হারানো অতীত

অতীতগুলো রঙিন ছিলো,
সুখের ছিলো বেশ,
এখন হলো নতুন ধরা
নতুন বাংলাদেশ।

আগের ছিলো মাটির চুলা
আগুন ছিলো বেশ,
এখন হলে এলপি গ্যাসের
নতুন বাংলাদেশ।

জোৎস্না রাতে উঠোন ঘিরে
আড্ডা হতো বেশ,
নতুন নতুন মোবাইলই সব
করে দিলো শেষ।

আগের যুবক রাত্র ঘুমায়
উঠতো সকাল ভোর,
এখন যুবক রাত্র জাগে
দিনে ঘুমের ঘোর।

দুনিয়াটা বদলে গেছে
হয়েছে ডিজিটাল,
তাই বলে কি ভুলে যাবো
হারানো অতীত কাল?
…………………………………………..

ফজর

ফজর নামাজ পড়ে যখন
রাস্তা দিয়ে হাটি,
মুক্ত বাতাস মনকে করে
ভীষণ পরিপাটি।

ফজর নামাজ পড়লে আমার
ভীষন ভালো লাগে,
বিষণ্ণতা মনকে মুছে
সুখের আভাস জাগে।

ফজর নামাজ পড়লে আমার
ক্লান্তি কেটে যায়,
খারাপ লাগা অশান্তি সব
যায় হারিয়ে যায়।

ফজর নামাজ পড়লে আমি
মুক্তভাবে হাসি,
তাইতো আমি ফজরকে
ভীষণ ভালোবাসি।
…………………………………………..

সপ্ন

সপ্ন আমার অনেক বড়
পূরন হবে কবে,
পূরন হলে গৌরব আমার
হাজার বছর রবে।

সপ্ন আমার বড় হয়ে
হবো নভোচারী,
দেশ বিদেশে ঘুরে ঘুরে
দেখবো শহর বাড়ি ।

দেখবো প্রভুর রহমতের
সাগর, নদী-নালা,
দেখে দেখে মনের মাঝে
গাঁথবো ফুলের মালা।

দেখবো আরো পাহাড় পর্বত
দেখবো পশুপাখি,
দেখে দেখে আপন মনে
নতুন কাব্য লিখি।

কাব্য লিখতে ভালো লাগে
লাগে ভেজায় সূখ,
সপ্ন পূরন হলে আমার
রঙিন হয়ে যায় মুখ।
…………………………………………..

আশার আলো

মনটা যখন খারাপ থাকে
লাগেনা যে ভালো,
আলোয় ভরা ভূবনটাকে
লাগে ভীষন কালো ।

খারাপ সময় এলে পরে
সবাই বুঝে ভুল,
দুঃখে কষ্টে ভেবে তখন
পাইনা কোনো কূল ।

দিশেহারা হয়ে পরে
ওজু করে আসি,
দীর্ঘ সময় আপন মনে
কুরআন মজিদ পড়ি ।

তৃপ্তি ভরে কুরআন মজিদ
পড়তে লাগে সুখ,
কুরআন মজিদ পড়লে পরে
মুছে যায় সব দুখ।

আপন মনে কুরআন মজিদ
পড়তে লাগে ভালো,
দুঃখ কষ্ট বিলীন হয়ে
জাগে আশার আলো ।
…………………………………………..

করবো বিয়ে

বাড়ির পাশে দেখলে বিয়ে
মন হয়ে যায় ভারি,
আমার পালা আসবে কবে
সেটাই ভেবে মরি।

ভাবতে থাকি কার সাথে যে
আমার বিয়ে হবে,
সে কি আমার চেনাজানা?
না অচেনাই রবে।

আগে থেকে চেনা থাকলে
হতো অনেক ভালো।
দেখতাম সে কেমন হবে
ফর্সা নাকি কালো।

যদি চেনা জানাই থাকে
বলবে মাকে আজই।
বিয়ের জন্য হবো রেড়ি
করবো সকল সাজই ।

নিও রবের নাম।

জ্ঞানী-গুনী হতে হলে
পড় তুমি বই,
বইয়ের মতো বন্ধু এমন
পাবে তুমি কই?

