সিংহমামা

সিংহমামা, সিংহমামা
যাচ্ছো কোথায় একা একা?
এতো রাগ কেনো তোমার?
মাংস পেলেই কর সাবাড়,
তুমি নাকি বনের রাজা?
দেখলে মোদের দাও যে থাবা।
…………………………………………..

বাঁচবে পরিবেশ

বড় বড় বাড়ি
বড় বড় গাড়ি,
শহরটা ভীষণ ভারী।

নেই গাছপালা
রোদ্দুরে জ্বালা,
বাড়ছে কলকারখানার পাল্লা।

একটি গাছ, একটি প্রাণ
এসো মোরা করি পণ।
বাঁচবে আমার দেশ,
বাঁচবে পরিবেশ।
…………………………………………..

বাংলা আমার ভালোবাসা

সুজলা -সুফলা, শস্য-শ্যামলা, বাংলা আমার দেশ।
বাংলা আমার মাতৃভাষা, বাংলা আমার ভালোবাসা।
ষড়ঋতুর অপরুপ ছায়ায় ঘেরা আমার এই দেশ,
ঋতু বৈচিত্র্য নিয়ে আছি বেশ।

হৃদয় জুড়ে রুপসী বাংলার ছবি,
সেটাই দেখে কবিতা আর গান লিখি।

বাংলার বুক জুড়ে আছে স্নেহ-মায়া-মমতা,
তাইতো বাংলার উঠোনে আমার অসীম ক্ষমতা।

বাংলার ঐতিহ্য লালন, হাসানের গান,
দেশ তোমায় ভালোবাসি উজাড় করে প্রাণ।
…………………………………………..

বিজয় দিবস

৭১’এ এই দেশটাতে
পাক হায়েনা দেয় যে হানা।
দেশকে মুক্ত করতে গিয়ে,
ঝাঁপিয়ে পড়লো বাঙালিরা।

৭১’এর এই দিনেতে
হয় সীমাহীন যুদ্ধ,
যার কাহিনী শুনলে মোদের
শ্বাস হয়ে যায় রুদ্ধ।

পাক হায়েনার কালো হাতে
মরলো মানুষ দিনে রাতে,
দেশের জন্য জীবন দিয়ে
শহীদ হলো তারা তাতে।

নয় মাস যুদ্ধ করে
সব হায়েনা হলো শেষ,
সৃষ্টি হলো নতুন দেশ
লাল সবুজের বাংলাদেশ।
…………………………………………..

পথের শিশু

পাই না খেতে দুমুঠো ভাত
পাই না ভালো কাপড়,
এ দ্বার ও দ্বার ঘুরতে ঘুরতে
পাই না মায়ের আদর।

বেলা শেষে সন্ধ্যা নামে
ক্লান্ত দেহ চায় না টলতে,
ঢুলুঢুলু চোখ নিয়ে
গা এলিয়ে থাকে।

খাওয়া দাওয়ার গন্ধ আসে
কে দিবে খাবার?
আমি যে পথের শিশু
সমাজ দেয় ধিক্কার।

কেউ বুঝে না কষ্ট মোদের,
দাঁড়ায় না কেউ পাশে।
সবাই করে অবহেলা,
কেউ বা আবার হাসে।
…………………………………………..

ইদ

ইদ মানে আনন্দ,
ইদ মানে শান্তি।
ইদ এসে দূর করে,
সিয়ামের ক্লান্তি।

ইদের দিন ধনীর দুলাল,
নতুন জামায় হাসে।
ছেঁড়া পোশাক গা জড়িয়ে,
মা কে ভালোবাসে।

দালান ঘরে ফিরনি পায়েস,
কত রকম ঘ্রাণ।
জীর্ণ ঘরে আমরা থাকি,
ক্ষুধায় কাতর প্রাণ।

হাসির জোয়ার ধনীর ঘরে,
গরীব কাঁদে হৃদ।
এমব বিভেদ থাকলে ভাই,
হয় না সত্যি ইদ।

করোনার ভয়ংকর থাবায়,
ভিন্ন হলো ইদ।
ধনী-গরিব সবাই সমান,
এই সহিষ্ণু জাগায়।