শিক্ষা

শিক্ষা নিয়ে জীবন গড়ো
শিক্ষা নিয়ে চলো,
শিক্ষা নিয়ে ভূবন কুলে
সত্য কথা বল।
শিক্ষা নিতে মনের মাঝে
সদা প্রস্তুত থাকবে,
শিক্ষা হলো আলোর তরী
শিক্ষা হৃদে রাখবে।
শিক্ষার আলোয় তোমার জীবন
আলোকিত করে,
শিক্ষা গ্রহন সবার আগে
অন্য কিছু পরে।
শিক্ষা হলো মন বাগিচার

ফুটা রঙিন ফুল,
শিক্ষা জাতির এগিয়ে চলার
সব কিছুর মূল।
নিজের জীবন ফুলের মতো
ফুটাতে যদি চাও,
শিক্ষার আলোয় জীবন গড়ো
শিক্ষা নিতে যাও।
শিক্ষা হলো জীবনের
এগিয়ে চলার সুপথ,
শিক্ষার আলোয় গড়বো জীবন
হয় যেন শপথ।
…………………………………………..

মুজিব

আকাশে যদি মেঘ ডাকে
তবে বৃষ্টি ঝরবে,
উপযুক্ত কাজ করলে
স্মৃতি জলে ভাসবে।
করবে তুমি দেশের কাজ
ফুটাবে মুখে হাসি,
চিৎকার করে বলবে আমি
দেশকে ভালোবাসি
যারা ভুগে অনাহারে
দেবে মুখে অন্ন,
স্বার্থ ছেড়ে কর্মী তুমি
সর্ব জনের জন্য।
যিনি করে গিয়েছেন
ঐ সব শ্রেষ্ট কাজ,
স্মৃতি পাতায় তাদের নাম
উল্টাও যত ভাজ।
তেমনি একজন বঙ্গবন্ধু
মহান নেতা মুজিব,
সকল স্মৃতির মূলে রবেন
যতোদিন গাছপালা সজীব।
…………………………………………..

বৃক্ষরাজ

বৃক্ষরাজে দুলছি আমি
স্বর্গ সুভা পাই,
বৃক্ষরাজে দুলছি আমি
শান্তি সীমা নাই।

বৃক্ষরাজে দুলছি আমি
কল্পনাতে ওই,
বৃক্ষরাজে দুলছি আমি
ফুটছে মুখে খই।

বৃক্ষরাজে দুলছি আমি
এদিক সেদিক দুল,
বৃক্ষরাজে দুলার পরে
কল্পে তুলি ফুল।

বৃক্ষরাজে দুলছি আমি
বৃক্ষরাজ যে বাহন,
আসল জারুল গাছের শাখা
দুপুর বেলা আহন।

শিশু মনে কিশোর আমি
দুলে বৃক্ষরাজ,
কিশোর হৃদয় কল্পনাতে
ফিরলো নতুন সাজ।
…………………………………………..

মোদের বাড়ি

স্বপ্নপুরে মোদের বাড়ি
স্বপ্ন সুখে ভাসি,
স্বপ্নপুরে সাজানো খুব
স্বপ্ন রাশি রাশি।

স্বপ্নপুরের স্বপ্ন থেকে
খোঁজি চলার পুজি,
স্বপ্নপুরের স্বপন খোকা
খুব-বেশি খায় সুজি।

স্বপ্নপুরের স্বপ্ন নিয়ে
বাঁধি আমি আশা,
স্বপ্ন নিয়েই করি খেলা
স্বপ্ন আমার নেশা।

স্বপ্নপুরের বৃক্ষ মেলা
ডাকে কোকিল পাখি,
স্বপ্নপুরের স্বপ্ন খেলায়
জোরায় আমার আখি।

স্বপ্নপুরের স্বপ্ন নিয়ে
ভ্রমণকারী করি দুর,
জিঞ্জাসিলে বাড়ি কোথায়
বলি স্বপ্নপুর।
…………………………………………..

বর্ষার উল্লাস

আষাঢ় মাসের এক সকালে
আকাশ ছেয়ে মেঘে,
হঠাৎ করেই পরলো ঝরে
“স্বা-স্বা”খুবই রাগে।

ঝুম ঝুমা ঝুম বৃষ্টি ঝরে
পরছে অবিরত,
ছোট ছোট খাল আর ডোবা
জলে পূর্ণ যতো।

শিশুর সারি নামছে দেখো
বৃষ্টি ভিজবে ওরা,
ছুটাছুটি করছে খেলছে সবে
করছে ছুটে তারা।

মনটাকে না বন্দী রাখতে
পারলে ও শেষে,
কিশোর আমি শিশুর মনে
উল্লাসে ভেসে।
…………………………………………..

