ছাত্র আমি

ছাত্র আমি কাজটা আমার
হবে লেখাপড়া,
শিক্ষা নিয়ে হবে আমার
আলোর জীবন গড়া।

ছাত্র আমি লেখাপড়া
হর হামেশা করা,
লেখাপড়া করে আবার
জ্ঞানের রশ্মি ধরা।

ছাত্র আমি অস্ত্র ছেড়ে
কলম হাতে নেয়া,
সমাজেতে আমারই কাজ
জ্ঞানের আলো দেয়া।

ছাত্র আমি সর্বসময়
শিখতে ইচ্ছা করা,
দোলনা থেকে শিখা শুরু
শিখতে শিখতে মরা।
…………………………………………..

খুঁকির আঁকা ছবি

পূব আকাশে রঙধনুটা
দিলো এবার উঁকি,
এমন সময় হাতে কলম
নিলো ছোট্র খুঁকি।

খুঁকির দেখা বকের সারি
দেখা রঙের ঘুড়ি,
এক হাতে তাঁর রঙ কলমটা
অন্য হাতে মুড়ি।

একটা দুইটা মুড়ি খেয়ে
আঁকলো গ্রামের ছবি,
এমন গ্রামের দৃশ্য নিয়ে
লিখলো কত কবি।

দেখলো খুঁকি হাওর মাঝে
আঁকাবাঁকা নদি,
আঁকলো এসব ছোট্র খুঁকি
আঁকলো রাজার গদি।

ছোট্র খুকির আকা হলো
ছোট্র একটি ছবি,
আঁকলো খুঁকি দূর গগনের
মিষ্টি মামা রবি।
…………………………………………..

মাদক প্রতিরোধ

মাদক সেবন করছে দেখো
সোনার ছেলেরা,
মিল হয়েছে তাঁদের সাথে
কতেক মেয়েরা।

মাদক সেবন করে তাঁরা
পাগলামি করে,
খুন খারাবি, ব্যভিচারে
রাজ্যটা ভরে।

মাদক সেবন তাঁদের এখন
নিত্যদিনের কাজ,
মদ্য,গাঁজা,ধর্ষণেতে
চলছে তাঁদের রাজ।

সোনার ছেলে নষ্ট হচ্ছে
মাদক সেবনে,
এমন ভুলের মাশুল দিবে
সারা জীবনে।

শক্ত হাতে গড়ে তুলি
মাদক প্রতিরোধ,
সবাই মিলে মাদক সেবী
করি অবরোধ।
…………………………………………..

সূর্যি মামার আলো

রাতেরবেলা পাইনা দেখা
দিনেরবেলা আসো,
বিকেল বেলা চলে যেতে
মিষ্টি মুখে হাসো।

শিশির ভেজা সাজ সকালে
পূব গগনে ওঠো,
মিষ্টি হাসি সাথে নিয়ে
ফুলের মতো ফুটো।

প্রভাত বেলা পূব আকাশে
সূর্যি মামার উঁকি,
পাখির সাথে উঠে তখন
ছোট্র খুঁকাখুঁকি।

তোমার আশায় বসে থাকে
পাখপাখালি সবি,
গাছগাছালি বলে তখন
আসবে কবে রবি।

বাদলা দিনে মেঘের সাথে
লুকোচুরি খেলো,
মেঘের সাথে লড়াই করে
চোখটা যখন মেলো।

দূর হয়ে যায় বসুন্ধরার
সকল আঁধার কালো,
লাগে ভালো তোমার দেয়া
মিটিমিটি আলো।
…………………………………………..

