এসো সাম্যের গান গাই

গরিব বলে কি আমরা মানুষ নই ভাই?
দিনরাত পরিশ্রম করে যারা মাঠে ফসল ফলায়!
এসো, সবাই সাম্যের গান গাই
গরীব-ধনী ভেদাভেদ ভুলে
সামনের পথ চলি সবাই মিলে
একত্র হয়ে সাম্যের গান গাই, সবাইকে আপনের মতো ভালোবেসে যাই
এমন বাঁচার মত সুখ; পৃথিবীতে আর কিছু নাই।

সবাইকে দেখব সমান করে
চলবো পথ সবার তরে
হাঁটবো মেহনতি মানুষের হাত ধরে
সাম্য ফিরবে পৃথিবীতে
গাইব এ গান চরিত্রে
রুপান্তরের জীবন বইবে ধরিত্রীতে।

সাম্যকে করবো লালন
শ্রমজীবী মানুষকে নমন
ভেদাভেদ ভুলে জাগবে প্রাণের পালন
নিখিলের বিষাক্ত বাতাসে সাম্যের ভীষণ প্রয়োজন
ধর্ম বর্ণ সব ভুলে সবাই করবো স্বর্গের আয়োজন
তবেই পৃথিবীতে হবে বিশ্বআত্মার কুজন।

এই পৃথিবীকে আমরা স্বর্গের মতো সুন্দর করতে চাই
গরীব-ধনী বাদ দিয়ে
এসো সবাই সাম্যের গান গাই।
…………………………………………..

আমরা করব জয়

করোনা যে অনেক ভয়ংকর
করোনাকে কি করবো না আর আমরা ভয়
সচেতনাতা মেনে,
করোনাকে আমরা করব জয়।

করোনা যে বিশ্বে এখন তৈরি করেছে ধ্বংসস্তূপ
করোনা তো ক্রমেই পাল্টাচ্ছে তার রূপ
পৃথিবী এখন হয়ে গেছে
এক পানিশূন্য কুপ।

বিশ্বের সব দেশেরই ভয়ঙ্কর এখন পরিস্থিতি
ক্রমেই বিশ্বের অবস্থা হচ্ছে অবনতি
করোনা ভয়াল থাবা থেকে, বাদ যায়নি এখনো কোন জাতি।

করোনা এখন পৃথিবীর মানুষের জন্য
এক আতঙ্কের নাম
নিজের জীবন পর জীবন দিয়ে,
দিতে হচ্ছে এর প্রতিদান।

আমরাই করব জয়
করব না আর করোনাকে আজ মোরা থেকে ভয়
সব নিয়ম মেনে করোনা নামের আতঙ্ককে
আমরা করব মোরা জয়।
…………………………………………..

রমজান

বছর শেষে আবার এলো মাহে রমজান
মোহাম্মদ স. আমার রাসুল আল্লাহ আমাদের রব
আল্লাহ আমাদের ভালোবাসে করেছেন এই মাস দান।

সকল ইবাদত করব আমরা এই মাসে
আদায় করব পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ আদায়
আল্লাহর সব আদেশ নিষেধ চলব মেনে তবেই তো পাবে জান্নাত আখিরাতে।

আল্লাহর ডাকে দিয়ে সারা ইবাদত করবেন এই মাসে যারা
মসজিদে গিয়ে পড়বে নামাজ
আখিরাতে এর ফল পাবে তারা।

এই মাসে লাইলাতুল কদর সর্বশ্রেষ্ঠ রাত,
ইবাদত করব এই রাতে
মাফ চাইব তুলে আল্লাহর কাছে দুই হাত।

এই মাসে পবিত্র প্রত্যেকটি দিন
আল্লাহর কাছে করব মোনাজাত
শুধরাব সবাই সব সব ঋন আজ থেকে নিলাম শপথ নিলাম
করব আল্লাহর সকল ইবাদত
আল্লাহ তায়ালা তবেই তো খুশি হয়ে দিবেন আমাদের নিয়ামত…

আল্লাহর কাছে তুলে দু হাত…
করি আমরা ক্ষমা প্রার্থনা
সবকিছু ভালো হয়ে ভালোভাবে শেষ হোক রমজান।
…………………………………………..

