ধূধূ মরুভূমি

প্রকৃতির মায়া ভরা সবুজ শ্যামল- এই ভূমি!
আজ চারিদিকে দেখি যেনো ধূধূ এক মরুভূমি!
আজ নিজ গৃহে বন্দী মানব জাতি করোনা ভয়ে!
মহান রবের কাছে চাও তোমরা আজ নির্ভয়ে!
মানব জাতি ডুবেছে পাপের এক- মহা সায়রে!
মানুষ্য জাতি নির্জন গৃহে মরে আজ অনাহারে!

লাখপতি কোটিপতি কিভাবে নিখোঁজ হয়ে আছে
তারা ঘরের কোণেতে বলে দেশে করোনা আসছে,
তারা গরীবের খুঁজ না নিয়ে নিজ গৃহে কি- করে?
আজ তারা মনুষ্যত্ব হারিয়ে আরাম- করে ঘরে!
যদি ভয়াল করোনা তাদের আর রক্ষা- না করে!
তাদের টাকা পর্বত যাবেনা অন্ধকার- কবরে।

ক্ষমতার মসনদে বসে কত করেছো- অন্যায়?
আজ মহামারী থেকে বাঁচার জন্য আছে উপায়?
কত মায়ের অশ্রুতে ভিজেছে কত জায়নামাজ!
তোমাদের জুলুমের নাশ ঘটাবে করোনা আজ!
কোরআনের কর্মীরা যখন তমস্যা- কারাগারে,
সেদেশে মহামারীতে কত শত মানুষ যাবে মরে!
…………………………………………..

মৃত্যুর মিছিল

এই মৃত্যুর মিছিলে আমিও থাকতে পারি,
পাগল ছিলাম দুনিয়ারি।
যদি আমিও এই পথের পথিক হয়ে যায়,
মাটির নিচে থাকবো আমি খুব অসহায়,
আমার যাত্রা অন্তিম মহাকাশের দিকে,
যেখানে অন্ধকারের রাজত্ব চারদিকে।

যেখানে পোকামাকড়ের নির্দিষ্ট জায়গা,
সেখানে পড়ে থাকবো আমি অভাগা।
সেখানে চলে শুধু আমলের বাহাদুরি,
চলবে না ভবের মত কোনো নেতাগিরি।

আমার নসীবে যদি এই মৃত্যু থাকে,
মেনে নিবে আমার দু’চোখে।
আপনজন বিহীন মৃত্যু কেউ চাইনা,
রবের সিদ্ধান্ত তো নড়তে পারেনা।
তিনি যা করেন তা বান্দার জন্য কল্যাণ,
মেনে নিবো করোনাতে যদি যায় প্রাণ।

আজ চারিদিকে শুধু মৃত্যুর মিছিল,
আমার দেহটা খালি হাতে এসেছিল।
সাদা কাপড় নিয়ে খালি হাতেই যাবে,
নিয়মটা তো করেছে মহান রবে।

হয়তো ফেইসবুকের একাউন্ট থাকবে,
থাকবে না শুধু নিয়মিত ব্যবহারকারী।
কত মজা কত রোমান্স নিয়ে ব্যস্থ ছিলাম,
মৃত্তিকা বলবে আজ তোকে আমি পেলাম।
আমার উপর দাঁড়িয়ে কত সুন্দর ছবি উঠাইলি
তোকে আমার কাছে আসতে হবে একটু কি চিন্তা করলি?

মহান রবের সৃজন সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে থাকতে হবে।
সাড়ে তিন হাত মৃত্তিকার নিচে চাপা।
মৃত্তিকাকে খুব ভয় লাগে আমার
মৃত্তিকার নিচে দাঁড়িয়ে কত করেছি অহংকার
হে মাটি তোমাকে কত জুলুম করেছি আমি
আজ আমাকে ঘ্রাস করে প্রতিশোধ নিবে তুমি

হে মহান রব ক্ষমা চাই যত রকম করেছি আমি পাপ
তোমার এই ক্ষুদ্র পাপী বান্দাহকে করে দাও মাফ।
…………………………………………..

