গ্রীষ্মের ফল

আম পাকে জাম পাকে
পাকে মিঠা তরমুজ,
পেঁপে পাকে কলা পাকে
দেখি যেন রোজ রোজ।

বেল পাকে লিচু পাকে
পাকে বাঙ্গি জামরুল,
পাকে কাঁঠাল পাকে খেজুর
খায় গাছে বুলবুল।

রসে ভরা টলমলে
গ্রীষ্মের ফল,
মা বলে দাঁড়া রে
যেন জিভে আসে জল।
……………………………………………

শিয়ালের বিয়ে

রৌদ্র বৃষ্টির লুকোচুরি
খেঁকশিয়ালের বিয়ে,
বর এসেছে ঘোড়ায় চড়ে
টোপর মাথায় দিয়ে।

হলদে পাখি হলুদ মাখায়
বর কনের গায়,
ময়না টিয়া শালিক পাখি
বিয়ের গান গায়।

কদম ফুলের বাহারি সাজে
কনের বাড়ির কক্ষ,
বাঘ সিংহ হাতি ভালুক সহ
কত্ত এলো বরের পক্ষ।

খেঁকশিয়ালের বিয়ে হলো
বাজলো গুডুম গুডুম বাদ্য,
চেটেপুটে খেলো সবাই
বিয়ে বাড়ির খাদ্য।
……………………………………………

সোনার বাংলাদেশ

আঁকা-বাঁকা নদীর চিত্তে
সবুজ-শ্যামল দেশ,
মাছে-ভাতে বাঙালির
কাটে দিন বেশ।

মাঠে-ঘাটে সোনার ফসল
মুখ তুলিয়ে হাসে,
বন-বাদাড়ে পাখপাখালি
নীল আকাশে ভাসে।

ফুলে ফুলে প্রজাপতি
পাখ ছড়িয়ে থাকে,
দূর আকাশে রঙধনুটা
রঙের ছবি আঁকে।

সমুদ্র কূলে কী অপরূপ
যেন জুড়ায় দেহপ্রান,
বাউলেরা নেচে নেচে
গায় দেশের গান।

কোথায়ও নেইকো এমন মধুর
সোনার বাংলাদেশ,
লাল সবুজের নিশান উড়ে
দেখতে লাগে বেশ।
……………………………………………

ঘুমের পরী

ঘুমের পরী ঘুমের পরী
এসো খোকার বাড়ি,
খোকন সোনা ঘুম আসেনা
তোমার সাথে আড়ি।

দুষ্টু খোকা ঘুম আসেনা
ধরছি তোর পা,
ঘুমের পরী একটু এসে
ঘুমটা দিয়ে যা।

ঘুরতে যাবে ঘুমের দেশে
খোকা তোমার গাঁও,
এবার এসে খোকার চোখে
ঘুমটা দিয়ে যাও।
……………………………………………

দানবরূপী করোনা

দানব তুমি আর কতকাল
থাকবে জগৎ জুড়ে,
মানুষ খেতে পাচ্ছো মজা
আচ্ছো ঘুরে ঘুরে।

দয়া নেই মায়া নেই
নেইকো সত্তাযুক্ত মাথা,
মানুষ তুমি খাচ্ছো গিলে
যাচ্ছো যথা তথা।

বিশ্বসংসার নিঃস্ব করে
নিচ্ছো কেড়ে শত প্রাণ,
তোমার থেকে রেহাই পেতে
খুঁজছি আমরা পরিত্রাণ।
……………………………………………

খুকুমণি

খুকুমণি আর কেঁদো না
মেলাই নিয়ে যাব,
হরেক রকম খোলনা সব
তোমায় কিনে দিব।

বউ পুতুল হাতি ঘোড়া
আরো কত্ত কি,
বানোর নাচ পুতুল খেলা
বলো দেখবে নাকি।

কিনে দিব আলতা ফিতা
কালকে মেলাই যাব,
মন্ডা মিঠাই দুজন মিলে
কিনে কিনে খাব।