আল্লামা ইকবালের বিশ্বজনীন ও সর্বজনীন ইসলামিকতা এবং বাঙালি মুসলমানের বিপ্রতীপ স্বদেশচেতনা

আল্লামা ইকবালের কাব্য ও দর্শনে আমরা ইতিপূর্বেই দেখেছি এক বিশ্বজনীন ও সর্বজনীন ইসলামিকতার উন্মেষ ও বিকাশ। বিশেষ করে তারানা-ই-হিন্দ থেকে তারানা-ই-মিল্লী কবিতায় তার চৈতন্যের এই স্পষ্ট উত্তরণ লক্ষ করা যায়। তার বিভিন্ন ভাষন ও গদ্য রচনা থেকেও তার এই মিল্লাত বা উম্মাহর ধারণাকে চিহ্নিত করা যায়। এই ধারণাগুলি উপমহাদেশের বাস্তবতার প্রেক্ষিতে ভাবিত হলেও এর মধ্যে নিহিত রয়েছে এক বিশ্বসম্প্রদায় ও বিশ্বপরিসরের সম্ভাবনা ও লক্ষ্য।
আমরা ইতিপূর্বে আরো জেনেছি যে আল্লামা ইকবালের এই বিশ্বজনীন ও সর্বজনীন সম্প্রদায় ও পরিসর চেতনা দ্বারা বাঙালি মুসলমানদের একাংশ অনুপ্রাণিত হয়েছিল। যদিও বাঙালি মুসলমানের বোঝাপড়ায় ইকবালের এই সম্প্রদায় ও স্বদেশচেতনার সম্পূর্ণটুকু যে ধরা পড়েছিল তা বলা যাবে না। অর্থাৎ তাদের বোঝাপড়ায় একধরনের অপর্যাপ্ততা ও আংশিকতা প্রথম থেকেই ছিল।
তবুও দেখা গেল পূর্ব বাংলার আশরাফ ও আতরাফ উভয় শ্রেণির মুসলিমেরাই আল্লামা ইকবালের এই চেতনার আলোকে মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে ১৯৪০ সালে লাহোরে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত পাকিস্তান রাষ্ট্র ধারণার প্রতি সমর্থন ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিল। এরপরে অবশ্য পাকিস্তানের আদি ধারণায় কিছু পরিবর্তন চলে এসেছিল বিরূপ পরিস্থিতির বাস্তবতা ও জরুরীতা সামাল দেবার প্রয়োজনে। কিন্তু আমরা লক্ষ করলাম যে বাঙালি মুসলিম নেতৃবৃন্দ কিছু প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য আপত্তি সত্ত্বেও মোটামুটি ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই পাকিস্তান রাষ্ট্র কায়েমে আত্মনিয়োগ করেছিল।
ব্রিটিশ উপনিবেশিক শক্তি এই সময়ে উপমহাদেশ থেকে নিজেদের সরাসরি অবস্থান প্রত্যাহারে বাধ্য ও আগ্রহী হয়ে উঠেছিল। এই সুযোগে আধিপত্য বিস্তারে আগ্রহী ও উদ্যত হিন্দু প্রধান কংগ্রেসের সকল প্রকার বৈরীতা ও বিরোধীতাকে অগ্রাহ্য করে ১৯৪৭ সালে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত পাকিস্তান রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছিল। ১৯২৪ সালে বিলুপ্ত উসমানী খেলাফত-উত্তর মুসলিম বিশ্বের জন্য এটি ছিল একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ এবং ইতিবাচক মহাঘটনা। এছাড়া যদি দুটি বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পশ্চিমা উপনিবেশিক ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের পুনর্বিন্যাসের আলোকে দেখি তাহলেও এটি একটি বড় ঘটনা। আবার যদি পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থার প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটেও এই পাকিস্তান রাষ্ট্রের উত্থানকে দেখা যায় তাহলেও এটি ছিল একটি বৈশ্বিক মাত্রাবিশিষ্ট প্রপঞ্চ। দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায় পাকিস্তান একটি সম্ভাবনাময় ভূ-কৌশলগত আঞ্চলিক প্রভাবক শক্তি হিশেবে আবির্ভূত হয়েছিল।