স্বপ্নীল সেই দিন গুলো

তোমার অপেক্ষায় স্বপ্নীল আকাশে উড়াব আজ ঘুড়ি
নীল আকাশের নিচে ফেলব ছাউনি
তোমার মলিন হাতে পড়াবো রঙ্গীন চুড়ি।

আদরে সোহাগে সাজিয়ে রাখব তোমায় সুন্দর ফ্রেমে
যদি তুমি আবার ফিরে আসো
আমরা উড়ব ঐ আকাশে নতুন উদ্ধ্যমে।

ভোরের স্বপ্নে আসো তুমি আমার
শুকনো ঠোটে মুচকি হেসে যাও চলে
স্বপ্নে দেখেছিলাম তোমার চুলে গাথা গাঁদা ফুল এখনো মনে আছে সে কথা মনে আছে আমার।

আমরা দুজনে যেতাম অজনায় হারিয়ে
সেই গ্রামে মেঠোপথ দিয়ে হেটে হেটে
নদী আর পাহাড়ের মাঝে গিয়ে ডাকতাম তোমার হাত বাড়িয়ে।

স্বপ্নের মতো সেই সুন্দর ছিলো সেই স্বর্নালী দিন গুলো
সূর্য্যাস্তের পর থেকে চাদের দেখা পাওয়া অবধি তাকিয়ে থাকতাম আকাশ পানে
দেখতাম দুজনের অপরুপ সেই সুন্দর আলো।

ভালোলাগত স্বপ্নীল সেই সব দিন
খুজে ফিরি এখনো তোমায়
হারিয়ে যেতে চাই আবার স্বপ্নীল দিনে আমার মন।

স্বপ্নীল দিন গুলো যদি আবার ফিরে পেতাম
গাঙচিল হয়ে আকাশে উড়তাম

প্রভাতে আমরা আবার অজানায় ছুটে যেতাম।

ছুতে চাই সেই নদীর পাড়ে থাকা ধুলো
মন এখনো এখনও উৎফুল্ল হয়ে উঠে ভেবে
অনেক সুন্দর ছিল সেই সব স্বপ্নীল দিন।
…………………………………………..

ক্ষুধার জ্বালা

ক্ষুধার জ্বালা কত ভয়ংকর কষ্ট
সহ্য হয়না কারও লাগে খুব অসহ্য
সেটা আমি ভালো করেই বুঝি স্পষ্ট
ক্ষুধার জ্বালায় হয়না কারও ঘুম
গরীবের দুঃখ কখনও কেউ বুঝতে পারে না
আমরা মরি ক্ষুধার জ্বালায় বড়লোকদের ঘরে কত ধুম
ক্ষুধার জ্বালা খুব কষ্টকর যন্ত্রনা
আমাদের দিকে কেউ দেখলো না চেয়ে
দিলো না কেউ বেচে থাকার শান্তনা।

দিন রাতে একটাই জ্বালা আমাদের ক্ষুধা
গরীব বলে জীবনে শুধু আমাদের কষ্ট
ক্ষুধা জ্বালা আমাদের জন্য একটি কঠিন ধাধা
আজ এই খালি পেটে বলে ভালো কথাও লাগে আমাদের কাছে মন্দ
ক্ষুধার জ্বালায় ঘরে নেই একবিন্দু শান্তি
ক্ষুধার জ্বালায় আজ তাই হারিয়ে ফেলেছি সব ছন্দ ক্ষুধার জ্বালায় ভুগছে যারা
দয়া করে একটু নজর দিন
যাদের সামর্থ্য আছে তবেই তো বাচতে পারবে ক্ষুধার জ্বালায় ভুগছে যারা
ক্ষুধার জ্বালা অনেক কষ্ট
ক্লান্তি দুর করে একটু বাচার সুযোগ করে দিন যাদের দান করার মতো অর্থ আছে
নিশ্চয় আপনাদের অর্থ হবে না এখানে নষ্ট
গরীবদের একটু খেয়ে পড়ে বাচতে দিন
হৃদয়টি একটু বড় করুন
গরীবরা একদিন হয়ত নিশ্চয় শোধ করবে
আপনার এই অসময়ের ঋন গরীবদের পাশে এই অসময়ে একটু দাড়ান।
…………………………………………..

