স্বপ্নজয়ী সময়ের সাহসী আত্মবিশ্বাসী কবি তমসুর হোসেন ১৯৫৭ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার রেলবাজার গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিকভাবেই তিনি বেড়ে উঠেছেন আদর্শিক পরিবেশে। কবির পিতা মোঃ ছকিরউদ্দিন সরকার এবং মাতা মোছাঃ তমিরন নেছা। ছাত্রজীবন থেকেই তার লেখালেখিতে হাতেখড়ি। ব্রক্ষ্মপুত্রের অগাধ জলরাশির তরঙ্গহিল্লোল এবং দিগন্তবিস্তৃত মাঠের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া উদাস হাওয়া তার মনে লেখক হওয়ার স্বপ্ন জাগায়। হৃদয়-মন হয়ে ওঠে কবিতাময়। লিখতে শুরু করেন ছড়া, কবিতা, ছোটগল্প আর প্রবন্ধ-নিবন্ধ। সম্ভবত ‘বাতায়ন পাশে ঝিঙ্গেফুলদল’ তার লেখা প্রথম কবিতা। সাহসী কবি তমসুর হোসেন সেই সকল লিখিয়েদের অন্তর্ভুক্ত যারা সুন্দর সমাজ গঠনের উদ্দেশ্যে কলম হাতে নিয়েছেন। কলমকে হাতিয়ার হিসেবে গ্রহন করেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। কবিতা, ছড়া, শিশুতোষ গল্প, ছোটগল্প এবং ইসলামি প্রবন্ধ থেকে শুরু করে সাহিত্যের সব আঙিনাতেই তার উন্মুক্ত বিচরণ। কবিতায় তিনি যেমন স্বপ্নবিলাসী এবং সুচিন্তিত শব্দকুশলী ঠিক তেমনি ছোটগল্পেও এক সংবেদনশীল দুঃখভারাক্রান্ত মানবপ্রেমিক। তার শিশুতোষ গল্প শিশুর স্বপ্নীল ভুবনের বাস্তব রঙটিকে জীবন্ত করে তোলে। দেখায় আলোর পথ। আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়তে পথনির্দেশ করে।

একজন সত্যিকার বিশ্বাসী কবি হিসেবে তমসুর হোসেন তার নিজধর্ম এবং আদর্শের প্রতি সমভাবে কৃতজ্ঞতার পরিচয় তুলে ধরেছেন তার লেখায়। তার রচিত প্রবন্ধ সহজপাঠ্য, রুচিকর এবং হৃদয়গ্রাহী। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যুক্তি, তথ্য এবং সমৃদ্ধ ভাষার লালিত্যে তিনি পাঠকের মর্মমূলে চিন্তাধারা ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বর্তমান সময়ে ইসলামি ভুবনে যে ক’জন কলমসৈনিক তাদের নিবিড় পাঠ এবং ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে নিরলস সাধনা করে যাচ্ছেন কবি তমসুর হোসের তাদের মধ্যে অন্যতম একজন। কবির অনেকগুলো বই রয়েছে। অনাবাদী মাঠে প্রেম (কবিতা), চন্দ্রালোকের গন্ধেভেজা (কবিতা), পড়ন্ত বিকেলের রোদ (গল্প), রক্তাক্ত পালক ( শিশুতোষ গল্প),দুঃখ নদীর শতবাঁক (গল্প), হৃদয়ে নক্ষত্র জলে (গল্প),মনের শূন্যমাঠে দাঁড়ায় সে এলোচুলে (কবিতা), সুদূর মরুর সোনার মানুষ (শিশুতোষ গল্প), হারিয়ে যাওয়ার আনন্দ (শিশুতোষ গল্প), বিশ্বনবীর প্রতিচ্ছবি (প্রবন্ধ), অগোচরে অনুভবে (কবিতা), পরির দেশের রাজকুমার ( শিশুতোষ গল্প), ভাঙ্গা বুকে রাঙা হাসি (গল্প), ক্ষুধিত তিমির (কবিতা) জীবন্ত মুজিজা আল কোরআন (প্রবন্ধ) কবি তমসুর হোসেনের লেখা অন্যতম বইসমূহ। আলোচ্য লেখায় কবিকে নিয়ে যৎসামান্য আলোচনার প্রয়াস পাব।

মাটি ও মানুষের সাথে যার নিবিড় সম্পর্ক তার সফলতা অনিবার্য। সময় একদিন তাকে জাতির সামনে পরিচয় করিয়ে দেবেন নিশ্চয়ই। কবির মনে আছে প্রেম, আছে প্রেমের আকুতি। ভালোবাসার দরদ। দরদী হৃদয় নিংড়ানো আবেগ! দুনিয়ার সবাইকে প্রেম আর ভালোবাসায় জড়িয়ে রাখতে চান কবি। ভালোবাসাময় হয়ে উঠুক জগৎ সংসার কবির আশা এমনই। কবির ভাষায়-
বুকের ভেতর নাম তোমার গোপন করে রাখি
কী যে সুখ আকাশকুসুম কল্পনাতে থাকি।

