আমি লিখব

আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব –
লিখব আমি প্রেমিকের বিরহ আর বেদনার কথা,
লিখব আমি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে সাধারণ জনতার বিদ্রোহের কথা।

আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব-
লিখব আমি বীরের বীরত্বের কথা,
লিখব আমি শান্তি আর সাম্যের কথা।

আমি আপনাকে তোমাকে তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব
লিখব আমি বাংলার সবুজ শ্যামল প্রকৃতির কথা,
লিখব আমি বাঙালির পশ্চাতের ইতিহাস আর সংস্কৃতির কথা।

আমি আপনকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব-
লিখব আমি এই বিভীষিকাময় সভ্যতার কথা,
লিখব আমি ধর্ষক আর ধর্ষিতার কথা।

আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব –
লিখব আমি যাযাবরের স্বপ্নের স্বর্গরাজ্য কথা,
লিখব আমি পথশিশু করুন দৃশ্যের কথা।

আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব-
লিখব আমি শস্যদেবীর বরে ক্ষেত ভরা শস্যের কথা,
লিখব আমি কৃষকের বদনখানির অম্লান হাসির নিরব কথা।

আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব –
লিখব আমি সাদা কালোর ভেদাভেদের দীর্ঘ শোষণের কথা,
লিখব আমি উচু নিচু, বর্ণ গোত্রের কথা ।

আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব –
লিখব আমি শাদ্বল দূর্বাঘাসের অন্তরে লুকিয়ে থাকা ধবল দুধের রহস্যের কথা।
লিখব আমি প্রবহমান স্রোতস্বিনীর সরল বহতার কথা।

আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি
আমি লিখব, আমি লিখব –
লিখব আমি প্যালেস্টাইনের আমজনতা করুণ আর্তনাদের কথা।
……………………………………………

সূচয়না

সূচয়না, তুমি কি জানো কতদিন দেখিনি তোমায়,
হয়তো জানো না, আর জানতেও তুমি চাওনা।

জানে ঐ নদী নক্ষত্রের দেশের, নীল আকাশের নক্ষত্রগুলো।
আরও জানে ঐ অমাবস্যার রাতে বিস্তর জোনাকি।

সূচয়না, তুমি বিহীন এ আমার জীবন স্পন্দনহীন,
তোমার পরশ পেলে আমার এই নিথর দেহে প্রাণ,
স্পন্দনে স্পন্দিত হয়,
তোমাকে বিহীন আজ আমার হৃদয়, বিধস্ত ট্রয়নগরীর মতো।

তোমার কথা মনে পড়লে প্যালেস্টাইনের শোকার্ত জননীর মতো,
চিৎকার করে কাঁদত আমার ইচ্ছে করে।
সূচয়না, তুমি হয়ো না কো পাষাণী,
পত্র ঝরা বৃক্ষের নিচের বিদীর্ণ প্রহরে একটু দেখা দিয়ো।

সূচয়না, তুমি হয়ো না কো হৃদয়হীনা,
তাহলে আমি হয়ে যাব ঐ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মতো, বাস্তুচ্যুত।
সূচয়না, তুমি আমারে ফেরারি জীবন দিয়ো না,
আমি তোমায় নিয়ে সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন পারি দেব,
এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অভিলাষ ।
……………………………………………

স্মৃতির ডায়েরি

আমার তেমন কোনো স্মৃতি বিজড়িত কিছু নেই,
আছে শুধু ভগ্ন টেবিলের কোণে
ধূলোবালি সংযুক্ত একটি ডায়েরি,
তাতে কোনো সুখের কথা লেখা নেই,
নেই কোনো সাফল্যের কথা লেখা।
লেখা আছে কষ্টের জর্জরিত দিন গুলোর কিছু কথা,
যা আমি সম্পূর্ণ লিখতে পারিনি,
লিখতে গেলে চলে আসে বুক ফাটা চিৎকার।
জীবনের সংগ্রামের কথা দিয়ে ভরা,
সেই কথা গুলো লেখা আছে ডায়েরি স্বল্প পাতায়।

ডায়েরি খানি খুলেই আজও ভেসে আসে,
সেই রক্তরঞ্জিত ডায়েরির ভগ্ন পৃষ্ঠা গুলো
যা আমায় অতীব গভীর ভাবায়।
তবুও সেই ডায়েরি খানি টেবিলের কোণে
ধুলোবালি সাথে আলিঙ্গন করছ।
ডায়েরি খানি আমার অতীত স্মৃতি কিছুটা,
স্মরণ করাবে পর প্রজন্মকে।
……………………………………………

