পঞ্চমী

১.
হৃদয় আহত
এ খবরে বেদনা চিহ্নের
লাইকের ভীড়ে ভরে গেছে সজ্জা
আসছে আহা উহু সস্তা কমেন্ট
অথচ আমার একান্ত প্রয়োজন
জড়িয়ে ধরা দুহাতে বুকের উমে শুশ্রূষার একটা শেয়ার।

২.
সবাই করুনা করে দুমুঠো খেয়ে যেতে বলে
অথচ গন্তব্যে পৌছতে আমার নগদ প্রেরণার প্রয়োজন ছিল।
যেমন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে উন্নয়নের ধোঁয়ার ভিতরেই কেউ কেউ ভোটাধিকারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

৩.
তারা শুভাকাঙ্খী আমার
দৌড় প্রতিযোগীতার তুমুল তাড়া দিল
কিন্তু বুঝল না
আমার নিজের কোন পা নেই।

৪.
ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর জানা গেল
বিবেক বিক্রি হয়ে গেছে
অনেক আগেই অন্যায়ের কাছে।

৫.
বিস্বাদে ভরা জীবন
আর বাঁচতে চাইনা বলে
মৃত্যুর ফেরেস্তাকে আহবান করি রোজ।
এসো আমাকে নিয়ে যাও।
গতরাতে মূমূর্ষ পড়শির বাড়ি যাওয়ার পথে
মুত্যুর ফেরেস্তার নখের আঘাতে
শুরু হল শীরঃপীড়া
জবেহ করা পশুর মত তড়পালাম সারারাত মৃত্যু যন্ত্রনায়
শেষরাতে দাঁড়িয়ে গেলাম
আমিই আবার বেঁচে থাকার প্রার্থনায়।
…………………………………………..

এই গোধূলি এইতো প্রভাত

হয়নি দেখা তোমার সাথে
কওনি কথা কোন
মেসেঞ্জারেও হয়নি চ্যাটিং
দেওনি একটি ফোন।

তোমার সাথে হয়নি কথা
বেশ কিছু দিন ধরে
তুমি কি তা বুঝতে পার?
মরছি যে কোন জ্বরে।

হয়নি আমার জোসনা যাপন
ছাদে তোমার সাথে
তোমার হাতের উষ্ণ পরশ
পাইনা বহুত রাতে।

বর্ষা মুখর রাত গুলো যায়
তুমি ছাড়া একা
কাটছে সময় করাতকলে
পাইনা তোমার দেখা।

সময় পেলে একটুখানি
ফোনে খবর নিও
কথার ফাঁকে চাঁদের হাসি
পারলে খানিক দিও।

এই গোধূলি এইতো প্রভাত
মন মানুষের এই
মন যে কখন কী রঙ ধরে
কারো জানা নেই

অর্থনীতির মন্দ পাতা
তবু তোমায় ভাবি
কারণ তুমিই আমার কেবল
বৈধ প্রেমের চাবি।
…………………………………………..

অন্য এক অনন্ত জীবন

মানুষের পদতলে পড়ে থাকে পর্বতের বুক
উত্তাল সাগর নেচে ওঠে মানুষের পদাঘাতে
নদীর দু’কুল ধরে মানুষের হাতের ছুঁয়ায়
গড়ে ওঠে সুনিবিড় বাস যোগ্য শান্তির আবাস
পাহাড়ের বুক ছিড়ে গতিপথ তারা তৈরী করে
মানুষ আয়ত্বে আনে স্রোতস্বিনী নদীর প্রবাহ
জীবন প্যাডেলে প্রিয় দেহের শোণিত ধারা ঢেলে
উত্থানে পতনে অবিরাম গতীপথ রাখে ঠিক।

মানবতা না থাকলে পশুর স্বভাব হতে পারে
জুলুম অন্যায়ে শিরোণাম হবে জগত সংসারে
শ্রষ্টার পরম প্রিয় সৃষ্টিকুলে সেরা
যে মানুষ
আল্লার গোলাম তার প্রতি আছে অমোঘ বিধান
তার জন্য অপেক্ষমান অন্য এক অনন্ত জীবন
মানুষেরা হয়ে যাও কাজে কর্মে প্রকৃত মানুষ।
…………………………………………..