মহামারী করোনা

যুগ জামানা পাল্টে দিতে এসেছে মহামারী করোনা,
সারা পৃথিবী লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে তোমরা দেখো না?
আজ যেখানে দেখি সেখানে শুধু মানুষের- লাশ,
মহামারী করোনা এসে আজ তো সারা দুনিয়া নাশ।

শতাব্দী পর পর এসেছে ভিন্ন ভিন্ন নামে মহামারী,
তবুও থেমে নেই এই মানব জাতির- অহংকারী,
তোমাদের মহাশক্তিশালী পরমাণু আজ কোথায়?
তোমরা বের করো করোনা থেকে বাঁচার- উপায়।

মুসলমানের রক্ত চুষে হয়েছো তোমরা শক্তিশালী,
মুসলমানের রবের অস্ত্র দেখো কত- ক্ষমতাশালী,
মসজিদে ভিতর জ্বালিেয় দিয়েছো কত মুসলমান,
সেই ক্ষমতা মহান পরমাত্মা মহামারী দিয়ে থামান।

যুগে যুগে মহান আল্লাহ কত জাতি করেছেন নাশ,
নিজের উপর জুলুম করলে করোনা করে সর্বনাশ,
রসায়নিক অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছো হাজারো প্রাণ,
রবের কাছে তোমাদের সবকিছু আছে- প্রমাণ,

তাই তো মহান রব কর্কশ ভাবে নিচ্ছেন প্রতিশোধ,
তীক্ষ্ণ করোনা ভাইরাস তোমাদের করছে শ্বাসরোধ,
অবক্র পথে চলে আসো সময় থাকতে করো শপথ,
মহান রবের পথে যদি চলো তুলে নিবেন সব বিপথ।
…………………………………………..

এসো শপথ করি

যেদিকে যায় সেদিকে দেখি অন্যায় খুন ধর্ষণ,
এমন শ্যামল ধরায় তাইতো গজব বর্ষণ,
এসো মুক্তির আঙিনায়, এসো শপথ করি মোরা,
দেখো অঙ্গিকার নিয়ে আসতেছে খালিদের ঘোড়া।

মুসলিম তুমি আবারো উচু করো তোমার শির,
এক সময় তুমি ছিলে পৃথিবীর নির্ভীক বীর,
আজ সারা বিশ্বের মুসলিম নিষুপ্তিতে বিভোর,
কাধে কাধ মিলিয়ে গাই আল-কোরআনের সুর।

সারা বিশ্বের মুসলিমরা মার খায় ধুঁকে ধুঁকে,
এসো মুসলিম সবাই ছুটি কোরআনের বুকে,
মুসলিম মোরা ভাই ভাই বন্ধ করি রেষারেষি,
সত্যের মহাবাণী কোরআন প্রচার করি বেশি।

আজ প্রয়োজন একদল ওয়াহেদাতি উম্মত,
যারা কোরআন দিয়ে শাসে এই সারাটা জগত,
আল কোরআনের ছায়াতলে এসে শপথ করি,
ঐক্য হয়ে কোরআন ধরে সুন্দর সমাজ গড়ি।

অন্যায় অত্যাচার রুখে দিয়ে সত্যের পথে চলি,
এসো শপথ করি, মোরা সত্য কথা নির্ভয়ে বলি,
ত্যাগ করি পশ্চিমা পাপাচার দিবস আছে যত,
মেনে চলি খোদার আদেশ কোরআন অবিরত।
…………………………………………..