অভিমান

বসন্তের আগমনে পত্র ঝরা বৃক্ষের
নিচের আমি সেই বিদীর্ণ প্রহরে তোমায়,
পুষ্পরিত ভালোবাসা নিবেন করেছিলাম,
তুমি তো আমাকে শিখিয়েছিল প্রেয়সী,
নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কাকে বলে,
সত্যি তুমিই শিখিয়েছিল, ওগো প্রেয়সী।

আজ বসন্তের আগমনে কোকিল গায়
চারদিকে পত্র শূন্যে বৃক্ষের শাখে পুষ্পশোভা পেয়েছে
সেই আনন্দ ঘন মূহুর্তে
শুধু তুমি নেই, গো প্রেয়সী,
শুধু তুমি নেই।

সামান্য আবদার না পূরণ করায় আমার তোমার
সম্পর্কে ফাটল ধরেছে
তুমি তো আমাকে শিখিয়েছিলে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা,
সেই তুমি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়ে,
সামান্য স্বার্থের জন্য অভিমান করে চলে গেলে
জানি না কেন তোমার এত অভিমান,
কিসের জন্য আমায় ত্যাগ করলে
সত্যি আমি জানি না ।
আমার ভালোবাসা কি তোমার কাছে ছিল
স্বার্থ আদায়ের উৎকৃষ্ট মাধ্যম,
নাকি তুমি মুখোশ পরেছিল,
আজ আমার সত্যি জানতে বড় ইচ্ছে করে
ওগো প্রেয়সী।

জানি তোমার অভিমান শেষ হবার নয়,
কারণ তুমি তো স্বার্থপর, প্রেয়সী।
আমার কোনো অভিমান অভিমত নেই,
চাইলে আসতে পারো,
তা তোমার ইচ্ছে।
……………………………………………

প্যালেস্টাইনর স্বাধীনতা

স্বাধীনতা তুমি বড় অবাধ্য শব্দ,
তুমি তো পরাধীন জাতির কাছে,
সহজে আসতেই চাও না।
তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা
প্যালেস্টাইনের মায়ের চোখে নেই নিদ্রা,
শুধু আর্তনাদ, আর আর্তনাদ ।
সেই মা শুধু জানেন স্বাধীনতা কি?
কত বোন সম্ভ্রম হারিয়ে আত্মা চিৎকার করছে,
ভাইয়া আমাকে বাঁচাও বাঁচাও বলে,
সেই বোন জানেন স্বাধীনতা কি?
আর কত দিন প্যালেস্টাইনের গগন থেকে,
ঝরবে অগ্নির ঝিরিঝিরি বারিধারা।

সেই প্যালেস্টাইনের আমজনতা জানেন স্বাধীনতা কি,
আর পরাধীনতা কি?
তারা তাদের অধিকার স্বাধীকার চাই,
স্বাধীনতা চাই, স্বাধীনতা।
তাই তাদের সকলের কাম্য প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা।
……………………………………………

প্রতীক্ষিত প্রহর

হয়তো বা কোনো এক স্নিগ্ধ ভোরে
ঐ জামরুল গাছের মগ ডালে পাখি বসে গাইবে,
শিশিরে ভেজা ধানক্ষেতের পাশে ফিঙে
তার মনের অভিলাষে নেচে যাবে।
চারদিকে বাসন্তী ফুলের সৌরভ ছড়বে
তরুলতার নব সাজে সজ্জিত হবে চারিদিক।
ঐ পথের ধারে থাকা বুভুক্ষা মাছরাঙাটি
অধীর আগ্রহে খাদ্যের প্রতীক্ষায় থাকবে।
মাছরাঙাটির প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হবে কি হবে না
তা জানে ঐ রিজিকদাতা।
শীতের আগমনে ঝরে পড়বে তরুলতার পাতা,
প্রতীক্ষিত পথিকের পদদলিত হয়ে মর্মর ধ্বণি উঠবে
তারপর প্রকৃতি আবার ফিরে পাবে নিজস্ব স্বকীয়তা।

