পাখ পাখালি

বুলবুলি কয় ডেকে দোয়েল পাখিরে
সাদা কালো চেহারায় জাতীয় হলেরে
দোয়েল কয় ওরে বুলবুলি মাথায় ঝুটি
লেজ তোমার লাল, বুদ্ধি কি গেছে টুটি।

ময়না, টিয়া হাসলো এবার মিটিমিটি
মাছরাঙাটা পুকুর পাড়ে ধরলো পুটি
শ্যামা, শালিক, তোতা, চুড়ই সবার কথন
উট পাখির আমন্ত্রনে দেখ ঘুঘুর নাচন।

হাওর বিলে বগা হাটে মেঘলা দিনে
মাছ ছাড়া কি সে কোন দিন ঘরে ফিরে
রাখাল দেখে পানকৌড়ির ডুবাডুবি
শিশুরা দেখে আকাশে চিলের উড়াউড়ি।

সবাই বলে কাক কত কালো
কুকিলের কন্ঠ এতো যে ভালো
পায়রা গুলির পায়ে এত সুন্দর খোঁপা
রাতের আধাঁরে ডাকে হুতোম প্যাঁচা।

বাবুই পাখি তাল গাছে তার বাস
ঝড় হলে তার সবই সর্বনাশ
কাঠ ঠোকরা আওয়াজ করে গাছে ধুমধুম
ভরা দুপুরে তাই ভাংলো শিশুর ঘুম।

সুইচোরা, হাঁড়িচাচার আজ কিচিরমিচির
শীতের ভোরে ধান ক্ষেতে পড়েছে শিশির
ভিমরাজ, ধনেশ, মদনটাক আর গাঙচিল
বর্ষার বিলে পায়চারি করে সারা দিন।

বাড়ির পাশে পদ্মপুকুরে ভেলা
হাঁস, মুরগী ,কোয়েলের খেলা
দেশটা মোদের পাখ পাখালিতে ভরা
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেও সবার সেরা।.
…………………………………………..

কোয়ারেনটাইনের দিনগুলি

সবদিকে মরা লাশের খবর
জানাযায় লোকবিহীন কবর
বাড়ছে শুধু আক্রান্তের সংখ্যা
ঘরে থাকি ভাইরাসের আশংকা।

হাসপাতালের ডিউটি সেরে
আজ পড়েছে বউ জ্বরে
জ্বরের খবর যেদিন শোনে
বুয়া পালিয়েছে ভাইরাসের ভয়ে
তার বুকে ব্যথা করে
বাসায় থাকলে যাবে মরে।

একা একা করি কী
বউ ঘরে থাকে বন্দী
মারিন, লিয়ানা, আমি একসাথে
সারাদিন কাজে দিন কাটে।

রান্না, মাজা, শিশুর যত্ন
বউয়ের ফরমায়েশে থাকি মগ্ন
বাচ্চাদের মা আলাদা থাকে
ব্যস্ত আমি দিনে রাতে
স্বজনদের ফোন, খোঁজ খবর
শুরু হয় সেটা বাদ ফজর।

জেনেছে মুয়াজের বাবা মা
আমার তাই রাঁধা মানা
আজ পাঠিয়েছে দুপুরের খাবার
কৃতজ্ঞতার ভাষা নেই আমার।

আমারও হালকা সর্দি জ্বর
শরীরে ধকল, মাথাটাও ভার
করোনার টেস্টের অপেক্ষায় থাকি
ভাল খবরের কতক্ষণ বাকি।
আল্লাহ মহান করো মাফ
ভাইরাসকে করে দাও সাফ।
…………………………………………..