আত্মহত্যার নান্দীপাঠ

হয়তো ফুরিয়ে যাবে জীবনের আশা
তখন হবেনা আর কোন লেনাদেনা
হয়তো নিভেই যাবে জীবনের বাতি
আমার এ কণ্ঠ আর কেউ শুনবেনা।

হয়তো অকালে হবে যবনিকাপাত
লড়াকু সময়ে তার কী ছিল বারণ
তখন খ্যাতির সব খুলে ধারাপাত
কেন যে এমন হল খোঁজবে কারণ।

নিরাশ সময় নিয়ে যাতনার কাল
ব্যর্থতার বোঝা নিয়ে পিঠ করে কুঁজো
কত আর দেহ মন দিবে তা সামাল
আত্মহত্যায় সে হয়ে যাবে রুজূ।

তখন তোমরা তার বন্ধুবান্ধবেরা
নিহতকে বলবা সে আকাশের তারা!
…………………………………………..

নীলিমার দেশে যাব

অশ্রুর ফোঁটায় ক্রমে ভিজে ওঠে জামা
দরদি নজর কারো পড়লনা হায়
ব্যথায় হৃদয় যেন হয়ে গেছে তামা
নিরাশার ঢেউ তারে টানে হতাশায়।

দ্বীপ্রহরে হয়ে গেছে গোধূলী প্রহর
মৃত্যুর দূতকে ডাকে কাছে ইশারায়
জীবনের গলি জুড়ে দুঃখের নহর
বিষের পিয়ালা হাতে তুলে নিল তাই।

অচিরে হারিয়ে যাব নীলিমার দেশে
তোমরা খুঁজবে কি না বলবে সময়
আমাকে খুঁজবে কেউ? কভু ভালোবেসে?
জীবন লড়াইয়ে মেনে নেব পরাজয়?
এ জীবন একদিন থেমে যদি যায়
অধমের জন্য কার কী বা আসে যায়?
…………………………………………..

পড় দরুদ তার নামে

পৃথিবী ঘনকালো অন্ধকারে ছিল ঢাকা
সদ্য প্রসূত কন্যা শিশুর জননী ভয়ে বিহবল
জগত তখন নরক সমান মানবতা ফাঁকা
সবলের হাতে অবিরত মার খেয়েছে দুর্বল।

মানুষেরা মগ্ন সৃষ্টির পূজায় শ্রষ্টাকে রয় ভুলে
দেশ মহাদেশ যাবতীয় পাপাচারে গেছে ডুবে
কে দিবে ঢেলে সত্যের আলো মানুষের মর্ম মূলে
আঁধার ছেয়েছে উত্তরে দক্ষিনে পশ্চিমে ও পূবে।

প্রভাতের সূর্যোদয়ের মতো
নবী এলেন ভবে
ক্ষনিকে পালাল আঁধার, জগত হল আলোকিত।
মৃতদেহে প্রাণ ফিরে পেয়ে গান গেয়ে ওঠে সবে
সে আলোর ঝলকে পলকে সবে
হয় পুলকিত।

হযরত মোহাম্মাদ মস্তুফা নবিজী তার নাম
দরুদ পাঠান সবে সাললাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
…………………………………………..

ভিখারী শিকারী আখ্যান

ভিখারী ভিক্ষা করে করে কেবলই নিঃসঙ্গ হয়
পরিচিতজন দেখে ভাবে এই বুঝি কিছু চায়
ভিখারীর ঝুলি ভরা থাকে শ্রান্তি ক্লান্তি পরাজয়
আর রিক্ত নিঃস্ব কাল, তার আপন কিছুই নাই।

শিকারী ছুটতে থাকে গভীর অরণ্যে উর্ব্ধ শ্বাসে
দিন শেষে ফিরে প্রাপ্তির হাসিতে ভরপুর হয়ে
স্বজন পরিজনেরা ভীড় করে তার চারপাশে
আনন্দের দ্যুতি ঢেউ খেলে শিকারীর মহাজয়ে।

শিকারের ঘ্রাণে তন্ময় হয়ে বন্ধুরা করে ভীড়
শিকারী মজেছে খোশ গল্পে খুশিতে আত্মহারা সে
ভিখারী নিঃসঙ্গ প্রাণী যেন এ সুন্দর পৃথিবীর
প্রতিনিয়ত অনুভব করে আত্মগ্লানীর তাড়া সে।
ভিখারী শিকারী ব্যবধান ভুলে
মানুষের হোক জয়
মানুষের জয় প্রচারিত হোক আজ বিশ্বময়।
…………………………………………..

