অবহেলা

দুটি মনের ভালোলাগা
একটু একটু কাছে আসা
চোখে চোখে বিনিময়ে
বুঝে নেয় মনের আশা।

আনন্দে আর অভিমানে
যায় দিন গড়িয়ে
সপথের দুটি হাতে
থাকে তখন জড়িয়ে।

ভাবেনা ভালো মন্দ
আসেনা কোন দ্বন্দ্ব
সবই যেন ভালো লাগে
কিছুই ভাবেনা আগে।

কাছে আসার প্রয়োজনে
মিলে তখন দুটি প্রাণে
হারিয়ে যায় ভালোলাগায়
কেউ কাওকে হারাতে না চায়।

হঠাৎ যেন এলোমেলো
ভালোবাসা কোথা হারালো
অজুহাতের খেলা ছলে
অবহেলা বেড়েই চলে।

আশা যা ছিল পেয়ে গেছে
তাইতো আজ সব মিছে
খুঁজে বেড়ায় নতুন দেহ
অভিনয় বুঝেনা কেহ।
…………………………………………..

কৃতজ্ঞ

কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি
কেন জান?
তুমি আমার জীবনে না এলে
চেনা হতোনা জীবনের কঠিন বাস্তব।
বুঝতে পারতাম না একজন প্রেমিক আর কামুক পুরুষের মাঝে ব্যাবধান কি?
আলো আধাঁরের খেলায় পরাজিত বিশ্বাস কে জানা হতোনা।
আপনজন কখনো হতে পারে আজন্ম শত্রু এই নির্মম সত্য জানা হতোনা।
মিষ্টি কথা আর অভিনয়ে হ্রদয়ে ক্ষত এঁকে দেবে জানা ছিলনা।
নিজের চেয়ে বেশি কাওকে ভালোবাসা কখনো ঠিক নয় বুঝিয়ে গেলে।
শপথ এর মিঠে বুলি সেতো ক্ষণিকের জন্য
নিজের প্রয়োজনে ধর্ম হয় আসল পুঁজি।
কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি আমার অন্ধ চোখ খুলে দেয়ার জন্য
স্পষ্ট যা দেখতে পাচ্ছি সবই ছিল তোমার অভিনয়।
এমনি ভালোবাসার খেলা তোমার নিয়মিত শুধু চরিত্র ভিন্ন।
কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি আমার চরম ভুলটি করার আগেই তুমি নিজের কুৎসিত রূপে আভির্বাব হলে।
কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি।
…………………………………………..

অবহেলা

দুটি মনের ভালোলাগা
একটু একটু কাছে আসা
চোখে চোখে বিনিময়ে
বুঝে নেয় মনের আশা।

আনন্দে আর অভিমানে
যায় দিন গড়িয়ে
সপথের দুটি হাতে
থাকে তখন জড়িয়ে।

ভাবেনা ভালো মন্দ
আসেনা কোন দ্বন্দ্ব
সবই যেন ভালো লাগে
কিছুই ভাবেনা আগে।

কাছে আসার প্রয়োজনে
মিলে তখন দুটি প্রাণে
হারিয়ে যায় ভালোলাগায়
কেউ কাওকে হারাতে না চায়।

হঠাৎ যেন এলোমেলো
ভালোবাসা কোথা হারালো
অজুহাতের খেলা ছলে
অবহেলা বেড়েই চলে।

আশা যা ছিল পেয়ে গেছে
তাইতো আজ সব মিছে
খুঁজে বেড়ায় নতুন দেহ
অভিনয় বুঝেনা কেহ।
…………………………………………..

কৃতজ্ঞ

কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি
কেন জান?
তুমি আমার জীবনে না এলে
চেনা হতোনা জীবনের কঠিন বাস্তব।
বুঝতে পারতাম না একজন প্রেমিক আর কামুক পুরুষের মাঝে ব্যাবধান কি?
আলো আধাঁরের খেলায় পরাজিত বিশ্বাস কে জানা হতোনা।
আপনজন কখনো হতে পারে আজন্ম শত্রু এই নির্মম সত্য জানা হতোনা।
মিষ্টি কথা আর অভিনয়ে হ্রদয়ে ক্ষত এঁকে দেবে জানা ছিলনা।
নিজের চেয়ে বেশি কাওকে ভালোবাসা কখনো ঠিক নয় বুঝিয়ে গেলে।
শপথ এর মিঠে বুলি সেতো ক্ষণিকের জন্য
নিজের প্রয়োজনে ধর্ম হয় আসল পুঁজি।
কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি আমার অন্ধ চোখ খুলে দেয়ার জন্য
স্পষ্ট যা দেখতে পাচ্ছি সবই ছিল তোমার অভিনয়।
এমনি ভালোবাসার খেলা তোমার নিয়মিত শুধু চরিত্র ভিন্ন।
কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি আমার চরম ভুলটি করার আগেই তুমি নিজের কুৎসিত রূপে আভির্বাব হলে।
কৃতজ্ঞ তোমার প্রতি।
…………………………………………..

