বেহেস্তি সুবাস

লকডাউনে কাহিল হলাম
বর্ষা ভেজা দিনে;
বৃষ্টি সুতোয় পার করলাম
ভেকের’ই গান শুনে।

ভেকের গানে, ফেকের খবর
এ্যণ্ড্রয়েডের পেজে;
কতও জনার কতও কীর্তি
টিকটকে’তে সেজে।

এ সবগুলো দেখতে দেখতে
তোমায় মনে পড়ে;
এক ঝুড়ি ফুল, সকাল বেলায়
এলো আমার ঘরে।

ঘরের পর্দায় ঝড় উঠলো
মনটা এলোমেলো;
তোমার ফুলের বেহেস্তি বাস
স্বস্তি দিয়ে গেলো ।।
…………………………………………..

খুশির দেশে

ভোরের হাওয়া আনলো খুশি
নতুন জামা শাড়ি;
চলো আমরা খুশির দেশে
জমায় খুশির পাড়ি।

শুনছো ওগো নাও সেজে নাও
নতুন শাড়ি পরো;
নাতিগুলো আসছে সেজে
ওদের আঙুল ধরো।

বাহাত্তুরে জননী আমার
ভালোবাসার খনি;
স্নান করিয়ে সাজিয়ে দিলে
উনিই খুশির মণি।

মায়ের খুশি, আমার খুশি
নাতির খুশি জুড়ে;
চলো আমরা খুশির দেশে
যাই খুশিতে উড়ে ।।
…………………………………………..

‘রাখী’র শক্তি

দাদা দাদা হাত’টি বাড়াও
এই বোনের’ই দিকে
তোমার হাত’টা এগিয়ে এলে
লালসা হবে ফিকে।

লালসা’রা লকলকিয়ে
দাপিয়ে বেড়ায় মাঠ
তোমার হাত’টা আগুন হবে
হবে চ্যালাকাঠ।

উদুম-গুদুম পড়বে যখন
লালসাদের ঘাড়ে;
আতঙ্ক, ভয়, লালসা’রা
পালাবে তখন দৌড়ে ।

তাইতো দাদা তোমার হাতটা
করবো আমি শক্ত;
শক্তি দেবে এই ‘রাখী’টা
আমরা ‘রাখী’র ভক্ত ।।
…………………………………………..

কল্পনাতে রবীন্দ্রনাথ

ওই দেখো ওই ফুলের বাগে
রবি ঠাকুর হাসে;
ওই দেখো ওই মেঘে মেঘে
রবি ঠাকুর ভাসে।

আরে আরে মেঘগুলো সব
কেমন করে খেলা;
আজকে যেন জল-বাগানে
জলপরী’দের মেলা!

শ্রাবণ মেঘের ছানা গুলো
কেউ তো সাজে চুল;
কেউবা দেখো দাড়ি সেজে
ফোটায় ‘রবি’ ফুল।

ফুল বাগানে জলসাঘরে
‘ডাল পাতা ফুল’ মিলে;
দেখো দেখো যাদুবলে
রবি এঁকে দিলে ।।
…………………………………………..

১৫ আগস্ট

ওই দেখো ১৫ আগস্ট
হাসিমুখে পতাকা উড়িয়ে
এ দিকেই এগিয়ে আসছে

তিন চারটে রঙের ঢেউ
সবুজ পাতার উপর সাদা ফুল
সাদা পাপড়ির মাঝে নীল চক্র
সাদা রঙের উপর ত্যাগের আকাশ

কিন্তু ওর পিছনে গিয়ে দেখি
রক্তের মহাসাগর
রক্তের হিমালয় থেকে
মায়ের শরীর রাঙিয়েছে
রক্তমাখা মাটি থেকে জন্ম হয়েছে
আমার প্রাণের পতাকা
আমার প্রাণের ১৫ আগস্ট।

এখন-
এই ১৫ আগস্টের যত্ন নিতে হবে
মান রাখতে হবে পূর্ব পুরুষের রক্তের
মলিন হতে দেবো না এই পতাকা
তাই-
এখন আমি নিজেই ১৫ আগস্ট
এখন আমি নিজেই ১৫ আগস্ট
এখন আমি নিজেই ১৫ আগস্ট-
…………………………………………..

এগিয়ে চলার মন্ত্র

শ্রাবণী ফুরফুরে হাওয়ায়
স্বাধীন পতাকা’টা উড়ছে পতপত্
সবুজ ভূমি আজ আনন্দে আত্মহারা।

সবুজ মাটিতে দাঁড়িয়ে
তরুণ-দল ছেড়েছে সুতো
নীল আকাশে উড়ছে স্বাধীন ঘুড়ি।

মাঞ্জা দেওয়া সাদা সুতো
শিক্ষা দেয় সহবত মিলনের
সমস্ত ভারতবর্ষ মিলিত হই এক আকাশে।

বিজ্ঞান শিক্ষা দেয়
তিন রঙ থেকেই নানান রঙের সৃষ্টি
তিন রঙেই তাই নানা ভাষা, নানা রঙ
আমরা বুঝি ভালোবাসার ভাষা।

ভালোবাসা এখন উড়ছে শ্রাবণী আকাশে
এসো, আমরা এখন-
ত্যাগী হয়ে নিজেদেরকে চিনি।

ত্যাগ’ই হোক
আমাদের এগিয়ে চলার মন্ত্র
ত্যাগ’ই হোক
আমাদের এগিয়ে চলার মন্ত্র
ত্যাগ’ই হোক
আমাদের এগিয়ে চলার মন্ত্র…
…………………………………………..

সৎ সাহসে

বিজয়ার চাঁদ ধীরে ধীরে
‘কালো’র দিকে যায়;
‘কালো’ও কেমন ফুটে ওঠে
মায়াবী মায়ায় !!

এ ‘কালো’ তো আলো ফুটায়
বুকের রক্ত ঢেলে;
তরুণ সমাজ শক্তি সাধে
দরাজ হৃদয় মেলে ।

‘তরুণ’রা-ই তো মূল শক্তি
‘বদ আঁধার’টা জানে;
‘পাতাল জগত’ লোভ দেখিয়ে
তার দখলে টানে ।

‘বদ আঁধার’কে বধ করতে
আসে ‘কালো মা’;
ও তরুণ- ‘তুই’ সৎ সাহসে
ভালোয় লেগে যা-
ও তরুণ- ‘তুই’ সৎ সাহসে
ভালোয় লেগে যা-