স্বপ্ন; ভাংগা সাইকেল

একটা ভাংগা সাইকেল
বাজে না তো বেল
দুইটা ছেড়া প্যাডেল
সাইকেল চালাই মিডেল
রাস্তায় থাকুক খাল
যায় যাবে ছাল
ধরি নাকো ধার
দ্রুত হই পাড়
পড়ে যাই বাপু
ছিলে যায় হাটু
করি নাকো পরোয়া
বকা খাবো ঘরোয়া
লাফিয়ে চলে সাইকেল
আমি যেন মাইকেল
কিসের বাড়ি গাড়ি
এটাই আমার দরকারী
আমি সাইকেলে চড়ি
রাজার ভাব ধরি
নারকেল তেল ঢালি
সাইকেলের যত্ন সারি
অলি গলি যত
ছুটে চলি অবিরত
এটাই সেরা দামী
স্বপ্ন এটাই জানি।
…………………………………………..

ভবিষ্যৎ তুমি বড় নিষ্ঠুর

বর্তমানে করছি কষ্ট গরমে
ভবিষ্যৎ থাকবো একটু আরামে
ভবিষ্যৎ তুমি বড় নিষ্ঠুর!
আসোনি কখনোই হয়ে সুমধুর
আমি বর্তমানকে বারবার দেই বলি
তোমায় পাবার আশায় অপেক্ষা করি
টাকা জমাই, জমি কিনি, ঘুস খাই!
ভবিষ্যতে ভাল থাকার স্বপ্নে হারাই
ভবিষ্যতের অপেক্ষায় জীবন শেষ!
প্রেসার বেশি, ডায়াবেটিসটাও বেশ
বয়স এখন ষাটের কাছাকাছি!
ভবিষ্যৎ আসবে এখনও বলছি
ভবিষ্যৎ তুমি বড় নিষ্ঠুর!
আসলেনা কোনদিন দেখতে আমায়
তোমার জন্য বর্তমানকে দিয়েছি কষ্ট
বারবার দেখে যায় আমাকে বর্তমান
করিনি কোনদিন তাকে সম্মান
সুখ বিসর্জন দিয়েছি বর্তমানে
ভবিষ্যতে বেশি সুখ করবো বলে
কত বিকেল, জোৎস্না রাত্রি চলে গেল
দিনরাত কাজ করি ভবিষ্যতে থাকবো ভাল
ভবিষ্যতের জন্য বর্তমান অবহেলায়
বুঝে কোন লাভ নেই শেষ বেলায়
বর্তমান ! সেতো শুধু হয়ে যায় আতীত
সর্বদাই বর্তমান থাকে নিয়ম মাফিক
অতীত আর বর্তমান ভাই ভাই
ভবিষ্যৎ বলে কিছু নাইরে নাই।
…………………………………………..

এক অন্যরকম রমাদান

রমাদান তুমি কুরআনের মাস
এসেছো এবার করোনার দিনে
রহমত, বরকত ও নাজাত নিয়ে
মসজিদগুলোতে নেই তারাবী পড়া
রেস্তরাঁয় নেই সেহরী, ইফতারের পশরা
উৎসব নেই বাসা বাড়িতে ইফতারের
কেনাকাটা নেই বেহাল দশা মার্কেটের
ধনী গরীব আজ একই খাবার
তাড়া নেই আজ ঈদ মার্কেটে যাবার
সমগ্র জনপদ করোনায় গৃহবন্দি
তাসবীহ, নামাজ পড়ে বাড়িতে মুসল্লী
পিঁয়াজু, জিলাপির দোকান নাই পথে
ভাল লাগেনা তাই ইফতার খেতে
কিয়ামুল লাইল, ইতেকাফ নাই নসীবে
শবে ক্বদর কি পড়তে হবে বাড়িতে
এমাসে হয়েছে নাজিল আল কুরআন
যেন হতে পারি মোরা তাক্বওয়াবান
এসো সবাই কুরআন পড়ি বন্দি ঘরে
যাতে নৈকট্য অর্জন হয় বেশি করে
যেহেতু এবার বাজারে ঘুরার সুযোগ নাই
বেশি বেশি তাসবীহ পড়ে রাত কাটাই
হিন্দু, খৃষ্টান ও মুসলিম জেনেছি সবাই
আল্লাহ ছাড়া কারও কোন শক্তি নাই
এবার এলো অন্যরকম রমাদান
করোনা থেকে দাও প্রভু মুক্তিদান।
…………………………………………..