জিহাদ

জিহাদ মানি নই কোনো জঙ্গি জিহাদ মানি শান্তি,
জিহাদ দূর করে সমাজে রাষ্ট্রে যত চলে অশান্তি,
জিহাদ করে মোরা ফিরিয়ে আনি মানবতার মুক্তি,
জিহাদ করলে বৃদ্ধি পায় আমাদের ঈমানী শক্তি।

আজ ইহুদি খ্রিষ্টানরা জিহাদ মানি বুঝায় শুধু জঙ্গী,
বিশ্ব নেতারা মানবতার নামে দেখায় শুধু শুধু- ভঙ্গী,
বিশ্ব নেতারা জিহাদ নিয়ে করে কত খারাপ- মন্তব্য,
জিহাদ দেখায় আমাদেরকে সুন্দর জান্নাতের গন্তব্য।

আউলিয়াদের ভূমে কুরআন হাদীসের বই ফেলে,
হলুদ মিডিয়ারা শুধু ব্যস্থ থাকে জিহাদী বই বলে,
মক্তবের নূরানী কায়েদাকে বলে- আল কায়েদা,
বিনাশ করতে চাই পবিত্র কোরআনের- মর্যাদা।

মূখে দাড়ি মাথায় টুপি দেখলে লাগে নাকি জঙ্গী,
শেষ বিচারের দিন তোমরা হবে জাহেলের সঙ্গী,
জিহাদ আমাদের নিয়ে যায় কল্যাণের- পথে,
আমরা জিহাদ করি নেয়াপূর্ণ জান্নাতে- যেতে।

ভার্সিটি কলেজে কেউ যদি সালাত আদায় করে,
তাদের জঙ্গী সন্দেহ করে হত্যা করে- অন্ধকারে,
বংশগত মুসলিম তবে আসল মুসলিম নই তারা,
সালাত পড়ে বলে আবরার কে হত্যা করে যারা।

ইসলাম অন্যায়ভাবে হত্যা করাকে প্রশ্রয় দেয়না,
অন্যায় কাজ কখনো প্রকৃত ইসলাদারী করেনা,
ইসলাম কখনো বলে নাই সন্ত্রাসবাদী- করতে,
আমাদের ইসলাম বলে সন্ত্রাসবাদীদের রুখতে।

খিস্টানের দুষররা বলে মৌলবাদীরা নাকি জঙ্গী,
অন্যায়ভাবে হত্যা করলে কোথায় যায় দৃষ্টিভঙ্গী?
যারা ইসলামকে জঙ্গী বানানোর ষড়যন্ত্রে- লিপ্ত,
অচিরেই তারা জাহান্নামের শিখায় হবে নিক্ষিপ্ত।

জিহাদ মানি নই-রে জঙ্গী জিহাদ মানি শান্তি,
জিহাদ দূর করে- অন্যায় অত্যাচার যত ভ্রান্তি,
জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ রবের উত্তম- নেয়ামত,
জিহাদ ফিরিয়ে আনে বিশ্ব মানবতার মুক্তি পথ।
…………………………………………..

রক্ত দিয়ে কেনা মাটি

ভোর সকালে রক্তের লালে সূর্যোদয় হয়,
শহরে নগর গ্রামে বিজয় পতাকা উড়ায়,
বিজয়ের খুশিতে সারা বাংলা মূখরিত,
বাঙালীরা বিজয়ের পতাকা উড়াতে ব্যস্থ।

রক্তে লাল ঐ পদ্মা মেঘনা যমুনা গোমতী,
লাখো শহীদের ত্যাগে হয়েছি স্বাধীন জাতি,
বাংলার মাঠে ঘাসে শহীদের রক্ত ভাসে,
ষোলো ডিসেম্বর মাস বার বার ফিরে আসে।

রক্তক্ষয়ী দীর্ঘ নয়মাস হলো রণাঙ্গন,
পাকিস্তান বাহিনী করলো আত্মসমর্পণ,
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন,
হতে দেবো না বাংলার শত্রুদের অধীন।

ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত দিয়ে কেনা মাটি,
স্বাধীন ভূমে করতে দেবো না শত্রুর ঘাটি,
রক্তে অর্জিত বাংলার মাটি রক্ষা করতে,
প্রয়োজনে বাঙালীরা আবার যাবে মরতে।
…………………………………………..

