যদি বলি

যদি বলি তুমি আমার জিবন চলার
প্রথম প্রেরনা।
যদি বলি তুমি আমার হৃদয়ের
বিশাল অনুপ্রেরনা।
যদি বলি তুমি আমার জিবন ও মরন
আছো তুমি প্রতিটি ক্ষন।
যদি বলি তুমি আমার শান্তী সুখের আশা
তোমায় নিয়ে গড়বো চির সুখের বাসা।
যদি বলি তুমি আমার বুকের মাঝে
থাকো সারাক্ষন।
ভালোবেসে তোমায় আমি রাখবো এ বুকে
না হয় হারাবো জিবন।।
…………………………………………..

স্মৃতি আজোও নিরবে কাঁদায়

আমি কেন যে পারি না ভুলে যেতে
অনেক চেষ্টা করি
কেন যে বার বার মনের অজান্তে
তোমার চবিটা আমার
হৃদয় ফটে ভেসে উঠে।
অতিতের কথা গুলো মনে হলে
কেন যে দু চোখ বেয়ে,
নিরবে অশ্রু ঝরে।
অতিতের হাজারও স্মৃতি তোমাকে নিয়ে
ভুলতে গেলেও ভোলা যায় না
নিরবে নিরবে
গভীর যামীনিতে
শুধুই আমাকে কাঁদায়।
আজোও মনে পড়ে তোমায়
চির চেনা তোমার সেই হাসিটা
যে দিন আমার মনটা কেড়ে নিয়ে ছিলে
যেনো আজোও আমি হারিয়ে যাই
সেই স্মৃতিময় দিনটায়।।
…………………………………………..

তুমি

তুমি কি এখনো আগের মতই আছো
এখনও কি আমাকে ভালোবাসো,
আমার কথা ভেবে ভেবে রাত কাটাও
না কি এখনো তুমি আমার কথা মনে করে
নিরবে দুচোখের অশ্রু ফেলো।

আসলে সেদিন তোমার কোনও দোষ ছিলো না
সব দোষ আমার,
কারন
সেদিন তোমাকে বুঝতে পারিনী
বুঝতে পারিনী তোমার চোখের ভাষা
বুঝতে পারিনী তোমার নিরবতা।
আজ
আমি নি:স্ব হয়ে সব হারিয়ে
আজ পথ হারা পাগল বেশে
নিরবে দুচোখের অশ্রু ফেলে
তোমাকে খুজি।
তুমিতো রয়েছো আগেরী মতো
আমার এ হৃদয়ের আবরণে,
রক্ত কনিকার সাথে মিশে অক্্িরজেন হয়ে,
আমিতো এখনো বেচেঁ আছি
তোমাকে নিয়ে আমার চারিদিকে
জড়িয়ে আছো শুধু তুমি।।
…………………………………………..

চাকুরী

কাজ করতে করতে গায়ের রক্ত শেষ হয়ে যাবে
তবুও কাজ হবেনা শেষ,
সময় যেতে যেতে অন্ধকার হবে
তবুও যাওয়ার সময় হবে না।
এ কাজ ঐ কাজ করতে করতে
হয়ে যাবে সাঁঝ,
তবুও কাজ শেষ হবে না
রয়ে যাবে একটু বাকী।
যা দিবে তোমায় কাজের বিনিময়ে
তার চেয়ে বেশী আদায় করে নিবে,
তবুও বছর শেষে তাদের কাছে
পাবে তুমি অবমুল্যায়ন।।
…………………………………………..

শুধু তোমাকে নিয়ে

আজও তোমায় খুব মনে পড়ে
মনে তোমায় সেই হাসিটা,
হৃদয় কাড়াঁ হাসি তোমার
ভরে যায় আমার এ মনটা।
তোমায় আমি আজোও ভালোবাসি
হৃদয়ে গেঁথে রেখেছি তোমায়।
তোমার হাসিমাখা মুখটা
এখনো কাঁদায় আমায়।
তোমাকে ভুলতে পারিনী আজোও
হৃদয়ে আছো গেঁেথ।
এখনো ও তোমার জন্য আমার
নিরবে অশ্রু ঝরে।
পারিনী পারবো না ভুলতে তোমায়
আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।
আমি হাজারও স্বপ্নবুনি এখনও
শুধু তোমাকে নিয়ে।।
…………………………………………..

দু’চোখের জলে তোমায় খুজি

ক্লান্ত শান্ত বিদগ্ধ যখন এমন
তখনী তোমাকে পড়ে মনে।
শুনতে চায় তোমার মুখের দুটি কথা
হারিয়ে যেতে চায় তোমার প্রানে।
আমি এখনও ভাবি তোমাকে
যখন নিরব নিস্তব্ধ যামীনিতে আছি একা।
তোমার করুন চাহনী মায়া ভরা মুখটা
ভেঁসে উঠে আমার হৃদয় পটে
নিরবে ভেসে উঠে আমার দুচোখের পাতা।
তুমি হারিয়ে গেছো দুরে অনেক দুরে
আর ফিরে পাবোনা কখনও।
তবুও তোমার স্মৃতি কেবলী আমাকে
কুঁেড় কুঁেড় খাচ্ছে।
আমি জানি দুচোখের জলের
নেই কোন দাম তোমার কাছে।
তবু নিরবে ঝরছে দুঁচোখর জল
পাবোনা জানি কখনো
তবুও তোমাকে মনে পড়ে বার বার।
…………………………………………..

