শওকত আলী Shawkat Ali ১৯৩৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার থানা শহর রায়গঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম খোরশেদ আলী সরকার এবং মাতার নাম সালেমা খাতুন। শওকত আলী ছিলেন তাদের তৃতীয় সন্তান।তার ছোটভাই বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদশিল্পী আবদুর রোউফ সরকার (জন্ম: ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬, মৃত্যু: ২৪ এপ্রিল ২০১১)।

১৯৫৫ সালে বিভিন্ন পত্রিকায় তার লেখা প্রকাশিত হতে শুরু করে। একই সময়ে দৈনিক মিল্লাত পত্রিকার নিউজ ডেস্কে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫৮ সালে দিনাজপুরের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে এবং ১৯৫৯ সালে ঠাকুরগাঁও কলেজে বাংলার প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬২ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) এবং ১৯৮৮ সালে জেলা গেজেটিয়ারের ঢাকার হেড অফিসে সহকারি পরিচালক হিসেবে যোগদান করে পরিচালক পদে উন্নীত হন। ১৯৮৯ সালে সরকারি সঙ্গীত কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৯৩ সালে অবসরগ্রহণ করেন।

উপন্যাস
পিঙ্গল আকাশ (১৯৬৩), যাত্রা (১৯৭৬), প্রদোষে প্রাকৃতজন (১৯৮৪), অপেক্ষা (১৯৮৪), দক্ষিণায়নের দিন (১৯৮৫), কুলায় কালস্রোত (১৯৮৬), পূর্বরাত্রি পূর্বদিন (১৯৮৬), সম্বল (১৯৮৬), গন্তব্যে অতঃপর (১৯৮৭), ভালোবাসা কারে কয় (১৯৮৮), যেতে চাই (১৯৮৮), ওয়ারিশ (১৯৮৯), বাসর ও মধুচন্দ্রিমা (১৯৯০), উত্তরের খেপ (১৯৯১), প্রেম কাহিনী (১৯৯১), পতন (১৯৯২), অবশেষে প্রপাত (১৯৯৬), দলিল (২০০০), জননী ও জাতিকা (২০০১), হিসাব নিকাশ (২০০১)
স্ববাসে প্রবাসে (২০০১), তনয়ার স্বীকারোক্তি (২০০১), জোড় বিজোড় (২০০১), ঘরবাড়ি (২০০১), শেষ বিকেলের রোদ (২০০১), এক ডাইনীর খেলা (২০০১), নাঢ়াই (২০০৩), বসত (২০০৫), স্থায়ী ঠিকানা (২০০৫), দুই রকম (২০০৫), কাহিনী ও কথোপকথন (২০০৭), মাদারডাঙ্গার কথা (২০১১)

গল্প
উন্মুল বাসনা (১৯৬৮), লেলিহান সাধ (১৯৭৮), শুন হে লখিন্দর (১৯৮৮), বাবা আপনে যান (১৯৯৪), দিনগুজরান (২০০৬)

পুরস্কার
বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৬৮; হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার, ১৯৭৭; অজিত গুহ স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩; ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৬; আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৯); রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদক, ১৯৯০