অন্য এক অনন্ত জীবন

মানুষের পদতলে পড়ে থাকে পর্বতের বুক
উত্তাল সাগর নেচে ওঠে মানুষের পদাঘাতে
নদীর দু’কুল ধরে মানুষের হাতের ছুঁয়ায়
গড়ে ওঠে সুনিবিড় বাস যোগ্য শান্তির আবাস
পাহাড়ের বুক ছিড়ে গতিপথ তারা তৈরী করে
মানুষ আয়ত্বে আনে স্রোতস্বিনী নদীর প্রবাহ
জীবন প্যাডেলে প্রিয় দেহের শোণিত ধারা ঢেলে
উত্থানে পতনে অবিরাম গতীপথ রাখে ঠিক।

মানবতা না থাকলে পশুর স্বভাব হতে পারে
জুলুম অন্যায়ে শিরোণাম হবে জগত সংসারে
শ্রষ্টার পরম প্রিয় সৃষ্টিকুলে সেরা
যে মানুষ
আল্লার গোলাম তার প্রতি আছে অমোঘ বিধান
তার জন্য অপেক্ষমান অন্য এক অনন্ত জীবন
মানুষেরা হয়ে যাও কাজে কর্মে প্রকৃত মানুষ।
…………………………………………..

আসন্ন ঈদের পর

আসন্ন ঈদের পর
সমস্ত জঞ্জাল উন্মুল করা
একটা উত্তাল ঊর্মিমালা আছড়ে পড়বে সৈকতে
উপকূল জুড়ে আশার ঢেউয়ে ভাসছিল সবাই।

এবং আসন্ন ঈদের পর
তুমুল বর্ষণে ধূলিধুসরিত পত্রপল্লব
ফিরে পাবে সবুজাভ হাসি।
মহাসমারোহে ঈদ উৎযাপিত হলো।
কাঙ্খিত বর্ষণ হলো না আর!
মুখে মুখে গুঞ্জরিত হতে থাকে
“যত গর্জে তত বর্ষে না “।

আসন্ন ঈদের পর
আশার ঈশান কোণ থেকে
ধেয়ে আসা তীব্র ঝড়ে
উড়িয়ে নেবে আদ ও সামুদের সমস্ত বসতি।
যথারীতি ঈদ এলো,
ঈদ গেলো, কোন ঝড় হলো না।
অতিক্রান্ত ঈদের পর
আরো এক ঈদ অত্যাসন্ন।
আবহাওয়া অফিসের বিপদ বার্তায়
আর কেউ কোন কান দেয়নি
সবাই নির্বিকার।
জীবনের রেল লাইনে
ক্রমাগত ঈদ আসতেই থাকে
আসন্ন ঈদ আর ফুরায় না।

আসন্ন ঈদের পর
প্রগাঢ় চুম্বনে সিক্ত হবে প্রিয়া;
প্রেমিকার বুকের মধ্যে বাজে
সংশয়ের ঢোল
মনে হয় এও যেন
ছলনার বাণী,
আসন্ন ঈদের পর
প্রেমিক চঞ্চু তার
কি করে না জানি!
…………………………………………..

সবিনয় কোন আবদার নেই

অবাঞ্চিত লোমের মত অধিকার যিনি ছুঁড়ে ফেলেদেন
তার কাছে আমার কোন সবিনয় আবদার নেই।
যদি কখনো রুখে দাঁড়াতে পারি
ঈশা খাঁর মত দাঁড়িয়ে যাব এগারসিন্ধুর মাঠে।
শুরু হবে দাবি আদায়ের তুমুল যুদ্ধ।
কৃষকের রক্ত পানি করে ফলানো সোনালী ফসলের দাম
কারখানায় ঢেলে দেয়া শ্রমিকের একেকটা জীবনের দাম
পাই টু পাই আদায় করে নিব।
এবং দাবি তুলব
অবৈধ ইঙ্গিতে খুন করা স্বপ্ন
ফিরিয়ে দিতে
ফিরিয়ে দিতে নাগরিক মৌলিক অধিকার
সমস্ত ন্যায্য দাবীর উত্তাপে উইপোকার মত যখন ঝাঁকে ঝাঁকে সঙ্গীরা ছুটে চলবে সম্মুখপানে
স্মরণ করিয়ে দেব বন্ধুগণ,
লক্ষণ সেন আর দাহিরদের প্রস্হান চিরকাল পিছনের দরজায় নির্ধারিত।
সমুদ্রের ঢেউ হয়ে তীব্রবেগে তোমরা সম্মুখে ধেয়ে চল

