রমজান মানব জাতির জন্য রহমত সরূপ। বছরে ৩৬৫ দিন শরীরের কার্যক্রম চলতে থাকে। কাজ কর্ম না করলে হাত পা বিশ্রম পায়। ঘুমালে মাথা বিশ্রাম পায়। কিন্তু পেট সে আর বিশ্রাম নেয়ার ফুসরত পায় না। ক্ষুধা লাগলেও খাই না লাগলেও খাই। ক্রমাগত উদর পূর্তি করেই যাই। তাই পেট নামক ইঞ্জিনখানি আর বন্ধ হয় না। রমজানই পেটের এই বিশ্রামের সুযোগ করে দেয়। মহান আল্লাহ তা’লা আমাদের পেট নামক ইঞ্জিনকে সুস্থ্য রাখার জন্য কি চমৎকার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। কারণ যিনি পরিপূর্ণ মানুষ তৈরি করেছেনে তিনিই জানে কিভাবে তার সৃষ্টি সুন্দরভাবে পরিচালিত হবে। আমরা সেই কাজটিই করে যাচ্ছি মহান প্রভুর নির্দেশ অনুয়ায়ী আমাদের সুস্থ্য রাখার জন্য। যারা অবাধ্য তারা একদিন এর খেসারত দেয়। পৃথিবীর উপর আমরা অত্যাচার করতে করতে, প্রভুর নির্দেশন না মানতে মানতে এমন এক পর্যায়ে চলে আসছি যে আজ পৃথিবীকে বাঁচানোর তাগিতে আল্লাহ করোনা নামক এক ক্ষুদ্র প্রাণ দিয়ে পৃথিবী সুস্থ্য রাখার ব্যবস্থা করেছেন। আমরা যদি আমাদের জীবনকে সুন্দরভাবে সৃষ্টিকর্তার নির্দেশিত পন্থায় না চলি তাহলে আমাদের জীবনও একদিন মহা সংকটে পর্য বষিত হবে আর জীবন নামের প্রাণটি সংহার হবে। আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুন যেনো তার নির্দেশিত পরিকল্পনা অনুযায়ি আমরা আমাদের জীবন পরিচালিত করতে পারি।
সৃষ্টিশীলন মানুষ মহান আল্লাহ অন্যতম প্রতিনিধি। আল্লাহর পরিকল্পনাকে মানুষের সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য তাদের সৃজনশীলতাকে মেলে ধরেন। রমজান উপলক্ষে তাই তারা লিখিন আল্লাহর নির্দেশ। কবিতা, ছড়া, গল্প, গান ও প্রবন্ধের মাধ্যমে। আমরা চেষ্টা করেছি সেইসব লেখনিকে এক সাথে করে পাঠকের সামনে উপস্থাপনে। আমাদের প্রতিটি সংখ্যা ২০ জন কবির লিখনি দিয়ে প্রকাশ করছি। আজকে প্রকাশ করছি ‘রমজান সংখ্যা ২০২০ : পর্ব-৪’। আশা করি এই সংখ্যার লেখা আপনাদের হৃদয়কে প্রশান্তি দেবে। আমাদের কার্যক্রমকে মহান আল্লাহ কবুল করুন। আমিন।। – আফসার নিজাম, সম্পাদক

সূ চী
রমজানের শিক্ষা :: ইমরান তুষার
খোশ আমদেদ রমজান :: মোহাম্মদ রুহেল
মাহে রামাযান :: সুমন খান
মাহে রমজান :: সাদিক শামসুল
মাহে রমজান :: এস ডি সুব্রত
পবিত্র মাহে রমজান :: মোঃ মালেকুজ্জামান
আত্মশুদ্ধির মাস :: মোঃ জাকির হোসাইন
রমজানের শিক্ষা :: শহীদ উদ্দিন আহমেদ
মাহে রমজান :: আনোয়ার শাহাদাত
মাহে রমজান :: জিল্লুর রহমান জিল্লু
মাহে রমজান :: এইচ বি রিতা
মাহে রমজান :: শরিফুল ইসলাম

