ট্রেন ছুটে যায়

ট্রেন ছুটে যায়
ময়মনসিং
ট্রেনে বজে
মোবাইল রিং।
ট্রেনটা শোনায়
কু ঝিক ঝিক
মোবাইল বাজে
সঠিক ঠিক।
ট্রেনের থাকে
কত্তো জন
চিন্তায় থাকে
আপন জন।
ট্রেন ছুটে যায়
রাত্রিদিন
ট্রেন থাকেনা
যাত্রীহীন।
……………………………………………

ভাগের ছড়া

ডাল খেয়েছি
গাল খেয়েছি
তাতে কোন রাগ নেই,

দাদা খেলো
মাছের মুড়ো
আমার তাতে ভাগ নেই।

দিদি খেলো
হলুদ রাঙা
মস্ত বড় আম,

আমার ভাগের
আমটি খাবো
করবো কী সংগ্রাম?
……………………………………………

মাটির ঘর

কাঁচাঘর কাঁচা নেই
নেই ছাওয়া ছনে চাল
প্রাসাদে প্রাসাদে
গড়া, ইটের দেওয়াল।
সাদা টিন, রাঙা টিন
আলো টিন ঘরেতে
বাঁশ নেই লৌহ পাত
পরতে পরতে।
এভাবে গড়ে ওঠে
দিনদিন ছোট্টনীড়
পাবে নাতো একখানা
ঘর কোথাও মাটির।
……………………………………………

নবান্ন ভালো লাগে

ধানের ক্ষেতে সোনা রঙে
শিশির যখন ঝরে
ডাক দিয়ে যায় নবান্নটা
এসে আমার ঘরে।
গাঁধা ফুলের বাগান জুড়ে
ব্যাস্ত চাষি কাজে
মাথার উপর অতিথ পাখী
উড়ে মাঝেমাঝে।
রোদের হাসি মিাষ্ট হেসে
প্রাণে লাগায় ছোঁয়া
বিকেল থেকে ভোরে ভোরে
শিশিরে হয় ধোঁয়া।
এসে গেলেই নবান্নটা
পিঠা-পুলির মেলা
ঠিক তখনই নাড়বে করা
আমার ছেলেবেলা।
বাঘের মাসি
হালুম হুলুম বনে থাকে
আর সে থাকে মনে
বন থেকে যেই মনে আসে
ডরাই জনে জনে।
সারা ঘরে বাঘের মাসি
ম্যাউম্যাউ ডাকে
ভয়ে ভয়ে নেটিং ইন্দুর
গর্তে লুকে থাকে।
বাঘের মাসি যে পেয়েছে
দূর্গামায়ের চিঠি
ইন্দুর নিয়ে গনেশ দাদা
থাকবে পিঠেপিঠি।
……………………………………………

এক গুচ্ছ ছড়া

(এক)
চালের সাথে পাথর দিয়ে
লক্ষ টাকা দান করে
ক্যমরা পেলে আবার তারা
সমাজ সেবার গান করে।

(দুই)
রডের বদল বাঁশ দিয়ে
লক্ষ টাকা লাভ করে
ধসে মানুষ মরলে কি আর
কাউকে বুঝি মাফ করে?

(তিন)
কত্তো রকম অপার ডুপার
লেখা থাকে রড় করে
শত্য প্রষজ্য যায় না দেখা
লেখা থাকে জড় করে।

(চার)
হাজার রকম ভেলকী বাজী
চলছে চোখের সামনে
একটা কথা বলছে সবাই
ভালো কাজে নাম নেই।
……………………………………………

লেখার ছড়া

অল্প একটু চেষ্টা করে
কেউ কবিতা লেখতে পারে
আমার জানা নেই।
তবে কেউ পড়ে পড়ে
ছড়া কবিতা গল্প ঘরে
লেথতে মানা নেই।
তবে কিনা কলা্কৌশল
জানা থাকা ওটাই আসল
লেথা হবে ফাইন।
গল্প ছড়া কবিতাতে
লেখা শুরুর প্রথম প্রাতে
আছে কিছু আইন।
……………………………………………

