কিছুই যখন আর ভালো লাগে না, তখন কোথাও বেড়িয়ে আসা চমৎকার এক পন্থা। আর বেড়াতে যাবার জায়গাটা যদি হয় সুন্দরবনের মত কোন এক স্থান, তবে তো সোনায় সোহাগা। সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী সুন্দরবনের আয়তন ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার। বাংলাদেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৫১% ভাগই সুন্দরবন। সুন্দরবনে আছে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৯১ প্রজাতির মাছ এবং ৩১৫ প্রজাতির পাখী। এদের মাঝে রয়াল বেঙ্গল টাইগার, নদীর কুমীর, সামুদ্রিক ডলফিন, কচ্ছপ, শুশুক এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও পাখী বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বন বিভাগ থেকে জানা যায়, সুন্দরবনে ৪৪০টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার, এক থেকে দেড় লাখ হরিণ, ৪০-৫০ হাজার বানর, ২০-২৫ হাজার বন্য শূকর, ১৫০-২০০ কুমীর এবং ২০-২৫ হাজার শুশুক বসবাস করে।

দর্শণীয় স্থান :
১. করমজল ফরেষ্ট ষ্টেশন
২. হাড়বাড়িয়া
৩. কাটকা
৪. হিরণ পয়েন্ট
৫.কচিখালী
৬. মান্দারবাড়ীয়া
৭. টাইগার পয়েন্ট
৮. টাইগার পয়েন্ট সি বিচ
৯. জামতলা সি বিচ
১০. দুবলার চর
১১. তিনকোনা দ্বীপ
১২. শরণখোলা
১৩. ছালকাটা
১৪. কালীরচর
১৫. মংলা বন্দর
১৬. সাত নদীর মুখ

যেসব প্রাণী ও গাছ দেখা দেখা যায় :
১. রয়েল বেঙ্গল টাইগার (সৌভাগ্যবান হলে)
২. হরিণ
৩. কুমিড়
৪. বানর
৫. বিভিন্ন প্রজাতির পাখি
৬. মহিষ
৭. সাপ
৮. শেয়াল
৯. শামুক-ঝিনুক
১০. সুন্দরী গাছ
১১. কেওড়া গাছ
১২. গোলপাতার গাছ
১৩. মৌমাছির বড় বড় মৌচাক

হীরণ পয়েন্ট :
বাংলাদেশের উপকূলবর্তী পাঁচটি জেলা নিয়ে অবস্থিত সুন্দরবন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি। সমুদ্রমূখী সীমানা এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। ১৯৯৭ সালে সুন্দরবন ইউনেস্কোকর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সুন্দরবনে যতগুলো বৈচিত্রময় স্থান রয়েছে হীরণ পয়েন্ট তার মধ্যে অন্যতম।

দেখতে পাবেন
সুন্দরবনের হীরনপয়েন্টে গিয়ে কাঠের তৈরি ওয়াকওয়ে ধরে বনের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে বানর, হরিণ, গুইসাপ অথবা কুমিরের ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্য দেখা যাবে। হীরণপয়েন্ট ছাড়াও টাইগার পয়েন্ট, বুড়িগোয়ালিনী, হারবাড়িয়া প্রভৃতি এলাকায় ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেখাও মিলে যেতে পারে।
অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও জীব-বৈচিত্র্যে ভরপুর বিস্ময়কর সুন্দরবনের হীরণপয়েন্ট দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বরাবরই প্রিয় ‘ট্যুর স্পট’। ‘বার্ড ওয়াচিং’, ‘এ্যাডভেঞ্চার ট্রেকিং’, ‘ক্যানেল ক্রুজিং’ সহ জীবজন্তু দেখা – একসাথে এতো কিছু উপভোগের সুযোগ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনেই পাওয়া যায়। তাই প্রায় সারা বছর জুড়েই পর্যটকরা ভিড় করে থাকেন, মিশে যান প্রকৃতির এই অনবদ্য সৃষ্টির মাঝে।

