বৃন্তে মৌমাছি ফড়িঙের ডানা

দূর নক্ষত্রজ্বলা রাতের সাথে নিভূ নিভূ বিষণ্ণ পলাকতা চাঁদ অধরা সময় তুমি ও আসন্ন উৎসব হে’কে যায় এক নিঃশব্দের পানকৌড়ি শব্দের ঢেউ তোলা গগন বিদারী চিৎকারে সংকোচ ভেঙে এগিয়ে আছে চলমান জীবন রেখা।

তারপর বহুদূরে জলের রেখার কাছে ঢেউ ভেঙে পড়ে অচেনা সমুদ্রের ঘোর কাল কালো জলে খেলা করে প্রতিচ্ছবি অচেনা বন্দরে নাবিক নোঙর করে জীবনের সাম্পান …

কেঁপে ওঠে আকাশ ভেঙে যায় নিরবতা ঘাস ফড়িঙের ডানা ঝাপটানোর শব্দে
পৃথিবী বিষণ্ণ হয়ে মুখ ভার করে থাকে ঘোর সন্ধায়
ফুলের স্তনে মুখ রাখে মৌমাছি ভোর রাতে
মধু নিয়ে ফিরে ফিরে আসে আপন নিরালায়।
…………………………………………..

আমি আর তুমি

কবুতর ভালবাসা
নাকের তিল, চোখের তীর;
বন্যতা,ভালবাসার জংগল
অথবা সাগর পাড়েও থাকতে পারতাম:
বাগেরহাট,অথবা কলাপাড়া
যেখানে সাগরের বসবাস।

ভুল তীর ভোলা বা পটুয়াখালি
ওখানে অন্তর নেই
শুদ্ধ ভালবাসার,স্বার্থপরতা
সুখ স্বপ্ন কুরে কুরে খায়
বিশুদ্ধ ভালবাসা।

অমরাবতীর তীরে ভোর রাতে
এসো সখি স্নান কর-
হীমশীতল জলে
পান কর বিদগ্ধ ভালবাসা।

যা শপিং মলে বিক্রি হয়না
কোন মুদ্রায়।
…………………………………………..

নয়া জমিন

ছোয়া নয় এক অশ্লীলায়নের সংস্পর্শে এসে
যেন বিলীন হয়ে গিয়েছিলাম তুমি আর আমি
পুড়ে যাচ্ছিলাম হৃদয় ও কামনার উত্তাপে।

উত্তাল ঢেউয়ে কাঁপছিল শহর
কাঁপছিলে তুমি, আমি,বন্দর।

কাঁপছিল পঞ্চান্নহাজার পাঁচশো
আটানব্বই বর্গকিলোমিটার।

বেয়ে যাচ্ছিল সর্পিল শরীর বেয়ে

এক নতুন ঝর্নাধারা
জন্ম নিচ্ছিল এক
নতুন ভূখণ্ড।
…………………………………………..

ভালবাসা অন্ধ

তোমার স্পর্শে বুঝতাম
ভালবাস।

এখন তোমার তপ্ত নিশ্বাস
বলে দেয় আর ভালবাসনা।

জমে আছে শুধু ঘৃনা আর অবিশ্বাস
এ আমার বিশ্বাস।
…………………………………………..

ছবিতা

তিল তিল
তিলোত্তমা
তো মা র
মন বলে
কিছু
নেই তুমি এক মেঘের
চাদরে ঢেকে থাকা কাল
মেঘ রাশি সুযোগ সন্ধানী
কালবৈশাখী হতে পার
মনের গোপন
অর্গল খুলে
রজনী যদিও
শেষ ঠিক তখনই
চলে যেতে চাও চলে
যাও সব ফেলে
সোজা পথ দিয়ে
বেয়ে চলে যাও
…………………………………………..

অতলে অবগাহনে

শুয়ে আছি চকমকি
পাথরে কাঁচ কাটে যা
হিরার খনি ছিল
পায়ের তলে
বেয়ে বেয়ে পড়ে সব
শেষ কালে।

বুঝতে পারিনি
আগে প্রানের অতলে।
…………………………………………..

ভালবাস ঘিরে রাখ দিয়ে বেড়া

ভালবাস কুকুর হরিণ
ভালবাস ভেড়া
গরু যেন গাছ খায়না দিয়ে রাখ বেড়া

ভালবাস কচ্ছপ আর ভালবাস ফড়িং
হৃদয় জ্বলে ভালবাসা
দুনিয়ার সব ভেরা।

ভালবাস সত্য কে আর ভালবাস ন্যাড়া
ভালবাস চারিদিকে যত আছে বেড়া।

ভালবাস সরিসৃপ আর ভালবাস কাক
টিনের চালে তাকিয়ে আমিতে অবাক।
…………………………………………..

রোজকার জলযোগ

অতিরিক্ত মদ খেয়ে
নিষিদ্ধ পল্লী থেকে
বের হয়ে, গতিশ্লথ
নর্দমায় বমি করে
নিশিকান্ত কামার।

ক্লাব থেকে বেরিয়ে
ড্রাইভারকে বলে
নীলকণ্ঠ একটু
ড্রেন দেখে সাইড কর
বমি করব,আজ পেগ
চড়ে গেছে।

শুনশান রাতে
ভেসে আসে বমি করার
ওয়াক ওয়াক শব্দ।
…………………………………………..

সারেগামাপা

এখন অন্য নং এ
মিস কল দিয়ে কথা বলছ
আমি কখনও ফোন ব্যাক
করিনি — এটা অভিযোগ দিলে
মাঝে মধ্যে মেলে।

কাজ কর্ম চুলোয় তুলে
সারাদিন ফোনে বকর বকর করলেই
ভাল প্রেমিক হওয়া যায় জানতাম না।

তুমিই শেখালে
মাত্র ক- দিনের মধ্যেই
জায়গা পাল্টালে।

আমিও ঝাড়া হাত পা
সারেগামা- পা।
…………………………………………..

ভালোবাসাবাসি

আসো আজ ভালবাসাবাসি করি
যদি থাকে যৌনতা তাও মন্দ নয়

সখি তুমিও বহুমুত্রে আক্রান্ত আমারও
ব্লাডে সুগার বেশি
ব্লাডে এ্যলকোহলের অবগাহন।