মসলিন ও রেশমের যাদু : মিসরের পিরামিডে ঢাকাই মসলিন

ঈসা (আঃ)-এর জন্মেরও দু’শ বছর আগের কথা। আমাদের দেশের সূতী কাপড় তখন গ্রীসের বাজারে বিক্রি হতো। গ্রীসের যুবকদের কাছে ঢাকার ‘ঝনা’ মলমল প্রিয় ছিল খুব। মলমল মানে মসলিন।

এদেশের কাপড় তখন রফতানী হতো আরব ও ইরানে। প্রাচীন আসিরিয়া, বেবিলন কিংবা রোম। ঢাকাই মসলিন প্রিয় ছিল সবখানে।

আমাদের মসলিনে জড়ানো মমি পাওয়া গেছে পিরামিডের দেশ মিসরে। পাহাড়ের ভেতর প্রাচীন কবরে।

সূক্ষ্ম মসলিন কিংবা শীত নিবারণী মোটা চাদর। সব কাপড়ের জন্য বিখ্যাত ছিল বাংলাদেশ।

এদেশের প্রায় সব জেলাই কোন না কোন কাপড় তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল। সবচে’ বশী সুনাম ছিল ঢাকাই মসলিনের। মসলিন ছিল দুনিয়ার বিস্ময়। মসলিনের পাশে রাখার মতো কাপড় আজো কোথাও তৈরি হয়নি। বিদেশীরা অবাক হয়ে এ কাপড়ের নাম দিয়েছিল ‘হাওয়াই ইন্দ্রজাল’।