মন পবনের নাও : তিনশ’ যুদ্ধ জাহাজ

নৌবহর সংস্কার ও পুনর্গঠনের জন্য শায়েস্তা খাঁ তাঁর সকল শক্তি কাজে লাগান। নাবিকদেরকে তিনি সংগঠিত করেন। তাদের খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজন মিটানোর ব্যাবস্থা করেন।

জাহাজ তৈরির জন্য প্রয়োজন নানা রসদ। সেই সাথে দরকার দক্ষ কারিগর। সবকিছুর দিকেই নযর ছিল শায়েস্তা খাঁ’র। নৌবহর গড়ে তোলা ছিল তার বিরাট সাধনা। শায়েস্তা খাঁ এক মুহূর্তও ভুলতেন না তার স্বপ্নের কথা।

হাকিম মোহাম্মদ হোসেন ছিলেন মনসবদার। মোগল বাহিনীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মচারী। তিনি ছিলেন ধর্মপরায়ণ; বিশ্বস্ত। শায়েস্তা খাঁ তাকেই জাহাজ নির্মাণ বিভাগের অধ্যক্ষ নিয়োগ করেন।

নৌ বিভাগের প্রতিটি পদে নিয়োগ করা হয় বাছাই করা কর্মচারী। শায়েস্তা খাঁ’র চেষ্টা ও পরিশ্রমে অল্পদিনের মধ্যেই তৈরি হয় বিরাট আকারের তিনশ’ যুদ্ধ জাহাজ। প্রতিটি জাহাজ ছিল উপযুক্ত যুদ্ধ সাজে সজ্জিত।