কি কি আছে সুন্দরবনে ও হীরণপয়েন্টে
প্রায় ৪৫০টি নদ-নদী ও খাল বিধৌত সুন্দরবনে রয়েছে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, গরান, কাকড়া, বাইন, হেতাল, টাইগার ফার্ন, ছন, গোলপাতাসহ ৩৩৪ প্রজাতির গাছপালা-গুল্ম-লতা-অর্কিড-শৈবাল। বন্যপ্রাণীর বৃহত্তম আবাসস্থল সুন্দরবনে আছে অন্তত ২৬৯ প্রজাতির বন্যপ্রাণী। আছে বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রল ও মায়া হরিণ, শুকর, লোনা পানির কুমির, অজগর, রাজগোখরা, কচ্ছপ, উদবিড়াল, বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতী ডলফিনসহ নানা রকম প্রাণী। আছে ১৮৬ প্রজাতির পাখি। ২০০৪ সালের প্রাণী জরিপ অনুযায়ী সে সময়ে সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছিল ৪৪০টি, হরিণ দেড় লাখ, বানর ৫০ হাজার, বন্যশূকর ২৫ হাজার, কুমির ২০০, উদবিড়াল ২৫ হাজার, ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৬ প্রজাতির চিংড়ি, ১৩ প্রজাতির কাঁকড়া, এক প্রজাতির লবস্টার ও ৪২ প্রজাতির মালাস্কা। এ বন থেকে প্রতিবছর মধু আহরিত হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার মণ। ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ইউনেস্কো কমিশন সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে। মৌয়াল, জেলে ও বাওয়ালি মিলে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ তাদের জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল।

আকর্ষণীয় ট্যুর স্পট হীরণপয়েন্ট
সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগের হিরণপয়েন্ট খ্যাত নীলকমল অভয়ারণ্য, শেখেরটেক প্রাচীন মন্দির, সাতক্ষীরা-বুড়িগোয়ালিনীর কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম সেন্টার, মান্দারবাড়িয়া অভয়ারণ্য- পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত স্পটে কুমির প্রজনন, অসুস্থ হরিণের পরিচর্যা, হাজার বছরের পুরোনো স্থাপনার ধ্বংসাবশেষসহ প্রকৃতির অপরূপ সব দৃশ্য উপভোগ করা যায়। হীরণপয়েন্টে এক থেকে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত কাঠের তৈরি ওয়াকওয়ে ধরে বনের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে বানর, হরিণ, গোসাপ, কাঁকড়া অথবা কুমিরের ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্যও দেখতে পাওয়া যায়।

কাটকা বিচ :
বাংলাদেশের উপকূলবর্তী পাঁচটি জেলা নিয়ে অবস্থিত সুন্দরবন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি। সমুদ্রমূখী সীমানা এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। ১৯৯৭ সালে সুন্দরবন ইউনেস্কোকর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সুন্দরবনে যতগুলো বৈচিত্রময় স্থান রয়েছে কাটকা তার মধ্যে অন্যতম।

দেখতে পাবেন
কাটকাতে ৪০ ফুট উচ্চ একটি টাওয়ার আছে যেখান থেকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। একটি সুন্দর সমুদ্র সৈকত আছে এখানে। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার হতে ফেরার সময় হেঁটে বীচের সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। কাটকা থেকে কাচিখালী (বাঘের জায়গা) পর্যন্ত প্রচুর ঘাস জন্মে বলে অনেক জীবজন্তুর আনাগোনা রয়েছে। এখানে প্রচুর জীবজন্তও দেখা যায়।

