কেউ মনে রাখেনি

কেউ তারে মনে রাখেনি
কেউ তার ছবি খানি
হৃদয় গহীনে আঁকেনি।
যার গেছে, তার গেছে
কারো কোন ব্যাথা লাগেনি।
ভুল করেও ভুলেও কেউ
তারে মনে আনেনি।
যুদ্ধের ডাকে দেশ প্রেমের ডাকে
সাড়া দিয়ে এ অকুতোভয় নির্ভীক
বিয়ের মেহেদিতে রাঙ্গানো হাত নিয়ে
মা-বাবার চোখের আড়ালে
নব বধুকে ফাঁকি দিয়ে
সে্ইযে গেলেন আর ফিরে এলেন না!
শুধু নয়তো তাই তার আরেক ভাই
আহসানুল কাদের ও
এ পথে মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও
যুদ্ধে যেয়ে প্রাণ দিতে কুন্ঠাবোধ করেননি
কিংবা পিছু হটেননি।
কিন্তু অত্যন্ত আশ্চার্য
ও দুঃখ জনক হলেও সত্য যে
আহসানুল কাদের ও
ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের বীরত্তোম
এ দু’টো নামের একটি নাম ও ইতিহাসে আসেনি!
তাদের পরিবারের কেউ কখনো
রাষ্ট্রীয় কোন অনুদান গ্রহণ করেননি।
যিনি তার কবিতায় চেয়েছিলেন
একটি উত্তপ্ত সীসার টুকরা তার হৃদয় ভেদ করে যাক
আর তা না হলে তার দেশ প্রেম অপূর্ণ থেকে যাবে।
মহান অল্লাহ ছাড়া কে জানত তার এ কথাটি
সত্যি প্রতিফলিত হবে?
তিনি কি জানতেন চট্টগ্রামের মহাল ছড়ির
রাস্তা তার রক্তেই রন্জিত হবে?
আর এভাবেই কি চির অযত্ন ও অবহেলায়
এ নাম দ’টো হারিয়ে যাবে??
…………………………………………..

আপন জন

সময় এখন অন্যরকম,
মানুষ শুধু নিজের স্বার্থ, আর নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত।
ভাই, ভগ্নি আপনজন,
নয় কেউ কারো প্রিয়জন
সময়ে র ব্যবধানে হয় শুধু প্রয়োজন।
আমি কার, কে তোমার
নিজেরী মনেব ভুলে
হিরকখনি ফেলে কাঁচ নিয়েছি তুলে
সেসবে আজ শুধু অতীত
কেউ না রেখেছে মনে
শুধু এক অজানা সংঘাত
হৃদয়কে কুড়ে খায় ক্ষণেক্ষণে।
এসব ভেবে ভেবে হই যে সারা
সময়ের পিছে, দৌড়ে মিছে
হইযে দিশেহারা।
দিনের সকল ক্লান্তি শেষে
অবসন্ন দেহও মননিয়ে যখন বাড়ি ফিরি
পাখিরা যেমন আকাশে উড়ে নীড়ের খোঁজে
তখন কেবলি মনে হয় মিথ্যে এ দিনের আলো
মিথ্যে এ আয়োজন,
সবটাই শুধু জগতের প্রয়োজন।
কেউ কারো নয়তো আপন।
এত কিছুরপরে যেনাইবা পেলেসম্মান।
কিছুই যদি নাইবা পেলে
খালি হাতে তোফিরনি, নয়তো তুমি রিক্ত
ভালোবাসা না পেলেও অপমান আর অসম্মানে হয়েছি যে সিক্ত!!
…………………………………………..

কেউ মনে রাখেনি

কেউ তারে মনে রাখেনি
কেউ তার ছবি খানি
হৃদয় গহীনে আঁকেনি।
যার গেছে, তার গেছে
কারো কোন ব্যাথা লাগেনি।
ভুল করেও ভুলেও কেউ
তারে মনে আনেনি।
যুদ্ধের ডাকে দেশ প্রেমের ডাকে
সাড়া দিয়ে এ অকুতোভয় নির্ভীক
বিয়ের মেহেদিতে রাঙ্গানো হাত নিয়ে
মা-বাবার চোখের আড়ালে
নব বধুকে ফাঁকি দিয়ে
সে্ইযে গেলেন আর ফিরে এলেন না!
শুধু নয়তো তাই তার আরেক ভাই
আহসানুল কাদের ও
এ পথে মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও
যুদ্ধে যেয়ে প্রাণ দিতে কুন্ঠাবোধ করেননি
কিংবা পিছু হটেননি।
কিন্তু অত্যন্ত আশ্চার্য
ও দুঃখ জনক হলেও সত্য যে
আহসানুল কাদের ও
ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের বীরত্তোম
এ দু’টো নামের একটি নাম ও ইতিহাসে আসেনি!
তাদের পরিবারের কেউ কখনো
রাষ্ট্রীয় কোন অনুদান গ্রহণ করেননি।
যিনি তার কবিতায় চেয়েছিলেন
একটি উত্তপ্ত সীসার টুকরা তার হৃদয় ভেদ করে যাক
আর তা না হলে তার দেশ প্রেম অপূর্ণ থেকে যাবে।
মহান অল্লাহ ছাড়া কে জানত তার এ কথাটি
সত্যি প্রতিফলিত হবে?
তিনি কি জানতেন চট্টগ্রামের মহাল ছড়ির
রাস্তা তার রক্তেই রন্জিত হবে?
আর এভাবেই কি চির অযত্ন ও অবহেলায়
এ নাম দ’টো হারিয়ে যাবে
…………………………………………..

