কুরআনের বাণী

কুরআনখানি পড়ে দেখ
আছে নির্ভুল লেখা
ভুল তো খুঁজে পাবে না ভাই
পাবে আলোর দেখা।

কুরআনখানি পড়লে তুমি
হবে নাতো নাস্তিক
কুরআনখানি পড়লে তুমি
হবে দৃঢ় আস্তিক।

মিথ্যা কিচ্ছা-কাহিনী তো
পাবে না ভাই খুঁজে
জীবন হবে অতি সুন্দর
যদি পড় বুঝে।
…………………………………………..

তাবিজ

ছোট বাবুর গলে তাবিজ
মাজায় তাবিজ তাবিজ হাতে
পিতা-মাতার বিশ্বাস অতি
সমস্যা দূর হবে তাতে।

হচ্ছে নাতো তা সমাধান
বড় চিন্তায় আছে তারা
ফকির-গণক ভেবে বলে-
কাম হবে না সবুর ছাড়া।

খরচ গেল বারো হাজার
তবু কোনো হলো না কাম
অবশেষে পালিয়ে যায়
ভন্ড ফকির হলো তার নাম।

সুস্থদাতা ঐ একস্রষ্টা
এছাড়া যে দ্বিতীয় কেউ নাই
ডাকার মতো ডাকলে তাঁরে-
দিবেন সাড়া ওরে ও ভাই।
…………………………………………..

বড় ঠকবাজ

তুমি ফলে দাও ফরমালিন
ওজনেও দাও কম
কথায় কথায় মিথ্যা কথা
তুমি ঠকাও হরদম!

তুমি ঠকবাজ তুমি মন্দ
ধোকায় বোকা বানাও
মাথায় টুপি মুখে দাঁড়ি-
বিশ্বাসে বিষ খাওয়াও!

তুমি নামে হও মুসলমান
কিন্তু কামে তো নও
তুমি সুদখোর;যিনাকারী-
তুমি ঠকবাজ তো হও।

নামাজ পড়ে রোজা রেখে
কেনো করো কুকাজ?
তুমি ভন্ড তুমি নষ্ট
তুমি বড় ঠকবাজ।
…………………………………………..

ছোট খোকায় জীবন গড়বে

ছোট খোকায় মাদ্রাসাতে
গিয়ে পড়বে
কুরআন-হাদিস অনুযায়ী
জীবন গড়বে।

সুন্নতি ঐ পোশাক সদা
পড়ে থাকবে
কুরআন-হাদিস নিয়ে খোকায়
শুধু ভাববে।

ইসলামিক জ্ঞান ছোট খোকায়
করবে অর্জন
মন্দ কর্ম আছে যতো
করবে বর্জন।

শয়তানে তো দিতে চাইবে
অনেক ধোকা
ধোকায় পড়ে খোকায় হবে
নাতো বোকা।
…………………………………………..

যিনা

ওরে পুরুষ নারী নিয়ে
খুবই মজা করিস তুই
কারো সংসার ভাঙিস ওরে
অপূত করিস হৃদয় ভুঁই!

ওরে নারী পরপুরুষকে
কেন ডাকিস তোর কাছে
স্বামী ছাড়া পরপুরুষ তো
থাকবে না রে তোর পাশে।

যিনা করিস ঘৃণা ওরে
মরিস না রে পাপী হয়ে
পূর্বে যা পাপ করছিস তোরা
তওবা করিস স্রষ্টার ভয়ে!
…………………………………………..

জ্ঞানশক্তি

আমি সুদ-ঘুষ খাব নাকো
পড়াশোনা করে
সঠিক পথে জীবনটাকে
তুলব যেনো গড়ে।

হারাম পথে আমার জীবন
চলবে নাকো কভু
হালাল পথে চলার মতো
জ্ঞানশক্তি দিও প্রভু।
…………………………………………..

দোয়া

আঁধার ঘরে আলো আনতে
মাদ্রাসাতে যাচ্ছি
সেথায় গিয়ে অনেক কিছু
আমি শেখতে চাচ্ছি।

জেনে জেনে শেখে শেখে
বড় হব ধরায়
যা যা শেখব কাজে লাগবে
আমার জীবন গড়ায়।

ভালো কিছু শেখব আমি
মন্দ কিছু না ভাই
করবেন দোয়া আমি যাতে
মন্দের দিকে না যাই।
…………………………………………..

