বাংলা সাহিত্যে বঙ্কিম, মধুসূদন ও রবীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য। আধুনিক ধারার প্রবর্তনে এ ত্রয়ীর অবদান চির স্মরণীয়। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকে রবীন্দ্রবলয় ভাঙ্গার প্রচেষ্ঠায় পঞ্চপা-বের সফলতা পাঠকই ভাল বলতে পারবে। তবে এ সময়ে কাজী নজরুল ইসলামের আগমন সাহিত্য প্রেমিদের নতুন স্বাদ মিটিয়েছে একথা দ্বিধাহীনভাবে বলা চলে। বিশেষ করে “প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর সমাজ ও সময়ের অবক্ষয়িত মূল্যবোধ, নৈরাশ্য, একাকিত্ব, যন্ত্রণা, অস্তিত্বহীনতা এবং সম্ভাবনাহীন সম্মুখযাত্রার ইঙ্গিতের মধ্যেই The Waste Land-এর বিশেষত্ব। অগ্নি-বীণা-য় [কাজী] নজরুল ইসলাম যে কাব্যোপকরণ ও জীবনোপলদ্ধির দ্বার উন্মোচন করেন, রবীন্দ্রপ্রভাবিত বাংলা কবিতার ধারায় তা কেবল নতুনত্বই সম্পাদন করলো না, পরবর্তী সম্ভাবনার পথকেও করলো দ্বিধামুক্ত। রবীন্দ্রপ্রতিভার সার্বভৌম প্রভাববলয় থেকে মুক্তির প্রেরণা তিরিশের কবিরা নজরুল ইসলামের সমগ্রতাষ্পর্শী বিদ্রোহ থেকেই অর্জন করেছিলেন” (রফিকুল্লাহ খান : বাংলাদেশের কবিতা: সমবায়ী স্বতন্ত্রস্বর)। নজরুলই প্রথম “দেখিয়ে দিলেন যে রবীন্দ্রনাথের পথ ছাড়াও অন্য পথ বাংলা কবিতায় সম্ভব।” (বুদ্ধদেব বসু : রবীন্দ্রনাথ ও উত্তরসাধক) আর এই বিদ্রোহের সাথে যুক্ত হয়েছিল সমসাময়িক কালের বিচিত্র জাতিক-আর্ন্তজাতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং সে-সবের অন্তর্ময় প্রতিক্রিয়া।
এরপর বাংলা সাহিত্যে স্বমহিমায় আলোক রশ্মি ছড়ান জীবনানন্দ দাশ, জসীম উদ্দীন, র্ফরুখ আহমদ, আবুল হোসেন, আল মাহমুদ, শামসুর রাহমান প্রমুখ কবিগণ। তাঁদেরই ধারাবাহিকতায় আশির দশক ও নব্বইয়ের দশকে বাংলা সাহিত্যে উত্তরাধিকারের ধারা প্রবাহমান ছিল। সে প্রবাহমান ধারাকে একবিংশ শতাব্দীর শূন্য দশকের তরুন সাহিত্যিকেরা আরো এগিয়ে নিয়ে যান। তবে তাঁদের সাহিত্য কর্মের বৈচিত্র্যতা আসে সমাজবাস্তবতার কারণে, বিশেষ করে বিশ্বায়ন, মুক্ত বাজার অর্থনীতি, তথ্য প্রযুক্তির সহজলব্যতা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী মনোভাব, আরব বিশে^ প্রবল ঝড়ে ক্ষমতার পরিবর্তন ও মানবিক বিপর্যয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থার অকল্পনীয় নব্য ধানবীয় আচরণ এবং নারী-শিশু-বৃদ্ধ-অসহায়ের প্রতি মানুষের উদাসীনতা তরুন কবি ও সাহিত্যিকদের অন্তর কাঁপিয়ে তুলে। এরই প্রতিধ্বনি পাওয়া যায় তরুন কবি ফজলুল হক তুহিনের কাব্য রচনায়।
শূন্যতাবোধ, নিঃসঙ্গতা, অবক্ষয়চেতনা এবং অস্তিত্বের বিচিত্রমাত্রিক টানাপোড়ন সত্ত্বেও কবিরা বাঙালির জীবনানুভবের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক রূপান্তর সাধনে সমর্থ হয়েছিলেন। অভিজ্ঞতা ও অনুশীলন কবি তুহিনকে করে তুলেছে ঋদ্ধ। শিল্পবোধ ও জীবন বৈচিত্র্যতার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি কাব্যের নিজস্ব আঙ্গিক ও মানচিত্র অঙ্কন করেন। তবে লক্ষণীয় তিনি সমকালীন প্রেক্ষাপট অঙ্কন করতে গিয়ে নৈরাশ্যেবাদীদের ধ্যান ধারনাকে ত্যাগ করেছেন, বরং প্রচন্ড আশাবাদী একজন নির্মাতা হিসেবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
