ইচ্ছের স্বাধীনতা

ইচ্ছের স্বাধীনতা কি আদৌ আছে?
হোকনা সে পুরুষ কিম্বা নারী জাতি
অভিঙতার পাখনায় ভেসে স্পস্ট…
কেউ মুক্ত ও সাবলিল নয় আজও।

ইচ্ছেরতো অধিকার বলে কিছু নেই
ইচ্ছেরা কাঁদে হাসে আর স্বপ্ন দেখে
ছোট্ট গন্ডীর মাঝে লুটোপুটি খায়
আঁচড়ে পড়ে আবার উঠে দাঁড়ায়
বাঁচারতো স্বাধীনতা চায়। পায় কি?

খোলা আকাশে ইচ্ছেরা যেতে চায়
সুতো কাটা ঘুড়ি হয়ে উড়তে চায়
পাখীর মত খুশী মনে চলতে চায়
প্রেমের নায়ে উজান ভাঙ্গতে চায়
জড়িয়ে ধরতে চায় তুলোট মেঘ
জগতে চলতে চায় ভালোবাসায়
ইচ্ছেরাও তৃপ্ততা চায়। পারে কি?

তবুও নারীরা মেনে নেয় চলার পথ
পুরুষরাও অনুসরণ করে নারীকে।
ইচ্ছেরা লুকিয়ে থাকে ঘাপটি মেরে
হতাশায় কাটিয়ে দেয় জীবন চক্র।

১১/১০/১৮ মিরপুর
…………………………………………..

জাগো সবাই জাগো

আমাকে দেখে কি মনে হয়?
কোনো ক্ষতি করতে পারি?
আমি বংশীয় ঘরের সন্তান
বাবা মা সমাজে প্রতিষ্ঠিত
ঐতিহ্য পরিবার পূর্ব পুরুষ
আমরাই সমাজের ধারক
অন্যায় করতেই পারিনা।

আমিতো অমুক দলের নেতা
এমপি সাহেব নিজের লোক
আমার কথাই যে শেষ কথা
প্রশাসন, সমাজ সবই আমি
আমি কোনো অন্যায় করি?
সমাজ সচেতন বিবেকে চলি
কোনো ভুল করতেই পারিনা।

হা হা হা হা……

এদেশেতো ওরাই সব পারে
ওরা পুতুল পুতুল খেলা করে
বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে গর্ব ছোঁড়ে
পকেটস্থ করে সবার মতবাদ
এ সমাজে তিলকে তাল করে
ভদ্রতার লেবাসে হুংকার দেয়
লাশবাহী গাড়িতে গাঁজা টানে
সূবর্ণচর পল্লীকে নরক বানায়
আলেয়াদের বাক রুদ্ধ করে।

জাগো জাতি জাগো
জাগো দেশ জাগো
লেবাসধারীর বিরুদ্ধে
প্রতিরোধ গড়ে তোলো

এদেশ আমার, এপতাকা আমার।

৮/১০/২০. ঢাকা
…………………………………………..

গড়ে তুলবো অভয়ারণ্য

এ কেমন বিষ?
ছড়িয়ে পড়ছে শিরা উপশিরায়! প্রবহমান সর্বত্র।
জ্বলছে শরীর, ক্ষয়িছে হৃদপিণ্ড। কাঁপছে মগজ।

আমি কি মানুষ?
নাকি জন্মান্ধ পশু? নাকি ফেরাউনের প্রেতাত্মা?
নাকি রসনালব্ধ শীতলপাটি? সমাজের কুলঙ্গার?

এ কেমন বিবেক?
নিজের অস্তিত্ব সন্দিহান। বংশ পরিচয় প্রশ্নবিদ্ধ?
বাবা-মায়ের মুখে চপেটাঘাত। পরিবারের অপদার্থ।

এ কেমন মানবিকতা?
যেথা মানবাধিকার ভূলুন্ঠিত। বিশ্ব বিবেক হতবাক।
ধেয়ে আসে অসুরের দল। অসুস্থ মস্তিষ্কের কিলবিল।

স্বপ্ন চাই স্বপ্ন।
কন্টকাকীর্ন পরিবেশ মুক্ত হোক। সুগম হোক পথচলা।
শিশুদের জন্য গড়ে তুলি আগামীর স্বপ্নিল অভয়ারণ্য।

৮/১০/২০। ঢাকা
…………………………………………..