স্মৃতির মালা

ফেলে আসা দিনগুলি আজ
ভীষণ মনে পড়ে,
মনে হলে অতীত আমার
হৃদয় তখন নড়ে।

ছোটবেলার খেলার সাথী
পাইনা এখন খুঁজে,
খুঁজে বেড়াই গত অতীত
রাতে এবং রোজে।

বিকেলবেলা খেলার মাঠে
উঠতাম সবাই মেতে,
অতীতগুলো স্মৃতির মালায়
রেখে দিলাম গেঁথে।

অতীতগুলো আমায় এখন
ডেকে ডেকে বলে,
বর্তমানটা অতীত হবে
সময় গেলে চলে।
…………………………………………..

হিসাব কষে দেখো

পূন্য তোমার কেমন হলো
থেকে সারা জীবন?
হালাল,হারাম না বেছে ভাই
জমালে অনেক ধন।

নিরিবিলি একটা সময়
হিসাব কষে দেখো,
পূন্য কত মন্দ কত?
একটা খাতায় লেখো।

দেখবে তোমার মন্দ খাতা
লম্বা অনেক বেশি,
তবু কেন মন্দ খাতায়
দাওনা এবার ফাঁসি?

তোমার কথা বলি কেন
আমিও তো দোষী,
তবু আমি থাকি সদা
থাকি হাসিখুশি।

মৃত্যুর ভয় চলে গেছে
আমার থেকে দূরে,
মন্দ ছাড়া পূন্য আমি
পাইনা কোথাও ঘুরে।
…………………………………………..

আমার কথা শুন

শালিক পাখি শালিক পাখি
ভাল লাগে ডাকাডাকি
আমার বাড়ি আয়,
মজার মজার খাবার দেবো
ঘুরতে গেলে তরে নেবো
পূরণ বাংলার গাঁয়।

খেজুররসের পিঠা খাবি
বলনা কখন বাড়ি যাবি
থাকবো অপেক্ষায়,
আরো খাবার দেবো তরে
মটকা ভরা আছে ঘরে
একটা দিন তুই আয়।

আমার কথা কানে নিবে
আমার ডাকে সাড়া দিবে
কোথায় চলে যাস,
বলছি আমি আমার বাড়ি
দেখবে কত গরুর গাড়ি
একবার চলে আস।

শীতের সকাল শিশির ভেজা
অনেক পাবে পিঠা ভাজা
খাবি না-কি তুই?
আমার বাড়ির চারিদিকে
ফুলেরতোড়া যাবে দেখে
ফুল ফুটেছে জুঁই।
…………………………………………..

কৃষক চাচা

সাজ সকালে কৃষক চলে
লাঙল কাঁধে নিয়ে,
রোদ্রে পুড়ে বৃষ্টি ভিজে
গাঁয়ের জমি গিয়ে।

সবার আগে কৃষক চাচা
জাগে নিদ্রা থেকে,
চলে কৃষক জমির দিকে
সবাই ঘুমে রেখে।

গরুর কাঁধে লাঙল বেধে
কৃষক চাচা পিছে,
পিছন থেকে সামন দিকে
লাঙল ঠেলে দিছে।

আঁধার ভোরে ফজর পড়ে
কৃষক চাচা জাগে,
সবাই ঘুমে কেউ জাগেনা
জাগে রবির আগে।

কষ্ট বুকে আঁধার ভোরে
জমির দিকে ছুটে,
তাঁর কপালে দুঃখ ছাড়া
শান্তি নাহি জুটে।
…………………………………………..

সেজদা করলো সবে

আমার নবি বিশ্ব নবি
আসেন যখন ভবে।
গাছগাছালী,পাখপাখালি
সেজদা করে সবে।

আঁধারচিত্র চলে গিয়ে
আলোরচিত্র হাসে।
মা আমেনার কোলে যখন
নুর চেহারা ভাসে।

নবীর বরকত পেলো যারা
ধন্য হলো তাঁরা,
ধন্য তাঁদের জীবন, মরণ
ধন্য নবীর দ্বারা।

সকল নবীর শ্রেষ্ঠ নবী
হলেন আমার নবী,
উজ্জ্বল মুখটি হার মানালো
ঐ আকাশের রবি।