চাষাই সমাজের মেরুদণ্ড

কতো আছে সমাজ ঘটক
সঠিক সময়ে নড়ে না টনক।
নই তারা কেহ অন্ধের নড়ি
লুটেপুটে ভরে নেয় ভূরি।

দাবী তাহার নিজে কৃতবিদ্য
খাঁই বলে হোক সে প্রসিদ্ধ।
আপন স্বার্থ খোঁজে যে জন
হতে পারেনা সে গোষ্ঠী প্রধান।

আক্ষেপ করে নীচু শ্রেণির কৃষক
শকুনের তাবা দেয় কয়েক দংশক।
মোদের চাষাই সমাজের মেরুদণ্ড
সমাজ ঘটক করে বর্জন কর্মকাণ্ড।

হীন চোখে দেখি তারে আমি ক্ষুদ্র কবি
কলমের দিয়ে ফুটিয়ে তুলি কৃষকের ছবি।
চাষাই মোদের দশ ও দেশের রত্ন
সকলের আহার যোগান দেয় করে যত্ন।
……………………………………………

মজলুমের আহ্বান

আয়রে নওজোয়ান মাজলুমের আহ্বান।
কান্ডারী পাড়ে ভিড়াইয়াছে তড়ী চলরে নওজোয়ান।

মৃত্যু তুর দুয়ারে দুয়ারে সব করে দে সারকার।
বিশ্ব জুড়ে রয়েছে অগণিত মাজলুমান।

তুর বাহুতে নবীন শক্তি,
তুরাই করে দিতে পারিস সবি মুক্তি,
কান্ডারী পাড়ে বিড়াইয়াছে তড়ী চলরে নওজোয়ান।

চলরে তুই কাশ্মীর,চলরে মিয়ানমার,
চলরে তুই বাগদাদ, চলরে ফিলিস্তান,
কান্ডারী পাড়ে ভিড়াইয়াছে তরী, চলরে নওজোয়ান।

অকাতরে ঝরছে আজ মাজলুমের রক্ত,
হয়ে যা তুই তিনশত তেরোর বক্ত,
জিহাদের মনোবল নিয়ে হও’রে আগুয়ান।
কান্ডারী পাড়ে বিড়াইয়াছে তরী চলরে নওজোয়ান।

তারা কেন টোকাই

খুব জানতে ইচ্ছে করে তারা কেন টোকাই?
পরনে নাই বস্ত্র পেটে জুটেনা অন্ন
থাকার জায়গা নাই রাস্তাতে কেন ঘুমাই?

দাও একটু খাবার দাও কিছু বস্ত্র দেয় প্রভুর দোহায়
কতো মানুষ করে কতো কিছু দেখে না কেউ পিরে পিচু
এমন হাজারো শিশু রয়েছে রাজধানী ঢাকায়।

কেন সিনেমার অভিনেতা পাবে সরকারি অর্থ?
সারা জীবন করেছে উপার্জন বেহায়াপনা করে
সুশীল তুমি জবাব দাও জাতি কেন ব্যার্থ?

হাজারো শিশু স্কুলে যায় বই খাতা হাতে
ঠুকাই কেন ঘুরে যাযাবর বেশে ফুটপাতে?
সুশীল চাইলে পারো হাজারো টোকাইয়ের জীবন বদলাতে।

রঙ্গে রসে দেহ নাড়াইয়া গাই যারা গান
দাও টাকা ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দাও তার প্রান
কোটি টাকা থেকে কেন করতে পারো না দশটি টাকা টোকাই কে দান?
……………………………………………

শান্তি তো আর নাই

নাইরে নাইরে শান্তি তো আর নাই
কেয়ামতের আলামত এসেগেছে ভাই

মেয়েগনের চলার কথা মা ফাতেমার মতো
ধরা দমে চলে তারা পরুষগনের মতো
মান সম্মান বিলীন হয়ছে পর্দা তাদের নাই!!

প্যান্ট পড়া টি-শার্ট পড়া তাদের অধিকার
বোরকা পড়তে বলছে তাদের এ কথাটি কার?
রঙ্গে রসে দিন কাটাইয়া প্রভু ভুইলা যায়!!