তাঁর “সুন্দরের সপ্তপদী” কাব্যগ্রন্থে ধারাবাহিক বর্ণনার শুরুতেই তিনি নিজেকে সুন্দরের পুজারি হিসাবে জাহির করে বলেন, ‘সৃজনের স্রোত আমার রক্তে বয়ে যায় বলে আমি সুন্দর বুঝি/ পৃথিবীর পথ মানুষের মন ভরে গেছে শত অসুন্দরের ঘ্রাণে’। এখানে তিনি সমকালীন প্রেক্ষাপট তুলে ধরার পাশাপাশি স্রোতাকে সঠিক পথের আহবান করে বলেন, ‘সুন্দরহীন হৃদয়ে ফুটুক তবে সুন্দর তারা’। একই কাব্য গ্রন্থের দ্বিতীয় কতিয়ায় বক্তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন আমরা দেখতে পেয়েছি। বক্তা শুরুতেই বলেন, ‘তুমি সুন্দর আলো তাই আমি আলোময় প্রাণের পিয়াসী’। এরপর বক্তা আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে শ্রোতাকে আহবান করেন আলোহীন হৃদয়ে ভালবাসা যেমন জাগবে না তেমনি ‘সময়ের পাঁকে কায়াহীন মন করো সুন্দর আলোরও বাঁশি’।
কবি তুহিনের মানচিত্রে সৃষ্টি ও স্রষ্টার সৌন্দর্য্যরে কীর্তন বারবার ওঠে এসেছে। অন্য একটি কবিতায় সম্পর্কের সুসময়কে ‘বসন্ত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এরপরই বক্তাবে বলতে শুনি যে বিচিত্র রূপ-সুন্দর চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে নিশ্চয় সে রূপের কারিগর অনন্য ও অসাধারণ। এ রূপে তথা স্রষ্টার ডাকে তিনি আত্মনিবেদন করে অনন্ত জীবনে প্রবেশ করতে চান। উল্লেখিত কাব্য গন্থের অন্যসব কবিতায় বক্তাকে বার বার সুন্দদের খুঁজে এবং সে সুন্দরে নিজেকে সমর্পণ করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন।
সমকালীন বাস্তবতা নিয়ে চিত্র অংকন করতে হলে ঐতিহ্যের ধারক-বাহক হওয়া আবশ্যক। শিকড়হীন সমাজ ক্ষয়িষ্ণু ও নৈতিক মূল্যবোধহীন এক নৈরাজ্যকর পরিবেশকে আমাদের সামনে নিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। ‘অভিজ্ঞতাই ঐতিহ্য – ঐতিহ্যই অভিজ্ঞতা’। তাই বলে সে ঐতিহ্য ভিনদেশীয় হলে চলবেনা। যেমনি আবুল ফজলের ভাষায়, ‘আজ আমাদের অনেকের মানস-চেতনার খোরাক হয়েছে অধীত ঐতিহ্য- সে আরব ইরানের হোক কিংবা ইউরোপ-আমেরিকা কি সোভিয়েত রাশিয়ারই হোক। অধীত ঐতিহ্য থেকে প্রয়োজনবোধে আমরা স্রফে কাঠামোটাই নিতে পারি। কিন্তু সে কাঠামোয় প্রাণ সঞ্চার করতে হবে অভিজ্ঞতালব্দ ঐতিহ্যের ওপর রচনাকে দাঁড় করিয়ে।’
এই অভিজ্ঞতার ঐতিহ্যের এক সুন্দর স্রষ্টা হচ্ছেন ফজলুল হক তুহিন। তাঁর “তোমাকে বাজাতে চাই’ কবিতায় বক্তাকে বলতে শুনি, ıতোমার ভেতর পাই আমি এখনো শুনতে কালের ঝংকার।/ ইট পাথরের ভিত, প্রশস্ত গৃহের সজ্জা আজো মেখে আছো/ তুমি। পোড়া মাটির বাসনে তুমি বেড়ে দাও ভাপ ওঠা ভাত/ আমার ক্ষুধায়।..’ এখানে এ পথচলা জীবননান্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কবিতার প্রতিধ্বনি বলেই মনে হয়। ‘বনলতা সেন’-এর বক্তা বলেন ‘হাজার বছর ধ’রে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,/ সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে/ অনেক ঘুরিছি আমি;’।