আলো আঁধারির খেলা

জীবন অন্ধকারেই কেটেগেল আলো আর জ্বললোনা কোনদিন.
সর্বদাই যেন চোখের সামনে একখানি কালো পর্দা উড়ছে ফরফরকরে্।
যতই চেষ্টা করিনা কেন কিছুতেই তাকে পারিনা আড়াল করতে।
কেউ এলোনা আলো জ্বালাতে
কেউ এলোনা ভুবনটাকে আলোকিত করতে।
ফু্টলোনা কো ফুল শুধু তুমি নেই বলে।
মনের জানালা দিয়ে জোৎস্না কেবল উকি দিয়ে যায়
কেউ এলোনা জোৎসনা বিলাতে
কত সহস্র নক্ষত্র আকাশজুড়ে বসিয়েছে আলোর মেলা
তবুও সে এলোনা আলো ছড়াতে।
ভুবন মাঝে চলছে কেবলি আলো আঁধারির খেলা।
অন্ধকারের জীবন অমার পাইনি আলোর দেখা
অন্ধকারই সাথী আমার তাই খুঁজি তারে একা।
তবু আমি সুখি কেন জান?
আমার এ সাম্রাজ্জে আমি একাই রানী, একাই প্রজা
অন্য কারো হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই এতে।
মনে মনে তবু স্বপ্নের বাসর সাজাই তাতে
ক্ষতি কিতাতে চাদের আলো নাহয় পড়লোনা সেই মাধবী রাতে।
…………………………………………..

আপন জন

সময় এখন অন্যরকম
মানুষ শুধু নিজের স্বার্থ, আর নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত।
ভাই, ভগ্নি আপনজন,
নয় কেউ কারো প্রিয়জন
সময়ে র ব্যবধানে হয় শুধু প্রয়োজন।
আমি কার, কে তোমার
নিজেরী মনেব ভুলে
হিরকখনি ফেলে কাঁচ নিয়েছি তুলে
সেসবে আজ শুধু অতীত
কেউ না রেখেছে মনে
শুধু এক অজানা সংঘাত
হৃদয়কে কুড়ে খায় ক্ষণেক্ষণে।
এসব ভেবে ভেবে হই যে সারা
সময়ের পিছে, দৌড়ে মিছে
হইযে দিশেহারা।
দিনের সকল ক্লান্তি শেষে
অবসন্ন দেহও মননিয়ে যখন বাড়ি ফিরি
পাখিরা যেমন আকাশে উড়ে নীড়ের খোঁজে
তখন কেবলি মনে হয় মিথ্যে এ দিনের আলো
মিথ্যে এ আয়োজন,
সবটাই শুধু জগতের প্রয়োজন।
কেউ কারো নয়তো আপন।
এত কিছুরপরে যেনাইবা পেলেসম্মান।
কিছুই যদি নাইবা পেলে
খালি হাতে তোফিরনি, নয়তো তুমি রিক্ত
ভালোবাসা না পেলেও অপমান আর অসম্মানে হয়েছি যে সিক্ত!!
…………………………………………..