গান

দুঃখ সাগরে ভেসে ভেসে
এলাম তোমার কূলে
সেই তুমি ভাসিয়ে দিলে
অথই ঢেউয়ের তালে গো
দুঃখ সাগরে।।

মিঠে তোমার কথায় পড়ে
দিলাম আমার মন
এখন তুমি রঙ্গের দোলে
দোলাও ইচ্ছে সাগরে গো
দুঃখ সাগরে।।

কত জনে ভালোবাসে তোমায়
তোমার ছলনাতে পড়ে
সুন্দর মুখের সুন্দর কথায়
দিলে মারো ছুড়িগো
দুঃখ সাগরে।।

একদিন তুমি পরবে ধরা
নাগিনী ছোবলে তে
অবিশ্বাস আর ছলনায় তখন
ফাঁসি হবে গলেতে গো
দুঃখ সাগরে।।
…………………………………………..

নীলপদ্ম

প্রেমের লাল পদ্ম আজ বিষে নীল
পাইনা খুঁজে প্রেম ও প্রতিহিংসার মিল।

কথায় ফুলঝুরি আজ কাঁদে নিরবে
মুখের ভাষায় আজ তিক্ততা অনুভবে।

ছলনায় মন রাঙ্গিয়ে করে নিঃশেষ
মানুষ আজ মানুষে নেই বিশ্বাস।

প্রেম যেন আজ প্রতিহিংসার আবরণ
মিঠে কথায় করে যায় নীরব দহন।

লাল পদ্ম আজ হয়েছে বিলীন
বেদনার সমুদ্রে ভাসে নীলে মলিন।

অবহেলায় মাথা ঠুকে মিথ্যে ছলনায়
বুঝিনি আজো ভাষা তোমার প্রতারনায়।

আসলে কাউকে তুমি বাসনি ভালো
যখন যেখানে খুশি প্রদীপ জ্বালো।

প্রেমের লাল পদ্ম নেই বুকেতে
নীল পদ্মের বিষে নীল মনেতে।
…………………………………………..

ফলাফল

কার্তিকের সোনারোদে হেসেছিল চারপাশ
বাতাসে দোল খাচ্ছিল সবুজ বনালি
অল্প বয়সি কিশোরী ডাগর আঁখি মেলে
ছুটে চলে শিগ্ধতার পেয়ে আশ্বাস।

স্বপ্ন দুচোখে সোনালি ভবিষ্যৎ
অবুঝ হৃদয়ে ভালো মন্দ
হিসেব করার পায়নি অবসর
অজান্তে হয়ে যায় ভুল হঠাৎ।

মিঠে বুলি আর মধুর তানে
তাল লয় যায় হারিয়ে গানে
সুরে ছলনায় আসে অসুর
তার ছিঁড়ে যায় মরণ বানে।

কোন ফুলে ভরে না মন
দেবতা তার নাখোশ রয়
তিক্ততায় বিষে জীবন পাতা
অশালীন অকথ্য ভাষা কয়।

কিশোরী বাসেনি ভালো নিজেকে
দিয়েছে উজার করে তার প্রিয়কে
পায়নি মন পায়নি ছায়া সারাজীবন
তবুও ভালোবাসে তার প্রিয়তম কে।

না পারে সইতে না পারে কইতে
বৃথা যায় জীবনের ইতিহাস
নিজেকে পুরিয়ে ক্ষয়ে যায়
লিখে যায় ছেঁড়া ডাইরিতে।
…………………………………………..

সমাধান

পেঁয়াজ খাওয়া ছাড়বোনা
সহজে হার মানবো না
টবে পেঁয়াজ করবো চাষ
পেঁয়াজ খাবো বারোমাস।

বারান্দা কিংবা ছাদের উপর
খাও পেঁয়াজ সুখে তারপর
চারপাশে বাড়ির ধারে
লাগাও পেঁয়াজ সারে সারে।

অল্প জায়গা লাগে চাষে
টবে পেঁয়াজ মুচকি হাসে
একদিকে খেয়ে যাও
আবার পেঁয়াজ লাগিয়ে যাও।

ছাড়বো কেন পেঁয়াজ খাওয়া
নিজের তরী নিজেই বাওয়া
পরের কাছে করব না আশা
পেঁয়াজ পেঁয়াজ ভালোবাসা।
…………………………………………..

ভালো থেকো

ভালো থেকো আপন মনে
প্রিয় সব বন্ধুর সনে
হাসি খুশি কাটুক জীবন
নাইবা হলাম তোমার আপন।

অনুভবে খুঁজে কি হবে
অবহেলা কেন দিয়েছ তবে
মিছে মায়া ছলনার খেলা
একদিন সব ভাঙ্গবে মেলা।

ভালো থেকো তারই সনে
যে জন তোমার মনে
শুভ কামনা তার তরে
সুখে থেকো জীবন ভরে।

ভালো থেকো সেই তুমি
চিনেছিলাম যাকে আমি
হয়তো সব গেলো বিফলে
অবহেলায় তাকে পেয়ে হারালে।

ভালো থেকো নিজের মতো
পিছু ফিরে ডাকবো নাকো
নইতো আমি পুতুল খেলার
ভেঙ্গেছ বিশ্বাস ছলনায় তার।

ভালো থেকো অনেক বেশি
সেটাই হবে আমার খুশি
হয়তো একদিন ভাঙবে ভুল
পাবেনা খুঁজে অবহেলার ফুল।
…………………………………………..