অভিজ্ঞতার ঐতিহ্যের প্রতি কবির তীব্র আকাক্সক্ষা আরো তীব্রতর হয়েছে তাঁর ‘ভেতর কপাট খুলে অন্তহীন সড়কে আঁকিয়ে দেবো আমি/ আজ বিশ্বসের মাইলস্টোন-হাজার নদীর বাঁক, তীর ছুঁয়ে/ ছুঁয়ে নোঙর ফেলব পিতৃপুরুষের আশ্রয়ে-পদ্মার কূলে।’ কবি যে নিজ ঐতিহ্যের পথ ধরেই আগামীর মানচিত্র এঁকেছেন তা ‘পূর্ণিমায় অমানিশা’ কবিতায়ও ওঠে এসছে। নিজের দেশের বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘ভাগ্যের মৃত্তিকায়/ তুমি হয়েছো আমার আনন্দিত অবগাহনের করতোয়া।/ . . . । নীলিমা, তোমাকে ছোঁয়া/ ছিলো সাফল্যের শেষ মাইলস্টোন। আজ আমি সেই সীমানায়।’ তবে এ ইতিহাস-ঐতিহ্য খুঁজতে গিয়ে স্বদেশীয় কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডে হতাশ হলে তাঁকে বলতে শুনি ‘পৃথিবী জেনেছে, আরো জানুক জোছনাময় আমাদের দরবার/ জানি না আমিই শুধু হৃদয়ে এ কোন নিঃসঙ্গ গভীর অন্ধকার!’
কবি ফজলুল হক তুহিন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বকে দেখার চেষ্টা করার পরও মাঝে মাঝে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগেছেন এবং সে দ্বিধাদ্বন্দ্ব হতাশ চিত্তে তার কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে। একজন প্রকৃত মানুষ কখনো নিজের সমকালকে এড়িয়ে যেতে পারে না। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পঁজিবাদের অন্তহীন শোষণ ও নব্য উপনিবেশবাদের আক্রমণে মানুষ যখন নিজ নীতি-নৈতিকতাকে বিসর্জন দিয়ে পশুতুল্য হয়ে ওঠেছেন তখন এমন প্রতিক্রিয়া না দেখানোটাই অস্বাভাবিক বলে মনে হয়। এ হতাশা ও সংকোচ তিনি প্রকাশ করেন ‘বুঝ না কি প্রয়োজন’ কবিতায়। তিনি পৃথিবীর নির্মমতা দেখে বলেন, ; ভেবে পাইনে কী দরকার আর তার এভাবে বাঁচার।/ প্রাণের জোনাকী অন্ধকার দেহে মিটমিট জ¦লছেই/ জীবন্ত মানুষ বলা যায়? যায় না, হয়তো যায়।/ কিন্তু তাকে কী করে প্রমান করা যায় পৃথিবীর মানবিক জীব?/ স্মৃতির প্রবাহ তার পদ্মা নদী/ খা খা। ধু ধু-শুধু শূন্যতার চেউ।’
এরপর তিনি আরো তীব্রভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এ জড় সভ্যতার বিরুদ্ধে। যেখানে তিনি বলেন, ‘বুঝি না কেউ কী তার ওপর নি’ছে জীবনের প্রতিশোধ/ শিশুর মতন বিছানায় ফেলে রেখে জে¦লে দি’ছে দাউদাউ কোন ক্ষোভ?/ আর ট্রমাগত হ’ছে সে বিপন্ন বিভ্রান্ত এবং অপবিত্র?’ পৃথিবীর সর্বনাশা খেলা কবিকে উদভ্রান্ত করেছে বহুবার। ফলে “সর্বনাশ সিরিজ”-এ তিনি সে সর্বনাশার কথাকে তুলে ধরেছেন কখনো ‘গভীর সর্বনাশ’ বলে আবার কখনো বা ‘প্রবল সর্বনাশ’ বলে।
আর এ সর্বনাশের জন্য তিনি কুচক্রীদের একতরফাভাবে দায়ী না করে নিজেদের ভুল ও অসচেতনতাকেও দায়ী করে বলেন ‘কী করে হঠাৎ যেন এসে পড়ে সর্বনাশ/ আমি হতে থাকি সে’ছায় শিকার!’ কিন্তু ভুল যারই হোক ক্ষতি যে আমার বা আমাদের তাও তাঁর কবিতায় এসেছে। কবি তুহিন যতই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ুক ঠিক সময়মত ফিরে এসেছেন। কখনো কখনো বিদ্রোহের সুর তাঁর কবিতায় খুঁজে পাওয়া যায়। উল্লেখ তাঁর “ধ্বংস হয়ে যাচ্ছি” কবিতায় বক্তাকে বলতে শুনি ‘ভেতরে এক রক্তক্ষরণ- যেন নীল প্র¯্রবন! সারাটা রাত/ সারাটা দিন টের তো আমি পাচ্ছি।/ কেন তবু নিরন্তর এক পশুর সাথে যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি?/ যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি?’
