আমরা সবাই মুক্তি সেনা

মাঠে আছি আমরা যারা
মধ্য মাঠে থাকবই
লাল সবুজের পতাকাটা
উর্ধ্বে তুলে রাখবই।

আমরা সবাই মুক্তি সেনা
এই পতাকা রক্তে কেনা
স্বাধীনতাও আনতে হল
ঢেলে বুকের রক্ত,
সামনে হাজির নতুন করে
শপথ নেয়ার অক্ত।

সেই শপথে থাকছি অটল
অটল আরো থাকবোই।
এই পতাকা উর্ধ্বে রাখি
এবংআরো রাখবোই।

লক্ষে আছি স্হির
আমরা জাতীর বীর
লক্ষ হাসিল করার আগে
মাঠ ছেড়ে আর যাচ্ছি না
লোভের কোন টোপ কখনো
খাইনি এবং খাচ্ছি না।
মাঠ দখলে আছি আরো
মাঠ দখলে রাখবোই
লক্ষ হাসিল করতে মাঠে
অটল আছি থাকবোই।

মানবতার শত্রু যারা
শত্রু যারা দেশের
শপথ নিলাম আজকে তাদের
চিরতরে শেষের
খতম ওদের করতে মাঠে
আছি এবং থাকবোই
লক্ষ হাসিল করতে এ মাঠ
রাখছি দখল রাখবোই।
…………………………………………..

দূর্গ গড়ে তুলতে হবে

স্বাধীন দেশের স্বপ্ন নিয়ে
সবাই জেগে ওঠে
অস্ত্র হাতে স্বাধীনতার
স্বপ্নে সবাই ছুটে
মার্চ মানেতো মুক্তি এবং
স্বাধীনতার ডাক
অধীনতার সকল শিকল
ছিন্ন হয়ে যাক
মার্চে হল যুদ্ধ শুরু
ডিসেম্বরে জয়
বিশ্ববাসী পেল স্বাধীন
দেশের পরিচয়।
স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা
রাখতে নতুন করে
দূর্গ গড়ে তুলতে হবে
আবার ঘরে ঘরে।
…………………………………………..

বাংলা আমার মায়ের ভাষা

পাখির ভাষায় পাখি বলে
পাখির সাথে কথা
কুলুকুলু শব্দে ভাঙে
নদীর নীরবতা
প্রজাপতি কথা বলে
রোজই ফুলের সাথে
জোসনা চাঁদের মৌন কথা
চলে নিঝুম রাতে।
আমার মনের গহীন তলে
যত দুঃখ আশা
সকল কিছুই প্রকাশ করে
আমার মায়ের ভাষা।
বাংলা আমার মায়ের ভাষা
তার তুলনা নাই
এই ভাষাতে কথা বলি
আনন্দে গান গাই।
…………………………………………..

জয় তোমাদের সুনিশ্চয়
(কাশ্মীরসহ বিশ্বের হানাদার কবলিত দেশের জনতার প্রতি)

যে খেতে চায় গিলে কোন
স্বাধীন দেশের ভূখন্ড
ভূমিপুত্র জেগে ওঠ
কর তারে দু’খন্ড।
মাতৃভূমি স্বাধীন কর
পরাধীনের জিঞ্জিরে
রয়না কভু বীরজনতা
সেথায় থাকে খিঞ্জিরে।
গর্জে ওঠ অস্ত্র হাতে
শত্রু খতম করতে
দেশ বাঁচাতে তৈরী থেক
বীরের মতো লড়তে।
বুকের তাজা রক্ত দিয়েই
স্বাধীনতা রাখতে হয়
রক্ত দিতে জানলে হবে
জয় তোমাদের সুনিশ্চয়।
হানাদারে করল দখল
স্বাধীন দেশের ভূখন্ড
গর্জে ওঠ বীরজনতা
কর তাদের দু ‘খন্ড।
লড়াই লড়াই লড়াই কর
লড়াই দেশের জন্য
বাঁচলে গাজী মরলে হবে
শহীদ বলে গন্য।
০৬/০৮/১৯
…………………………………………..

