মন পবনের নাও : টাকায় আট মণ চাল

দেশীয় সামন্ত রাজাদের বিদ্রোহ। কিংবা মগ ও পর্তুগীজ জলদস্যুদের হামলা। শক্তিশালী নৌবাহিনীর সাহায্যে এসব সফলভাবেই মোকাবিলা করেন শায়েস্তা খাঁ। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, বুড়িগঙ্গা, কর্ণফুলি ও বঙ্গোপসাগরে বহু নৌযুদ্ধ হয়। সব যুদ্ধে শায়েস্তা খাঁ’র বাহিনী সাফল্যের পরিচয় দেয়।

শায়েস্তা খাঁ দেশে শান্তি স্থাপনে সক্ষম হন। শায়েস্তা খাঁ’র আমলে মানুষ সব দিক থেকেই শান্তিতে বাস করতো। জিনিস-পত্রের দাম ছিল খুব সস্তা। তখন এক টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত। আর জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য ছিল কম। ফলে দেশের মানুষ ছিল সুখী। এর পেছনেও বড় অবদান ছিল নৌকা ও জাহাজের। শায়েস্তা খাঁ’র জাহাজগুলির আকার কেমন ছিল? সে সম্পর্কেও লিখেছেন শিহাবুদ্দিন তালিশ।

সবচে’ বড় জাহাজের নাম ছিল সলব। তারপর ঘ্রাব, জলবা, কোশ। এছাড়া ছিল খালু ও ধুম। শায়েস্তা খাঁ’র নৌবহরের সবচে’ ছোট জাহাজটিও ছিল ‘বিশাল রণতরী’। এ থেকে বোঝা যায় বড়গুলি কত প্রকা- ছিল।

চট্টগ্রামের নৌযুদ্ধে এসব রণতরী ছাড়াও আরো কয়েক ধরনের জাহাজ ব্যবহার হতো। সে সব জাহাজের মধ্যে ছিল জঙ্গী, বাচারী ও পারেন্দা।