স্বপ্নীল স্মৃতিময় দিনগুলো!

ঢালী খেলার কথা মনে আছে না কি?
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লাঠি খেলতো,
নারী সেজে দর্শকদের আনন্দ দিতো তরুণরা।
মুখে সাদা পাউডার, লিপস্টিক মেখে
সং সাজতো ওরা।

বাড়ির উঠোনে লোকচিত্রকলা
গাজীরপটে ভরে উঠতো।
কুশীলবরা জুড়ি, ঢোল, চটি বাজিয়ে
গান গাইতো আর পটপরিবর্তনে
গাজীপীরের উপাখ্যান জীবন্ত হয়ে উঠত।
গাজীরপটের পাশাপাশি
মনসাপট, রামায়ণপটও হতো।

কাঠের চৌকীতে বসে আবেগে
পুঁথিপাঠ করতেন বিজ্ঞ জনেরা।
সৃজনশীলতা, মানব ভাবনা,
কাব্যত্ব ঘিরে রাখতো পুঁথি।
লোক সাহিত্যের বড় একটা অংশ জুড়ে
আছে পুঁথিপাঠ।
বাড়ির উঠোনে সব বয়সী
জড়ো হতো পুঁথিপাঠ শুনতে।

বায়োস্কোপের কথা মুছে ফেলতে পারিনা
কিছুতেই স্মৃতি থেকে!
ঐতিহ্যবাহী এসব বিনোদন
ঘিরে রাখতো সব গ্রামবাসীদের মন।
বাক্সের ভেতর ছবি ঘুরতো
আর নেচে নেচে কথা বলতো।
‘এমন মজা এসে গেলো,
বেহুলা সুন্দরীকে দেখা গেলো’
শিশু কিশোরদের অবুঝ হৃদয়
এসব সংলাপে উচ্ছাসে ছেয়ে যেত।

সেকালে মন ছুটে বেড়াতো
পুতুল নাচ, ম্যাজিক ভুবন ঘিরে,
যাত্রাপালা, সার্কাসের কথা
আজও পরাণে জেগে ওঠে।
শারীরিক কসরত, জীবজন্তুর খেলাধুলায়
আবেসে আচ্ছন্ন হতো মন।
চোখের সামনে আজও স্পষ্ট ভাসে
লাকী খানের জীবন্ত নাচ।
ভুলি কেমনে ঘর পালিয়ে গিয়ে
মনকে সতেজের মহৌষধকে?
আমার শাহপুর, থুকড়া, হামকুড়ো, মিকশিমিলের কথা-
যেথা মনের স্বপ্নরা আজও
বিচরণ করে একান্তে, নির্বিঘ্নে।

মন চলে যায় স্মৃতির পাতায় আঁকা
আলো আধাঁরের মাঝে ঝলমলে রঙ্গমঞ্চে!
রাজা, উজির, বাদশাহর দরবারে, সিরাজুদ্দৌলার মসনদে
বেহুলা সুন্দরীর বাসর ঘরে,
ভাওয়াল রাজা সন্যাসীর সান্নিধ্যে।
দূরন্ত শিশুবেলা আমায় টানে,
স্বপ্নীল কৈশোর আমায় উদ্দীপ্ত করে।
আমার সবুজ গ্রাম আমায় টানে,
মায়ের অকৃত্রিম স্নেহ আমায় টানে
একান্তে সংগোপনে !!

৩০/১০/২০. ঢাকা
…………………………………………..