পাকিস্তানের অংশীদার হিশেবে পূর্ব বাংলাও এই ভূ-রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক সম্ভাবনা ও তাৎপর্যের হিস্যাদার ছিল। কিন্তু এই রাষ্ট্রটি জন্ম নেবার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ১৯৪৮ সাল থেকে পূর্ব বাংলায় এমন কিছু মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপিত হতে থাকে, আর সেসব প্রশ্নের মোকাবেলায় এমন কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হতে থাকে; এবং সেই সুযোগে এই রাষ্ট্রের অস্তিত্বিক শত্রু যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে — সেসবের সম্মিলিত ফলাফলে পরবর্তী ২৩ বছরের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার এই সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রটির সংহতি ও ঐক্য ভেঙে পড়েছিল। এভাবেই ১৯৭১ সালে একটি রক্তক্ষয়ী অন্তর্দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলা এই রাষ্ট্রকাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যূদয় হয়েছিল। চূড়ান্ত পর্যায়ের যাবতীয় ঘটনাবলী, যেমন বিভিন্ন অংশীদারদের কৃত গণহত্যা এবং নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, শিক্ষিত বুদ্ধিজীবি হত্যা ইত্যাদি মাত্র নয় মাসের মধ্যে সমাপ্ত হলেও এর জেরে আজও এর বিভিন্ন অংশীদারদের মধ্যে হিংসা, প্রতিহিংসা, ঘৃণা ও বিদ্বেষের পরিবেশ অব্যাহত।
আজ সত্তর বছর অতিক্রান্ত হবার পরে যদি আল্লামা ইকবালের বিশ্বজনীন ও সর্বজনীন ইসলামিকতার আলোকে নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনায় নিযুক্ত হওয়া যায় তাহলে দেখা যাবে যে এই ট্রাজিক পরিণতির জন্য স্টেকহোল্ডারদের কোনো পক্ষই পুরোপুরি দায় এড়াতে পারে না। কাজেই এই পরিণতির সার্বিক চুলচেরা বিশ্লেষণ কেবলমাত্র একটি ব্যাপক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক ইতিহাস পর্যালোচনা ও বয়ানের মাধ্যমেই সম্ভব। সেটি এই নিবন্ধের পরিসীমায় সম্পূর্ণ সম্ভব হবে না। এ কারণে আমরা এখানে দেখতে চাইব যে — বাঙালি মুসলমানের পাকিস্তান রাষ্ট্রকল্পনায় শুরু থেকেই কী ভিন্নতা ছিল? এবং সেইসাথে বাঙালি মুসলমানের স্বদেশচেতনা কোন ভিন্ন শিক্ষাগত, ভাষাগত, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও ধর্মবিষয়ক আদর্শ ও রূপকল্প দ্বারা পরিগঠিত হয়েছিল? অর্থাৎ কী কারণে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার অব্যবহিত পরেই পূর্ব বাংলায় ধর্মভিত্তিক পাকিস্তান রাষ্ট্রকল্পনা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল?
এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে প্রথমেই আমাদেরকে পর্যালোচনা করতে হবে বাঙালি মুসলমানের তৎকালীন উঠতি মধ্যবিত্ত শ্রেণির উন্মেষ ও বিকাশকে। এদের আধুনিক শিক্ষা, ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, বুদ্ধিবৃত্তি ও ধর্মবোধের আদর্শ ও প্রেরণার মেট্রিক্স বা উৎসভূমি হিশেবে উনিশ শতকের কলকাতায় উন্মেষিত ও বিকশিত বাংলার রেনেসাঁকে বিশ্লেষণ করতে হবে। বিশ শতকের প্রথমার্ধে পূর্ব বাংলার মধ্য কৃষক শ্রেণি থেকে উদীয়মান এই আধুনিক মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রমিত ও লিখিত ভাষা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, বুদ্ধিবৃত্তি ও ধর্মবোধ – এর সবই উপনিবেশিক কাঠামোর অধীনে পরিগঠিত হয়েছিল; আর তা হয়েছিল উনিশ শতকের কলকাতায় হিন্দু বাঙালি বাবু ভদ্রলোক শ্রেণি কর্তৃক উন্মেষিত ও বিকশিত বাংলার রেনেসাঁর আলোকে।
উপনিবেশিক কাঠামোর অধীনে ইংরেজী ভাষা শিক্ষা সূত্রে বাঙালি মুসলিম শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি ইউরোপীয় এনলাইটেনমেন্টের ছিটেফোঁটার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছিল একথা ঠিক। কিন্তু তার চাইতেও বড় সত্য হল বাঙালি মুসলমানের চেতনাজগতের যাবতীয় ইউরোপীয় ও অ-ইউরোপীয় উপাদান ও অনুষঙ্গ সেখানে প্রবেশ করেছিল তার চাইতে অপেক্ষাকৃত অগ্রসর হিন্দু বাঙালি বাবু ভদ্রলোকের মধ্যস্থতায়। আধুনিক শিক্ষিত বাঙালি মুসলমানের চৈতন্যের আয়নায় প্রতিফলিত হত উনিশ শতক থেকে বিকাশমান কলকাতার বাঙালি হিন্দুর মনোজগতের প্রতিচ্ছায়া। আর এখানেই নিহিত রয়েছে আধুনিক শিক্ষিত বাঙালি মুসলমানের যাবতীয় মনোজাগতিক নির্ভরতা ও পরাধীনতার রহস্য।
এই আধুনিক শিক্ষিত বাঙালি মুসলমান পূর্ব বঙ্গের অধিবাসী হলেও, পূর্ব বঙ্গীয় আঞ্চলিক ভাষায় কথা বললেও, ধর্মীয় পরিমন্ডলে ইসলামের অনুসারী হলেও এর মানসজগতে রাজত্ব করতেন বিদ্যাসাগর, মধুসূদন, বঙ্কিমচন্দ্র, হেমচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, প্রমথ চৌধুরী, শরৎচন্দ্র, বিভূতিভূষণ, জীবনানন্দ, বুদ্ধদেব বসু প্রমুখ। এদের রচনার ভাষা, চিন্তা ও কল্পনার রঙে রঞ্জিত ছিল বাঙালি মুসলিম আধুনিক শিক্ষিত মধ্যবিত্তের চেতনা ও মন।
আধুনিক শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণির একাংশ স্যার সৈয়দ আহমদ প্রবর্তিত আলীগড় শিক্ষা আন্দোলনের চেতনা ও আদর্শের তাজদীদি রূপে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। এরা আল্লামা ইকবাল ও কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর অনুপ্রেরণায় পাকিস্তান রূপকল্পে অংশীদার হলেও এটি ছিল আসলে তৎকালীন পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে একটি সাময়িক ও ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত।
এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ছিল উঠতি বাঙালি মুসলিম মধ্য কৃষকের হিন্দু জমিদারী প্রথার নিগড় থেকে মুক্তির আকাঙ্খা। এই আকাঙ্খার ভেতরে আধুনিক শিক্ষিত বাঙালি মুসলিম শ্রেণিও তার শ্রেণিস্বার্থ চরিতার্থ করার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু এই বস্তুগত আর্থ-সামাজিক স্বার্থচিন্তা বাঙালি মুসলিমকে পাকিস্তান কল্পনায় উদ্বুদ্ধ করলেও তার মনোজগতে হিন্দু বাঙালি বাবু ভদ্রলোকের চেতনা ও আদর্শের প্রভাব অব্যাহতই থেকে গিয়েছিল। কাজেই মুসলিম লীগের সক্রিয় উদ্যোগে যখন জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হল এবং বাঙালি মুসলিম মধ্য কৃষক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির আর্থ-সামাজিক বিকাশের দ্বার উন্মোচিত হল তখন তার জীবনে পাকিস্তানের প্রাসঙ্গিকতা যেন অনেকটা হ্রাস পেল। তার মনোজগতে কলকাতার বাঙালি হিন্দু বাবু ভদ্রলোক স্থাপিত চেতনা ও আদর্শের আলোকে সে তার জীবন ও জগতকে দেখতে ও বুঝতে অভ্যস্ত হল। এরই পরিণতিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার অল্প কয়েক মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে পূর্ব বাংলায় পাকিস্তান কল্পনার অন্তর্গত বিভ্রান্তি ও বৈপরীত্যের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। এরই একটি মাইলফলক হিশেবে দেখা যায় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারীর পূর্বাপর ঘটনাবলীকে।
আধুনিক শিক্ষিত বাঙালি মুসলিম তার চেতনালোক ও মনোজগত গঠন করেছে বাংলার রেনেসাঁর সূতিকাগার কলকাতার আদলে। ইংরেজ প্রাচ্যবাদীদের ধাত্রীত্বে বাঙালি বর্ণ হিন্দু পন্ডিতদের হাতে সূচিত এই উপনিবেশিত আধুনিকতা, মনন ও সৃজনশীলতার গর্ভেই জন্ম নিয়েছিল বাঙালি মুসলিম মধ্যবিত্তের মনোলোক ও কল্পনালোক। এক্ষেত্রে কলকাতাই ছিল তাদের সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক কেবলা। আলীগড় কিংবা দেওবন্দ নয়।
এমনকি উনিশ শতকে বাংলার নিম্নবর্গীয় গ্রামীন কৃষক শ্রেণির মধ্যে তিতুমীর এবং হাজী শরীয়তউল্লাহ প্রমুখের নেতৃত্বে যে তৃণমৌলিক ইসলামিকতার সংস্কার আন্দোলন ও সংশ্লিষ্ট কৃষক চৈতন্যের উদ্বোধন হয়েছিল তার শিক্ষা, চিন্তা ও কল্পনাকেও এই আধুনিক শিক্ষিত উদীয়মান বাঙালি মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণি তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক কেবলা হিশেবে গ্রহণ করেনি।
তারা এমনকি উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাদী উলামাদের পরিমন্ডলের বাইরে থেকে উদ্ভূত মওলানা মওদূদীর জাতীয়তাবাদ-উত্তর ইসলামিকতা নির্ভর সমগ্রবাদী রাষ্ট্রকল্পনার প্রতিও সেই সময়ে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো আগ্রহ দেখায়নি।
দেওবন্দ, আলীগড় এবং লাহোর ভিত্তিক এইসব উপমহাদেশীয় মুসলিম ও ইসলামিকতার আদর্শ ও অনুসরণীয় নকশাকে আংশিক বা সম্পূর্ণ বর্জন করে তারা মূলত কলকাতাকেই তাদের কেবলা হিশেবে গ্রহণ করেছে। এর সবচাইতে বড় কারণ হল কলকাতা আদর্শটি যতই আত্মস্বাতন্ত্র্য বিনাশী হোক না কেন আফটার অল এর প্রকাশ তো বাংলা ভাষাতেই হয়েছে; যা বহু ভাষা আয়ত্ত করতে অপারঙ্গম এই উঠতি আধুনিক শিক্ষিত বাঙালি মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য আত্মস্থ করা অপেক্ষাকৃত সহজতর ছিল।
উপরের এইসব পর্যালোচনা থেকে যে শিক্ষাটি সিদ্ধান্ত হিশেবে টানা যেতে পারে তা হল বাঙালি মুসলিমকে যদি একটি স্থায়ী ও আত্মনির্ভর স্বদেশচেতনা ও রাষ্ট্রকল্পনায় উপনীত হতে হয় তাহলে তাকে ঢাকা কেদ্রিক একটি বিশ্বমানের ইসলামিকতা নির্ভর জীবন দর্শন, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ধর্মবোধ পরিগঠন করতে হবে। এটি এদেশের মানুষের নিজস্ব ও অর্গ্যানিক বাংলা ভাষাতেই প্রকাশিত হতে হবে; তবে তার নেপথ্যে থাকতে পারে আরবি, ফারসি, উর্দু ও ইংরেজীসহ বহুভাষা বাহিত জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার একটি সমৃদ্ধ ভাবুকতা ও সক্রিয়তা।