হয় তো বা কোনো এক গ্রীষ্মের দুপুরে
মাঠ ঘাট খাঁ খাঁ করবে
সেই দিন পথিক থাকবে বৃষ্টির প্রতীক্ষায়।
হয়তো বা কোনো এক শরৎ মেঘের ভেলা
পথিকের মন ছুয়ে যাবে,
তবুও শেষ হবে না পথিকের সেই প্রতীক্ষার প্রহর।
……………………………………………

ভালোবাসি তোমায়

ও গো প্রেয়সী,
শুধু তোমায় ভালোবাসি বলে,
অপেক্ষায় কাটিয়ে দিচ্ছি অজস্র প্রহর।
কোনো ভাবে আমি ভুলতে পারি না,
তোমার স্মৃতি বিস্মৃতি গুলো,
কেন, তুমি কি জানো?
তোমার তো জানার প্রয়োজন নেই
শুধু আমার প্রয়োজন,
কারণ আমি তোমায় ভালোবাসি
ভালোবাসি বলে শুধুই তার জন্য।

ওগো প্রেয়সী,
তোমার সাথে কাটানো প্রহর গুলো
আমায় নিশ্চুপ থাকতে দেয় না,
নিরবে নিভৃতে আমায় কাঁদায়
আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের প্রহর ছিলো
তোমার সাথে কাটানো প্রহর গুলো।
তোমার কোমল হাতের স্পর্শ
আমাকে দেখতো অভিনব স্বপ্ন,
হঠাৎ তোমার অনুপস্থিতি আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে
দিয়েছে এনে একাকিত্ব,
তুমি তো ছিলো আমার স্বপ্ন
স্বপ্ন বিহীন জীবন সে তো মৃত বস্তুর মতো স্তব্ধ।
তবুও তোমার আশা পথ চেয়ে আছি
কবে আসবে তুমি ওগো প্রেয়সী,
কবে আসবে?
আমি আজ তোমার কাছে ডায়েরির ছেঁড়া পাতা
যার নেই কোনো প্রয়োজন
তুমি আমায় ভালোবাসো কি বাস না
আমি তা জানি না
আমি শুধু তোমায় ভালোবাসি
সত্যি আমি ভালোবাসি তোমায়, ওগো প্রেয়সী
অপেক্ষায় আমি কাটাবো অজস্র প্রহর,
শুধু তোমায় ভালোবেসে।

ওগো প্রেয়সী,
তোমার ডাকে আমি পাড়ি দিতে পারবো
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো দামোদর সমতুল নদী,
সকল বাঁধা বিপত্তি অনায়াসে কাটিয়ে আসব
তোমার কাছে,
শুধু তোমায় ভালোবেসে
শুধু তোমায় ভালোবেসে,
ওগো প্রেয়সী।
……………………………………………

প্রতীক্ষিত মা

ফুলে ফুলে ভরে গেছে ঐ পথের ধারের
পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া গাছটা,
সেই কবে থেকে কোকিল গাইছে প্রাণ খুলে
ঐ জানালার পাশের স্রোতস্বিনীর ধারে গাছটায়।
কথা ছিলে এই বসন্তে খোকা তুই আসবি
ওহে খোকা আজ বসন্ত প্রায় শেষ,
তুই কেন আসছিস না কেন?
এই মা তো তোর প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছে
দিবানিশি সতত,
খোকা তুই কবে আসবি বাবা
কবে আসবি,
আমি তো তোর জন্য বাসন্তী ফুলের স্তবক রেখেছি
কণ্টকাকীর্ণ গাছের সৌরভের ফুলে তৈরি।

খোকা সেই দিন নাকি রাজপথে ফুটপাতে হাজারো
ছাত্র জনতার উপর পাকিস্তানিরা মেশিনগান চালিয়েছে,
খোকা তুই কি সেখানে গিয়েছিলি বাংলা ভাষার জন্য
পাকিস্তানিরা তো বাংলার উর্দু ভাষার চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল,
তা তো হাজারো ছাত্র জনতা সংগ্রাম করেছে।
খোকা তুই কবে আসবি বাবা,
কবে আসবি,
তুই মোর নাড়ি ছেঁড়া একমাত্র ধন,
খোকা তোর প্রতীক্ষায় আজ এই জনম দুঃখনী মা,
কবে আসবি তুই খোকা
কবে আসবি ।
……………………………………………

মুক্তির চেতনা

মা, বল আর কত দিন,
আমরা সহ্য করব পাকিস্তানীদের,
শাসন নামক পাশবিক পৈশাচিক নির্যাতন ।