জীবনের স্মৃতি চারণেও অনাবিল সুখ পাওয়া যায়। আবার কখনও কোনো স্মৃতি মনে জেগে উঠলে বেদনায় হৃদয় বিষিয়ে ওঠে। হৃদয় নদীতে বেদনার ঢেউ উছলে পরে। কবিরও এমনটি হয়েছে হয়তো। কবি লিখেন-
কী করে যে স্মৃতির চাকু বুকের ভেতর রক্ত ঝরায়
কী করে বাদল নামে পোড়া বুকে চৈত্র খরায়।
কবির আবেগ যদিও ব্যক্তিগত মনে হচ্ছে তবুও বলতে হয় সমাজের বাস্তবতা সামনে রেখেই কলম ধরেন একজন কবি। সমাজকে উপলব্ধি করে কলম ধরাই একজন কবির কাজ। সেটি করে যাচ্ছেন কবি তমসুর হোসেন।

সময়কে উপলব্ধি করেন একজন কবি। বর্তমানের বাস্তববাদী সমাজকে অনাবাদী মাঠের সাথে তুলনা করেছেন তিনি। যে মাঠের উপরে শুধুই নীল আকাশ। আকাশের নীচে বিরান মাঠ। যেখানে কোন ফসল নেই। নেই আদিগন্ত সোনালি সবুজের বিচরণ। চৈত্রের দোর্দন্ড প্রতাপে সে মাঠে শুধুই ধুলি ওড়ে। ওড়ে বিষন্নতার খড়কুটো! হতাশার ধূলোবালি! যে মাঠে বৃষ্টি পড়েনা একটু ফোটাও। আকাশের বুকে জমেনা এক টুকরো মেঘ। জমিনে ফসলের সবুজের আবাদ নেই। আদিগন্ত মাঠের বুকে সবুজের হাতছানি নেই। কবির হৃদয় মরুভুমিতে শুধুই বেদনার হাহাকার! কবির ভাষায়-
আমার প্রেমের মৃত অনাবাদী ফসলের মাঠ
নির্জন পড়ে থাকে আর চৈত্রের খরতাপে পোড়ে
কতদিন বৃষ্টি নেই শুকনো বাতাসে ধুলি ওড়ে
রূপ নেই কান্তি নেই, নেই স্বচ্ছ সবুজের হাট।

একজন কবি সমাজকে দেখেন ভিন্নচোখে, ভিন্ন দৃষ্টিতে। কবি তমসুর হোসেন ঠিক তাই দেখেছেন সমাজকে। সমাজের বাস্তবতাকে।

কবি বেড়ে উঠেছেন গ্রামীণ জনপদে। গ্রামের পরিবেশ তার চেনাজানা। গ্রামের জমিনে কিভাবে মৃদুপায়ে সন্ধ্যা নামে কবি তা অবলোকন করেছেন নিরবে। আপন করে দেখেছেন সেই স্বপ্নীল দৃশ্যপট! দেখেছেন হৃদয় ভরে। নয়ন জুড়ে। সন্ধ্যায় যে ছায়া ফেলে মাঠে তার প্রভাব আঁকতে চেয়েছেন মানবের হৃদয়-মনে। গ্রামীণ জীবনের সন্ধ্যার এক মধুময় পরিবেশ এঁকেছেন তার কবিতায়। কবি লেখেন-
এখানে সন্ধ্যা ঘনায় অবিকল কবিতার মত
বিহঙ্গেরা উড়ে চলে খুঁজে পেতে আপনার নীড়
গাঁয়ের মেয়েরা যায় জল নিতে তটিনীর ঘাটে
চঞ্চল পায়ের শব্দে কেঁপে ওঠে বালুময় তীর।

গ্রামের সেই হারানো স্মৃতির চিত্রপট দেখতে পাই কবি তমসুর হোসেনের কবিতায়। পল্লী গাঁয়ের চঞ্চল হরিণী পল্লী বধূর পায়ের শব্দে আর কেঁপে ওঠেনা তটিনীর ঘাট। বালুময় নদীর তীর। কাশবনের দুকূল। মায়াময় এই দৃশ্য এখন খুব কমই চোখে পড়ে। কবির কবিতা পড়েই এমন দৃশ্য এখন উপলব্ধি করতে হবে। জানতে হবে। অনুভব করতে হবে কবিতায়, বাস্তবতা এখন সুদূর পরাহত!