বাবার কাঁধে পুত্রের লাশ

রক্তগঙ্গায় ডুবে আছে তখন পঞ্চান্ন হাজার পাঁচ’শ আটানব্বই বর্গমাইল। প্রবাহের গতি বাড়ছে প্রতিদিন।
রাজাকার আলবদরদের রাজত্ব দিনে, রাতে নকশাল
কিভাবে বাঁচবে সাধারণ মানুষ? এরা বাঁচার স্বপ্ন দেখে।
সময়ের নৌযানে তখন দেশ রক্ষার চিন্তা সকলের।
কিন্তু কি দেখলো সাধারণ মানুষ? দেশরক্ষার নামে ব্যক্তি স্বার্থ নিয়ে কামড়া কামড়ি। মানুষ মেরে স্বার্থ উদ্ধার।
শ্রেণীশত্রু খতমের নামে এলাকাকে মৃত্যু কূপ বানানো।
বঙ্গবন্ধুর আহ্বানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলো নকশালপন্থী।

আমি ডুমুরিয়ার কথা বলছি, শাহপুরের কথা বলছি।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অপশক্তির কথা বলছি। ওরা ক্ষমতাশালী হতে ইচ্ছেমতো নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। পাকিস্তানিদের সাথে পাল্লাদিয়ে সাধারণ মানুষমেরেছে।
আমি পথভ্রুস্টদের নৃশংসতার কথা বলছি। ওরা সেদিন ডুমুরিয়া থানার ওসির মাথা নিয়ে ফুটবল খেলেছে।
ওরা আমারভাইকে মেরেছে, নাবালকদের এতিম করেছে।
ওরা ভাই আনোয়ার হোসেনের দেহে ৪২টি ক্ষতকরেছে।

মনে পড়ে হিরুদা! আনোয়ার হোসেনের লাশের ডোংগা
ঘাটে আসতেই হুমড়ি খেয়ে পড়লেন আমার বাবা-মা। তাঁদের আহাজারিতে আকাশবাতাস অঝরে কেঁদেছিল।
ওয়াপদায়গড়াগড়িখেয়েছিলেন মা-বাবা, দাদুভাই, ভাবি।
হোগলার পাটিতে বেঁধে লাশ নামানো হ’ল, আনা হ’ল।
শাহপুর দক্ষিণালীর মাটির ঘরে সেদিন মানুষ ঢল নামে।
আমি ও শওকত বিষণ্ণ মনে দাঁড়িয়ে ছিলাম এককোণে।
চোখের জল যেনো শুকিয়ে গিয়েছিলো আমাদের।

উঠোনের এককোণে মশারী টাঙ্গানো হলো, গরম নীম পনি আনা হলো, লাশের পাটি খোলা হলো, বিভৎস।
ধড় থেকে গলা বিচ্ছিন্ন প্রায়, কাঁধে ছুরির কয়েকটি কোপ, এসিডে ঝলসানো হাঁটু ধরতেই চামড়া উঠে আসছে, রক্তাক্ত শরীরের সর্বাংশ, ভুড়ি পেটের বাইরে।

কাঁদতে কাঁদতে বাবা লাশের গোছল করাচ্ছেন আর স্বগোতক্তি- এই মুখে কতো চুমু খেয়েছি, আদর করেছি।
জানো হিরুদা- বাবা পেট থেকে বেরিয়ে আসা ভুড়ি বারবার ভেতরে ঠেলছে আবার বেরিয়ে আসছে সব।
এদৃশ্য কি দেখা যায়? তবুও দেখতে হয়েছে আমাদের।
কারণ আমরা যে অসহায়, আমাদের কিছু করার নেই।

কে শুনবে আমার ফরিয়াদ? কে করবে হত্যার বিচার?
আমরা জেগে আছি, জেগে থাকবো বিচারের আশায়।
জাগো বিবেক জাগো, প্রতিরোধ কর এসব হত্যার।

৩১/১০/২০,ঢাকা।
…………………………………………..

আমরা পাবলিক

পিঁয়াজেরও দাম বাড়লো চরম
আলুর দাম বাড়তি একই ধরন
জণগণের জীবনযাত্রাতে মরণ
বেঁচে থাকতে করি কাকে স্মরণ?