রমজানের শিক্ষা
ইমরান তুষার

রমজান মাস চলছে এখন
শান্তি লাগে মনে,
সবাই দেখি নিয়ম মাফিক
চলছে যে সবখানে।

যথা সময়ে নামাজ আদায়
রোজা রাখেন সবাই,
সুন্নত আর নফল কাজেও
সঠিক থাকেন সদাই।

সুদ-ঘুষ-অপকর্ম
ছড়ায় যে দুর্গন্ধ,
এই মাসেতে খারাপ সবই
কর্ম থাকে বন্ধ।

চলতে হবে সৎভাবে
কর্ম হবে ভাল,
পূন্য তবে মিলবে সদা
দেখবে রঙ্গিন আলো।

এই মাসেতে অর্জিত জ্ঞান
সারা বছর ছড়ায়,
প্রতিটা মাস, প্রতিটা দিন
সঠিক পথে কাটায়।

খোশ আমদেদ রমজান
মোহাম্মদ রুহেল

এলো ধূলির ধরায়
শান্তির ছায়া মাস
অঝোর ধারায় ঝরে
রহমতেরই খাস।
মসজিদে মুসল্লিদের
উপ’চে পড়া ভীড়
প্রকৃত মোমিনেরা
এ মাসে ধীরস্থির।
ভোজনে তৃপ্তি ভরা
সেহরির খাবার
ধনীর ধনে গরিবের
আছে অধিকার।
রমজান উপবাস নয়
সংযম সাধনা
দিবানিশি প্রতিক্ষণে
আল্লাহর আরাধনা।
ভূখা মানুষের মর্ম
বুঝিবার তরে এ মাস
ধনী গরিব সকলেই
এক আল্লাহর দাস।

মাহে রামাযান
সুমন খান

বছর ঘুরে আসল ফিরে পাক মাহে রামাযান,
ফযীলতের মাস পাপ মোচনের মাস মহিমান্বিত রামাযান।
সিয়াম সাধনা মনের আরাধনা যে করবে যত দান,
এক দানের বিনিময়ে সত্তর গুণ ছওয়াব পাপ হতে পরিত্রাণ।
সিয়াম রাখবে কাউকে না ঠকাবে খাবে হালাল খাদ্য,
করবে না পাপ ডাকুক যত বাপ বাজাবে না সখের বাদ্য।
রাগিবে না রাগে শত্রুর বাগে বলিবে ভাই ভাই,
নম্র স্বরে সকলের তরে বলিবে কথা ঝগড়া-ঝাটি নাই।
ইসলাম হল শান্তি, চায় না অশান্তি করে সত্যের গুণগান,
আল্লাহ্ দরবারে চাই ক্ষমা করজোড়ে সুখে ভাসুক প্রাণ।
হে রামাযান মাহে রামাযান তোমাকে হাজার সালাম,
সারা মাস ধরে মনের মত করে পাঠ করি পাক কালাম।
থেকে সিয়াম অনাহারে ভাবি সদা পরপারে হবে কি গো ঠাঁই?
চাই শুধু ক্ষমা পুণ্য করে জমা জান্নাতে যেতে চাই।
পবিত্র মাস সাধনার মাস করিলে অবহেলা
ঠকিবে জীবনে পাবে না মরণে পুণ্যের সূর্য বেলা।
সিয়াম-ছালাত আগে মনে যদি জাগে করিও কাজ পরে,
ইচ্ছাই যথেষ্ট মনের সন্তুষ্ট যেতে আল্লাহর ঘরে।
রামাযান মাসে আরো তবে পাবে শবে ক্বদরের রাত,
চাইবে যত পাইবে তত, উপার্জন করিবে বারাত।
শোন মুমিন ভাই বলে শুধু যাই কর আল্লাহ কাজ,
পাইবে সুফল পুণ্যের ফসল মাথায় উঠিবে তাজ।
হে মহান আল্লাহ নেই মোর পাল্লা, পাপী আমি বড় পাপী,
ক্ষমা করো মোরে নাই কেউ ঘরে শুধু তুমিই অন্তর্যামী।

