কবি ও কলম

বাস্তবলক্ষ্য আমার গদ্য-কবিতা-
সূচনার সংগ্রামী শপথ,
মানুষে মানুষে আপন ভাবাতে
আমার গদ্য-কবিতার আদালত।
সমকালীন লক্ষ্য সূচনা প্রসূন;
হতেপারে বিদ্রোহী কবিতা
মাতৃত্ব-দেশপ্রেম কালের খেয়ার মতো –
যেমন রক্তসবিতা।
সেও লেখনীতে কবিতার শব্দাংশে
বিদ্রোহী কলম দৈনিক;
অশোভন করিতে ধ্বংসের স্তব
সেও হতেপারে কবিতার সম্ভারে
আমি কবি কলম সৈনিক ।।
……………………………………………

অভিসপ্ত জীবন

কার্পন্য ভ্রান্তিনাশ দেখলে শুধু হাসে –
ভাবুক তবে অমানুষেরা
তাতে কী যায় আসে?
বাঁকাপথ; যদি চলতে চায় চলুক –
বুঝিতে সময় ভাবতে তোমায়
অমানুষেরা কি বলার বলুক।
……………………………………………

গুণকীর্তন

প্রকৃতির ভিতরে আজো-
কৃতিত্বে ডাক দেয় বাংলায়,
বিজয়-স্বাধীনতা চিরন্তরে –
ভাবাতে থাকে মুক্তির চেতনায়।
আজো কৃতিত্বের গুণকীর্তন –
ভুলেনি বাঙালি তোমাদের অবদান
নক্ষত্রের প্রদীপ্ত সলিতা যেন তা
দিয়েছ তাঁর প্রমাণ।
দেশপ্রেম তোমার ঘনিষ্ঠতায় –
দ্যাখ মাতৃত্বের বাংলাভাষায়
প্রকৃতির বিশুদ্ধ বায়ুতায়
অক্ষয় তোমাদের পরিচয়।।
……………………………………………

নতুন দিনের আশায়

প্রতিদিন সাতসকালে ভোরে কিরণ হাসুক
নববর্ষের আগমনে শান্তি বিলিয়ে আসুক।
উৎসবের দিনগুলি তাই নতুনভাবে সাজুক
মন্দিরে ও-ই উলুধ্বনি মঙ্গলঘন্টা বাজুক।
বিগত দিনে গ্লানিবোধ সবার থেকে মুছুক
নতুন সালে শুভক্ষণে নতুনভাবে আসুক।
নিত্যদিনের স্বাধীনতা পাখিরা আজ উড়ুক
আমাদের এই মাতৃভূমি স্বাধীনতায় অাসুক।
নিপীড়ন-জীর্ণ গুলো ধুলোয় যেয়ে মিশুক
নববর্ষে নতুনভাবে শান্তি-সুখ আসুক।
……………………………………………

তোমার অভিশাপে তুমি স্থির

ভালোবাসা অংকুরগুলো এতক্ষণে
সাজিয়েগুছিয়ে যত্নে রেখেছি সুখ
তোমার হৃদয় মধ্যে এতটুকু ঠাঁই দিও
যতটুকু পারো ঠিক ততটুক…!
হৃদয় পরিসরে জন্ম দিতে চায় তোমাতে
নন্দিত এতটুক পরিচয়
স্পর্শে থাকুক পবিত্র বন্ধনে
তাকিয়েই দেখুক সমস্ত প্রকৃতি ধরা’য়।
তোমার হৃদয় মধ্যে এতটুকু ঠাঁই দিও
যেখানে অনাবিল অমৃতা সুখ
কিঞ্চিৎ সত্যি ঠিক এতটুক ।
……………………………………………

সূর্যটা এলায়িত লজ্জিত শেষ বিকেল

অমানুষেরা মুখোশের আড়ালে নিজেকে
লুকিয়ে লুকিয়ে থাকে
রক্ত পিসে খায় অমানুষিক ডালকুত্তা গুলো
অভিযোগ ধিক্কার মুখোশটাকে ।
কর্কশ উর্দুভাষা না-পাওয়ার সত্যি প্রার্থনা –
বন্দিদশা হতে ফাঁসি
বুকের ভিতর ক্ষ্যাপনো যন্ত্রণায় ছটফট
কুতসিত লােভিত্ব বিকৃত হাসি
এখনো অচেনা ডোরাকাটার চিহ্ন গুলো
দেশ ও সমাজের ছিকেল
সেখানে সূর্যোউদয় হলেও এখনো কিন্তু
সূর্যটা এলায়িত লজ্জিত শেষ বিকেল।
……………………………………………

পেতে চাই তোমায়

বিগতদিনের অজীর্ণ গুলো এখনো যায়নি
আসেনি আমার নতুনের আবির্ভাব,
সমস্ত শরীর দুঃখ-কষ্ট, যন্ত্রণায় কাতর
এখনো ডুকরে ওঠে কষ্টেই কাটে সারারাত ।
কেন? কোন অভিশাপের অভিযোগ…
হয়তো ছিলো, হতেপারে –
এখনও আমার ত্রুটিগুলোর আর্তচিৎকার
চিন্তা, শোক বিচলিত অভিশাপ অন্ধকারে।
অভিশাপের অভিযোগ…
আমার শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলো
রোগাক্রান্ত হতে মুক্তি চায়,
মুক্তি দাও – পিষে থাকা জীবাণু ধুলোয় মিশে যাক
আসুক যৌবনে মিশুক সুখশান্তি আর্বিভাব
নৈব সম্ভবনা পেতে চাই এগুলো।