শুরুতে উল্লেখ করেছি কবি সমকালীন প্রেক্ষাপটে মানুষের চরিত্রকে চিত্রিত করে ন্যায়-অন্যায়ের পার্থকে তুলে ধরে সমাজ সংস্কারকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। কেননা কবি বা সাহিত্যিকদের সমাজের সৃজনশীলতায় যেমন ভুমিকা রাখা আবশ্যক তেমনি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা সব অন্যয়ের প্রতিবাদ করা বা তা জনমানসে তুলে ধরার দায়ও রয়েছে। তেমনি এক দায়বদ্ধতা থেকে তাঁকে বরতে দেখি ‘শত্রু বুঝেও ধ্বংস বুঝেও কেউ কখনো আমার মতো শত্রুকে কী/ নিজের মধ্যে দেয় বসতি গড়তে? দেয় নিরবে পশ্রয়?/ চোখের মধ্যে মাথার মধ্যে রোমকূপে আর মনের মধ্যে/ পশুর বিপুল প্ররোচনা-ইতিহাসের প্রবাহমান নিশ্চিন্ন সেই ঠিকানা/ এক্কেবারে যাই ভুলে যাই, যাই ভুলে যাই প্রশান্তিময় আশ্রয়!’
কবি ফজলুল হক তুহিনের কাব্য ভাষা ও বিষয়বস্তুর ধরন ও প্রকৃতির আলোচনার ইতি টানবো আবুল ফজলের সে বিখ্যাত মর্মবানী দিয়ে যেখানে তিনি একজন লেখকের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, ‘আজ আমাদের সাহিত্যে অনেকখানি অস্বীকৃত- একদল প্রাচীন চিন্তার জাবর কেটেই আত্মতৃপ্ত, অন্যদল পরিবেশ আর জীবন বিচ্ছিন্ন এক রকম পল্লবগ্রাহিতাতেই খুঁজছে নিজেদের আত্মপ্রকাশের পথ। বলাবাহুল্য এর কোনটাই সাহিত্যে সার্থকতার পথ নয়। এ দুইই জীবনবিমুখিতা শুধু নয় বাস্তববিমুখিতাও। ফলে সাহিত্য-শিল্পের যে আসল ভূমিকা-ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে সমন্বয় সাধন, তা আমাদের মনের দিগন্ত থেকে আজ অনেকখানি অপসৃত। আঙ্গিকে চমৎকারিত্ব আর ভঙ্গি যতখানি আমাদের সাধনা আর চর্চার বিষয় সে অনুপাতে নবতর কোন চিন্তার স্ফুলিঙ্গ খোজাঁয় ও সন্ধানে আমরা অনেক বেশি উদাসীন।’ কিন্তু কবি তুহিনের কবিতায় এ উদাসীনতার ভ্রম মুক্ত বরং প্রাচীন ঐতিহ্য ও সমাকালীন প্রেক্ষাপট বা পরিবর্তনের সমন্বয় দেখা যায়।

তথ্যসূত্র:
আবুল ফজল, সমাজ, সাহিত্য, রাষ্ট্র, গতিধারা, ঢাকা, ২০০৫
বিমলকৃষ্ণ সরকার, কবিতার কথা, নবযুগ প্রকাশনী, ঢাকা, ২০০৪
অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়, আধুনিক সাহিত্যজিজ্ঞাসা, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা, ১৯৬০
অধ্যাপক ড. হাসান জামান, সমাজ, সংস্কৃতি, সাহিত্য, জ্ঞান বিতরনী, ঢাকা, ২০১২
সৈয়দ আলী আহসান, আধুনিক বাংলা কবিতা, গতিধারা, ঢাকা, ২০০২
ফজলুল হক তুহিন, ফেরা না ফেরা, মসলিন প্রকাশ, ঢাকা, ২০০৩
—, সুন্দরের সপ্তপদী, পরিলেখ, রাজশাহী, ঢাকা, ২০১৬
রফিকুল্লাহ খান, বাংলাদেশের কবিতা: সমবায়ী স্বতন্ত্রস্বর, একুশে পাবরিকেশন্স রিমিটেড, ঢাকা, ২০০২