আছে কুরআন আছে নামাজ রোজা আল্লাহর দান
পর্দা করা ইজ্জত ডাকা আল্লাহর বিধান
আযান তারা হলে কেমন ইমোশনাল হয়ে যায়!!

জলসা সিরিয়াল দেখে তারা হায়-হুতাশে মরে
কুরআন তাদের ঘরে রাখা একবার না ধরে
গিলাফেতে মাকড়শা বাসা বেধে যায়!!
……………………………………………

খন্ড কালিন দর্শক

ব্রহ্মাণ্ডের খন্ড কালিন দর্শক আমি
বিধাতার ডাকে সারা দিয়ে ছেড়ে যাবো সবি!!
ভাঙা চালার নিচে শুয়ে আমি
মানুষের মতো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখি!!

হাল্কা বাতাসে নড়ে আমার গৃহের খুঁটি
দেহের ঘরে পুষে রাখা পাখি করে ছুটাছুটি!!
আসবে যবে ঝড় উড়াল দিবে প্রাণ পাখি
শূন্য খাঁচা রবে পড়ে ব্রহ্মাণ্ডের বুকে, মানুষ হওয়ার বাঁকি!!

কী করেছি কী করিব মানুষ হয়েছি কী
মানুষ যদি নাহয় আমি বিফল যে সবি!!
স্বপ্ন আমার হবে কবে পূর্ণ
মানুষ হয়ে বিদায় জানাবো ব্রহ্মাণ্ডকে নয়তো জীবন জীর্ণ!!
……………………………………………

করোনার ধাওয়া

আকাশ ফেটে রোদ উঠেছে
হঠাৎ যেন পূব আকাশে কালো মেঘের সাজ !!

খোদ রে তোরা খোদ কবর খোদ
করোনার ধাওয়ায় আসছে নতুন লাশ !!
মেঘের সাথে পাল্লা দিয়ে
চলছে ডাহুক মোরগ আর হাঁস!!

মোরগ ডাকে কক কক হাঁস ডাকে পেক
বিমান বলে যাবো না আর আমি
করবো এবার ব্যাক !!!
ওরে মানুষ হয়নি তোমার হুঁশ
বিশ্ব যে পরাজিত করোনা যুদ্ধে
দেখ ছেয়ে দেখ !!!

গ্রামের মানুষ খাচ্ছে
মরিচ পেয়াজ ডলা দিয়ে ভাত!!
কী করে বুঝবে তারা পল্লী কবি জসিমউদ্দিনের
অমর কাব্য নকশী কাঁথার মাঠ !!!
……………………………………………

চাষাই সমাজের মেরুদণ্ড

কতো আছে সমাজ ঘটক
সঠিক সময়ে নড়ে না টনক।
নই তারা কেহ অন্ধের নড়ি
লুটেপুটে ভরে নেয় ভূরি।

দাবী তাহার নিজে কৃতবিদ্য
খাঁই বলে হোক সে প্রসিদ্ধ।
আপন স্বার্থ খোঁজে যে জন
হতে পারেনা সে গোষ্ঠী প্রধান।

আক্ষেপ করে নীচু শ্রেণির কৃষক
শকুনের তাবা দেয় কয়েক দংশক।
মোদের চাষাই সমাজের মেরুদণ্ড
সমাজ ঘটক করে বর্জন কর্মকাণ্ড।

হীন চোখে দেখি তারে আমি ক্ষুদ্র কবি
কলমের দিয়ে ফুটিয়ে তুলি কৃষকের ছবি।
চাষাই মোদের দশ ও দেশের রত্ন
সকলের আহার যোগান দেয় করে যত্ন।
……………………………………………

মজলুমের আহ্বান

আয়রে নওজোয়ান মাজলুমের আহ্বান।
কান্ডারী পাড়ে ভিড়াইয়াছে তড়ী চলরে নওজোয়ান।

মৃত্যু তুর দুয়ারে দুয়ারে সব করে দে সারকার।
বিশ্ব জুড়ে রয়েছে অগণিত মাজলুমান।

তুর বাহুতে নবীন শক্তি,
তুরাই করে দিতে পারিস সবি মুক্তি,
কান্ডারী পাড়ে বিড়াইয়াছে তড়ী চলরে নওজোয়ান।