রাজ্যের যত অহংকার

ওহে পুরুষ, বড় গর্ব তোমার পুরুষ বলে ।
মা-বাবাও বলেন, ছেলে কালা হোক কি ধলা
80 টাকা তোলা।
ধিক্ শত ধিক তোমায়।
মানুষ না হয়ে তুমি
হয়েছো দু’পেয়ে জানোয়ার!
কোথায় আজ সেসব বাবা-মা ধুলিসাৎ করে দিলে
এক নিমিষে তোমার কালহাতের এক ছোবলে রাজ্যের যত অহংকার!
কে দিবে তার নিশ্চয়তা,
আজ কিংবা কাল তোমার মা কিংবা বোনের সাথে
কিংবা তোমার মেয়ের সাথে ঘটবেনা আর এমন ঘটনা?
তা্ বলছি, শুধরে যাও, নিজেকে শুধরে নাও এখনও সময় আছে
যদি তুমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পার
সমাজে তোমার পরিচয় হবে ধর্ষকও হায়ে না,
না তুমি কারো ভাই কিংবা বাবা যদিও এতে তোমার কিছু যায় বা আসে না !
ওহে হায়েনার দল, তাইতো তোমরা সাময়িক আনন্দে মেতে দল বেঁধে করছো উল্লাস !
তোমাদের প্রবল লোভের ছোবলে করছো কতশত কুঁড়ি আর ফুলের জীবন নাশ!
কত শত সংসারের করছো সর্বনাশ !
হে নর মাংস খেকো, নরাধমের জাত
থামাও তোমার কালহাত !
থামাও, থামাও, থামাও তোমার অমন কালো হাতের থাবা
অবনত কর তোমার দৃষ্টিলোলুপ চোখকে
নিয়ন্ত্রণ কর নিজেকে
আগামীদিন তুমিও হতে পার কোন এক কন্যা সন্তানের বাবা।
তুমি যেমন করছো আজ অন্য একটি মেয়ের সাথে
কে জানে কাল এমনটা যে ঘটবেনা তোমার মেয়ের সাথে !
সেদিন কি তুমি খুঁজে পাবে নিজের মনের হাজারো প্রশ্নের উত্তর
নাকি সুযোগ পাবে নিজেকে শুধরানোর? হায় আপসোস !
সেদিনও্ ই বিনষ্ট কুঁড়িটি যদি বেঁচে থাকে
যদিও কোন ভাল মনের মানুষ অন্যের কোন ক্ষতি কামনা করেনা
তবুও সেদিন চরম দুঃখের সাথে এসমাজের কেউনা কেউ তোমার
মুখে থুতু ছিটিয়ে বলবে, শুনেন, শুনেন জাহাপনা !
শুনেন বলি, নতুন করে পুরান ঘটনা !
ইহকালে কেউ যদি ন্যায্য বিচার থেকে বঞ্চিত হন
তবে, সবরকর, আল্লাহ পাক ঠিক পাওনা ইহকালেও দিবেন
পরকালেও সঠিকভাবে বুঝিয়ে দিবেন।
কেমন করে করছো পতন
ফুলের মত কত্তো জীবন !
…………………………………………..

নানা রংয়ের দিনগুলি

হয়তো হটাৎ করে,
কাল-ক্ষণ, সময়বিচার-বিবেচনা না করে
লেগে যেতে পারে আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ।
হয়তোবা, সূর্যেররংটা পরিবর্তন হয়ে
তামাটে রংধারণ করে কিংবা
ছাইরংয়ের এসিড বৃষ্টি ছড়াতে পারে।
হয়তো রাতের আঁধারের চাঁদটাও সুবিশাল আকৃতি ধার করে
আগুন রাঙা হয়ে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছড়াতে পারে।
পৃথিবী হয়তো বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে,
বিবর্ণ হয়ে যেতে পারেএ
অবারি সবুজে ঢাকা মাঠ-ঘাট প্রান্তর,
সেই সাথে চির সবুজ গাছ- পালাও।
শুধু তুমি পরিবর্তন হয়ো না।
হয়তোবা হিমালয়ও এসিড বর্ষনে গলে যেতে পারে
পুড়ে যেতে পারে আফ্রিকার জঙ্গলও আল্পস পর্বতমালা
ও রোমনগর।
ক্ষতি কি তাতে?
তুমি থেকো অপেক্ষায়,
আমার চলে যাওয়া পথপানে চেয়ে
থেকো পলকহীন ভাবে।
ইশারায় ডেকো, কিংবা গানের সুরে।
ঠিক তখনি তুমি পিছনে ফিরে ভড়কে যাবে,
আমি ঠঁ।য় দাঁড়িয়ে বারান্দার গ্রীল ধরে
গুন গুন করে গাইছি, দিন গুলি মোর
সোনার খাঁচায় রইলো না, সেই যে আমার নানা রংয়ের দিনগুলি।।
…………………………………………..