যৌতুক

আহারে যৌতুক,
তুমি বড়ই কৌতুক।
নিস্তব্ধ নিশিতে সবাই ঘুমায়,
মেয়েটা আছে খুব অসহায়।
টাকার কাছে রুপ গুন হারিয়ে যায়,
শশুর বাড়ি থেকে শুধু টাকা চায়।
দাবি করে কত কিছু খুঁজে নিলাম,
এই সম্পদে কিছুক্ষণ শান্তি পেলাম।
আস্তে আস্তে সবকিছু অশান্তি লাগে,
মেয়েটির সাথে ঝগড়া করে বিভিন্ন অভিযোগে।
রাতের নিশিতে মেয়েটির উপর কি নির্মম অত্যাচার,
আমি অসহায় মেয়ের উপর কেনো করো অবিচার?
আমি তো অসুন্দর কালো মেয়ে,
আমাকে কেনো করেছো বিয়ে?
আমার উপর এত অমানবিক নির্যাতন,
তোমরা আরো কত করেছো জ্বালাতন।
আমার অপরাধ কি বলো,
না হয় আমি একটু কালো।
বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে করতেছো প্রতারণা,
মেয়েটার দু’চোখে দিয়ে শুধু বয়ে যাচ্ছে ঝরণা।
বাবার গৃহ ছেড়ে এসেছি তোমার কাছে,
দেখো রাষ্ট্র দেখো সমাজ যৌতুক নিয়েও
তারা আমাকে কিভাবে নির্যাতন করছে।
যৌতুক সামাজিক একটি ব্যাধি,
যৌতুক প্রথাকে দিতে হবে সমাধি।
যৌতুকের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন,
যৌতু প্রথাকে না বলুন।

বাস্তব একটা কাহিনী ধারণ করে লিখেছি।
…………………………………………..

স্বাধীন মানচিত্র

তারা স্বাধীন মানচিত্র গিলতে চাই,
এসো সবাই স্বাধীন দেশটা বাঁচাই,
আমার বাংলার মাটি আমার দেহের রন্ধ্রে রন্ধ্রে,
সাহস থাকলে হাত দিয়ে দেখো আমার মানচিত্রে,
বাংলাদেশ আমার নিশ্বাস আমার বাঁচার বিশ্বাস,
বাংলাদেশের সোনার মাটি আমার সুখের স্বর্গবাস।

সাইক্লোন হয়ে দেখাবো মহা ত্রাস,
মানচিত্রে হাত দিলে করবো ঘ্রাস,
আমি মানিনা কোনো মহাত্রাস আমার আছে বিশ্বাস,
বাংলাদেশের সোনার মাটিতে আমার- অধিবাস,
আমি মানিনা কোনো ঝঞ্বা আমি মানিনা মহাজন,
এই মাটি স্বাধীন করতে আমি দিয়েছি কত বিসর্জন।

স্বাধীন মানচিত্র পরাধীন করার- ষড়যন্ত্র,
বাংলাদেশীরা বুঝে গেছে- তোমাদের মন্ত্র,
রক্তের স্রোতে স্বাধীন মানচিত্রের অভ্যুদয়,
সশস্ত্র বাহিনী পাঠিয়ে দেখাতে হবেনা সদয়,
বাঙালী দামাল ছেলেরা রণাঙ্গণে অগ্নিশ্বাস,
স্বাধীন মানচিত্রে হাত দিলে করে দিবে নাশ,
স্বাধীন মানচিত্র বিদীর্ণ করার ষড়যন্ত্রে মগ্ন,
ঘ্রাস করতে চাই স্বাধীন মানচিত্রের- স্বপ্ন,
নিজ গৃহে তমঃ রেখে অন্যকে দেবে জ্যোতি,
বাঙালীরা কখনো গ্রহণ করেনা এমন প্রীতি।
…………………………………………..