সারা দুনিয়া বদলে দিলে

করোনা তুমি জানিয়ে গেলে, যাচ্ছো বলে
মানুষ খাঁচায় থাকলেই পরে বাকি দুনিয়া খুশি তবে
আচমকা, সারা দুনিয়াটা বদলে দিলে!
চীনের প্রাচীর কি কিছু অবরুদ্ধ করতে পারে
মানব জাতিকে মৃত্যুভয় দেখিয়ে খাঁচায় ভরে
বাকি দুনিয়া কেমন প্রাণোচ্ছলে চলে
সাগর তীরে কাছিম ছানা করছে কত খেলা
শেওলা,কোরাল হাসি খুশি বসছে সেথায় মেলা
গাছপালা, পশুপাখি, নদীনালা কত খুশি বলো?
আলো বাতাস আকাশ সবাই আছে এখন ভাল
দেখ তাকিয়ে মানুষ ছাড়া পৃথিবীর কি নকশা
কারও কিছুই যায় আসেনি, সবাই তারা বাদশা
প্রকৃতি আগের থেকে আরও হয়েছে বিশুদ্ধ খাঁটি
সবুজ শ্যামল হয়েছে বরং সারা পৃথিবীর মাটি
আমেরিকা ইউরোপের মানুষ কি শক্তিধর হয়?
তুমি করোনা প্রমান করিলে তারা শাসক কারো নয়
এই দুনিয়ায় পিঁপড়ে মশা সবাই এক আল্লাহর সৃষ্টি
মানুষ তোমরা কারও মালিক নও কেবলই অতিথি
তাই বেঁচে উঠে মাথা নত করে ফিরো দৃষ্টিতে
যেন বিনয়, কৃতজ্ঞতা থাকে জুলুম না থাকে সৃষ্টিতে।
…………………………………………..

মা আমার শ্রেষ্ঠ সবার

মায়ের মত দরদী ভাই কে আছে এ ধারায়
নিজের শান্তি ভুলেই তো যান সন্তানের মায়ায়।

যখন ছিলাম তাঁর উদরে লাথি গুতা দিলাম তাঁরে
তবু কষ্ট নেননি মনে,ভুলে গেলেন জন্মের পরে।

এ ভুবনে প্রেম মমতা হয়না কভু তাঁর সমতা
সহ্য করেন শিশুর বমি, দুর্গন্ধ মল- মূত্রের কাঁথা।

আমার অসুখ হলে যেন মায়ের অসুখ হয়
না জানি ছেলের কী হয়েছে এ নিয়ে তার ভয়।

মোদের সুখেই নিজের জীবন করেন তামাতামা
বাবার সাথে মনোমালিন্য নিয়ে শিশুর ঈদের জামা।

আমার মায়ের ঘুম ভাংগে ফজর আজানের সাথে
অন্য সবার ঘুম ভাংগে মায়ের কুরআন পড়ার আওয়াজে।

আমার মায়ে রাঁধেন তবে পদ্মা, মেঘনার ইলিশ
খাওয়ার সময় নেন তিনি সবচেয়ে ছোট পিস।

মা আমার অমুল্য রতন নেয়না তো নিজের যতন
পর্দা তাঁহার প্রধান ভূষন, সাদাসিধে জীবন যাপন।

পাড়া পড়শী সবার সাথে থাকেন তিনি মিলেমিশে
গরীব দুঃখীর বিপদে হাত বাড়ান খুব নিমিষে ।

সব সন্তান করলেন মানুষ,নাই কোন কষ্টের অভিযোগ
ছেলের বউদের সাথে থাকেন ভাল, নেই কোন বিরোধ।

পার হল কিছু বছর শরীর চলে ঔষধের উপর
নেক হায়াত প্রার্থনা করি প্রভুর নিকটে মোর।

মা আমার শ্রেষ্ঠ সবার পদতলে জান্নাত তাঁর
জীবন ভর করলেও সেবা শেষ হবেনা ঋনের ভার।।
…………………………………………..

এক অদৃশ্য ভাইরাস!