এ যন্ত্রণা যাবে কি?
নিম্নবিত্ত খাবে কি?
উচ্চবিত্ত দেখে কি?
মধ্যবিত্ত লজ্জা বি।

মরতে যদি না চাও এই ভবেতে
ডুবিয়ে মারো উত্তপ্ত বিবেককে
এ মহারাজার দয়ার পরবশেতে
বেঁচে আছো আজও দুনিয়াতে।

ভাবছো কি আজ?
ছুঁড়বে নাতো লাজ?
দেখাবে নতুন সাঁঝ?
হবে কি কোন কাজ?

সিন্ডিকেট ভেঙ্গে ফেলবে কে?
জ্বালবে কেমনে আলোক যে?
শোষকের ক্ষুধা থামবে কি হে?
জনগণকে সামাল কেডা দেবে?

৬/১২/২০. খুলনা
…………………………………………..

পীরজঙ্গী থেকে ওয়ারী

সেদিনের সেই অমাবস্যার কথা ভুলি কেমনে?
দমফাটা রোদ, ক্লান্ত দুপুর, নিঃশ্বাসে তপ্ততা
বিরূপ অবস্থায় নিজেকে ধরে রাখি কিভাবে?
আরতো নিজকে সামলাতে পারিনা, কষ্ট হয়
তবুওতো দেখি তোমাকে, তোমার অস্তিত্বকে।
তোমার চোখ দেখি, কেয়ার গলার হার দেখি।
জ্বলে ওঠে পুরো দেহ, আচ্ছাদিত হই লাভায়
দম বন্ধ হয়ে আসে আমার। কষ্টেও হেসে চলি।

কেয়ার ভালোবাসায় তুমি উদ্দীপ্ত, প্রেমে উন্মাদ
সাগরের নোনা ঢেউয়ের মাঝে তুমি বীরপুরুষ
অপরাজেয় এক রাজপুত্র তোমার চেতনাজুড়ে
গেরিলা যুদ্ধ যার কাছে নস্যি, সেথা আমি কে?
দু’চোখ ভরে গ্রাস করি চিরচেনা মানুষটির কথা
রিমোট কন্ট্রোল যেন তোমার হাতে, আমি যন্ত্র
বকবক করে তোমার শেখানো বুলি আওড়াই।

কেয়ার চোখেমুখে একরাশ তৃপ্তির উন্মাদনা
আত্মহত্যায় চেষ্টারত তরুণীর জীবন মুক্ত
দু’জনার হাত এক করে দৃঢ়চিত্তে স্বগতোক্তি-
‘জাকিরের সাথে যোগাযোগ হয়নি কোনদিন,
কলম বন্ধু থেকে সেরাবন্ধুতে সম্পর্ক গড়ায়।’
তোমার বিজয়ের হাসিতে কলিজা ছিঁড়ে যায়
দেখাতে পারিনা কাউকে, দংশনে রক্তাক্ত হই।
একেমন আবেগ, একেমন ভালোবাসা হিরুদা!
মনটাকে খোলশমুক্ত করতে কেন কষ্ট হচ্ছে?

কমলাপুরের কানফাটা হুইসেল যেন বিঁধছে
টাকফাটা রোদের মাঝে বেরিয়ে এগিয়ে চলি।
ফকিরেরপুল, মতিঝিল, বঙ্গভবন, গুলিস্তান,
চোখের জল ফেলতে ফেলতে ঢুকি ওয়ারীতে।
শরীর ভিজে একাকার, চুলের গোড়া টইটম্বুর
নিশ্বাসে কষ্ট, ভাবনায় কষ্ট, এলেমেলো জীবন
নিজ প্রশ্ন- এ কাকে আমি ভালোবেসেছিলাম?
সাতটি বছর যার মাঝে পৃথিবীর রূপ দেখেছি
যার অস্তিত্ব ছিলো দৃঢ় চেতনা হয়ে বর্মের মতো
অসহ্য যন্ত্রণা মাঝে তাকে মিথ্যা বলতে হলো!

