পিতা হারিয়ে

পিতা হারিয়ে
হারিয়েছি সামাজিক কূল,
পিতা হারিয়ে
সব কিছু মনে হচ্ছে ভুল।

পিতা হারিয়ে
জীবন হয়েছে তিক্ত,
ঘর-বাড়ি থেকেও
মনে হয় রিক্ত।

পিতা হারিয়ে
হয়েছি অসহায়
পাড়া-প্রতিবেশী সবাই আমার কষ্ট দেখে
আনন্দ পায়।

পিতা হারিয়ে
পাচ্ছি না সুখ,
শত সুখ থেকেও মনে হয়
আমার সুখের হয়েছে অসুখ…
……………………………………………

রুখে দাঁড়াও

ভয় করে অন্যায়ের কাছে
করবে না কখনো মাথানতো,
রুখে দাঁড়াও
বাঁধা আসুক যত্ত ।

ভয় করে
বিড়ালের মতো করবে ক’দিন পৃথিবীতে বাস,
সিংহের মতো সাহসী হয়ে
অন্যায় কে করো নাশ।

ভয় করে অন্যায় কে
কত দিবে আশ্রয়,
সাহসী হয়ে উঠো
জীবন যায় যাক অন্যায় কে করো ক্ষয়।
……………………………………………

হস্তমৈথুন করে

হস্তমৈথুন করে
কত নিবো আর মেকি সুখ,
প্রিয়া তুমি কবে আসবে
ঘুচবে মোর দুঃখ।

হস্তমৈথুন করে
কোটি সন্তানের নিচ্ছি কেড়ে আয়ু,
তোমার উদরে বড় হতে পারলে
ফিরতো তাদের জীবনের বায়ু।

হস্তমৈথুন করে
করতেছি তাদের খুন,
যৌবনের তাড়নায় তারা যে মম
চিত্ত করে নিত্য আগুন।
……………………………………………

বঙ্গমাতা

হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান
ধর্মের বিভেদ ভুলে,
বঙ্গ মাতার
অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ো তুলে।

বঙ্গ মাতার আদেশে
দেশের করে উন্নতি,
তবেই বঙ্গমাতা ফিরে পাবে
হারানো তার রূপ জ্যোতি।

ধর্মের বিভেদ সৃষ্টি করে করো না
দেশের ক্ষতি,
হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান
সবাই বঙ্গমাতার চোখে হীরামতি।
……………………………………………

আমি ছাইপাঁশ

আমি ছাইপাঁশ
আমাকে পাবার করো না আশ,
আমার জীবনে এসে পাবে না সুখ
পাবে শুধু হতাশ।

আমি ছাইপাঁশ
আমাকে নিয়ে দেখ না মেকি স্বপন,
আমাকে পাবার আশে
নিজের মনে করো না ভালবাসার বীজ বপন।

আমি ছাইপাঁশ
আমার জন্য
করো না
নিজের জীবন নাশ।

আমার জীবনে কিছু নেই
আছে যে শুধু হতাশ
আমি ছাইপাঁশ আমি ছাইপাঁশ
আমায় ছেড়ে দূরে চলে যাও
অন্য কারো মনে করো বাস
আমি ছাইপাঁশ আমি ছাইপাঁশ
আমি ছাইপাঁশ…
……………………………………………

বড় আপুর সঙ্গে প্রেম

বড় আপুর সঙ্গে
প্রেম করলে পাবে অনেক মজা,
বড় আপু
সহজেই ভালবাসা দিবে
হবে প্রেমের ওঝা।

বড় আপুর সঙ্গে
প্রেম করলে পাবে অনেক শাসন,
আদর করে বুকে টেনে নিবে
মনে দিবে ভালবাসার আসন।

বড় আপুর সঙ্গে প্রেম করলে
পাবে অনেক আনন্দ,
কথায় কথায় মিষ্টি চুম্বনে
করবে তোমার সঙ্গে অনেক দ্বন্দ।
……………………………………………

মাগী মাগী নয় স্বর্গীয় দূত

মাগী মাগী নয় স্বর্গীয় দূত
মাগী আছে বলে সমাজে ইভটিজং হয় না
সমাজের দূর হয় যৌন ভূত…
……………………………………………

চুমুতে চুমুতে

চুমুতে চুমুতে তোমার
বক্ষের দুধেল পাহাড় করব ক্ষয়,
চুমুতে চুমুতে
হবে তুমি চুম্বকময়।

চুমুতে চুমুতে
তোমার ভালবাসা হবে সুস্থ
যৌবন তাপে হবে
নাকো আর অসুস্থ।
……………………………………………

অচল প্রেমের পদ্য

মনের শত আকিঞ্চন ছিল সব লোপ পেয়েছে
আমার আক্কেল সেলামির দরুণ!
এ্যাত্তাটাই অসহায় পড়েছি মানসিক ভাবে যা অর্বচনীয়
প্রতিরাত্রে মনের অর্গল খুলে নীল পরী মন গৃহে প্রবেশ করে।

আবার প্রত্যুষে পলায়ন করে আপন নীড়ে ফিরে যায়
হয়তো সে পরীর রাজ্য থেকে আসে!
প্রতি রাত্রিতে আঙ্গিনায় পদব্রজ করে
বাতায়ন খুলে তার বদনখানি দেখতে পাই।

রুপের ঝংকারে চারপাশ ঝলসে ওঠে/ উঠে
হেলাল তার ক্লহারময় শ্রী দেখে চুপসে যায়
তারকারাজি মিটমিট করে
নীলিমার বুকে মৃদঙ্গ বাজায়?