শ্রবণ ছড়া

আজকে আমি মুগ্দ আছি
শ্রাবণ পূনির্মায়
লাগছে মনে আকাশ টাকে
নিকেল করা থালায়।
উদার আকাশ খুব আলোময়
রাত্রি অপরুপ
শ্রবণমেঘে চাঁদের হাসি
মিষ্টি লাগে খুব।
……………………………………………

পূজোর ছড়া

আসছে এবার
পূজোর দিন
বাজছে মনে
খুশির বীন।
করবো মজা
সারাদিন
বলবো মাকে
সাড়া দিন।
দিও না মা
রোগ বালাই
অসুর গুলো
যাক পালাই।
……………………………………………

ছড়া

একটা ছড়া স্বভাবের
একটা ছড়া অভাবের
কোন ছড়াটা নেবে কারা
জানিনা কে কিভাবে।
পড়লে বিপদ বাঘেমোষে
জল খাই নাকি একঘাটে
তেমনি আমি লিখতে ছড়া
মন ডুবালাম সব পাঠে।
পাঠে আমার মন থাকে না
মন ছুটে যাই মাঠে
মাঠ থেকে মন যাই যে ছুটে
ছড়ার হাটে হাটে।
……………………………………………

মামারবাড়ি

দুর্গা কথন নৌকায় আসে
কখন আসে দোলায়
মামারবাড়ি আমি না হয়
যাব এবার ঘোড়ায়।
আমি এখন মামারবাড়ি
আর যাব না হেঁটে
বুদ্বি এবার পেলাম থুঁজে
পাজির পাতা গেঁটে।
বারেবারে দুর্গা মায়ের
বাহন থাকে ভিন্ন
রাখবো না ঠিক আমার বেলায়
তেমন কোন ছিন্ন।
আবার গেলে মামারবাড়ি
থাকবে বাহন পাখি
দেখেবে সবাই অবাক চোখে
পাখির দু’টি আঁখি।
……………………………………………

চাঁটগা আমার

বনবনাণী নদী সাগর
পাথির কুজন ভরা
রুপের রাণী চাঁটগা শহর
সুথের বন্সুন্ধরা।
তেমনি আবার আলোকিত
হাজার গুনি জনে।
রুপে গুনে ঠাঁই নিযেছে
সবার মনে মনে।
শিল্পে যেমন সাহিত্যে ও তেমন
কালের সাক্ষী প্রচুর
তেমনি আমার চাঁটগা শহর
খুব মায়াবী মধুর।
আমার শহর চাঁটগা শহর
বাংলাদেশের প্রাণ যে্
এ শহরে বসত করে
বাড়ছে আমার মান যে।
……………………………………………

খোকার পড়া

খোকন যখন পড়তে বসে
বই খাতা পেন্সিলে
ভাবনা গুলো পাকনা মেলে
উড়তে থাকা গাঙ্গচিলে।

বইয়ের পড়া পড়তে থাকে
ভাবতে থাকে কী সব
ঝিলের ধারে ঘুড়ি উড়া
মনে করে শৈশব।

মস্ত আকাশ যায় না ছোঁয়া
ভাবতে থাকে খোকা
দূরে দূরে আকাশ নীচে
বানায় কেন বোকা?

দেথি নাই তারে
কন্ঠ তার চেনা চেনা
মুথ, পড়ে না মনে
নামটা তার ভুলে গেছি
ভাবি, ক্ষনে ক্ষনে।
দেথেছি অনেক আগে
কানে লেগেছে সুর
আজো কান পেতে শুনি
তার কন্ঠ সু-মধুর।
কন্ঠ শুনে তারে আজো
রেথেছি স্নরণে
জানিনা দেথতে কেমন
রুপের আবরনে।