ফাগুনের প্রেম

নতুন ভালোবাসায় নতুন ভাবে শুরু করা সেই রেম
শুকনো হাওয়া আর্দ্র আলোড়ন
ভালোলাগে আমার ফাগুনের প্রেম
রঙ্গীন মনে ফাগুন প্রেমে ভালোলাগা আমার
সদা হাসি মুখে তোমায় করি নিবেদন
তোমার হাতটি ধরার বাসনা আছে আমার
এই ফাগুনে তোমায় দিতে চাই আমার ভালোবাসা
সকালে তোমায় দিতে চাই আমার বাগানের তাজা গোলাপ ফুল
সেই ফুল দিয়েই সাজাতে চাই আমাদের মনের সব আশা
তোমাকে খুজি আমি চাদের আলোতে
পৌষ এর ফাগুন আসে
ফাগুনে তোমায় অনেক সুন্দর লাগবে সাদা মুক্তর মালাতে
ফাগুনে তোমায় দেখি হেসে উঠে সব চোরাবালি
নতুন করে সাজাব আমরা সেই ফাগুনের প্রেম
হবো আমি তোমার মনের বাগানের মালী
ঘাসের উপরের ফাগুনের ভোরে হালকা শিশেরের প্রলেপ
ফাগুনের দুপুরের মিষ্টি রৌদুরে
দেখে মুগ্ধ হলাম দেখে তোমার মলিন রুপ
ফাগুনের প্রেমে তোমার বাতাসে উরন্ত খোলা চুল দেখা
তুমি অনেক অপরুপ সুন্দরী
তাই তো ফাগুনের প্রেম তোমায় নিয়ে লেখা
…………………………………………..

স্বপ্ন

নতুন দিনে নতুন করে দেখব রঙ্গীন স্বপ্ন
আমি আজ নদী মিলে যাব সাগরে
আমার সব স্মৃতি লিখব এক ভালোলাগা-ভালোবাসার শ্রুতিমধুর গল্প
আমি ছুটে বেড়ায় আমার মনের ছোট্র নদীতে
হারিয়ে যায় আমি অজানা দীপপুন্জ্ঞের সবুজ সমরহতে
কাউকে না মেনে জানতে চাই এই পৃথীবীকে নিজের গতিতে
বৃষ্টি, রোদ,শীতে কোনো কিছুতেই নেই আমার মানা
সারা পৃথীবী ঘুরতে চাই আমি ঘূর্নিপাকে
আমার একটি স্বপ্ন অচেনা অজানা পৃথীবীকে জানা আমি যেতে চাই সাত সুমুদ্র পেরিয়ে
স্বাধীন ভাবে চলতে চাই আমি দিও না কেউ বাধা
আমার সারা পৃথীবীকে দেখতে চাই একনজরে পৃথীবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় দাড়িয়ে
পৃথীবীকে নিয়ে আমার সব ভাবনা
সারাক্ষন মন চাই রঙ্গীন পৃথীবীকে দেখতে
পৃথীবীকে নিয়ে আছে আমার কত শত কল্পনা ইচ্ছা আছে আমার ঐ নীল আকাশ ছোয়ার
ভোরের আলোতে সব ভালোলাগা স্বপ্নের কথা গুলো সবুজ ঘাসকে বলা
বাসনা আছে আমার চাদের দেশে যাওয়ার
রাতের বেলাতে দেখি আমি কত রঙ্গের স্বপ্ন
ছুটতে চাই সব দিপান্তরে
আমার পৃথীবী ভ্রমনের সব সপ্ন বুকের ভিতর জমিয়ে রেখেছি করে যত্নl
…………………………………………..

স্বনালী দিনের কথা

সে অনেক দিন আগের কথা
যেদিন রেখেছিলাম ওগো তোমার হাত
সেদিন ঘুমাতে পারি নি গো সারারাত
সেদিন যে ছিলো এক দিন
সেজেছিলে নতুন সাজে
সেদিনের কথা আজ ও আমার হৃদয়ে বাজে
তুমি এসেছিলে স্বনালী সাজে স্বনালী দিনে
সেই ভালোবাসার বন্দরে
তোমাকে সেদিন খুজেছিলাম আমার অন্তরে
তুমি কোথায় হারিয়ে গেলে
তৃন বনে নিরজন ভুবনে
তোমার কাছে পড়ে আছি অনেক ঋনে
এখনো ভাবাই আমায় সেই স্বনালি দিন
যে দিন দিয়েছে ওগো আমার এই মন
হয়ে উঠে ছিলাম তোমার সবচেয়ে প্রিয়জন
স্বনালি দিনের কদাচিৎ সঙ্গি !
…………………………………………..

গরীবের ইদ

নিশি রাত বাঁকা চাঁদ এসেছে ঈদের রাত,
ক্ষুধার চিন্তায় কাটে না তাদের দিনরাত
গরিবদের ঘরে নিয়ে আজ খাওয়ার ভাত৷

আজ মুসলমানদের পবিত্র ইদ
গরীবরা এই মহামারীতে ভীষন ক্ষুর্ধাত
ক্ষুধার কষ্টে কাটে না তা রাত।

গরীবরা এখন না খেয়ে রোজা
পেটে ভাত নেই তাদের
এই দুর্দিনে গরীব হয়ে বেচে থাকা নয় সোজা।

গরীবদের গায়ে নেই এক টুকরা নতুন জামা
গরীবদের বলে তাদের জন্য ইদ নয়
কে যদি দিতো তাদের নতুন জামা
এই মহামারীর ঝড়ে
গরীব পাচ্ছে না তাদের জন্য নির্ধারিত জিনিষ
সেগুলো না পেয়ে মরছে তারা অনাহারে।

তাদের দেওয়ার কথা বলে ত্রান হচ্ছে লুট
স্বার্থ নেই তাদের প্রতিবাদ করার
ত্রান চোরদের নেই বুকপিট।

গরীবদের কি তবে এবার ইদ করা হবে না
কষ্ট হয় না খেয়ে চলতে
ইদের দিন দু মুঠো ভাত কি তার পাবে না।

গরীবরা আজ আছে অনেক বিপদে
দিন যায় খুব কষ্টে
কেউ নেই পাশে তাদের এই বিপদে।

ইদের দিনে ও তাদের ঘরে নেই কোনো খাবার
গরীব বলে নেই কি কোনো সম্মান
কি ভাবে মিটবে তাদের আহার?

পৃথীবী আজ গরীব দের জন্য ভীষন নিষ্টুর
ইদ গরীবদের জন্য নয়
বিশ্ব গরীবদের আজ করে দিছে তাই পর।

ইদ কি তবে গরীবদের জন্য নয়
ক্ষুধার জ্বালা আছে তাদের পেটে
শুনেছি ইদ নাকি সবার জন্য হয়।
…………………………………………..