করোনা তুমি কি শুধুই এক অদৃশ্য ভাইরাস!
নাকি আসমানের মালিকের ইশারায় বাহক একরাশ।

করোনা তুমি দৃশ্যমান লড়াই ছাড়া করলে আশ্চর্য যুদ্ধ!
করলে চীন, আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ অবরুদ্ধ।

সিরিয়ার শিশুরা করেনি তো ইফতার গতবার!
ফিলিস্তিনের রোযাদার নারীরা রক্তাক্ত শরীরে একাকার।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের কুঁড়ে ঘরে অগ্নির মশাল!
হায়রে মানুষ! কিসের জন্য হয়ে যাও তাল মাতাল।

করোনা তুমি স্রষ্টার কত ছোট্ট অদৃশ্য প্রানী!
আংগুল দিয়ে বুঝিয়ে দিলে আমরা মিথ্যে অহংকারী।

প্রতিপালকের হুকুমে এসেছিল মক্কায় আবাবীল
তুমিও কি এসেছো এ ধারায় তারই মিল।

ইব্রাহিমের আ. প্রভুর ইশারায় নাযিল হয়েছিল মশা রা
নমরুদ কাবু হয়েছিল একটা লেংড়া মশায় বেচারা।

অহংকারে বলেছিল, নিয়ে আস তোমার আল্লাহর শক্তি!
সালেহের আ. দোওয়ায় নাস্তানাবুদ সামুদ জাতি।

দাপট, ক্ষমতার বড়াই আর প্রভুর দাবী করেছিল নিজেকে
মুসার আ. সময় ফেরআউনকে ডুবতে হয়েছিল নীলনদে।

করোনা তুমি জুলুম দমনের স্রষ্টার এক মেহমান
এবারের মতো মোদের মাফ করে দিন আল্লাহ মেহেরবান।
…………………………………………..

পছন্দের রঙ

লোকে আমায় জিজ্ঞেস করে কোন রঙটি পছন্দের
আমি হেসে বলি, কালো কি কোনো দিক থেকে খারাপের
তারা কয়, কালো সেতো অন্ধকার, কুৎসিত ভয়াবহ
আচ্ছা! কলমের কালি, কালো জাম, ব্লাকবেরী অহরহ
ময়ূরপঙ্খী, কুকিলের রঙ, কা’বার গিলাফ কত সমারোহ।

লোকে আমায় জিজ্ঞেস করে কোন রঙটি পছন্দের
আমি হেসে বলি, হলুদ রঙ কি কোন দিক থেকে খারাপের
তারা কয়, হলুদ সেতো মল মুত্রের রঙ, এটা পছন্দ চাষাদের
আচ্ছা! হলদে ডানার কত পাখি, সরষে ফুলের ক্ষেত
তুমি কি কভু দেখোনি ছবি সূর্যমুখী আর টিউলিপ বাগানের।

লোকে আমায় জিজ্ঞেস করে কোন রঙটি পছন্দের
আমি হেসে বলি, লাল কি কোনো দিক থেকে খারাপের
তারা কয়, লাল পান্জাবী, লাল বোরকা বড্ড বেমানান
আচ্ছা! স্ট্রবেরী, ডালিম, তরমুজ, পাকা পেঁপে, ড্রাগন
তুমি কি কভু দেখোনি রক্ত জবা, লাল গোলাপের কানন।

লোকে আমায় জিজ্ঞেস করে কোন রঙটি পছন্দের
আমি হেসে বলি, সবুজ কি কোনো দিক থেকে খারাপের
তারা কয়, সবুজ মোটরসাইকেল, সবুজ বাস, ট্রাক কি হয়
আচ্ছা! সবুজ পতাকা বাংলাদেশের, মোদের অহংকার!
তুমি কি কভু দেখোনি রঙ সবুজ মাঠ ও মদিনা মনোয়ারার।

লোকে আমায় জিজ্ঞেস করে কোন রঙটি পছন্দের
আমি হেসে বলি,সাদা রঙ কি কোনো দিক থেকে খারাপের
তারা কয়, সাদা শাড়ি পরে বিধবারা, সাদা সেতো সাধারণ
আচ্ছা! রজনীগন্ধা, বেলী,বগাদের ঝাঁক বিলের আসমানে
তুমি কি কভু দেখোনি হজ্জের পোশাক, মরনের কাফন।

লোকে আমায় জিজ্ঞেস করে কী আপনার পছন্দের
আমি বলি সব রঙ, সব পাখি, ফুল, সব সাগর, সব মানুষের।
…………………………………………..