যুক্তিযোদ্ধা

মুক্তিযুদ্ধ হইছে বলেই
দেশটা স্বাধীন হইছিল
সেই সময়ে দেশের মানুষ
কত্ত জুলুম সইছিল।
পূর্বপাকিস্হানের মানুষ
চাই না কেবল মাটি চাই
ইয়াহিয়া আর টিক্কা খান
দম্ভ করে কইছিল
তারপরে কি হইছিল
ভীষণ যুদ্ধ হইছিল।
পাকহানাদার অস্ত্র নিয়ে
সারাদেশে ঘুরছিল
মানুষগুলো মারছিল আর
ঘরবাড়ি সব পুড়ছিল।
তারপরে মোড় ঘুরছিল
হানাদারে জন্য কবর
মুক্তিযোদ্ধা খোঁড়ছিল।
ডিসেম্বরের ষোল তারিখ
রক্তসাগর শেষে
স্বাধীনতার লাল টুকটুক
সূর্য ওঠে হেসে
সমগ্রদেশ স্বাধীনতার
আনন্দে গান গাইছিল
টিক্কা এবং ইয়াহিয়ারা
উচিৎ জবাব পাইছিল।
পাকসেনারা মুক্তিযোদ্ধার
লাত্থিগুতা খাইছিল।
…………………………………………..

চাই মানুষের যুদ্ধ

এই পৃথিবী নতুন করে
করতে আবার শুদ্ধ
হিংস্র অমানুষের সাথে
চাই মানুষের যুদ্ধ।
আমার ভায়ের রক্তে যখন
লাল হয়ে যায় ভুমি
সবর কর এই নসিহত
আর দিও না তুমি।
ভ্রাতৃ হত্যার প্রতিশোধে
আমি ভীষণ ক্রুদ্ধ
বিশ্ব জুড়ে কেবলই চাই
আরো একটি যুদ্ধ।
আমার ভাইকে বিনাদোষে
খুন করেছে যারা
আমরা ঘরে ফিরব না আর
এই প্রতিশোধ ছাড়া।
এই পৃথিবী নতুন করে
করতে আবার শুদ্ধ
হিংস্র অমানুষের সাথে
চাই মানুষের যুদ্ধ।
আমার ভাইয়ের রক্তে যারা
লাল করেছে হাত
অস্ত্র হাতেই তাদের সাথে
চলবে মোলাকাত।
মোহাম্মাদ বিন কাসিম হয়ে
অস্ত্র নিব হাতে
বীরের জাতী বুঝাব তা
যুদ্ধে মোলাকাতে।
যুদ্ধ এবার যুদ্ধ এবার
যুদ্ধ এবার যুদ্ধ
এই পৃথিবী নতুন করে
করতে আবার শুদ্ধ
হিংস্র অমানুষের সাথে
চাই মানুষের যুদ্ধ।
…………………………………………..

মনডা কেমন লাগে

গোশত রুটি সমান সমান
না পড়লে তার ভাগে
ফুঁসতে থাকেন
দোষতে থাকেন
দোষতে থাকেন
ফুঁসতে থাকেন
তিনি তখন সাপের মত
ফোলতে থাকেন রাগে।
গোশত রুটি সময় মত
না পড়লে তার ভাগে
তিনি তখন সাপের মত
ফুঁসতে থাকেন রাগে।
তিনিও চান তার কপালে
জুটুক সবার আগে।

মনের দুঃখ মনে রাখেন
মনের দুঃখে বলতে থাকেন
পাইল সবাই পাইনা আমি
মনডা কেমন লাগে?
…………………………………………..

দূর্গ গড়ে তুলতে হবে

স্বাধীন দেশের স্বপ্ন নিয়ে
সবাই জেগে ওঠে
অস্ত্র হাতে স্বাধীনতার
স্বপ্নে সবাই ছুটে
মার্চ মানেতো মুক্তি এবং
স্বাধীনতার ডাক
অধীনতার সকল শিকল
ছিন্ন হয়ে যাক
মার্চে হল যুদ্ধ শুরু
ডিসেম্বরে জয়
বিশ্ববাসী পেল স্বাধীন
দেশের পরিচয়।
স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা
রাখতে নতুন করে
দূর্গ গড়ে তুলতে হবে
আবার ঘরে ঘরে।
…………………………………………..

