মন পবনের নাও : সন্দ্বীপের জাহাজের তুরুস্ক যাত্রা

জাহাজ তৈরির বড় ও বিখ্যাত কেন্দ্র ছিল সন্দ্বীপ। সন্দ্বীপের কারগিরদের নাম-ডাক আর যশ ছড়িয়ে পড়েছিল দুনিয়ার নানান দেশে।

সন্দ্বীপে প্রচুর কাঠ পাওয়া যেত। তাই জাহাজ বানানোর সুবিধা ছিল অনেক। এখানকার জাহাজের দাম পড়ত কম। আর মানে-গুণে এ জাহাজ ছিল সেরা।

তুরুস্কের সুলতান তখনকার দুনিয়ার নেতা। তিনিও জেনেছিলেন সন্দ্বীপের জাহাজের খ্যাতি। সন্দ্বীপ থেকে অনেক জাহাজ তৈরি করিয়ে নেন তুর্কী সুলতান। এর আগে তুরুস্ক জাহাজ সংগ্রহ করতো মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া থেকে। আলেকজান্দ্রিয়ার জাহাজ সুলতানকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। কিন্তু বাংলাদেশের জাহাজ সুলতানকে মুগ্ধ করলো। জাহাজ নির্মাণের প্রতিযোগিতায় সন্দ্বীপ জয়ী হলো আলেকজান্দ্রিয়ার ওপর।

সন্দ্বীপের জাহাজের কথা লিখেছেন বিখ্যাত পর্যটক সিজার দি ফ্রেডারিক। ষোল শতকের এই পর্যটক সন্দ্বীপে দেখেছেন জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র। দেখেছেন জাহাজরে বিরাট বহর।

সন্দ্বীপ থেকে তখন লবণ রফতানি হতো। লবণ নিয়ে নানা জায়গায় যেত আমাদের জাহাজ। প্রতি বছর লবণ যেত দু’শ জাহজের বহরে।