সুন্দরবন জামতলা সৈকত :
কটকা’র কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান জামতলা। জামতলায় রয়েছে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। যেখান থেকে বিস্তীর্ণ ছনক্ষেতে হাজার হাজার হরিণের ছোটাছুটি আবার কখনও রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখা যেতে পারে। কচিখালী আর কটকার ঠিক মধ্যবর্তী স্থানের নাম বাদামতলা। বাদামতলা অত্যন্ত নির্জন এক সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতটি জামতলা সৈকত নামেও পরিচিত। সিডরের আঘাতের চিহ্ন এই সবুজে ঘেরা অপরুপ সৌন্দর্যের সৈকতটিতে এখনো দেখা যায়। মংলা থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে কচিখালী। সমুদ্র সৈকতের প্রধান আকর্ষণ। কটকার জামতলা পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে কচিখালী সমুদ্র সৈকত হয়ে বন বিভাগের কচিখালী স্টেশন পর্যন্ত হাঁটা পথ। এ পথের পাশে ঘন অরণ্যে বাঘ, হরিণ, শূকর, বিষধর সাপ ইত্যাদির এক ছমছম পরিবেশ যা দুঃসাহসী পর্যটকদের জন্য মনোমুগ্ধকর। এ সৈকতে প্রায়ই বাঘের অনাগোনা দেখা যায়।

মান্দারবাড়িয়া সৈকত :
মান্দারবাড়িয়ার একদিকে সুন্দরবন অপরদিকে বঙ্গোপসাগরের মায়াবী জলরাশির অবিশ্রান্ত গর্জন যে কোন মানুষকেই দেবে অনির্বচনীয় আনন্দ। মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত প্রকৃতির অপরূপা সুন্দরবন ও উত্তাল বঙ্গোপসাগরের এক রূপসী কন্যা-যা এখনও কিছুটা অনাবিস্কৃত এবং অস্পর্শিত। এখানে দাঁড়িয়ে দেখা যাবে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর থেকে মান্দারবাড়িয়া ৭৫/৮০ কিলোমিটার দুরে। সাতক্ষীরা থেকে বুড়িগোয়ালিনীর দুরত্ব ৭৫ কিলোমিটার। বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর পর্যন্ত গাড়ীতে যাওয়া যায়, তার পরের ৭৫/৮০ কিলোমিটার যেতে হবে ইঞ্জিন চালিত নৌকা বা স্পীড বোটে। এই ৭৫/৮০ কিলোমিটার পথের পুরাটাই সুন্দরবনের বুক চিরে যাওয়া বিভিন্ন নদী।
সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি চর। নাম তার দুবলার চর। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। দ্বীপটি মূলত জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শুকানোর কাজ। লঞ্চ বা ট্রলারে করে শঅথ্য ৬/৭ ঘণ্টা দুরত্ব।

দুবলার চর :
দুবলার চর সুন্দরবনের অন্তর্গত একটি ছোট্ট চর। এই চরের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ছোট ছোট নদী; সেসব নদী মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। দুবলার চর একটু ভেতরে অবস্থিত বিধায় কোনো দশনার্থী সহজে এই চরে প্রবেশ করতে পারে না।
দুবলার চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অপরূপ মন মাতানো দৃশ্য সব পর্যটককে বিমোহিত করে। দুবলার চরের লোকসংখ্যা প্রায় ৬০০ জন। অধিকাংশই পেশায় মৎস্য শিকারি বা জেলে। অনেকে আবার কাঠ কিংবা বাঁশের ব্যবসাও করে। দুবলার চরের কিছু বাসিন্দা নৌকা চালানোয় খুবই পারদর্শী। তারা পর্যটকদের নৌকায় করে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখায়। দুবলার চরের চারদিকে রয়েছে অসংখ্য সুন্দরী ও কেওড়া গাছ। যে গাছগুলো তার গভীর মায়া-মমতায় জড়িয়ে রেখেছে দুবলার চরের প্রকৃতিকে। দুবলার চর অন্য যে কারণে বেশি বিখ্যাত তা হলো এর শুঁটকি মাছ। এই চরের শুঁটকি মাছের মধ্যে রয়েছেথ রূপচাঁদা, কোরাল, লইট্যা, ফাইস্যা ইত্যাদি।।