বঙ্গবন্ধুর মত তর্জনী তুলে বলেদিলাম
সমস্ত জালেমদের আমরা
ভাতে মারব পানিতে মারব
তবু বাংলাদেশকে বাসর সজ্জার মত
কোমল করে তুলব ইনশাল্লাহ।
…………………………………………..

ঐ মালটা তোমার বোন

ঈদে গলির মাঝে হাইহিলের ঠুসঠাস আওয়াজে বয়স ষোল’র
একটা লেহেঙ্গা দুলে ওঠে বাতাসে। বখাটে সময় বলে ওঠে ইস! মালডাও।
মালতো তার ঘরেও আছে
নাম রুখসানা।
আদরের সহোদরা।
উড়তে গেছে সেও দক্ষিনা বাতাসে।
ওখানে জটলায় আছে লিডার তনয় তপন,
ভিপির ভাই বাঁদর,
আর মহল্লার সবচেয়ে বেয়াদব বকুল।
রুখসানারা তাদের চোখে মাল ছাড়া আর কি?
এবং তারা মাল বললে
বখাটে সময় সহোদরা রুখসানার লজ্জিত নয়নের দিকে
কি করে তাকাবে? ভাই হয়ে।
কেননা সেতো ভুলে গিয়েছিল
এই মালের মত একটা রুখসানা আছে তার ঘরে, সে তার বোন।
গলির চিপার মাল শুধু মাল নয়
এই মাল একটা মেয়ে,
একটা বোন, ভাগ্নি- ভাতিজি
এবং একেকটা মাল একেকটা রুখসানা।
কারো না কারো আদরের বোন।
হৃদয়ে অংশ।
বখাটে হাওয়া মেয়েকে তুমি মাল বলে উড়িয়ে দিও না।
এ পাড়ায় চঞ্চলা নার্গিসকে তুমি মাল বানালে
ওপাড়ায় তোমার বোন রুখসানা হয়ে যেতে পারে ভুসিমাল।
…………………………………………..

একটাকা পরে নিস

বিবস্ত্র বসনে বেরিয়ে আসা রমনীর যুগল স্তনের মত
আমলনামা খুললেই ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকবে
সংগোপনের পাপসমুহ।
বেমালুম ভুলে আছে
অসংখ্য অধিকার নস্যাৎর কথা
ভালোবাসায় মোহাচ্ছন্নে
অধিকাংশের বকেয়া দেনমোহরের মত।
নামের মাথায় আলহাজ্ব বোঝা নিয়ে ঘুরছে
শরীরের তিলক চিহ্নের মত
আমলনামা খুললেই ভেসে ওঠবে
অসংখ খুচরাখাচরা দেনার হিসাব।
পান দোকানদারে ষোল টাকার বিলে পনর টাকা দিয়ে বলা হত একটাকা পরে নিস
তারা জানে না!
চার আনা গিলে খায় চাঁদের জীবন
অনাদায়ী এক টাকাগুলোগুলো
তিলক চিহ্ন হয়েই লেগে আছে পূণ্যময় ধবধবে নফলে ভরা রাতের চাদরে।
রাত তার ধ্যানমগ্ন
দিন কাটে তসবিহদানায়
তিনিই আবার হলকুমের নিচে লুকিয়ে রেখেছেন মিরাসের হক।
আহা! বান্দার হকের জমিতে
কত পাকা ধানে মই দিয়ে
ছুটে যায় মসজিদের দিকে।
অথচ কাবার মালিক বলে দিয়েছেন তা ক্ষমার মালিক কেবল তারাই।
হককুলে ইবাদ হাশরে হাজির হবে
পূণ্যগুলো গিলে খেতে আজদাহা হয়ে।