নারী ও প্রদীপ

হয়তো কখনো তুমি কারো প্রিয়জন ছিলে
যতটুকু ছিলে তা কেবলি প্রয়োজনে।
প্রয়োজন শেষ, স্বার্থও মিটে গেছে প্রয়োজনও ফুরিয়ে গেছে
চুকিয়েও গেছে সকল লেনাদেনা।
বন্ধ হয়ে গেল সেসব প্রিয়জনের আনা-গোনা।
ঠিক যেমন আঁধার ঘরের প্রদীপের মতন।
যখন কারো আলোর প্রয়োজন ছিল
ঠিক তখনি শত সহস্র তারার ন্যায় মিটি আলো নয় শুধু জোৎস্নার
আলোয় আলোকময় করেছিলে কারো অন্দকার জগৎকে।
কোনদিন পেছনে ফিরে দেখনি বিনিময়ে তুমি কি পেলে?
নারী তুমি শ্রেষ্ঠ, তুমি জায়াও জননী
তুমি অন্ধকারে প্রদীপ শিখা
বিশাল আকাশে রূপালি অলোর ঝলমলে রেখা
যারা তোমার মূল্য দিতে জানে না, তারা নিজেরাই হেরো ও
চরম অসেম্মানের পাত্র। Just একটা Big zero ছাড়া তারা আর কিছু নয়।
যে পিছনে ফিরে দেখেনি কি গেল ফেলে ?
তুমিও দেখোনা কি ফেলে এলে।
Out of revenge বলে একটা কথা আছে
কারণ আল্লাহ মানুষের ন্যায্য পাওনা ইহকালেও দেন পর কালেও দেন
ধৈর্য্য ধর, প্রতিক্ষা কর।
কেউ সম্মানিত না করুক ক্ষতি কি
মনেরেখ, গাছের সুমিষ্ট ফলটাতেই মানুষ আঘাত করে।
দুঃখ করোনা আল্লাহও তার নবীই তোমাকে করেছেন অসীম সম্মানে সম্মানিত অত এব তুমি শ্রেষ্ঠ আর কি চাই?
যখন বিদ্যুৎ চলে যায় তড়িঘড়ি করে সবাই একখানি মোমবাতি জ্বালাই
আলোর প্রত্যাশায় অন্ধকারে কিছু দেখতে পাইনা বলে।
মোমবাতি একাএকা জ্বলে পুড়ে নিঃশেষ হয়
অবশিষ্ট কি পড়ে রয় ‘শুধু ছাঁই।
তার মানে আমরা কখনো খুঁজিনি কিংবা এর অর্থও বুঝিনি
তুমি কখনো পাটিগণিতের ন্যায় লাভক্ষতির অংক কষনি
তুমি শুধুই একনিঃস্বার্থ ও র্নিলোভ সেবিকা
তুমি হারনি হেরেছে সে
যে প্রতারনা করেছে, দুঃসময়ে এসেছে পিছপিছ ঘুরেছে।
যে প্রতারনা করে বিজয়ের বেশে বিজয়ের হাসি হাসে
নিজেকে মনে করে বিজয়ের সিংহাসনে আসীন।
সে আসলে চরম নির্বোধ ছাড়া আর কিছু নয়
সে যে গোহারা হেরেছে কেবলই গোর কারণে এটা তার বোধ গম্য নয়।
তুমি দাতা, তুমি শ্রেষ্ঠ, তুমিই মহান।
কারণ, কারো দুনিয়া যখন অন্ধকারে ভরে যায়
ঠিকতখনি তোমার প্রয়োজন হয়।
তুমি নিশিথ অন্ধকারে আঁধারের সাথী
নারী তুমি কেবলি মায়াবতী।
তুমি ছিলে কারো জীবন আলোর বাতি।
…………………………………………..

শুভ জন্মদিন, শুভ জন্মদিন

স্যার, আজ আপনার জন্মদিন
শুভ দিনে, শুভ ক্ষণে রইলো আমার আশীষ বাণী
শুভ ও সুন্দর হোক অপনার চলিত পথের প্রতিটি দিন
শুভ জন্মদিন, শুভ জন্মদিন।
সোনালী দিনের সুর্যের সোনালী আলোয়
আলোকিত হোক আপনার অনাগত দিন।
প্রচন্ড বৃষ্টি ঝরা ও ভারি বর্ষণেরমাঝে
এমন রৌদ্র উজ্জ্বল দিন যেন অন্য আলোর বর্হিপ্রকাশ।
চোখের মাঝে ভেসে উঠে রংধনুর ও সাতটি রঙে রঙিন আকাশ!
আকাশপানে চেয়ে দেখি হাজার তারার মেলা
বাগান জুড়ে ফুলেরা সব সাজিয়েছে লক্ষ ফুলের ডালা
তাইতো আজ আনন্দের এ জোয়ারেতে পাখিরা সব করছে ভীষণ খেলা।
এমন দিনে, এমন ক্ষণে কি দিয়ে
করবো যে সিক্ত?
আর্শীবাদের বাণী ছাড়া নেই যে কিছু আর
ভেবে ভেবে হই যে দিশেহারা, কিযে দিব উপহার?
আমি যে রিক্ত।
তাইতোআমি বাজিয়ে দিলাম ছোট্ট হাতের ছোট্ট বিণ
তাক ধিনা ধিন ধিন
জন্মদিন, জন্মদিন।
শুভ জন্মদিন, শুভ জন্মদিন।