দুবলার চরে রয়েছে বিচিত্র ধরনের প্রাণী ও পশুপাখি। পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী হরিণের বসবাস রয়েছে দুবলার চরে। হরিণগুলো দুবলার চরের গহীনে বাস করে। এ কারণে শিকারিরা সহজে হরিণ শিকার করতে পারে না। ভয়ঙ্কর হলেও সত্য যে, দুবলার চরে রয়েছে ভয়াবহ জলদস্যু। তাই এখানে গেলে যথাযথ নিরাপত্তা নিয়ে এখানে যাওয়া উচিত। কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও দুবলার চর বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি চর। নাম তার দুবলার চর। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর দ্বীপটি মূলত জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শুকানোর কাজ। লঞ্চ বা ট্রলারে করে শঅথ্য ৬/৭ ঘণ্টা দুরত্ব।

সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বনাঞ্চল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও পারিপাশ্বিক অবস্থার কারণে এই বনের রয়েছে বিশ্বজুড়ে সুনাম। দুবলার চর সুন্দরবনের অন্তর্গত একটি ছোট্ট চর। এই চরের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ছোট ছোট নদী; সেসব নদী মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। দুবলার চর একটু ভেতরে অবস্থিত বিধায় কোনো দশনার্থী সহজে এই চরে প্রবেশ করতে পারে না।

দুবলার চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অপরূপ মন মাতানো দৃশ্য সব পর্যটককে বিমোহিত করে। দুবলার চরের লোকসংখ্যা প্রায় ৬০০ জন। অধিকাংশই পেশায় মৎস্য শিকারি বা জেলে। অনেকে আবার কাঠ কিংবা বাঁশের ব্যবসাও করে। দুবলার চরের কিছু বাসিন্দা নৌকা চালানোয় খুবই পারদর্শী। তারা পর্যটকদের নৌকায় করে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখায়। দুবলার চরের চারদিকে রয়েছে অসংখ্য সুন্দরী ও কেওড়া গাছ। যে গাছগুলো তার গভীর মায়া-মমতায় জড়িয়ে রেখেছে দুবলার চরের প্রকৃতিকে। দুবলার চর অন্য যে কারণে বেশি বিখ্যাত তা হলো এর শুঁটকি মাছ। এই চরের শুঁটকি মাছের মধ্যে রয়েছেথ রূপচাঁদা, কোরাল, লইট্যা, ফাইস্যা ইত্যাদি।।

দুবলার চরে রয়েছে বিচিত্র ধরনের প্রাণী ও পশুপাখি। পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী হরিণের বসবাস রয়েছে দুবলার চরে। হরিণগুলো দুবলার চরের গহীনে বাস করে। এ কারণে শিকারিরা সহজে হরিণ শিকার করতে পারে না। ভয়ঙ্কর হলেও সত্য যে, দুবলার চরে রয়েছে ভয়াবহ জলদস্যু। তাই এখানে গেলে যথাযথ নিরাপত্তা নিয়ে এখানে যাওয়া উচিত। কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও দুবলার চর বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি চর। নাম তার দুবলার চর। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। দ্বীপটি মূলত জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শুকানোর কাজ। লঞ্চ বা ট্রলারে করে শঅথ্য ৬/৭ ঘণ্টা দুরত্ব।

সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বনাঞ্চল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও পারিপাশ্বিক অবস্থার কারণে এই বনের রয়েছে বিশ্বজুড়ে সুনাম। দুবলার চর সুন্দরবনের অন্তর্গত একটি ছোট্ট চর। এই চরের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ছোট ছোট নদী; সেসব নদী মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। দুবলার চর একটু ভেতরে অবস্থিত বিধায় কোনো দশনার্থী সহজে এই চরে প্রবেশ করতে পারে না।