অবাঞ্চিত লোমের মত অধিকার যিনি ছুঁড়ে ফেলেদেন
তার কাছে আমার কোন সবিনয় আবদার নেই।
যদি কখনো রুখে দাঁড়াতে পারি
ঈশা খাঁর মত দাঁড়িয়ে যাব এগারসিন্ধুর মাঠে।
শুরু হবে দাবি আদায়ের তুমুল যুদ্ধ।
কৃষকের রক্ত পানি করে ফলানো সোনালী ফসলের দাম
কারখানায় ঢেলে দেয়া শ্রমিকের একেকটা জীবনের দাম
পাই টু পাই আদায় করে নিব।
এবং দাবি তুলব
অবৈধ ইঙ্গিতে খুন করা স্বপ্ন
ফিরিয়ে দিতে
ফিরিয়ে দিতে নাগরিক মৌলিক অধিকার
সমস্ত ন্যায্য দাবীর উত্তাপে উইপোকার মত যখন ঝাঁকে ঝাঁকে সঙ্গীরা ছুটে চলবে সম্মুখপানে
স্মরণ করিয়ে দেব বন্ধুগণ,
লক্ষণ সেন আর দাহিরদের প্রস্হান চিরকাল পিছনের দরজায় নির্ধারিত।
সমুদ্রের ঢেউ হয়ে তীব্রবেগে তোমরা সম্মুখে ধেয়ে চল

বঙ্গবন্ধুর মত তর্জনী তুলে বলেদিলাম
সমস্ত জালেমদের আমরা
ভাতে মারব পানিতে মারব
তবু বাংলাদেশকে বাসর সজ্জার মত
কোমল করে তুলব ইনশাল্লাহ।
…………………………………………..

আজ ঈদ ভালোবাসার পবিত্র দিন

বাঁশবাগানে একটা বাঁকা ঈদ হেসে উঠতেই
লাফিয়ে উঠল একদল শিশু কিশোর উল্লাস
জোয়ারের পানিতে লাফিয়ে উঠা পুঁটি মলার মত।
ঈদ! ঈদ! ঈদ!
ঈদ ছুটে বেড়াচ্ছে মসজিদের সামনে,
বাড়ির আঙিনায় শিশু কিশোর চঞ্চল পায়ে।
সন্ধায় চায়ের কাপে খোশগল্পরত ঈদ,
শহর ছেড়ে গ্রামমুখি চাঁনরাত ঈদ
মসজিদের মাইক থেকে দ্রুতবেগে উড়ে যায় ঈদ কানে কানে।
…………………………………………..

শিরোনামহীন কবিতা

রাজস্ব বিভাগের অবসর প্রাপ্ত ঢোলে ঠুকা দিতেই আওয়াজ হল তার সঞ্চিত অর্থগুলো ফিক্সড ডিপোজিটে বন্দি।অনত্র বিনিয়োগ বা হাওলাতের কোন সুযোগ নেই তার।
ব্যাংকের চৌকষ মাথা একখন্ড স্বপ্ন কিনে নিজেই ঋনগ্রস্হ
পারলে তাকেই কিছু বিকাশ করতে হয়
তরুণ উদ্যোক্তা শুন্য হাতে
উদ্বিগ্ন হয়ে জ্বরাক্রান্ত মেয়ের মাথায় চেপে ধরছেন জলপট্রি আহা জীবন
পোষাক শ্রমিক শব্দচাষী রাতদিন সেলাই করছেন তার নিজস্ব স্বপ্নের জগতে
যে জগতে আলো আসতে আসতে জীবনের সোনালী দিনগুলি ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে
অন্ধকারে
আর আমি
দৈনন্দিন শতেকবার নিহত হতে চাই নিজের হাতে
হতাশা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েই
স্বপ্ন চাষে মনোযোগী হই নতুন উদ্যমে।

শ্রমজীবির সূর্য

একটা হাত লতার মত পেঁচিয়ে ধরেছে টেম্পুর হাতল
পাদানীতে এক পা আরেক পা উড়ন্ত চিলের মত মেলে ধরা
একটা রুগ্ন কণ্ঠস্বর, শিক্ষাসহ সমস্ত সুবিধা বঞ্চিত শিশু কণ্ঠ হেঁকে যাচ্ছে যাত্রীদের গন্তব্যের নাম।
দশ টাকা ভাড়ায় যাত্রী যাবে নিজস্ব গন্তব্যে
আর শিশুটি চলতে থাকবে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পানে।