রাঙা

মিষ্টি মুখের হাসি রাঙা,
ফুলে ফুলে বাগান রাঙা,
নীলে নীলে আকাশ রাঙা,
আধার রাতে চাদঁ রাঙা,
তুলিতে আকাঁ ছবি রাঙা,
ছন্দ গুনে পদ্য রাঙা,
ঊষার কালে সূর্য রাঙা,
জেগে দেখা সপ্ন রাঙা,
কোকিল কন্ঠে বসন্ত রাঙা,
আলোয় আলোয় আধার রাঙা,
সত্য গড়া আদর্শ রাঙা,
শিক্ষায় পূর্ণ জীবন রাঙানো।
…………………………………………..

রঙিন বসন্ত

মিষ্টি রোদ্রে নদীর তীরে
ধামকা বাতাস ভাসে,
ঐ গাছেতে ফুল কুড়িরা
মিষ্টি হাসি হাসে।
নদীর তীরে গাছের মেলা
নানান রঙের ফুল,
গন্ধে ফুলের রঙে ফুলের
রঙিন নদীর কুল।
কোকিল কন্ঠ আসছে ভেসে
রঙিন হয়ে মন,
গাছের পাতা ঝরে পরে
নতুন পাতার ক্ষণ।
পাখির গানে ফুল সুঘ্রাণে
ঐ ঝতুটা দিগন্ত,
রঙিন ঝতু রঙিন হাওয়া
সর্ব রঙিন বসন্ত।

…………………………………………..

জন্ম আমার

ধন্য হলাম জন্ম আমার
বাংলাদেশের বুকে,
সহজ সরল মানুষ যেথায়
ন্যায়ের ছবি আকেঁ।
নদীর দেশে জন্ম আমার
দর্শনার্থী বেসে।
সুখের ছায়া বিলায় সেথায়
দেশ মাতারই কেশে।
চির
সবুজের দেশে জন্ম আমার
ভোরে পাখির গান,
বসন্তেরী ধামকা বাতাস
দুলায় মনো প্রান।
ফুলের দেশে জন্ম আমার
রঙ বেরঙের ফুল,
সত্য ফুলের সুভাষ দেখায়
দেখায় সত্য কুল।
হৃদয় হাসে সেই দেশেতে
জন্মেছি যে দেশে,
স্বর্গ সুভা আমার দেশে
শিশিরভেজা ঘাসে।
…………………………………………..

আমার দেশ

যে দেশেতে সকালে পাখি গায়
সেটা আমার দেশ
যে দেশেতে সবাই শান্তিতে ছায়
সেটা আমার দেশ
যে দেশেতে কোকিলের কন্ঠ মিষ্টি
সেটা আমার দেশ
যে দেশ প্রকৃতির অপরুপ সৃষ্টি
সেটা আমার দেশ
যে দেশেতে অবিরত মাঠ
সেটা আমার দেশ
যেথায় ফলে ধান,গম,পাট
সেটা আমার দেশ
যে দেশেতে অবিরাম নীল আকাশ
সেটা আমার দেশ
যে দেশেতে সুখের ধামকা বাতাস
সেটা আমার দেশ
যে দেশ প্রকৃতির রানী
সেটা আমার দেশ
কবিতায় পড়িলাম যার বানী
সেই মনোরম বাংলাদেশ।
…………………………………………..

করোনার কথা

ভয় করি তাদের খুব
পরিচ্ছন্ন যিনি,
কাছে যাবার আগে

চুপি চুপি শুনি।

ভয় আছে জীবনের
সকল কিছুর মতো,
পরিচ্ছন্ন
তোমার কাছে গিয়ে
মরতে চাইবো নাতো।

তোমাকে যে খুব বেশি
ভয় করি আমি,
হাত ধুও বারে বারে
ও-গো জন তুমি।

ছুটতাম আমি ঝাঁপিয়ে
তোমার উপরে,
স্থান
শরীরে না পেলে ও
পেলে কাপড়ে।

জামা – জুতো সবই
পরিচ্ছন্ন আছে,
কি করে যে যাই বলো
আমি তোমার কাছে।

সবাই
নিয়ম মেনে বুক ফুলিয়ে
করেন সময় পার,
করোনা বলে
জীবাণুমুক্ত থাকলে সদা
মেনেই নেবো হার।