মধুর ভাষা

বাংলা আমার মায়ের ভাষা
ভায়ের ভাষা
বোনের মুখের ভাষা।
এই ভাষাতে প্রকাশ করি
মনের সকল আশা।
আহ!
আমার কি যে মধুর ভাষা।
বাংলা আমার গানের ভাষা
প্রাণের ভাষা
গাঁথা বুকের মাঝে
এই ভাষারই ছন্দ খুৃঁজি
আমি নানান কাজে।
এই ভাষাতে প্রকাশ করি
মনের দুঃখ আশা
আহ!
কি যে আপন ভাষা।

একুশ হল ভাষার তরে
আশার তরে
রক্ত দানের দিন।
শোধ হবেনা, শোধ হবেনা
কক্ষনো এ ঋণ।
একুশ এলেই ভাষার আবেগ
আশার রঙে আবারও হয় চাঙা
শিমুল পলাশ
ফেব্রুয়ারী লাল রঙে হয় রাঙা।
…………………………………………..

কথার জ্বালা

কোন কোন কথা বুকে
শেলের মত বিঁধে
বিষ মাখানো তীরের ফলা
আটকে থাকে হৃদে।
তখন যদি সময়টা তার
অনুকুলে না হয়
সবর করে পরিস্হিতির
স্বীকারে তার যা হয়
কারো কারো কথা কভু
শেলের মত বিঁধে
চিত্ত জ্বলে পিত্ত জ্বলে
ঠোঁট কামড়ায় জিদে।
২২/০২/১৯
…………………………………………..

কৃষ্ণ মানে কালো

কৃষ্ণ মানে দেবতা এক
কৃষ্ণ মানে কালো
বলার পরে বলবে হেসে
জানি তা ঢের ভালো।
লাল ফুলকে বলছো তুমি
কৃষ্ণ চূড়া ফুল
ভুল বলেছো ভুল;
এখন থেকে বলবে শুধু
লাল ফুল লাল ফুল।
বলতে পার গুলমেহের বা
রক্তচূড়া ফুল।
কৃষ্ণচূড়া বলা তোমার
ভুল হবে ভাই ভুল।
…………………………………………..

লানত যে তোর নামে

ধর্তব্য নয় তোর আর
অন্য কোনো গুণই
তোর পরিচয় তুই কেবলই
মস্ত বড় খুনি।
মসজিদে তুই খুন করে যাস
মন্দিরে খুন করিস
গীর্জা প্যাগোডাতেও খুনের
অস্ত্র হাতে ধরিস।
শান্তিকামীর শ্বেত পতাকা
তোর হাতে হয় লাল
মানবতার শত্রু তুকে
ঘৃণা চিরকাল।
মানবতার হত্যাকারী
লানত যে তোর নামে
সব মানুষের পক্ষ থেকে
দিলাম ঘৃণার খামে।
বীর হতে চাস? হতে গিয়ে
তুই হয়েছিস খুনি
ধর্তব্য নয় তোর আর
অন্য কোনো গুণই।
তোর পরিচয় তুই কেবলই
খুনি এবং খুনি।
ধর্তব্য নয় তোর আর
অন্য কোন গুণই।
২৩/০৪/১৯
…………………………………………..

তালহা যায়েদ ‘র জন্য ছড়া

আমাদের ঘর ভরা
পুস্পের হাসি
আমাদের বুক ভরা
সুখ রাশি রাশি।
আমাদের ঘরে এলো
ঝলমলে তারা
বুকের ভিতরে বহে
খুশির ফোয়ারা।
পূর্ণিমা চাঁদএলো
আমাদের ঘরে
তালহা যায়েদ ডাকি
আমরা আদরে।