মাহে রমজান
সাদিক শামসুল

রহমতের বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে
ঐ এলো মাহে রমজান
করব কি এই পবিত্র মাসে
ভাবছি শুধু বসে বসে।
রাখবো রোজা পড়বো কুরআন
হে আমার দয়াময় প্রভু
আমার পাপের করো না হিসাব
সকল রোজা রাখিব আমি
তোমার খুশির তরে
হে দয়াময় দয়াল প্রভু
ক্ষমা করিও আমাদের শুধু।
তারাবির নামায পড়ব আমরা
তোমার করুণা পাবার তরে
রহমত মাগফেরাত করবে দান
ঐ পবিত্র রমজান মাসে।
পাপীকে গুণাগারকে
থাকবে না কোনো ভেদাভেদ
ক্ষমা কর আমাদের শুধু
পবিত্র ঐ রমজান মাসের তরে।

মাহে রমজান
এস ডি সুব্রত

বৈশ্বিক ক্রান্তিকাল বিপর্যস্ত বসুধা
অনাকাঙ্খিত সামাজিক দূরত্ব
বিপন্ন সময়ের সাথে বসবাস
চারিদিকে শংকা অশুভ পদধ্বনি
এমনি বৈরী সময়ের হাত ধরে
মহান ত্যাগ তিতিক্ষার মাস
মাহে রমজান বয়ে আনুক স্বস্তি
মুসলিম বিশ্ব সহ সারা জাহানে
ফিরে আসুক সত্য ও সুন্দরের নির্যাস
ধ্বনিত হোক আশার বাণী
বর্ষিত হোক পরম করুণাময়ের
অশেষ রহমত
সীয়াম সাধনার পবিত্র মাসে
শান্তির বারতা আসুক প্রাণে প্রাণে
মোনাজাত হোক মানবকল্যাণে
বিশ্বশান্তির সূচনা হোক সিয়ামের পথ বেয়ে
মাহে রমজানে শান্তি আসুক
স্বস্তির নিঃশ্বাস জাগুক শংকিত ক্ষণে।

পবিত্র মাহে রমজান
মোঃ মালেকুজ্জামান

বছর ঘুরে আসল আবার মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান,
তিনটি পর্বে বিভক্ত এই মাসটি, যাহা পবিত্র কোরআনে রহিয়াছে প্রমাণ।

প্রথম দশদিন রহমতের, দ্বিতীয় দশদিন মাকফেরতের আর তৃতীয় দশদিন নাজাতের জন্য,
সিয়াম সাধনার মাঝে যিনি, ইহা করিতে পারিবেন অর্জন তিনিই হইবেন ধন্য।

মহান আল্লাহ নিজেই করিবে মোমিনদেরকে ইহার ফযিলত ও সোয়াব বিতরণ,
উহা প্রাপ্তীতে বঞ্চিত হইবেন যে-জন, তাহার ন্যায় হতভাগা আর হইবেন না কোনজন।

পবিত্র কোরআন, নাজিল করিয়াছেন আল্লাহ, এই সিয়াম সাধনারই পবিত্র রমজান মাসে,
যাহার পবিত্রতা ও ভারসাম্য রক্ষা করেছেন বিশ্বনবী স: মহান শ্রষ্ঠার আদেশে।

কত জ্ঞানী-গুনি, কত ঋষি-মনিষী, কত বিদ্যান-বিজ্ঞানী আছেন এবং চলিয়া গিয়াছেন অতিতে,
বিশ্বের কেউ আজও পারেননি একটিও হরফ এই কোরআন এর মাঝে সংযোগ করিতে।

পৃথিবীতে সর্ব সম্মানীত ও সত্য গ্রন্থ যাহা সৃষ্টি হতে এখনও দেখতে পেলে,
যাহা অন্তরের মাঝে এক হয়ে আছে ঐ হাফেজদের দিলে দিলে।

কাতারে কাতারে তারাবি নামাজ পড়ি যখন মসজিদে-মসজিদে,
তখন সবভুলে ভাই, এক হয়ে যাই, মিশে মুসল্লিদের কাঁধে কাঁধে।

আল্লাহর আদেশ পালনে আসুন রোজা রাখি আর নামাজ পড়ি,
আর তাঁরেই করুনা পাইতে সকলে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করি।