কবি তমসুর হোসেন শুধু মানবপ্রেমিকই নন। আল্লাহ তায়ালার প্রেমেও তার হৃদয় কাঁদে। সৃষ্টির পশ্চাতে যে এক মহাসত্য লকুায়িত আছে কবি তা উপলব্ধি করতে চান। কবি নিরলস সন্ধানী অন্তর নিয়ে সাধনা করে তার আধ্যাত্মকিতা ফুটিয়ে তুলেছেন কবিতায়। কবিতার জগতে। কবি নিজের হৃদয়কে পরশিুদ্ধ করার আকুলতা ব্যক্ত করছেনে কবিতায়। কবির ভাষায়-
আমার র্ব্যথতার গ্লানিগুলো
সকালের শিশিরে ধুয়ে
শুদ্ধাচারী আরেফের নির্মল আত্মার মতো পরিচ্ছন্ন করে দাও
বোবা কণ্ঠে দাও আযানের মতো সুললিত
র্দ্ব্যথহীন স্বর্গীয় সংগীত।

কী আবেগময় আকুলতা! ধর্মপ্রাণ একজন মুসলিমের কী আকুতি। এও বুঝি একজন কবির আকুতি হয়! শুনেছি কতেক কবিরা নাকি সৃষ্টিকর্তাকে মানতে চাননা। কিন্তু তমসুর হোসেন তার বিপরীত স্রোতের একজন। একজন বিশ্বাসী লেখকের অনুভূতি এমনই হওয়া উচিত।

একজন শুদ্ধাচার কবি দেশকে নিয়ে ভাববেন না তা কি হয়! কবি তমসুর হোসেন আমার এ দেশকে নিয়েও ভেবেছেন একান্ত আপনার করে। দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যাবলী তার চোখ এড়ায় না। এদেশ আর দেশের মানুষ বদলে যাচ্ছে। দেশের সবকিছুইতেই ঢুকে পড়েছে ভেজাল। জীবনের প্রতিটি স্তরে ভেজালের মহাউৎসব। ভেজালের জগতে কবি বেশ সচেতন। কবির ভাষায়-
আনাড়ী নেতার ভ্রান্ত র্ফমূলায় বারোটা বেজে যাচ্ছে দেশের
কটু র্দুগন্ধময় হয়ে পড়েছে তার ভেতরের সারবস্তু।

শুধু আমার দেশ নয়, সারা দুনিয়ার পরিবেশটাই আজ নষ্ট হয়ে গেছে। দেশে দেশে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা আর ধ্বংসের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে বিশ্ব! সে কী এক অসহনীয় পরিবেশ স্বপ্নীল বসুন্ধরায়! কোথাও শান্তি নেই, স্বস্তি নেই। সবখানে অশান্তির আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে। অশান্তির হাহাকারে দুনিয়া যেন জাহান্নামে পরিনত হয়েছে। কবির হৃদয় চক্ষু তা উপলব্ধি করেছেন। কবি লিখেছেন-
অসংখ্য পংগপাল পৃথিবীর নাভিমূলে ধারালো চোয়ালে
একযোগে বসাচ্ছে কামড়
অতীতের সব নিদর্শন দালান উদ্যান
তুড়ি মেরে দিচ্ছে উড়িয়ে নাপাক খান্নাস!
জলাতংক রোগীর মতো থরথর করে পৃথিবী কাঁপছে অবিরাম।

একজন সচেতন কবি সময়কে ধারণ করেন তার বিচক্ষণতা দিয়ে। কলমের আঁচড়ে তা তুলে ধরেন চোখে আঙুল দিয়ে। কবি তমসুর হোসেন তা করার চেষ্টা করেছেন। আমরা তাকে নিয়ে স্বপ্ন সুখের আশা বুনি।

তমসুর হোসেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান কবি। আবহমান বাংলার কবি। তিনি সমাজ সচেতন মানবদরদী কবি। সমকালের অন্যায়, অনাচার আর জুলুমের চিত্র শাণিত ভাষায় তুলে ধরেছেন তার কলমের আঁচড়ে। কবিতার পরতে পরতে। কবির ভাষায়-
একদিন ভাবতাম তুমি বড় সুন্দর হে স্বদেশ
তোমার কাছে সত্যের চেয়ে মূল্যবান কিছু থাকতেই পারেনা
কিন্তু যখন থেকে দেখছি দলীয় প্রতিহিংসায় লোকেরা লাশের ওপর লাথি মেরে
অট্টহাসি করে, তখন থেকে মনটাকে কিছুতেই স্বাভাবিক করতে পারিনা।-
র্যাব নামের চৌকস বাহিনীর কর্ণধার
একসাথে সাত খুন করে পেট কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে
মেধাবী গরীব ছেলেরা একটা চাকরীর খোঁজে
হয়রান হয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়ায়।

