বাংলাদেশের প্রধান কবি আল মাহমুদের ৮৫তম জন্মবার্ষিকীতে দুই হাজারেরও অধিক ছবি হতে বাছাই করে, প্রায় এক হাজার স্মরণীয় ও কালজয়ী ছবি নিয়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আল মাহমুদ অ্যালবাম : সোনালি কাবিনের মহাকবি।

এতে আল মাহমুদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাঈদ চৌধুরী প্রধান সম্পাদক, ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল আবিদ আজম সম্পাদক এবং পৃষ্ঠপোষক রয়েছেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কবি আসাদ চৌধুরী।

মর্তুজা বশীরের স্কেচ আর কবির স্বহস্তে লেখা নামলিপি নিয়ে কভার ডিজাইন করেছেন ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি নাজমুস সায়াদ। ছবি সংগ্রহ ও সম্পাদনায় সহযোগিতা করেছেন আল মাহমুদ পরিবার।

দেড় যুগেরও অধিক সময় ধরে সংগ্রহ করা কবি জীবনের বর্ণাঢ্য স্মৃতির এ অ্যালবামটির সমন্বয় করেছেন আল মাহমুদ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি কবি ও লেখক আজরা পারভীন সাঈদ। সম্পূর্ণ ফোর কালারে ছাপা ও রেক্সিনে বাঁধাই করা অ্যালবামটি প্রকাশ করছে সরলরেখা প্রকাশনা সংস্থা।

বাংলা সাহিত্যে অসংখ্য কালজয়ী কবিতার স্রষ্টা আল মাহমুদ। বাংলা কবিতাকে গৌরবোজ্জ্বল অবস্থানে নিয়ে এসেছেন তিনি। আমাদের কবিতায় যে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার ঊণ্মেষ ঘটেছে তিনিই তার নায়ক।

দুই বাংলার অপরাজেয় এই কবির জন্ম ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য আল মাহমুদের কবিতা। দেশ-বিদেশে তাকে নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের কবিতা, গল্প, উপন্যাস এবং শিশু সাহিত্য নিয়ে আল মাহমুদের বইয়ের সংখ্যা দেড় শতাধিক। নির্বাচিত কবিতা ও গল্প সমগ্রও পাঠকের হৃদয় ছুঁয়েছে।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং আল মাহমুদ এক ও অভিন্ন। আল মাহমুদের এই রচনা সম্ভার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আল মাহমুদ ফাউন্ডেশন।

বিলেতের দ্য ইন্ডিয়া সোসাইটি থেকে ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয় বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথের অনূদিত ইংরেজি গীতিকাব্য। বৃটিশ চিত্রকলার শিক্ষক রতেনস্টাইন এবং আইরিশ কবি ইয়েটসের মাধ্যমে এটি মূলধারার লেখকের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়। রাজকীয় বৃটিশ সাহিত্য সমাজের সদস্য থমাস স্টার্জ মুর সুইডিশ একাডেমিতে পত্র লিখে নোবেল পুরস্কারের জন্যে রবীন্দ্রনাথের নাম প্রস্তাব করেন। ফলে রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

বাংলা ভাষার লেখকদের সাহিত্য সম্ভার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌছে দেয়ার জন্য সেগুলোর বিশ্বমানের অনুবাদ, একাডেমিক আলোচনা, সাংগঠনিক সংযোগ ও পেশাদারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে আল মাহমুদ ফাউন্ডেশন। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধান কবি আল মাহমুদকে নতুন প্রজন্ম ও আন্তর্জাতিক লেখকদের সামনে যথার্থভাবে উপস্থাপন করতে এবং তার সাহিত্যকে উপভোগ, শিক্ষা এবং গবেষণার জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য করে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতি বদ্ধ।