আবির্ভাব

ঠিক মনে নেই
তবে যবে থেকে চিনি তোমায়
তখন থেকেই উড়িয়েছি দোপাট্টা
অনুরাগ আর অনুকম্পার নিষ্পেষিত আলিঙ্গনে
দলিত করে যেতে কচি মনটা।

অন্ধ দেখেছো? দেখেছো কি তার
সম্বল সাদা ছড়ি?
তেমনি ভালোবেসেছি তোমায়,
ভালোবেসেছি সুর,ভালোবেসেছি লয়
আত্মিক আত্নার শুদ্ধতা দেখেই
রেখেছি অন্তরাত্মার মণিকোঠায়।

কিন্তু তারপর?
তোমার উপহারের নিবিষ্টতায়
আজও রক্তের নহর ছুটে চলে,
বুঝিনি প্রতারণার নীলাভ গতি
বুঝিনি অক্টোপাসের চরিত্রহীন কদম।

ভালোবাসনি আমায়,ভালোবাসনি কখনো কাওকে
প্রতারিত মন সেতো ভালোবাসার
অগ্নিগর্ভা গ্যাসীয় প্রজনন
জানেনা সে জানেনা কোন জ্যামিতিক নিয়মে
সম্পর্কের মূল্য নির্ধারণ।

দারিদ্রের কষাঘাত আর অমানবিক নির্যাতনে
বোবা কান্নায় কেটে যেতো জীবন
ছিল হাহাকারি হৃদয়
মেনে নিয়েছিলাম স্বেচ্ছা কারাবরণ
নিজেকে অবমুক্তি দিয়েছিলাম
জাগতিক রূপ, রস, গন্ধ থেকে।

নিজের অধিকারে বারবার খণ্ডিত হতে দেখেছি
দেখেছি এক অসহায় নারী
দেখেছি ধ্বংসের আস্তাকুড়
দেখেছি সম্মানের আত্মাহুতি,
তবুও প্রতিবাদ করিনি,আবিষ্ট হইনি
শক্ত কোন বট বৃক্ষের তলে।

শেষ রক্ষাও হলো না,চরন সর্বনাশার দাবনলে
প্রজ্জ্বলিত হলো সব অহঙ্কার
স্বপ্নের বাহারি মঞ্জিল বিলুপ্ত হলো
বিলুপ্ত হলো আশা নিরাশায়
বেঁচে থাকার একটু ভালোবাসা।

ঠিক তখনি,
ঠিক তখনি বুঝতে পেরেছি
অন্য এক আমিতে আজকের এই আমি
অত্যাচার, অবিচার,অপমান আর শত অপবাদে
লাঞ্ছিত হলো একটি পৃথিবী
আবির্ভাব হয় কিছু না বলা ভাষা
আসে শক্তির চির দুদর্মনীয় শব্দের হুঙ্কার
লিখে যায়-শুধুই তার না বলা ভাষার ইতিহাস।

আপন জনের অবহেলায়
পাশে এসে দাঁড়ায় হাজারো জন
শুরু হয় সাধিকার নতুন জীবন,
যেখানে কোন চাওয়া পাওয়ার দ্বন্ধ নেই
নেই বিলাসিতা, নেই কোন আলো আঁধারির খেলা
উৎসর্গ করে নিজেকে
মানবতার সলিল সমাধিতে
আবির্ভাব হয় শুদ্ধ, পবিত্র এক নারীর
যা শুধুই স্রোতধারার মতই প্রবাহমান
এই আমি, আজকের এই আমি।
…………………………………………..

সবই মৃত্যুর তরে

জন্ম সেতো মরিবার তরে
দিনে দিনে গুনে দিন
একদিন সবে যাবে চলে
কাল নয় পরশু দিন।

মৃত্যুর জন্য তৈরি থেকো
আসবে সে যখন তখন
চারটি সওয়াল করবে তোমায়
জবাব কি দেবে তখন।

ঈমান খাঁটি করো তোমার
ভালো কাজ আর ইবাদতে
নিজেকে প্রস্তুত করো সদা
বাঁচতে কবর আজাব হতে।

সব কিছুই মৃত্যুর তরে
জন্ম যদি কিছুই নয়
দুনিয়ার লোভ লালসায়
অশান্তি সারা জগৎময়।

নাই ভরসা ক্ষণিকের
বড়াই কেন চিরদিনের
বিফল হবে টাকা কড়ি
ক্ষমতা আর দাম্ভিকের।

মৃত্যু কে করো মহিমাময়
সদা সজাগ ঈমানে
আল্লাহ আছেন ক্বলবে তোমার
রাখ তারে ধ্যানে।