তুমি কি যাবে

তুমি কি যাবে আমার সাথে
টংগী পাড়ার ঐ গাঁয়তে
যে খানে শুয়ে আছে
হাজারো বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী
স্বাধীনতার স্বপতি,সাধীনতার মহা নায়ক।
তুমি কি যাবে আমার সাথে
হাজারও মাইল পেরিয়ে
বিশাল শ্রোতধারা নদী ডিঙিয়ে
যে খানে শুয়ে আছে
হাজারো বাঙালীর হৃদয়ের স্পন্দন
স্বাধীনতা অমর শ্লোগানের কবি
বাঙালীল জাতীর পিতা বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।
তুমি কি যাবে আমার সাথে
টংগী পাড়ার ছোট্রগ্রামটাতে
যেখানে চড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তার পায়ের চিহ্ন
হাজার ও স্মৃতি হাজার ও ইতিহাস
ইতিহাস ঐতিহ্য ঘেরা বাঙালীর গৌরব।
তুমি কি যাবে আমার সাথে
যেখানে শুয়ে রয়েছেন এমনি একজন
যে না আসলে হয়তো
আমরা স্বাধীনতা পেতাম না
হয়তো পেতাম না কথা বলার অধিকার।
সেখানে শুয়ে আছে আমাদের
স্বাধীনতার অংকার স্বাধীনতার কবি
বাঙালী জাতীর গর্বে ধন হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী
বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।।
…………………………………………..

তুমি

তুমি এসেছিলে তব আমারই জিবনে
ছেড়ে তোমার যত আপনজন।
মন উজাড় করে ভালোবাসা দিয়ে
করেছো তুমি আমায় আলিঙ্গঁন।
তুমি ছিলে আমারই পাশে
হাজারও দু:খ বেদনা সহে।
তবুও তুমি দুরে যাওনী কখনী
রয়েছো আমায় ভালোবেসে।
তোমার পরশে পাল্টে গেলো
আমার অগোছালো পৃথিবী
তোমাকে আজিবন ভালোবেসে যাবো
গড়বো তোমায় নিয়ে সুখের ধরনী।।
…………………………………………..

রোজা

সারাদিন রোজা রেখে যদি কেউ
আল্লাহর না ফরমানী করে।
তবে তারা রোজা রেখে কি লাভ বল
সারাদিন উপোস থেকে।
মনে প্রানে খাস নিয়তে
সর্বদা রোজা রেখে।
এর বিনিময় মহান প্রভু
দিবেন পুরস্কার তার নিজ হাতে।
যে রোজা রাখে খাস দিলে
পারেনা করতে কোন ফায়সা কাজ।
সদা সর্বদা সে করতে থাকে
একদিলে মহান প্রভুর কাজ।
রোজার প্রতিদান দিবেন প্রভু
প্রভু তার নিজ হাতে।
প্রভুর হাতে নিতে প্রতিদান যেন
সর্বদা সজাগ থাকে যেন আমার এমন।
…………………………………………..

তোমার ভালোবাসা আজোও আমাকে কাঁদায়

জানি আজ তুমি আমাকে দেখলে ঘৃনা করো
তবুও তোমাকে ভালোবেসে যাবো।
তোমার ঘৃনাই আমার জন্য ভালোবাসা
জানি তোমাকে আমি অবশ্যই পাবো।
তুমি যদিও আমাকে ঘৃনা করো
এটা তোমার মনের কথা নয়,
হৃদয়ের সব টুকু ভালোবাসা উজার করে দেবো তোমায়
শুধু তোমাকেই আমার চাই।
তোমার ঘৃনাই বলে দিয়েছে,তুমি আমাকেই ভালোবাসো
তবে কেনো তুমি নিজেকে পুড়িয়ে মারছো
প্রচন্ড দু:খে ক্ষোভে নিজেকে ধ্বংশ করছো।
এত অভিমান কেন প্রিয়া
পারবে কি নিজেকে আড়াল করতে
নিরবে দুচোখর অশ্রু ঝরায়ে
আর কত নিরবে নিরবে কাঁদবে।
ভালোবেশে একদিন বলেছিলে তুমি
যত কষ্টই হোক দুজনে ভাগাভাগি করে নিবে,
তবে আজ কেন অভিমান করে সব নিজের করে নিলে।
অভিমান যতই করো তুমি,দু:খ যতই দিবে তুমি
তবুও তোমার ভালোবাসা নিয়ে
এ ভুবন থেকে হারিয়ে যাবো।