হোম কোয়ারিন্টেনের আহব্বান

কে জানে ঘরে থাকতে হবে আর কত দিন
করোনায় সারাদেশ আজ আতন্কে
বাচার একমাত্র উপায় হোম কোয়ারিন্টিন
সারাবিশ্বে আজ করোনা একমাত্র মহামারী
বাংলাদেশ ও বাদ যায়নি এর থেকে
হয়েছে অনেক মৃতদেহের সারি
মাস্ক ব্যবহার করা আর থাকা নিরাপদ দুরত্বে
করোনা ধীরে ধীরে হচ্ছে আরও ভয়ংকর
হোম কোয়ারিন্টিন একমাত্র পথ করোনার থাবা থেকে বাচতে
দেশে এখন এমন সময় তাও কিছু লোক করছে চাল চুরি
ত্রান লুট জনগনের মাল আত্নসাৎ
তারা কি একবার ও ভাবে না বিশ্বে এখন পরিনত হয়েছে কতবড় মৃত্যুপুরী
করোনার জন্য এখন সব কিছুতে ছন্দপতন
চাল চোর ত্রান চোর সব বিবেগহীন মানুষ
এই দুঃসময়ে করে নিচ্ছে মানুষ তার ধন রতন গঠন।।চাল চোর, ত্রান চোর সবাই বিবেগহীন
গরীব মানুষ ক্ষুধায় মরে তারাই নাকি আবার থাকতে বলে কোয়ারিন্টিনে
আমি এখন থেকে সবাইকে নতুন করে হোম কোয়ারিন্টিনে আহব্বান জানাই
নিজে সব মানি
অন্যকে সব বুঝিয়ে মানাই।বিত্তবানেরা গরিবদের পাশে দাড়ায়
সব সময় পাশে থাকি
নিজে করোনার হাত থেকে বাচি অন্যকে বাচায়
কবে হবে করোনা বাংলাদেশ থেকে শেষ,সেদিনই শেষ হবে আমাদের কোয়ারিন্টন শেষ
আবার নতুন করে শুরু হবে সোনার বাংলাদেশ।
…………………………………………..

দুরন্ত

আমি গ্রামের ছেলে সেই দুরন্ত
ঘরে আছি অনেক দিন হয়
মন আজ হতে চাই যে উরন্ত
ছিলো আমার গ্রামের মেঠোপথ দিয়ে প্রতিনিয়ত ছুটেচলা
হতো কত মাঠের মাঝে খেলা
গ্রামের প্রকৃতির সাথে নানান কথা বলা
আমি সবসময় থাকতাম গ্রামের মাঝে ঘুরতে
স্বাধীন মানুষ আমি
তাই মাঝে মাঝে চাইতাম নীল আকাশে উড়তে
আমি থাকতাম সব সময় গ্রামের সেই রৌদুরে
ঘরে বন্ধী এখন করোনার ভয়ে
যাওয়া হয় না অনেকদিন সেই নদীর পাড়ে দুপুরে
আমার গ্রামে বিকাল হতো যখন
সব কিছু শেষ
থাকতাম বন্ধুদের সাথে খেলায় মেতে তখন
গ্রামের সেই মাঠে কতদিন যায়নি, সকাল সন্ধ্যায়
গ্রামের ছেলেদের সাথে মিলে যাওয়া হয়নি
গ্রামের দুষ্টুমি আর সেই না পাওয়া ইচ্ছা গুলো
ধান ক্ষেতের পাশ দিয়ে হাটা
সাথে খেলা হতো হাতে নিয়ে রঙ্গীন ধুলো
আমি মাঝে মাঝেই মিশে যেতাম কল্পনায়
বন্ধুদের নিয়ে গ্রামের
সব কথাই থাকত আমাদের গল্পগুলোয়
এখন আমি আর গ্রামের সব মানুষ ঘরে
করোনা যে ভয়াবহ হচ্ছে বাংলাদেশে
করোনার প্রকোপ যে পড়েছে গ্রামের উপরে
আমার গ্রামে চলছে লকডাউন
থাকতে হবে হোম কোয়ারেন্টেনে
তবু মানছে না মানুষ দেশের আইন
আমার গ্রামে চলছে স্লোগান বাঁচতে হলে ঘরে থাকুন
দেশের সব আইন মানুন
নিজে ভালো ও সুস্থ থাকুন অন্যকেও রাখুন
এখন সব দেশেই চলছে করোনার মহামারী
সারাদেশ হয়ে গেছে নিস্তব্দ
দিয়েছে অনেক মানুষ মৃত্যুপুরীতে পাড়ি
আমি গ্রামের ছোট্ট সেই ছেলেটি দুরন্ত
ঘরে থাকব, সুস্থ থাকব
হবো না আর কিছু দিন উরন্ত