বল না, মা বল –
আর কত দিন আমাদের বাক স্বাধীনতা হরিত থাকবে,
আমরা কি কোনো কাজে কোনোদিন মতামত দিতে পারি না।

বল মা, বল –
এভাবে কি জীবন চলতে পারে,
পারে না মা, পারে না,
জীবন তো এভাবে চলতে পারে না।

মাগো, জীবন মানে স্বাধীনতা
স্বাধীনতা মানেই তো মা জীবন,
জীবন তো কখনো বর্বরতা মেনে নেয় না।
মাগো, আমাদের দেশে এসে,
ওরা কেন আমাদের অস্তিত্ব বিলীন করতে চাই।

মাগো, ওরা তো ভিনদেশী
কেন ওরা আমাদের সংস্কৃতি ধ্বংস করতে চাই,
কেন ওরা ওদের নিজস্ব সংস্কৃতি,
আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠা করতে চাই,
কেন, মাগো কেন?
কেন, মাগো ওরা এমন করে আমাদের তরে
ওরে খোকা শোন,
শুধু বাংলায় স্বাধীনতা নেই বলে
সমগ্র বাংলা গ্রাস করেছে পাকিস্তানীরা,
তাহলে মাগো আমরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি চাই মুক্তি ।

বল না, মা, বল –
কেন ওরা আমার ভাইকে মারছে,
কেন ওরা আমাদের উপর করে এত অত্যাচার নির্যাতন।
ওরে খোকা, বাংলার স্বাধীনতা নেই তাই,
পাকিস্তানীরা বাংলাকে করছে তোলপাড়,
তাহলে মাগো কবে আসবে স্বাধীনতা
কবে আসবে,
বল না, মা, বল-
আর কত দিন থাকব স্বাধীনতা বিহীন,
কীভাবে আসবে স্বাধীনতা বল না মা, বল-
ওরে খোকা শোন,
মুক্তির জন্য যুদ্ধ করতে হবে, যুদ্ধ?
মুক্তি জন্য যুদ্ধ,
মাগো, যুদ্ধ কী? বল না –
শোন রে খোকা শোন,
যুদ্ধ মানে, পাকিস্তানীদের অন্যায় অবিচার নির্যাতন
আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে
নিজের অধিকার আদায়ের পন্থা।
সকলে ঐক্য বদ্ধ হয়ে,
পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে হবে,
পাকিস্তানি শত্রুদেরকে প্রতিহত করতে পারলে
দেশ মুক্ত হবে,
তাতে স্বাধীনতা আসবে,
তাতে আসবে মুক্তি।
……………………………………………

বিপ্লবী

আমি তো এ আইন মানি না
যেথায় মানুষ হিসেবে আমি
পাব না কোনো অধিকার
যে আইনের কাছে নিতে পারব না বিপদে আশ্রয়
আমি কিভাবে মানি এই কালো
সুশীল সমাজ কখনো বর্বরতা মেনে নেয় না
এই মানবতা বিরুদ্ধী আইন
এ আইন মানি না
এ আইন আমি মানিতে পারি না
এ আইন পরিবর্তনের জন্য
এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করব
সংগ্রাম করব।

যেথায় নেই আমার মানুষ হিসেবে কথা বলার অধিকার
দিতে পারি না কোনো কাজে মতামত
আমি তো মানি না এই রকম আইন
এ আইনের পরিবর্তনের জন্য
আন্দোলন করব
সংগ্রাম করব।

যাদের কাছে নেই কোনো মানুষ প্রতি ভ্রূক্ষেপ
শুধু নির্যাতনের আর নিপীড়ন চিন্তা
আমি তো তাদের সাথে নির্ভীকভাবে লড়ব
তাদের সকল অন্যায় অবিচারের পরিবর্তনের জন্য
তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করব
সংগ্রাম করব
যাতে আমরা আমাদের সকল অধিকার স্বাধীকার
ফিরে পায়
তার জন্য আন্দোলন করব
সংগ্রাম করব।

আমি তো দুর্বার
আমি তো সব অন্যায় অবিচার ভেঙে করি চুরমার
আমি মানি না কারুর দাসত্ব শৃঙ্খল
ভেঙে ফেলি অন্যায়ের অত্যাচারের তাসের রাজত্ব

আমি তো বিপ্লবী
আমি সব অন্যায় অবিচারের নীতিমালা
পরিবর্তন করি ।