মাঝে মাঝে মনে হয় অশরীরী আবার মাঝে মাঝে মনে হয়
জীবন্ত কোন তিলোত্তমা অঙ্গনা,
ঘুমের ঘরে তার সাঙ্গ পাই স্পর্শ করি
চক্ষু উন্মীলন করলে বনিতাকে হারিয়ে ফেলি
পর্যঙ্কে খুজেই পাই না।

এটি যেন প্রতি রাত্রির গল্প কথা
প্রতি রাত্রি এমন করে কাটাই অশরীরী নিত্য আমায় দহন করে
মনের শত আকিঞ্চন গ্রাস করে,
শতবার বললাম হে অশরীরী কেন আস্
আর কেনই বা চলে যাও।

আমার কাছে থেকে যেতে তো পার!
অশরীরী কোন জবাব দেয় না শুধু খিল খিল হাসে?
……………………………………………

মেঘের পালক

হে তিলোত্তমা হে বিদূষী বনিতা
তুমি কি চড়বে
মেঘের পালকে
তোমায় নিয়ে যাব দূলোকে।

মেঘের পালকে চড়ে
দেখাবো তোমায় মেঘপুরী,
মেঘ- নীলিমা কেমনে প্রেম নিয়ে খেল
লুকোচুরি।

হে তিলোত্তমা, হে বিদূষী বনিতা
তুমি কি দেখবে
নীলিমার বুকে মেঘ কেমনে ভেসে রয়,
তুমি কি দেখবে নীলিমা- মেঘ
কেমনে করে প্রেম বিনিময়।

তুমি কি দেখবে
নীলিমা- মেঘের অভিমান,
কখনো তপ্ত সবিতা দন্ডমুন্ডের মতো
তাদের ভালবাসায় দেয় শান।

হে তিলোত্তমা হে বিদূষী বনিতা
হাত বাড়িয়ে দিয়েছি জলদি এসো
করো না আর ছল
তোমার জন্য মেঘ পালক শশকের মতো হয়েছে চঞ্চল
……………………………………………

পরী

কে তুমি, কি তোমার পরিচয়, কোন গগনে থাক
কোথা থেকে আবির্ভাব হলে হে পরী?
স্বর্গে থেকে বুঝি,
কে পাঠালো তোমায় এ ভূলোকে
প্রেম দেবতা মদন না স্বয়ং বিধাতা?
এই যে পরী শুনছো আনমনা হয়ে থেক না
পদ্মালোচন আঁখি থেকে অশ্রু ফেল না?

কেশ গুলো ছড়িয়ে রেখেছো কিসে
মাজা ছড়িয়ে পড়েছে যে,
কেশ যে মৃত্তিকা ছুঁই – ছুঁই
মৃত্তিকা যে পাগল হয়ে যাচ্ছে তোমার কেশের সুবাসে
এদিকে এসো হে পরী!

তোমার কেশ গুলো কে বিনুনি করে দেই বেণীগাঁথনে
গোলাপে রাঙিয়ে দেই
আহ্! কি হলো পরী নিশ্চুপ কিসে!
বিধুমুখী গালে জলের ছাঁপ ফেল না?

আসতে এসো, পুষ্প কোমল চরণ দুটো কে
রক্তে রঞ্জিত করো না, দেখছ না কাঁটা দিয়ে আচ্ছাদিত মৃত্তিকা
তোমার কেশ ছুইতে দাও নি তাই এই বিদ্রোহ?

হে পরী শুনছো! হেস্ না পরী তোমার দন্তের চিকনাইয়ে সবিতা ঝলসে যাবে,
পাগল ভাবছো আমায়, ও তোমার তো ঐশ্বরিক শক্তি আছে
কি বলছো পরী এ্যাত্ত সুরে কথা বলছো কিসে
সকল মানুষের মনুষ্যত্ব লোপ পাবে পাগল হবে তোমার জন্য?

হে পরী নৃত্য করছো কিসে, পাগলী হয়েছো
ভূলোক কম্পিত হচ্ছে দেখছো না!
ঘুঙুরের ধ্বনিতে চারপাশের বিঙ্গের দল কেমন কিচির- মিচির করছে
সবাই কে কি পাগল করবে হে পরী?

কিসের জন্য আসলে এ ভূলোকে তোমার স্বর্গে তো সব আছে
হিরণ- মানিক্য, মণি- মুক্তা সব! তবে কিসে আসলে এ ভূলোকে তোমার প্রেমপতির জন্য!
পরী কিছু বলবে, নাকি পেয়েছো তোমার প্রেমপতি?