জুয়া ও নারীর নেশা

জুয়ার নেশায় নারীর নেশায়
পইড়ো না ভাই
জীবন তো আর রবে না জীবন
ভেবে দেখ তাই।

নিজের ভুলেই জীবন ধ্বংস
বুঝবে তখন
সুখের ঘরেতে দুখের আগুন
জ্বলবে যখন!

ভাগ্যদাতাকে দোষারোপ করে
পাবে নাতো পার
তোমার দোষেই মরবে যে তুমি
পাবে নাতো ছাড়।
…………………………………………..

পোশাক

নগ্ন দৃশ্য দেখে তুমি
উত্তেজনায় দিশেহারা
তোমার আশে পাশে নেই কেউ
মনে কুভাব দিচ্ছে সাড়া।

যারে-তারে খোঁজো তুমি
ছাড়ছ নাতো পিছুটা তার
রেহাই পেল নাতো ওরে-
সাত বচ্ছরের শিশুটা আর!
বলো দোষ কার?বলো দোষ কার?

শর্ট পোশাকে অর্ধ নগ্নে
তুমি বাইর হলে বাইরে
ধর্ম ইসলাম হয়েও তো
তুমি পর্দায় চল নাই রে।

ওগো নারী পর্দা করলে
কী সমস্যা ছিল তোমার?
নরপশু দেখে তোমায়
লোভ সামলাতে পারছে না আর!
বলো দোষ কার?বলো দোষ কার?

সৌন্দর্য তো দেখবে ওরে-
তোমার স্বামী,পরপুরুষ নয়
সেজে-গুজে শর্ট পোশাকে
বাইর হলে,এমনি হয়!
শেয়াল যদি মুরগি দেখে
রেহাই আছে বা কি তার?
বলো দোষ কার?বলো দোষ কার?

যদি বলো,মন সামলালে
হবে না এই জঘন্য কাজ
তোমার মা-বোন-স্ত্রীকেও
নগ্নে ছাড়ো,পাবে না লাজ!
স্বর্ণ-গয়না,টাকা-পয়সা
লুকাই রেখ নাতো আর
যদি চুরি হয়ে যায় রে-
মন সামলাতে পারে নেই তার।
বলো দোষ কার?বলো দোষ কার?

বডি ফিটিং ডিজাইন বোরকা
আকর্ষণ তো আরও বাড়ে
তোমার একা চলা-ফেরায়
মনটি যে আরও কাড়ে!
সঠিকভাবে পর্দা-হিজাব
নিয়ম পালন হয় না তোমার
ভাব-ভঙ্গিতে ওগো নারী
হয়ে যাও যে ধর্ষণশিকার!
বলো দোষ কার?বলো দোষ কার?

দেশ-সমাজে চলে কত
বেহায়াপনা নির্লজ্জ কাজ
কেউ দেখেও দেখে নাতো
রসাতলে দেশ যাচ্ছে আজ!
বক্ষে নেই তো ওড়না তোমার,
মাথায়ও নেই যে ঘোমটাটি
সে ঠিক থাকতে কি পারে আর!
বলো দোষ কার?বলো দোষ কার?
…………………………………………..

যাচাই-বাছাই

মন্দ মানুষ আছে যারা
ভালো কাজে দিবে ধোঁকা
মন্দ পথে ডাকবে তোমায়
বিশ্বাস করলে হবে বোকা!

ধোঁকায় বোকা হয়ে তুমি
আঁখি বুঝে কাঁদবে শেষে
ওরাও মানুষ;তবে মন্দ
এসেছিলো ছদ্মবেশে।

শোনা কথায় দিবে না কান
যদি তুমি করো বিশ্বাস
তোমার বিপদ আসতে পারে
হতে পারে বন্ধ নিঃশ্বাস!

বাঁচতে হলে জানতে হবে
করতে হবে সত্য যাচাই
কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা
করতে হবে আগে বাছাই।