আল্লাহর আদেশ করিলে পালন তাতে বান্দার হয় পাপ মুক্তি,
সৃষ্টির লাগি থাকে ভালবাসা আর শ্রষ্ঠার তরে থাকে ভক্তি।

উত্থান দিনে হাশরের মাঠে পাবে মহান আল্লাহ আর নবীজির সাক্ষাৎ,
কোরআন এর কথায় ঘোষণা আছে শুধু, সৎ মানবেরই হবে জান্নাত।

আত্মশুদ্ধির মাস
মোঃ জাকির হোসাইন

আত্মশুদ্ধির মাস এসেছে
মুসলিম ওঠো জেগে,
নামাজ পড়ো রোযা রাখো
কোরআন সুন্নাহ মেনে।

রমজান মাসের নফল গুলোও
ফরযের সমান মূল্য,
এই মাসের এই ইবাদত গুলো
হয় না কিছুর তুল্য।

সোনাদানা মণিমুক্তা
সব হয়ে যাবে লীন,
ইবাদত তোমার সঙ্গে রবে
হইবে না বিলীন।

যখন তখন বুকের কাঁপন-
অন্তরে গুনার ভয়,
আমি গুনাগার তুমি রহমান
জান্নাতে দিও ঠাঁই।

আত্মশুদ্ধির এমন মাসে
রইবো না আর নিরব,
অহর্নিশ ইবাদতের মধ্যে
খুঁজবো আমার রব।

রমজানের শিক্ষা
শহীদ উদ্দিন আহমেদ

সাম্যের বার্তা লয়ে এ ধরায়
এলো মাহে রমজান,
পেয়ে রোজার ফজিলত
ধন্য হলো মুসলমান ।
ধনী গরীব সবাই আজ দেখ
মিলেমিশে একাকার ,
পানাহার ছেড়ে সাড়াদিন
সবাই আজ রোজাদার ।
পূন্য অর্জনের মাস রমজানে
বেশী বেশী করো ইবাদত ,
আল্লাহ নামের তসবিহ পড়ে
পাবে তুমি তাঁর রহমত ।
পবিত্র এই মাসে মুসলমানেরা
দান করা দেয় বাড়িয়ে ,
মাগফেরাত আর নাজাত পাবে
কোরানের আলো ছড়িয়ে ।
রমজানের শিক্ষা মানুষের মনে
থাকবে চিরকাল অম্লান ,
পাপমোচনের হাতিয়ার রোজা
বিশ্বাস করে মুসলমান ।

মাহে রমজান
আনোয়ার শাহাদাত

এলো মাহে রমজান নিয়ে স্বর্গীয় পয়গাম
শোন সকলে তবে শান্তির বার্তা আগাম।
রহমত, মাগফেরাত, নাজাতের এই মাস
নিয়ে এলো সকলের তরে মুক্তির আশ্বাস।
শৃংখলিত হবে যত অভিশপ্ত জ্বিন-শয়তান
মুসল্লীতে ভরে যাবে মসজিদের যত স্থান।
বন্ধ হবে হিংসা-বিদ্বেষ, জুলুম ও পাপাচার
পূণ্যময় এক আভায় ভরে উঠবে চারিধার।
ইফতার, সেহেরী আর তারাবীর নামাজে
ভ্রাতৃত্বের পবিত্র এক বন্ধন সৃষ্টি হয় সমাজে।
এ মাসে আছে সেই মহিমান্বিত কদরের রাত
ক্ষমার তরে প্রভুর দরবারে তুলি দুই হাত।
রোজা আমার জন্য, আমিই তার প্রতিদান
ঘোষনা দিলেন মানবের তরে আল্লাহ মহান!

