংটি।
……………………………………………

মন মজলিস

নাগরের বায়নায় পালিস মন দ্রোহের আগুনে।
সৃষ্টমন ভ্রমর কলহ বাদে তোমার কথার কোলাহলে।
হাওমাও চতুর তুমি অনেকটাই বর্বরমন
চেতনার পাখিরা আকাশে উরে কাকের সাথে
রম্যরসে ভরপুর তোমার মনস্লোগ
হঠাৎ কথা হঠাৎ না বুঝে ব্যথা।
লাল বুকে শায়ত্বসাসিত প্রেম
অক্ষরের রুপে বেহুস তুমি।
দ্বন্ধমন জুরে খেতের ভাগে
ফসল আশায় শরীয়তে রুপক রাখো
বুঝে না বুঝার শিশ বাজাও
পরস্পর ঞ্চতুরা অনেক সময় সংঘর্ষ লাগে
তাই তোমার ভাঙন মন রাজ্যের ভাগ করতে চায়
তলোয়ার যুদ্ধের প্রস্তুতিতে অনেক সময় রসায়ন চায়
তুমি বলতেই পারো
তোমার মন পথের নমুনা সংগ্রহে হোচট খায়
হৃদয়ের শুদ্ধতম নাবিকের হাতে পরিপূর্ন জল চায়।
যারে খন্ডাও তারে বান দাও
তাইতো প্রেম শৃঙ্গলাবিহীন অগ্রাধিকার চায় সুস্পষ্ট সুস্থতায়।
খোঁজে নাও মনপবনে ছন্দের নৌকার মাঝি
মন শালিসী বিদ্যায় মন মজলিসে
অক্ষর সামিলে
রক্তকাব্যিকের মিছিলে প্রেমের অপরিণত ভাবনার শুদ্ধতম বৈঠকে মজলিশে বসতে চায়।