যে ভালোবাসা লাইলী ভোলেনি, শিরি পারেনি,
জুলেখা-মেরি পারেনি- আমি পারি কেমনে?
চলন্ত ফ্যানের ব্লেডের মাঝে ওড়নাকে দেখি
ভালোবাসার কুৎসিত রূপ দ্রুত ধেয়ে আসে
আমি অসহায় হই হিরুদা, নিস্তেজ হয়ে পড়ি।

২৪/১০/২০। ঢাকা।
…………………………………………..

এরাও মানুষ

মানুষ মরে ক্ষুধার রাজ্যে
আতঙ্কে মরে শালিক
জলোচ্ছ্বাসে ডুবে গেলেও
বাঁচায় বিশ্বের মালিক।

স্বার্থপরেরা স্বার্থের লাগি
করবেইতো টানাটানি
জোরদাররা দখল নিতে
শোনাবে মধুর বাণী।

সব প্রেমের টানের মাঝে
ভণ্ড ধার্মিকের খোলস
রক্তের ধারা বইয়ে দিতে
তন্ত্রবিদ হয়ে জ্বলোস।

সম্মান দিতে জানেনা যারা
তারাইতো সম্মান চায়
মনের জলে মন ভেজালে
ভালোবাসা মূল্য পায়।

ধর্ষক বলো, মন্ত্রক বলো
বেজন্মাদের উৎসবে
হালাল রুজি খাদ্য পেতে
সর্বদা অপেক্ষা রবে।

মানুষরূপী পশুর দাপটে
কাঁপছে বিশ্ব মাগো
মানবতাতো হার মেনেছে
রুখতে সবে জাগো।

১৪/১০/২০. খুলনা
…………………………………………..

হুমকি নয়

খেপছি বলে চুপসে গেছিস
এমন ডর করবি ক্যান?
নিজের বোধ গিলে খেয়ে
সমাজটাকে মুক্তি দ্যান।
সকাল বিকাল খুস্তে দেহি
নষ্ট ভাবনার জলাধার
সঙ্গী করোস পঙ্গপালের
নিজ রক্ত পায়না পার।
খামচে ধরোছ মানচিত্র
শকুন সবে মানে হার
তোদের মতো হতচ্ছাড়া
এদেশে নেই দরকার।

লোলুপতায় খুঁজে বেড়াস
বঙ্গমাতার সন্তানদের
নষ্ট ভাবনার বিষয় করোস
গলাধাক্কা করলে ফের।
অভয়ারণ্যেই বেড়াতে চায়
আমাদের সব বংশধর
এদের যদি ক্ষতি করছোস
গণপিটুনি পাবিনা পার।

৮/১০/২০। ঢাকা
…………………………………………..

দেখা যখন হঠাৎ

বাতাসে ভর করে সে এলো
উদাসীর চিত্ত প্রসারিত যেন
প্রজাপতি এসে জানান দেয়
মুহূর্তে পরিবেশ মুখরিতময়
মধুর আবহ সৃষ্টিতে সচেতন
সর্বত্র প্রাণের স্পন্দন গীত।

আকাশে রংধনু সেতুতে দৃষ্টি
বাতাসে আবহ নতুনত্ব সবই
উদ্যোম উজ্জ্বলতা প্রখরময়
কলকাকলির উৎফুল্লময়তা
রিনিঝিনি শব্দেরই ঝংকার
মাধুর্য খুঁজে ফেরে দুই সত্তা।

অপলক দৃষ্টি দর্শনে বিষ্ময়
দিবস শততে ইতিহাস তব
এলোমেলো ভাবনা প্রশান্তি
চোখে চোখ আবেগ অপূর্ব
হৃদ কাঁপে আইলার দাপটে
অস্বস্তিতে প্রহর কেটে যায়।

দু’টি মন একাত্ম আকাঙ্খা
চাতকিনী কৃঞ্চকলি আবেশ
ধরাধামে নব প্রাণের উচ্ছ্বাস
এ যেন সুজন-সখীর বসতি
শত জনমের অপ্রাপ্তির বর্ষা
আর প্রফুল্লতায় আবিষ্ট মন।

২/১০/২০. ঢাকা