চলরে তুই কাশ্মীর,চলরে মিয়ানমার,
চলরে তুই বাগদাদ, চলরে ফিলিস্তান,
কান্ডারী পাড়ে ভিড়াইয়াছে তরী, চলরে নওজোয়ান।

অকাতরে ঝরছে আজ মাজলুমের রক্ত,
হয়ে যা তুই তিনশত তেরোর বক্ত,
জিহাদের মনোবল নিয়ে হও’রে আগুয়ান।
কান্ডারী পাড়ে বিড়াইয়াছে তরী চলরে নওজোয়ান।
……………………………………………

তারা কেন টোকাই

খুব জানতে ইচ্ছে করে তারা কেন টোকাই?
পরনে নাই বস্ত্র পেটে জুটেনা অন্ন
থাকার জায়গা নাই রাস্তাতে কেন ঘুমাই?

দাও একটু খাবার দাও কিছু বস্ত্র দেয় প্রভুর দোহায়
কতো মানুষ করে কতো কিছু দেখে না কেউ পিরে পিচু
এমন হাজারো শিশু রয়েছে রাজধানী ঢাকায়।

কেন সিনেমার অভিনেতা পাবে সরকারি অর্থ?
সারা জীবন করেছে উপার্জন বেহায়াপনা করে
সুশীল তুমি জবাব দাও জাতি কেন ব্যার্থ?

হাজারো শিশু স্কুলে যায় বই খাতা হাতে
ঠুকাই কেন ঘুরে যাযাবর বেশে ফুটপাতে?
সুশীল চাইলে পারো হাজারো টোকাইয়ের জীবন বদলাতে।

রঙ্গে রসে দেহ নাড়াইয়া গাই যারা গান
দাও টাকা ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দাও তার প্রান
কোটি টাকা থেকে কেন করতে পারো না দশটি টাকা টোকাই কে দান?
……………………………………………

তো আর নাই

নাইরে নাইরে শান্তি তো আর নাই
কেয়ামতের আলামত এসেগেছে ভাই

মেয়েগনের চলার কথা মা ফাতেমার মতো
ধরা দমে চলে তারা পরুষগনের মতো
মান সম্মান বিলীন হয়ছে পর্দা তাদের নাই!!

প্যান্ট পড়া টি-শার্ট পড়া তাদের অধিকার
বোরকা পড়তে বলছে তাদের এ কথাটি কার?
রঙ্গে রসে দিন কাটাইয়া প্রভু ভুইলা যায়!!

আছে কুরআন আছে নামাজ রোজা আল্লাহর দান
পর্দা করা ইজ্জত ডাকা আল্লাহর বিধান
আযান তারা হলে কেমন ইমোশনাল হয়ে যায়!!

জলসা সিরিয়াল দেখে তারা হায়-হুতাশে মরে
কুরআন তাদের ঘরে রাখা একবার না ধরে
গিলাফেতে মাকড়শা বাসা বেধে যায়!!
……………………………………………

খন্ড কালিন দর্শক

ব্রহ্মাণ্ডের খন্ড কালিন দর্শক আমি
বিধাতার ডাকে সারা দিয়ে ছেড়ে যাবো সবি!!
ভাঙা চালার নিচে শুয়ে আমি
মানুষের মতো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখি!!

হাল্কা বাতাসে নড়ে আমার গৃহের খুঁটি
দেহের ঘরে পুষে রাখা পাখি করে ছুটাছুটি!!
আসবে যবে ঝড় উড়াল দিবে প্রাণ পাখি
শূন্য খাঁচা রবে পড়ে ব্রহ্মাণ্ডের বুকে, মানুষ হওয়ার বাঁকি!!

কী করেছি কী করিব মানুষ হয়েছি কী
মানুষ যদি নাহয় আমি বিফল যে সবি!!
স্বপ্ন আমার হবে কবে পূর্ণ
মানুষ হয়ে বিদায় জানাবো ব্রহ্মাণ্ডকে নয়তো জীবন জীর্ণ!!