দুবলার চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অপরূপ মন মাতানো দৃশ্য সব পর্যটককে বিমোহিত করে। দুবলার চরের লোকসংখ্যা প্রায় ৬০০ জন। অধিকাংশই পেশায় মৎস্য শিকারি বা জেলে। অনেকে আবার কাঠ কিংবা বাঁশের ব্যবসাও করে। দুবলার চরের কিছু বাসিন্দা নৌকা চালানোয় খুবই পারদর্শী। তারা পর্যটকদের নৌকায় করে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখায়। দুবলার চরের চারদিকে রয়েছে অসংখ্য সুন্দরী ও কেওড়া গাছ। যে গাছগুলো তার গভীর মায়া-মমতায় জড়িয়ে রেখেছে দুবলার চরের প্রকৃতিকে। দুবলার চর অন্য যে কারণে বেশি বিখ্যাত তা হলো এর শুঁটকি মাছ। এই চরের শুঁটকি মাছের মধ্যে রয়েছেথ রূপচাঁদা, কোরাল, লইট্যা, ফাইস্যা ইত্যাদি।।

দুবলার চরে রয়েছে বিচিত্র ধরনের প্রাণী ও পশুপাখি। পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী হরিণের বসবাস রয়েছে দুবলার চরে। হরিণগুলো দুবলার চরের গহীনে বাস করে। এ কারণে শিকারিরা সহজে হরিণ শিকার করতে পারে না। ভয়ঙ্কর হলেও সত্য যে, দুবলার চরে রয়েছে ভয়াবহ জলদস্যু। তাই এখানে গেলে যথাযথ নিরাপত্তা নিয়ে এখানে যাওয়া উচিত। কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও দুবলার চর বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি চর। নাম তার দুবলার চর। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। দ্বীপটি মূলত জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শুকানোর কাজ। লঞ্চ বা ট্রলারে করে শঅথ্য ৬/৭ ঘণ্টা দুরত্ব।

সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বনাঞ্চল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও পারিপাশ্বিক অবস্থার কারণে এই বনের রয়েছে বিশ্বজুড়ে সুনাম। দুবলার চর সুন্দরবনের অন্তর্গত একটি ছোট্ট চর। এই চরের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ছোট ছোট নদী; সেসব নদী মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। দুবলার চর একটু ভেতরে অবস্থিত বিধায় কোনো দশনার্থী সহজে এই চরে প্রবেশ করতে পারে না।

দুবলার চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অপরূপ মন মাতানো দৃশ্য সব পর্যটককে বিমোহিত করে। দুবলার চরের লোকসংখ্যা প্রায় ৬০০ জন। অধিকাংশই পেশায় মৎস্য শিকারি বা জেলে। অনেকে আবার কাঠ কিংবা বাঁশের ব্যবসাও করে। দুবলার চরের কিছু বাসিন্দা নৌকা চালানোয় খুবই পারদর্শী। তারা পর্যটকদের নৌকায় করে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখায়। দুবলার চরের চারদিকে রয়েছে অসংখ্য সুন্দরী ও কেওড়া গাছ। যে গাছগুলো তার গভীর মায়া-মমতায় জড়িয়ে রেখেছে দুবলার চরের প্রকৃতিকে। দুবলার চর অন্য যে কারণে বেশি বিখ্যাত তা হলো এর শুঁটকি মাছ। এই চরের শুঁটকি মাছের মধ্যে রয়েছেথ রূপচাঁদা, কোরাল, লইট্যা, ফাইস্যা ইত্যাদি।।

দুবলার চরে রয়েছে বিচিত্র ধরনের প্রাণী ও পশুপাখি। পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী হরিণের বসবাস রয়েছে দুবলার চরে। হরিণগুলো দুবলার চরের গহীনে বাস করে। এ কারণে শিকারিরা সহজে হরিণ শিকার করতে পারে না। ভয়ঙ্কর হলেও সত্য যে, দুবলার চরে রয়েছে ভয়াবহ জলদস্যু। তাই এখানে গেলে যথাযথ নিরাপত্তা নিয়ে এখানে যাওয়া উচিত। কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও দুবলার চর বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি চর। নাম তার দুবলার চর। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। দ্বীপটি মূলত জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শুকানোর কাজ। লঞ্চ বা ট্রলারে করে শঅথ্য ৬/৭ ঘণ্টা দুরত্ব।

সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বনাঞ্চল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও পারিপাশ্বিক অবস্থার কারণে এই বনের রয়েছে বিশ্বজুড়ে সুনাম। দুবলার চর সুন্দরবনের অন্তর্গত একটি ছোট্ট চর। এই চরের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ছোট ছোট নদী; সেসব নদী মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। দুবলার চর একটু ভেতরে অবস্থিত বিধায় কোনো দশনার্থী সহজে এই চরে প্রবেশ করতে পারে না।

দুবলার চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অপরূপ মন মাতানো দৃশ্য সব পর্যটককে বিমোহিত করে। দুবলার চরের লোকসংখ্যা প্রায় ৬০০ জন। অধিকাংশই পেশায় মৎস্য শিকারি বা জেলে। অনেকে আবার কাঠ কিংবা বাঁশের ব্যবসাও করে। দুবলার চরের কিছু বাসিন্দা নৌকা চালানোয় খুবই পারদর্শী। তারা পর্যটকদের নৌকায় করে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখায়। দুবলার চরের চারদিকে রয়েছে অসংখ্য সুন্দরী ও কেওড়া গাছ। যে গাছগুলো তার গভীর মায়া-মমতায় জড়িয়ে রেখেছে দুবলার চরের প্রকৃতিকে। দুবলার চর অন্য যে কারণে বেশি বিখ্যাত তা হলো এর শুঁটকি মাছ। এই চরের শুঁটকি মাছের মধ্যে রয়েছেথ রূপচাঁদা, কোরাল, লইট্যা, ফাইস্যা ইত্যাদি।।

দুবলার চরে রয়েছে বিচিত্র ধরনের প্রাণী ও পশুপাখি। পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী হরিণের বসবাস রয়েছে দুবলার চরে। হরিণগুলো দুবলার চরের গহীনে বাস করে। এ কারণে শিকারিরা সহজে হরিণ শিকার করতে পারে না। ভয়ঙ্কর হলেও সত্য যে, দুবলার চরে রয়েছে ভয়াবহ জলদস্যু। তাই এখানে গেলে যথাযথ নিরাপত্তা নিয়ে এখানে যাওয়া উচিত। কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও দুবলার চর বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
কিভাবে যাবেন
বছরে সুন্দরবনে গড়ে দুই লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন। এর মধ্যে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ৩/৪ হাজার। এ খাত থেকে বছরে রাজস্ব আদায় হয় কোটি টাকার উপরে। বর্তমানে ছোট-বড় শতাধিক ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনে পর্যটন ব্যবসায় নিয়োজিত। তবে এগুলোর মধ্যে ২০ থেকে ২২টি মাত্র উন্নত সেবা প্রদান করে থাকে। যে কোন ট্যুর কোম্পানির সাথে চুক্তি করে সুন্দরবনে যাওয়া যায়। সুন্দরবনে যাওয়ার পর ট্যুর কোম্পানির লোকদের সহায়তায় কাটকাতে যাওয়া যায়। ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে কিংবা কমলাপুর থেকে খুলনা গামী ট্রেনে করে খুলনা গিয়ে সুন্দরবনে যাওয়া যায়। ভাড়া লাগতে পারে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন :
ট্যুরিস্ট ভেসেল বা নৌযান ছাড়াও সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে হিরণপয়েন্টের নীলকমল এবং টাইগার পয়েন্টের কচিখালী ও কাটকায় বন বিভাগের রেস্টহাউজে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। যার ফি নীলকমলে দেশি পর্যটকদের জন্য প্রতি কক্ষ তিন হাজার টাকা, চার কক্ষ ১২ হাজার টাকা। কচিখালী প্রতি কক্ষ তিন হাজার টাকা, চার কক্ষ ১০ হাজার টাকা। কটকা প্রতি কক্ষ দুই হাজার টাকা, দুই কক্ষ চার হাজার টাকা। বিদেশিদের ক্ষেত্রে নীলকমলে পাঁচ হাজার ও ২০ হাজার টাকা, কচিখালীতে পাঁচ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা এবং কাটকায় পাঁচ হাজার ও ১০ হাজার টাকা। সুন্দরবনের পাশে সাতক্ষীরা শহরে সাধারণ মানের হোটেল ও শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে এনজিও সুশীলনের রেস্টহাউস ও ডরমেটরিতে একক,পরিবার ও গ্রুপ নিয়ে থাকার সুবিধা রয়েছে। মংলায় আছে পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল,পশুর বন্দরে সাধারণ হোটেল আছে পর্যটকদের থাকার জন্য। খুলনা মহানগরে হোটেল রয়েল,ক্যাসেল সালাম,হোটেল টাইগার গার্ডেন,হোটেল ওয়েস্ট ইন্,হোটেল সিটি ইন,হোটেল মিলিনিয়াম ইত্যাদি মানসম্পন্ন হোটেল ছাড়াও সাধারণ মানের হোটেলে সুন্দরবনে ভ্রমণকারীরা অবস্থান করে থাকেন।

ভ্রমণ ফি :
অভয়ারণ্য এলাকায় প্রত্যেক দেশি পর্যটকের প্রতিদিনের ফি- ১৫০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রী- ৩০ টাকা,বিদেশি পর্যটক-১৫০০ টাকা। অভয়ারণ্যের বাইরে দেশি পর্যটক-৭০ টাকা ও বিদেশি- ১০০০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রী- ২০টাকা,গবেষক-৪০ টাকা। করমজল দেশি ২০ টাকা,বিদেশি ৩০০ টাকা।

যানবাহনের ভাড়া :
হেলিকপ্টার/সী প্লেন- এককালীন ৩০ হাজার টাকা,নবায়ন ফি ১০ হাজার টাকা। ১০০ ফুটের ঊর্ধ্বে লঞ্চ ১৫ হাজার টাকা,নবায়ন ফি চার হাজার টাকা,লঞ্চ ৫০ ফুট থেকে ১০০ ফুট এককালীন ১০ হাজার টাকা,নবায়ন ফি তিন হাজার টাকা। ৫০ ফুটের নিচে সাড়ে সাত হাজার টাকা ও নবায়ন ফি আড়াই হাজার টাকা, ট্রলার তিন হাজার টাকা ও নবায়ন- ১৫০০ টাকা। স্পিডবোট পাঁচ হাজার টাকা ও দুই হাজার টাকা। জালিবোট (ট্যুরিস্ট বোট) দুই হাজার টাকা ও এক হাজার টাকা। বন বিভাগের নির্দিষ্ট ভ্রমণ ফি ছাড়াও প্রতিদিন গাইড ফি ৫০০ টাকা, লঞ্চ ক্রু ফি ৭০ টাকা, নিরাপত্তা গার্ড ফি ৩০০ টাকা, টেলিকমিউনিকেশন ফি ২০০ টাকা, ভিডিও ক্যামেরা ফি দেশি পর্যটক ২০০ টাকা এবং বিদেশি পর্যটক ৩০০ টাকা। সুন্দরবনে রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে তীর্থ যাত্রীদের ফি তিন দিনের জন্য জনপ্রতি ৫০ টাকা,অনিবন্ধনকৃত ট্রলার ৮০০ টাকা,নিবন্ধনকৃত ট্রলার ২০০ টাকা এবং ট্রলারের অবস্থান ফি প্রতিদিন ২০০ টাকা।

ঢাকা থেকে যাওয়ার ব্যবস্থা :

ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন এবং লঞ্চে সরাসরি খুলনা যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
এসি এবং ননএসি দুধরনের বাসই চলাচল করে।
ঢাকা থেকে সোহাগ পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ এবং ঈগল পরিবহন নিয়মিত চলাচল করে খুলনার উদ্দেশ্য।
ভোর ৬ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত গাড়ীগুলো খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
ঢাকা থেকে সড়ক পথে খুলনা পৌছাতে সময় লাগে ৭ ঘন্টা ৪৫ মিনিট।
ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন কোম্পানীর লঞ্চ নিয়মিত যাতায়াত করছে খুলনার উদ্দেশ্যে।