ভালো লাগা ভালোবাসা
বইয়ের মাঝে সব,
বইয়ের মাঝে খুঁজে পাবে
তোমার প্রিয় রব।

বই পড়ার আগে তুমি
নিও রবের নাম,
রবের কাছে তবে তোমার
বাড়বে অনেক দাম।

রবের কাছে হলে দামী
বাড়বে তোমার সুখ,
সেই সুখেতে মুছে যাবে
তোমার সকল দুখ।
…………………………………………..

আমি না হয় থাকবো একা

সেদিন আলোহীন রাত্রিতে
এসেছিলে তুমি,
তেমার পরশে আসলে আলো
আকাশ থেকে ভুমি।

উল্লাসে মেতে উঠেছিলো
পাখপাখালির দল,
জোনাকি গেয়েছিলো গান
পেকেছে ফুল-ফসল।

হঠাৎ সুখের রাত পেরিয়ে
এলো দুখের দিন,
তোমার আশায় প্রহর গুনি
বাজাই বিষের বীন।

পাখপাখালি আর আসেনা
দেখতে তোমার রূপ,
এখন তুমি অহংকারী
ভাব বেড়েছে খুব।

আমি না হয় থাকবো একা
তোমার স্মৃতি ধরে,
ভালোবেসে যাবো তোমায়
হৃদয় উজাড় করে।
…………………………………………..

ক্ষমতার লড়াই

দিনের বেলায় সূর্য রাজা
রাতের বেলায় চাঁদ,
একসাথে কেউ দেয়না আলো
কাঁধ মিলিয়ে কাঁধ।

আমার রাজ্যে আমি রাজা
তোমার রাজ্যে তুমি,
উপরেতে আকাশ রাজা
নিচের দিকে ভুমি।

রাজ্য নিয়ে খেলতে খেলতে
গড়িয়ে গেল বেলা,
সূর্যের আলো শেষ হতেই
শেষ হলো সব খেলা।

সূর্য রাজার খেলা শেষে
এলো চাঁদের পালা,
চাঁদ বলে আজ আমার খেলা
কেঁড়ে নে সূর্যর থালা।

সূর্য চাঁদের মতোই এখন
চলছে মোদের দেশ,
নিজ ক্ষক্ষমতা চাইতে চাইতে
হলো জীবন শেষ।
…………………………………………..

দেশের বীর

আমি দালাল,
আমি বাংলাদেশের দালাল।
আমি ধ্বংস,
পরদেশী দালাল করবো নির্বংশ।
আমি শক্তি,
পরদেশ হতে চাই আমি মুক্তি।
হ্যা আমি বোকা,
আমি সেই একাত্তরের খোকা।
আমি মুখোশধারী,
মুখোশ দিয়ে বিদ্রোহ করি।
আমি বীর,
আমি সৈন্য যোদ্ধা বাহিনীর ।
…………………………………………..

করবোনা ভয়

বিজয়ীর বেশে আমি
ছুটবো জীবন ময়,
থাকবো আমি স্বাধীন
করবোনা আর ভয়।

যদি করি আর ভয়
হবে যে মোদের ক্ষয়,
পেছনে না তাকিয়ে
করবো এবার জয়।

রুখে দাঁড়িয়ে তোদের
করবো যে ধ্বংস,
ভয় না পেয়ে আর
হবো যে নৃশংস।

নিষ্ঠুর আমি হয়ে যাবো
থাকবোনা আর পীর,
নষ্টকে আজ শেষ করে
হবো যে আমি বীর।
…………………………………………..

রহম দাও

প্রভু তুমি আমার উপর
আর করো না রাগ,
আমার দিকেও দিও তুমি
রহমতের ভাগ।

রহম দিও, দয়া দিও
দিও ভালোবাসা,
ভালোবাসা দিয়ে তুমি
মুছো করুন দশা।

তোমার ঐ দয়ার হাতে
আগলে রেখো আমায়,
তোমার দয়া দিয়ে যেন
ডাকতে পারি তোমায়।

আমার সকল আশা তুমি
পূরন করে দিও,
পরকালে ফিরদাউসের
অতিথি করে নিও।