আমি ব্যর্থ রাষ্ট্র

এই রাষ্ট্র আমাকে খাবার দিতে- ব্যর্থ!
কারণ যারা রাষ্ট্র চালায় তারা অপদার্থ!
আজ ক্ষুধার যন্ত্রণায় আমি কাতর,
কোথায় তোমাদের খাদ্য অধিদপ্তর?
আমি চার দেওয়ালের ভিতর করি- চিৎকার!
দূর্যোগে খাদ্য পাওয়া আমার রাষ্ট্রীয় অধিকার!
আমি দিন মজুর আমি অসহায় শ্রমিক,
কাজ না করে কেউ দেয় না পারিশ্রমিক,
আমি না খেয়ে কঙ্কাল হয়ে ছটফট করি,
বলো মহাজন এভাবে কি বাঁচতে- পারি?
আমার টেক্সে রাষ্ট্র চলে আজ আমি ক্ষুধার্ত,
রাষ্ট্র তুমি বড়ই নির্লজ্জ আর বড়ই অভিশপ্ত,
আজ দারিদ্ররা অচল বিত্তবানরা খুব সচল,
রাষ্ট্র আজ তোমার বুকে জ্বলছে- দাবানল,
মাস শেষে বড় বাবুরা মাইনে ঠিকেই তুলবে,
আমি অসহায় কুলি আমি শ্রমিকের কি হবে?
আমার নেই কোনো কাজ নেই কোনো খাবার,
ক্ষুধার যন্ত্রণায় আমি রাজপথে যাবো আবার,
করোনার চাইতে করুণের ক্ষুধার বেশি যন্ত্রণা,
অভাবগ্রস্তের চাউল নিয়ে তারা করে প্রতারণা,
আমি ক্ষুধার যন্ত্রণায় মরে কিসের লগ ডাউন,
আমার ক্ষুধা মিটিয়ে আমি বাঁচবো- একদিন।
আমি ব্যর্থ রাষ্ট্র বলছি!
আমি তো বন্দী আছি!
আমি তোমাদের গৃহে গৃহে খাবার দিতে ব্যর্থ!
কারণ আমাকে শোষণ করে খায় অপদার্থ!
…………………………………………..

শেষ শয্যায়

বেঁচে থাকলে আবারো সুস্থ পৃথিবীতে দেখা হবে।
পৃথিবীটা যখন সুস্থ হবে
আবার নতুন পৃথিবী হবে
মানব জাতি শুরু করবে আবারো নতুন জীবন
পৃথিবী ফিরে পাবে হারানো সুন্দর নতুন যৌবন
অবসান ঘটবে একদিন মানুষের- বিন্দুমোচন
তখন মানব জাতির মূখে ফুটে উঠবে- সুবচন

ভবের মানুষ যদি তোমাদের সাথে না হয় দেখা
মনে রাখবে কি আমার বেদনা ভরা কিছু লেখা
মৃত্যু আমার গৃহের দুয়ারে দুয়ারে এসে ডাকবে
তখন আমি থাকবো না আর এই অপরুপ ভবে

তোমরা ভূলে যেওনা আমার আলেখ্যের স্মৃতি,
তোমরা ভূলে যেওনা আমার কবিতার আবৃত্তি,
আমার প্রয়াণে যদি না হাসে এই জগত ভূবন,
বৃথা যাবে আমার এই জাহানের পুরো জীবন।

আমার প্রয়াণে হাসুক আকাশ বাতাস প্রকৃতি,
পৃথিবীর বুকে রেখে যেতে চাই অল্প কিছু স্মৃতি,
মোর মরণ যেনো হয় প্রভু সিজদারত অবস্থায়,
কালেমা তাইয়্যেবাহ নসিব করো শেষ শয্যায়।