প্রকৃতি তোমার এ কী প্রতিশোধ

প্রকৃতি তোমার এ কী প্রতিশোধ
মাজলুমের আহাজারি জালিমের বাহাদুরী
পশ্চিমা মানুষগুলো আসলেই নির্বোধ
দুনিয়ার সব মানুষের ব্যস্ত জীবনবোধ
নেই কি তাদের মোটেও স্রষ্টা জ্ঞানবোধ
পৃথিবী তোমার এ কী প্রতিশোধ
যেনা ব্যাভিচার, অত্যাচার ছিলো সবখানে
জুলুমবাজদের মনে ভর করতো শয়তানে
ধর্ষণ, রাহাজানি, খুন, হতো প্রতিরাতে
সবকিছুই হার মেনেছে প্রকৃতির কাছে
শহরগুলি হয়েছিল ভরপুর উম্মাদনায়
নাইট ক্লাব ছিলো নর্তকীদের রমরমায়
বোমা, বারুদের গন্ধ আর অহংকারে
পশ্চিমারা মুসলিম মেরেছিল অকারণে
লুটেরা, বাটপার, চোরেরাকরতোপুকুরচুরি
টাকা আর সম্পদ বানাতো ভুরি ভুরি
যানবাহন আর মানুষের পায়ের ভীড়ে
কত কষ্ট কান্না ছিলো পিচঢালা পথে
সমুদ্রের তীর করেছিলো নোংরা
নদীগুলোতে ছিলো খুবই ঝামেলা
বাবা মায়ের কাছে শিশুরা পায়নি সময়
ছিলো অফিসে, বাহিরে খুবই ব্যস্ত সবাই
পাখি, পশুরা এখন করছে স্বাধীনবোধ
প্রকৃতি তোমার এ কী প্রতিশোধ
ফড়িং, প্রজাপতিরা করছে আরামবোধ
প্রকৃতি তোমার এ কী প্রতিশোধ
করোনা তুমি যাও বহুদুর চলে
হবে না অন্যায় জুলুম জলে স্হলে।
…………………………………………..

নীরবতা

আমাদের নীরবতার গান গাইতে হবে সময়ের প্রয়োজনে
যখন কেউ বুঝেনা আপনার কথা
তখন জবাব দিবে আপনার হয়ে নীরবতা
সৃষ্টিকর্তার ভাষা তো নীরবতা
প্রার্থনা মানে নীরবতা!
নীরবতা মানেই কবিতা

অর্থপূর্ণ নীরবতা অর্থহীন কথার চেয়ে অনেক ভালো
নীরবতাই শক্তির আধার ও আলো
নীরবতা তাই বলে দেয় যা কথায় বলা যায় না
নীরবতা মানে নয় শুন্যতা
সব কিছুর উত্তর হলো নীরবতা
তাকে নীরবতা উপহার দিন
যে জীবনের মুল্য বুঝেনা।

নীরবতা সেখানেই সফল যেখানে কথা বলা ব্যর্থ
জীবনে কখনো কখনো ঠান্ডা ও নীরব
হতে হয় তুষারের মত
জ্ঞানীরা উচ্চ শব্দে কথা বলেন
নীরবতা পালনের মাধ্যমে
অনেক সমস্যার সমাধান হলো নীরবতা।

জীবন সুন্দর হয়ে যায় ,সকল অশান্তি দূর হয়ে যায়
পাহাড়ের নীরবতা, সবুজের নীরবতা
কবি ও কবিতার নীরবতা
জ্যোস্না আকাশের নীরবতা
জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান
এনে দিতে পারে নীরবতা।