মাহে রমজান
জিল্লুর রহমান জিল্লু

নেয়ামতের বার্তা নিয়ে
আসে মাহে রমজান
সত্তুর গুন ছওয়াব পাবে
করবে যত দান।

রমজান তোমায় ডাক দিয়ে যায়
ছাড় পাপের কাজ
ইবাদাতে মশগুল থাক
সকাল, দুপুর, সাজ।

সেহেরি খাও রোজা রাখ
করো আত্ম শুদ্ধি
তাড়াতাড়ি ইফতার কর
সূর্য্য যখন ডুব্বি

তিন পর্বে আসে রমজান
থাকে এক মাস
কবরবাসি আজাবমুক্ত
করে তখন বাস।

রহমতের ভাল্ডার খুলবে
পাবে মাগফিরাত
আল্লাহ নিকট চাইলে ক্ষমা
পাওয়া যাবে নাজাত।

রমজান মাসে কোরআন নাজিল
কদর যে দিন হয়
শেষ দশকে আছে কদর
কোরআন, হাদিস কয়।

কম খাবে, কম ঘুমাবে
বলবে কথা কম
ইবাদাতে দিলে মন
শুদ্ধ হবে দম।

মাহে রমজান
এইচ বি রিতা

এসেছে ফিরে দেখো ঐ মাহে রমজান
এনেছে পবিত্রতা; সাথে আল্লাহতায়ালার গুণগান।
কালিমা যত সব পিছনে ফেলে
ঈমান করো রে শাণ…
এসেছে ফিরে দেখো ওই মাহে রমজান।
মিশে যাও এক কাতারে ধনী গরীব আজ সকলে
আল্লাহুআকবার বলে ধ্বনিতে আকাশ বাতাস দোলে,
দয়ার মাস, রহমতের মাস, ক্ষমার মাস মাহে রমজান
এ মাসেই হবে পূন্যের সূর্য্যদয়, সকল পাপের অবসান।
এসেছে ফিরে দেখো ওই মাহে রমজান।
আল্লাহ বলেন, হে মুমিন
তোর প্রতিবেশী যেন না থাকে ভুখা
জাত-বর্ণ-ধর্ম ভুলে
একটি তিলকে দু’ভাগ করে খা।
এমনই সৌহার্দ্য নিয়ে ফিরে এসেছে মাহে রমজান
এ যে আল্লহতায়ালার শ্রেষ্ঠ দান; মাহে রমজান।
সুযোগ এসেছে দু’হাত ভরে কুড়িয়ে নাও
মনি মুক্তো আর হিরার খনি…
কোরআন পাঠে দিনটি শুরু করো
এ যে তোমায় আখিরাতে করবে ধনী।
এ মাস সিয়াম সাধনার মাস; এ মাস সংযমের
হেলায় করোনা অপচয়
এ মাস রহমত,মাগফেরাত, নাজাতের
খুলবে দুয়ার আখিরাতের!
অনাহার নয়, নয় লোক দেখানো আল্লাহতায়ালার পথে চলা
হিংসে,বিদ্বেষ, মিথ্যা ভুলে
করো ক্ষমা; যাকাত-ফিতরা আদায়ে করোনা হেলা।
এসেছে ফিরে দেখো, ঐ মাহে রমজান
তিরিশটি দিন পবিত্র মনে;
করো ইবাদত; করো আল্লাহতায়ালার সৃষ্টির গুণগান ।
এসেছে ফিরে দেখো ওই মাহে রমজান
আল্লাহুাআকবর বলে এক কাতারে দাড়াই;
আমরা শ্রেষ্ঠ, আমরা মুসলিম ভাই ভাই!

মাহে রমজান
শরিফুল ইসলাম

বছর ঘুরে আবার এসেছে মাহে রমজান।
আনন্দে উৎফুল্ল মুমিন গনের প্রান।
এইতো সুযোগ লুটিয়ে নেওয়ার সকল ছুয়াব।
রোজা থেকে পূরণ করো বেহেস্তের খোয়াব।

এমাসে এবার করে সাধনা।
দেহটারে কনে নেও খাটি সোনা।
খোদার পরে নিরিক বান্দো।
রসূলের লাগিয়া মাস ধরিয়া কান্দো।
তোমার দিকে তাকিয়ে আছে খোদা মাফি।
তরাইয়া লইবেন খোদা বহু পাপি।
ইসলাম মানেই সুন্দর শান্তি।
সারাদিন না খেওয়ে রোজাদারের নাই ক্লান্তি।
ইবাদতে মগ্ন থেকো সারারাত।
হাশরেতে পার হবে, তুমি ফুলছিরাত।
এইতো সুযোগ এসেছে পেতে নাযাত।
গরীব দুঃখী দেখিয়া দিও তুমি যাকাত।