কবির আকুতি কত হৃদয়বিদারক! আমরা এদেশের কল্যাণ কামনা করি। এ জাতির মঙ্গল কামনা করি।

বর্তমানে মানুষ নৈতিকতা হারিয়ে ফেলেছে। অমানুষে পরিণত হয়েছে আপামর জনগণ। চারদিকে খুন, সন্ত্রাস, লুটপাট আর অন্যায় অবিচারের আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে। সারাটা দেশ যেন একটা বার্ণিং কয়েল। জাতি এথেকে মুক্তি চায়। এদেশ আমাদের। আমরা মুক্তি চাই। স্বাধীনতার স্বাদ আস্বাদন করতে চাই। কবির ভাষায়-
মানুষ ছুটে যাচ্ছে উৎকট অশ্লীল আস্বাদে
সরে যাচ্ছে দিনরাত মায়া মমতার দৃঢ় বন্ধন ছিঁড়ে
নীতিহীন জিন্দেগীর অশান্ত মদালশে
পৃথিবীকে ক্ষুধার্ত রেখে মানুষ যাচ্ছে নক্ষত্র বিজয়ে।

হুম আমরা এখন উচ্চাভিলাষীতে মগ্ন। আধুনিক এই ডিজিটাল যুগে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন যেন ছিঁড়ে গেছে। সমাজে বা পরিবারে সেই মধুময় পরিবেশটি আর নেই। সমাজ সভ্যতা এখন মানবতার প্রতিকূলে। এ থেকে আমাদের মুক্তি দরকার। কবি তা উপলব্ধি করেছেন হৃদয় দিয়ে।

পরিশেষে কবির “আবার আসব পৃথিবীতে” কবিতার সুরে সুর মিলিয়ে বলতে চাই, স্বপ্নীল সুন্দর এই বসুন্ধরা হয়ে উঠুক জান্নাতি বাগান। ফুলকাননের ছায়ানিবিড় জনপদ হোক আমাদের জন্মভূমি। সোনালী সুন্দর স্বপ্নীল বাংলাদেশের অপেক্ষায় আমরা। কবি তার “আবার আসব পৃথিবীতে” কবিতায় বলেন-
পৃথিবী হতে চলে যাবার বহু যুগ পর যখন আকাশ মাটি
আমাকে ভুলে যাবে
তখন এক জোসনা রাতে মেঘের শাম্পানে চড়ে আসব আবার
শুভ্র চাদর জড়িয়ে অঘ্রানের ফুটফুটে রাতে শুয়ে থাকবে ফসলের মাঠ
জোসনায় পথ চিনে কৈশরের স্মৃতিগুলো করব সন্ধান।
খরস্রোতা ধরলা পার হয়ে সাকোয়ার সোনালুর বনে
ঘুমজাগা পাখিদের পড়ে শোনাব আমার ব্যথিত কবিতা।
জনহীন পথে উষ্ণ অশ্রুতে ভিজে কথা বলে যাব
চিরসাথী কাঁশবন,গতিময় তরঙ্গের সাথে।

আর একদিন আসব তারও বহুযুগ পরে
যৌবনে যাকে প্রমত্ত স্বপ্নে করেছি আন্দোলিত
নিবিড় বাসনার কল্পলোকে ব্যাকুল বিষণ্ণতায় সে বুঝতে চেয়েছিল আমাকে
আমার আহত প্রাণের ভাষা ছড়াতে চেয়েছে সে বিশ্বময়।
স্বার্থান্ধ পৃথিবীর কোনখানে হয়তো পাবনা তার মদির প্রশ্বাস
তবু তার জানালায় হৃদয়ের ভালবাসা ছড়িয়ে দেব।
ঝোঁপের আড়ালে নিশ্চুপ জামগাছে অনেক বিনিদ্র পত্রে
তার সকরুণ ক্রন্দন মিশে আছে
আত্মার গভীরে তার দুঃসহ আর্তনাদ শুনব সারারাত
জ্বলন্ত শিখায় পুঁড়ে যাওয়া পতঙ্গের মত আমার স্বত্তা চাবে দুর্নিবার ভাষা
নির্বাক অনন্তের কাছে।

অনাবাদি এই জমিনে তমসুর হোসেনের মত নিবেদিত কবিদের পদচারণা আরো শানিত হোক। স্বপ্ন জয়ের উল্লাসে জাগরিত হোক দুনিয়া। কবিতাময় হয়ে উঠুক আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ!