মন পবনের নাও : নিকোলকন্টির দেখা ‘বাংলাদেশের টাইটানিক’

পনেরো শতকে এ দেশ সফর করেন নিকোলকন্টি। বাংলাদেশে তখন মুসলিম শাসনের স্বর্ণযুগ। এ সময় নিকোলকন্টি দেখেছেন বড় বড় জাহাজ। এ সব জাহাজের কোন কোনটি কুড়ি থেকে চব্বিশ জাহাজর মণ মাল বয়ে নিত। ইউরোপে এতবড় জাহাজ তিনি কখনো দেখেননি। সে কথাও বলেছেন নিকোলকন্টি। সে বিশাল জাহাজ যেন বাংলাদেশের টাইটানিক। এসব বড় জাহাজে পাঁচটি পাল আর পাঁচটি মাস্তুল থাকতো।

নিকোটকন্টির দেখা আমাদের জাহাজ। সে জাহাজের খোল তৈরি হতো তিন প্রস্থ মোটা কাঠ দিয়ে। জাহাজের এক অংশ ধ্বংস হলে বাকি অংশ ভেসে বেড়াতো সাগরে। দু’শ বছর আগের মার্কোপোলোর তথ্যের সাথে নিকোলকন্টির বিবরণের অনেক মিল।

নিকোলকন্টি লিখেছেন এদেশের অনেক বড় বড় সওদাগরের কথা। তাদের কারো কারো চল্লিশটি নিজস্ব জাহাজ ছিল। প্রতিটির দাম পনেরো হাজার স্বর্ণমুদ্রা। একেক জাহাজে করে তারা নানা দেশে পাড়ি দিতেন একেক পণ্য নিয়ে। এই বিবরণ বাংলার স্বাধীন মুসলিম সুলতানী আমলের।